Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, Parvez Ahmad/Drik/Getty Images
বাংলাদেশে দীর্ঘ সতের বছর পর আবার ক্ষমতায় ফিরে আসা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে পহেলা সেপ্টেম্বর। ১৯৭৮ সালের এ দিনে সেনাপ্রধান থেকে ক্ষমতায় আসা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থেকেই দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
বাংলাদেশের অন্যতম বড় এ রাজনৈতিক দলটি ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকার পর এবার ক্ষমতায় থেকেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে দলটির বর্তমান নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে।
এর আগে দলটির প্রয়াত চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বেশ কয়েকবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি।
এর নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা মনে করেন, দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর জেনারেল এরশাদের সেনাশাসনে দল কয়েক দফা ভাঙ্গলেও মূলত আওয়ামী লীগের শেষ ১৫ বছরেই দলটি সবচেয়ে প্রতিকূল ও বৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে।
তাদের মতে, প্রথমে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দল ভাঙ্গনের মুখে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ভাঙেনি। আবার দলটির চেয়ারম্যান কারাগারে ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিদেশে- বৈরি পরিবেশেও দলটি টিকে থেকে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৯৮১ সালে সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর পুরো আশির দশক জুড়ে সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় দলটি একাধিকবার ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে।
তবে ২০০৭ সালের পর সতের বছরে দলটি আরও বৈরি পরিবেশে পড়লেও দলটিতে তেমন কোনো ভাঙ্গন দেখা যায়নি।
কীভাবে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিল বিএনপি- এমন এক প্রশ্নের জবাবে দলটির সিনিয়র নেতাদের একজন ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন, “প্রয়াত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটির নীতি ও আদর্শ জন আকাঙ্ক্ষার সাথে মিলে কাজ করেছে, যে কারণে কঠিন পরিস্থিতিতেও দলটির প্রতি জনসমর্থন ছিল দৃশ্যমান। সেটিই বিএনপিকে বৈরি পরিবেশে টিকিয়ে রেখেছে”।
ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images
ক্ষমতা হারানো, বিপর্যয় ও পুনরুত্থান
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জেনারেল এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপি। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের মুখে দাবি মেনে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল ১৯৯৬ সালের মার্চে।
পরে আবার আওয়ামী লীগকে হারিয়ে ২০০১ সালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় ফিরেছিল দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে।
কিন্তু ওই সরকারের আমলেই তখনকার বিরোধী দলীয় নেত্রীর সমাবেশে গ্রেনেড হামলা, দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা, বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের উত্থানসহ বিভিন্ন ঘটনা ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল।
তবে সবচেয়ে বেশি সংকট তৈরি হয়েছিল সংবিধান সংশোধন করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসর নেবার বয়স ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ করার কারণে। এর পেছনে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ইচ্ছে লুকায়িত ছিল বলে অনেকে মনে করেন।
এ নিয়ে রাজনৈতিক সংকটের জের ধরে সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান দায়িত্ব নিতে অপারগতা জানালে ২০০৬ সালের অক্টোবরে চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হয়েছিলেন তখনকার রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ।
কিন্তু এরপর রাজনৈতিক সহিংসতা আরও ব্যাপক হয়ে ওঠলে এক পর্যায়ে ক্ষমতায় আসেন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, যার মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে বিএনপির সব ধরনের নিয়ন্ত্রণের কার্যত অবসান ঘটে।
এরপর ওই সরকারের দুই বছরে তখনকার বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে কারাগারে নেওয়া হয়। জেলে যান দল দুটির অনেক নেতাই।
ওই সময়ে আটক হয়ে কারাগারে দিয়ে পরে চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। পুরো আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি আর ফিরে আসেননি।
এরপর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় আর শোচনীয় পরাজয় ঘটে বিএনপির।
এরপর আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সরিয়ে দিলে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিয়েছিল কয়েকটি দলের সাথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করে ।
কিন্তু ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের সেই নির্বাচন শেষ পর্যন্ত দলটি প্রত্যাখ্যান করে। আওয়ামী লীগ আমলের সবশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনেও অংশ নেয়নি বিএনপি ও সমমনা দলগুলো।
ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images
আবার এসব একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে খুব বেশি কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার সাংগঠনিক দক্ষতারও প্রমাণ দিতে পারেনি বিএনপি।
রাজনৈতিক কর্মীদের মতে, দলটির জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা ছিল ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি দুর্নীতি মামলায় সাজা দিয়ে দলটির তখনকার চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানোর ঘটনা।
তার বিরুদ্ধেও খুব একটা প্রতিবাদ প্রতিরোধ বিএনপি তৈরি করতে পারেনি বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। তখন থেকেই লন্ডনে থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে কার্যক্রম শুরু করেন তার ছেলে তারেক রহমান।
এরপর শর্ত সাপেক্ষে নির্বাহী আদেশে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে বাসায় বন্দি থাকা খালেদা জিয়ার চূড়ান্ত মুক্তি ঘটেছিল ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কয়েকঘণ্টা পর রাষ্ট্রপতির আদেশে।
গত ডিসেম্বরে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন তারেক রহমান। তার কয়েকদিন আগেই তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের দুই মাস আগে গত বছরের ডিসেম্বরে।
পরে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসে তার দল বিএনপি।
বিএনপি বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ‘বিএনপির প্রায় ৪০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ৬০০ নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে’।
কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে তখন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মত কোনো পরিস্থিতি বিএনপি রাজনৈতিকভাবে গড়ে তুলতে পারেনি।
পাশাপাশি দুটি নির্বাচন বর্জন, একটিতে অংশ নিয়েও ব্যাপক কারচুপির মুখে প্রত্যাখ্যান, চেয়ারপার্সনের জেলে যাওয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্বাসন – এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও দলটি এককভাবে অনেকবার আন্দোলন কর্মসূচি দিলেও শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে।
অর্থাৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির আন্দোলন কিংবা সরকার পতনের ডাক খুব একটা জোরালো হয়ে উঠতে দেখা যায়নি আওয়ামী লীগের সময়ে।
এর মধ্যেও দেড় দশকের এই কঠিন পরিস্থিতি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি কীভাবে সামাল দিয়েছে জানতে চাইলে দলটির সর্বোচ্চ ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সিনিয়র নেতা ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন যে, দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
“আসলে শুরু থেকেই দলটির নীতি ও আদর্শ দেশের মানুষ পছন্দ করেছে। খালেদা জিয়া স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে দলটিকে তৃণমূলে নিয়ে গেছেন। তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়েছেন। কখনো কখনো নানা ভুলভ্রান্তি হলেও শেষ পর্যন্ত বিএনপি জনগণের সাথে ছিল। ফলে কঠিন সময়েও দল আর ভাঙ্গনের মুখে পড়েনি, দলীয় সংহতি অটুট ছিল,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।
ছবির উৎস, Getty Images
এর আগে ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদের হাতে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিএনপি বেশ কয়েক দফা ভাঙ্গনের মুখে পড়েছিল। দলের তখনকার বেশ কিছু বড় নেতা দল ত্যাগ করেছিলেন।
মোশাররফ হোসেন বলছেন, “তখন বিএনপির অনেকেই বিভিন্ন দল বা বিভিন্ন পেশা থেকে এসেছিলেন। তারা অনেকে চলে গেছেন। কিন্তু গত সতের বছরে বিএনপির প্রাণ ছিল বিএনপিতেই ছাত্র ও যুব সংগঠনের মাধ্যমে তৈরি হওয়া নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা। ফলে এবার আর দলীয় ঐক্য নষ্ট হয়নি। তারাই দল ভাঙ্গনের কিছু চেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়েছিল। আর এই ঐক্যই দলের বিপর্যয় কাটাতে মূল ভূমিকা রেখেছে”।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ডঃ মাহবুব উল্লাহ বলছেন, রাজনৈতিক দলের ঐক্য নির্ভর করে সেই দলের কর্মীরা আদর্শের বিষয়ে কতটা দৃঢ় থাকেন তার ওপর।
“বিএনপিতে সেই আদর্শিক সংহতি গড়ে ওঠেছে। ফলে সতের বছরে সরকারের প্রচণ্ড দমন নীতি ও বৈরিতার মুখেও তারা লক্ষ্যে অটুট থাকতে পেরেছে। আমার মনে হয় সরকারের বৈরিতাই বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কঠিন পরিস্থিতিতেও এক থাকতে উদ্বুদ্ধ করেছে,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।
তার মতে, বিএনপি কর্মী সমর্থকরাও গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে মানুষের প্রত্যাশাটাও উপলব্ধি করতে পেরেছিল। “এটি তাদের সাবধানীও করেছে আবার সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধও করেছে। ফলে সময়টা কঠিন গেলেও শেষ পর্যন্ত দল তা মোকাবেলা করে আবার মানুষের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে”।
আরেকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক মহিউদ্দিন আহমদও বলছেন, যে পরিস্থিতিতে পড়লে একটি দল ভেঙ্গে যেতে পারে তেমন পরিস্থিতিতেই বিএনপি ছিল গত ১৭ বছর। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে এরশাদ আমলে দল ভাঙ্গলেও এবার ভাঙেনি।
“মূল নেতৃত্ব অনুপস্থিত। চেয়ারপার্সন জেলে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাসনে। এমন পরিস্থিতি দলটি মোকাবেলা করেছে মূলত দলটির মধ্যপন্থী বৈশিষ্ট্যের কারণে। কারণ আওয়ামী লীগ ও ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মাঝে মধ্যপন্থী দল হিসেবে বিএনপির একটি চাহিদা ছিল ও আছে। বিএনপি নিজেও সেটি অনুধাবন করতে পেরেছে। সেজন্যই তারা জোরালোভাবেই তাদের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।
মি. আহমদ বলেছেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপি কয়েকবার যেমন ভেঙ্গেছে, তেমনি এর নেতৃত্বের উত্তরাধিকার নিয়েও প্রশ্ন ছিল। কিন্তু তারেক রহমানের মধ্য দিয়ে দলটি সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়েছে, যা দলটিকে তাদের সংকটকালে ঐক্যবদ্ধ রেখেছে বলে মনে করেন তিনি।
“খালেদা জিয়া এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দলটাকে সংহত করেছিলেন। ওই আন্দোলনের মাধ্যমে দলের নিজের কর্মী, সমর্থক ও নেতা তৈরি হয়েছিল। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে দল তৈরি হয়েছে সেটা আর ভাঙেনি খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের কারণে। এটাই বড় ভূমিকা রেখেছে গত সতের বছরেও,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।
ছবির উৎস, Getty Images
দলের কর্মী সমর্থকদের অনেকেও মনে করেন, হয়তো ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন বিএনপি ঘটায়নি। কিন্তু ১৭ বছরে যে নির্যাতন নিপীড়ন তারা সহ্য করেছেন সেটিই দলকে শক্তিশালী করেছে।
ফরিদপুরের একজন বিএনপি সমর্থক মিরাজুল হাসান। স্কুলজীবনে ছাত্রদলের সমর্থক ছিলেন। এরপর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পেরিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেন। মাঝে মধ্যে বিএনপির সভা সমাবেশে যান।
তার মতে, “গত সতের বছরে বিএনপির অগ্নিপরীক্ষা হয়েছে। অভিজ্ঞতা হয়েছে ক্ষমতা হারানোর পর চরম বিপর্যয়ে পড়া এবং তা থেকে উত্তরণের পর আবার ক্ষমতায় আসার। আমি মনে করি বিএনপি এখন বিএনপি প্রজন্মের দলে পরিণত হয়েছে। দলের সর্বোচ্চ ফোরামে পর্যন্ত উঠে এসেছে ছাত্রদল থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব”।
আর ভোলার একজন যুবদল কর্মী আমিনুল ইসলাম বলছেন, রাষ্ট্রীয় নির্যাতন নিপীড়নের অভিজ্ঞতা দলটির সারাদেশে নেতাকর্মীদের হয়েছে।
“তবে এটি দলের মধ্যে বন্ডিং আরও শক্তিশালী করেছে। আমরা একসাথে জেলে গেছি, একসাথে হামলায় পড়েছি আবার একসাথে ঘুরে দাঁড়িয়েছি,” বলছিলেন তিনি।




