Home rss world bengali দেখুন: ক্যারিবিয়ানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাণঘাতী কাইনেটিক স্ট্রাইকে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকা ধ্বংস,...

দেখুন: ক্যারিবিয়ানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাণঘাতী কাইনেটিক স্ট্রাইকে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকা ধ্বংস, নিহত ৪

6
0

মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান সাগরে একটি ড্রোন হামলা চালিয়ে মাদক পাচারে জড়িত বলে সন্দেহ করা একটি নৌযান ধ্বংস করেছে, এতে চারজন নিহত হয়েছে। এই ঘটনা লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ানজুড়ে মাদক পাচারের রুটের বিরুদ্ধে Trump administration-এর জোরদার অভিযানের সর্বশেষ অগ্রগতি।

## কী ঘটেছে

মঙ্গলবার, U.S. Southern Command ঘোষণা করে যে Joint Task Force Western Hemisphere ক্যারিবিয়ানে প্রতিষ্ঠিত মাদক পাচারের রুটে চলাচলকারী একটি দ্রুতগতির নৌযানের বিরুদ্ধে “lethal kinetic strike” পরিচালনা করেছে। X-এ শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দ্রুতগতিতে চলা নৌযানটির দৃশ্য এবং তার পরপরই আঘাত হানার মুহূর্ত দেখা যায়।

কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, গোয়েন্দা তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নৌযানটি মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে নৌযানে কী ধরনের পণ্য ছিল বা নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

## হতাহত ও প্রেক্ষাপট

– U.S. military-এর ভাষায় “narco-terrorists” হিসেবে বর্ণিত চারজন এই হামলায় নিহত হয়েছে।
– পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে আরও একটি মার্কিন হামলায় দুই সন্দেহভাজন পাচারকারী নিহত হওয়ার মাত্র দুই দিন পর এই অভিযান চালানো হলো।
– Trump administration প্রায় এক বছর আগে সন্দেহভাজন পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার পর থেকে 68টি নৌযানে হামলায় অন্তত 227 জন নিহত হয়েছে।

## আইনি, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত প্রশ্ন

এই হামলাগুলো মানবাধিকার সংগঠন ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে এসব হামলা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শামিল হতে পারে। নৌযানগুলোতে মাদক ছিল কি না, অথবা হামলাগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইনি মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছিল কি না—এ বিষয়ে সামরিক বাহিনী এখনো সরকারি নথিতে কোনো স্পষ্টতা দেয়নি।

এদিকে, administration officials দাবি করছেন, যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের প্রবাহ থামানো এবং অতিরিক্ত মাদক গ্রহণজনিত মৃত্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রাণঘাতী পদার্থের আমদানি বন্ধ করতে এই অভিযানগুলো প্রয়োজনীয়।

## U.S. Government-এর কৌশল ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

President Donald Trump লাতিন আমেরিকার মাদক কার্টেলগুলোর সঙ্গে একটি “armed conflict” ঘোষণা করেছেন এবং পাচার নেটওয়ার্ক ব্যাহত করতে এসব kinetic strike-কে অপরিহার্য হিসেবে দেখছেন।
এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকার সরকারগুলোর সহযোগিতা পাওয়ার চেষ্টা করেছে, যাতে তাদের ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান পরিচালনার অনুমতি পাওয়া যায়। জানা গেছে, Colombia, Guatemala এবং Honduras—তিন দেশই এমন যৌথ অভিযান পরিচালনার অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে পরে Guatemala কোনো চুক্তি হওয়ার কথা অস্বীকার করে।

এর বিপরীতে, Ecuador মার্চের শুরু থেকেই U.S. support নিয়ে একই ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান শুরু করে।

## চলমান নজরদারি ও কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্ক

আইন বিশেষজ্ঞ ও আইনপ্রণেতারা এসব হামলা কোন কর্তৃত্বের আওতায় অনুমোদিত হয়েছে এবং তা U.S. ও international law মেনে পরিচালিত হয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখছেন। Pentagon-এর inspector general মে মাসে জানিয়েছিলেন যে অভিযানগুলোর সময় সামরিক বাহিনী তাদের ছয় ধাপের Joint Targeting Cycle অনুসরণ করেছিল কি না, তা পর্যালোচনা করা হবে। তবে ওই পর্যালোচনার লক্ষ্য হামলাগুলো নিজেই আইনসম্মত ছিল কি না, তা নির্ধারণ করা নয়।

কিছু বিশ্লেষক fentanyl-এর মতো synthetic opioids পাচার ঠেকাতে নৌবাহিনীর হামলা ব্যবহারের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এসব মাদক প্রায়ই সমুদ্রপথে নয়, বরং Mexico থেকে স্থলপথে পরিবহন করা হয়—যেখানে China ও India থেকে আমদানি করা precursor chemicals ব্যবহার করে এগুলো তৈরি করা হয়।

বিতর্ক সত্ত্বেও, U.S. government তাদের মাদক সরবরাহ চেইন ব্যাহত করার কৌশলের আওতায় এসব পদক্ষেপকে উপযুক্ত ও আইনসম্মত বলে দাবি করে চলেছে। অভিযান অব্যাহত থাকায় আইনি জবাবদিহি, রাজনৈতিক ঝুঁকি ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত উদ্বেগগুলো নীতিগত বিতর্কের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত রয়েছে।

এই নিবন্ধটি AI-generated content। এই নিবন্ধের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অনুগ্রহ করে স্বাধীনভাবে তথ্য যাচাই করুন।