Home LATEST NEWS BANGLA নিখোঁজ শিশুর জন্য অপেক্ষা-উদ্বেগ, কী করছে পুলিশ?

নিখোঁজ শিশুর জন্য অপেক্ষা-উদ্বেগ, কী করছে পুলিশ?

5
0

Source : BBC NEWS

ছবি হাতে নিয়ে নিখোঁজ হাবিবুল্লাহ নাঈমের মা শরিফা খাতুন

“আমার যদি সহায় সম্পত্তি সব লাগে তাও দিতে রাজি, আমি ভিক্ষা করে খাবো, তাও আমার বাচ্চাকে আমি ফেরত চাই, আমার চোখের মনিকে আমি ফিরিয়ে চাই। আমি আর কিচ্ছু চাই না…” হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে উদ্ধারের আকুতি জানিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে একথা বলছিলেন নিখোঁজ শিশু হাবিবুল্লাহ নাঈমের মা শরিফা খাতুন।

গত ১৭ই সেপ্টেম্বর ঢাকার খিলক্ষেতের ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি নাঈম।

রাজধানীর কুর্মিটোলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র হাবিবুল্লাহ নাঈমকে মরিয়া হয়ে খুঁজছেন তার মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন। থানা, পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার দ্বারে দ্বারে যাওয়ার কথা জানান তারা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিখোঁজ শিশুদের সন্ধান নিয়ে কাজ করা প্ল্যাটফর্ম ‘মুন এলার্ট’-এও নাঈমকে উদ্ধারে সহায়তা চেয়ে একটি পোস্ট করা হয়, যেটি অনেকেই শেয়ার করছেন।

নিখোঁজ নাঈমের সঙ্গে একটি সেলফোন ফোন রয়েছে। সেই নম্বর থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি ফোন করে অর্থ দাবি করেছে বলেও জানিয়েছে তার পরিবার।

টাকা দাবি করার কারণে ছেলের নিরাপত্তা নিয়ে মারাত্মক উদ্বিগ্ন এবং উৎকণ্ঠায় থাকার কথা বলছেন নাঈমের পরিবার ও স্বজনরা।

থানায় নিখোঁজের জিডি করার পর পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যারা টাকা দাবি করেছে তাদের সন্ধান করা হচ্ছে। আর যে নম্বর থেকে ফোন এসেছে সেটার অবস্থান শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে, নাঈমকে খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা।

কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, শিশুটি হারানোর ২৪ ঘণ্টার না পার না হওয়ার কথা বলে শুরুতে জিডি নিতে চায়নি পুলিশ।

তাদের প্রশ্ন, ছেলের মোবাইল নম্বর থেকে যেহেতু ফোন এসেছে সেটি শনাক্ত করা যাচ্ছে না কেন? এটি সরকারের সক্ষমতার ঘাটতি নাকি অবহেলা– সেই প্রশ্নও তুলেছে পরিবার।

ছয় মাস ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র

ঢাকার দক্ষিণখান এলাকার নিজ বাসা থেকে নামাজ পড়তে বেরিয়ে আর ফেরেনি আরাফাত হোসেন রিয়াদ। ১৩ বছর বয়সী রিয়াদ চলতি বছর ২৮শে মার্চ থেকে নিখোঁজ।

পরিবার বলছে গত ছয় মাসে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় হন্যে হয়ে রিয়াদকে খুঁজে বেড়াচ্ছে তারা। ছেলের সন্ধানে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন রিয়াদের বাবা আনোয়ার হোসেন।

তার দুশ্চিন্তা ছেলে জীবিত নাকি মৃত, কোথায় আছে, আদৌ বেঁচে আছে কি না। নিখোঁজ রিয়াদের বাবা আনোয়ার হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, যে জায়গায় যাই তাকে খুঁজি।

“এই কষ্ট বলার মতো না ভাই। সবখানে গেছি। দিনাজপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রামেও গিয়েছি ছেলের জন্য। একটা ছেলে মারা গেলেও সান্ত্বনা দেওয়া যায়, কিন্তু যখন হারিয়ে যায় তার কষ্ট মেনে নে্য়ার কঠিন। ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। সে কী খাচ্ছে, কোথায় থাকছে এগুলো যখন ফিল করি, এই কষ্ট বলে বোঝানো যাবে না।”

ছেলের ছবি হাতে রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে নিখোঁজ রিয়াদের বাবা আনোয়ার হোসেন

রিয়াদের পরিবার বলছে দক্ষিণখান থানায় জিডি করতে গেলে আপত্তি করেনি পুলিশ, কিন্তু ছেলেকে খুঁজে বের করতে চেষ্টার ঘাটতির অভিযোগ তাদের।

এলাকার বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ নিয়ে তদন্ত করলে তার ছেলে কারো সঙ্গে গিয়েছে কি না বা কোন দিকে গিয়েছে সেটি বের করা সম্ভব ছিল বলে উল্লেখ করে আনোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ তদন্ত করতে তার এলাকায় কখনোই যায়নি।

সম্প্রতি দক্ষিণখান থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করার কথাও জানান আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, নতুন যোগ দেওয়া অফিসার ইনচার্জ জানান, তার ছেলের নিখোঁজের বিষয়টি তিনি জানেনই না।

পরে জিডির একটি কপি সংগ্রহ করে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন ওসি।

শিশু নিখোঁজ ঘিরে উদ্বেগ

বাংলাদেশে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কুমিল্লায় একটি শিশু নিখোঁজের পর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হারিয়ে যাওয়া শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে।

হারানো শিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মুন এলার্ট জানায় গত দুই সপ্তাহে হারিয়ে যাওয়ার পর পাঁচটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসেবে বাংলাদেশে চলতি বছর প্রথম আট মাসে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের অন্তত ৩৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তরের হিসেবে গত ছয় মাসে হারিয়ে যাওয়া ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশুর মধ্যে দুই হাজার ৩৮টি শিশুর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। যাদের পরিবারগুলো সন্তানের খোঁজে ঘুরছে মাসের পর মাস।

পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি মাসে গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার শিশু নিখোঁজের জিডি হয়। তবে এর মধ্যে নব্বই থেকে পঁচানব্বই শতাংশ শিশু উদ্ধার হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি বা জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ৭১৭টি। এর মধ্যে দুই হাজার ৩৮টি শিশু উদ্ধার হয়নি। যার মধ্যে ৬৮টি শিশুর বয়স শূন্য থেকে নয় বছর; আর ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সের শিশুর সংখ্যা এক হাজার ৯৭০।

মুন এলার্ট সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা সাদাত রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তায় পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সমন্বিত চেষ্টা সতর্কতা এবং সরকারের বিশেষ তৎপরতা জরুরি।

“এত যে বাচ্চা নিখোঁজ হয় এটা প্রত্যেকটা দেশে একই চিত্র। বেশিরভাগ বাচ্চা উদ্ধার হয়। কারণ এ বাচ্চাগুলো পড়াশোনার চাপে, অথবা বাবা-মায়ের সঙ্গে রাগ করে বা ভয়ে-আতঙ্কে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হয়তো দুই-তিন দিন বা একসপ্তাহ পরে পাওয়া যায়। কিন্তু আমাদের কাজ করতে হবে ওই ১০ পার্সেন্ট বা ১৩ পার্সেন্ট যে বাচ্চাগুলোর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না তাদের নিয়ে”।

“এখন থানা পুলিশ চিন্তা করে যে পাঁচটা বাচ্চাতো নিখোঁজ হয়েছিল, চলে এসেছে; এ বাচ্চাও মনে হয় তাই। এজন্য তারা জিডি নিতে চায় না। আমরা এরকম দেখেছি যে চব্বিশ ঘণ্টায় জিডি নেয় নাই, ৪৮ ঘণ্টায় ডেডবডি উদ্ধার হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিশাতের।”

জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাদাত রহমান

বাংলাদেশে নিখোঁজ শিশুদের অনেককে অপহরণ, পাচারের শিকার হতে, এমনকি অপরাধ চক্রের টার্গেট হতেও দেখা যায়। যে কারণে বলা হচ্ছে শিশুদের নিয়ে পরিবারকে যেমন সতর্ক ও সাবধান হতে হবে, তেমনি হারানো শিশু উদ্ধারে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিও জরুরি।

সাদাত রহমান বলেন, “শিশু উদ্ধারে একটা বিশেষ যদি ইউনিট গঠন করে তাহলে আমরা মিসিং বাচ্চাদের দ্রুত খুঁজে বের করতে পারবো”।

শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ‘জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশন’-এরও প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট সাদাত রহমান। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, সারা বিশ্বে শিশু নিখোঁজ একটা উদ্বেগজনক বিষয়। হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধারে অ্যালার্ট সিস্টেম থাকে, বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

“আমরা গত ১১ দিনে যে কয়টা অ্যালার্ট দিয়েছিলাম এরমধ্যে পাঁচটা শিশু মারা গিয়েছে। এরমধ্যে তিনটা ছেলে দুইটা মেয়ে। যেগুলো হয়তো যদি পুলিশের স্পেশালাইজ কোনো টিম থাকতো তাহলে দ্রুত উদ্ধার করা যেত”।

“আমরা এখন ভয় পাই। আমরা যখন একটা অ্যালার্ট ইস্যু করি, তখন ভয়ে থাকি যে আসলেই শিশুটিকে উদ্ধার করা যাবে কি না। সব থেকে বড় কথা, আমরা ফেসবুকে অ্যালার্ট দিচ্ছি, মানুষ শেয়ার দিচ্ছে; কিন্তু পুলিশের যেভাবে কাজ করার কথা সেভাবে কাজ করছে না।”

পুলিশ কী বলছে

পুলিশ সদরদপ্তরের হিসেবে বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের একটা ধারাবাহিকতা রয়েছে। প্রতিবছর অনেক শিশু নিখোঁজের জিডি হয় এবং ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ শিশু উদ্ধার হয়।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে পুলিশ সদরদপ্তর জানিয়েছে, শিশু নিখোঁজ সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি নিরসন এবং অধিকতর স্পষ্টীকরণের লক্ষ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করেছে।

এতে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের জিডি হয়েছে ৪৭৪টি, উদ্ধার হয়েছে ৪০৬ জন, উদ্ধার হয়নি ৬৮ জন। একই সময়ে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু নিখোঁজ হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩, উদ্ধার হয়েছে ১৩ হাজার ২৭৩ জন, উদ্ধার হয়নি এক হাজার ৯৭০ জন।

আলোচ্য সময়ে মোট ১৫ হাজার ৭১৭ নিখোঁজ শিশুর মধ্যে উদ্ধার হয়নি দুই হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজের শতকরা ১৩ ভাগ।

নিখোঁজ হওয়ার কারণ হিসেবে দেখা যায়, শূন্য থেকে ৯ বছরের শিশুরা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে ঘুরতে গিয়ে পথঘাট ভুলে যাওয়া, পরিবারের সদস্যদের নাম ঠিকানা বলতে না পারা এবং একাকী বাসায় ফিরতে গিয়ে অন্য স্থানে চলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে নিখোঁজ হয়।

আবার ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীরা অভিমান করে, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীন জীবন-যাপনের আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ বা অন্য কোনো সুবিধা আদায়ের কৌশল, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাব ইত্যাদি কারণে নিখোঁজ হয়।

বাংলাদেশে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের জন্য ২০২৩ সালে নিখোঁজ জিডি হয়েছে ১৭ হাজার ৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬ হাজার ৪১৪টি এবং ২০২৫ সালে ২২ হাজার ৫৫০টি।

পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি মিডিয়া অ্যান্ড পিআর এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন

শিশু হারিয়ে যাওয়ার ঘটনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে পুলিশের বিশেষ কোনো ইউনিট নেই যারা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করতে পারবে। এছাড়া নিখোঁজ পরিবার জিডি করতে গেলেও থানাভেদে ১২-২৪ ঘণ্টা না পেরুলে জিডি নেওয়া হয় না এমন অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি মিডিয়া অ্যান্ড পিআর এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বিবিসি বাংলাকে বলেন, জিডি গ্রহণ করা না হলেও অনুসন্ধান তৎপরতা রিপোর্টের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়।

“অনেকসময় পারিবারিক, সামাজিক, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা বাচ্চার হচ্ছে স্কুল থেকে না ফিরে দাদা বা নানার বাসায় চলে গেছে। জিডি নেওয়ার সাথে সাথে যদি পাওয়া যায় সেকারণে বলা হয় আপনি একটু অপেক্ষা করেন আমরা খোঁজ খবর করছি। জিডি একটা প্রক্রিয়ার বিষয়। আর অনলাইনে জিডি সবসময় করা যায় আশা করি শিগগিরই শিশু নিখোঁজের জিডি অনলাইনে করতে পারবেন”।

মি. হোসাইন বলছেন, নিখোঁজ শিশুদের জিডি নিষ্পন্ন হার নব্বই শতাংশ। অনেক সময় শিশুদের সম্পর্ক মেনে নিতে চান না সেকারণে জিডিগুলো অনিষ্পন্ন থাকে। আমরা চেষ্টা করি সবগুলো নিখোঁজ জিডি নিষ্পন্ন করতে। কিছু নিখোঁজ এরমধ্যে হত্যাকাণ্ডের শিকার হলে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করি।

“শতকরা ৯০ ভাগ সবসময়ই আমাদের উদ্ধার থাকে। তারপরেও কিছু শিশু মিসিং থাকে। পরবর্তীতে আমরা সেটা হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করি যদি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে কখনোই এটা নিষ্পত্তি হয় না। যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়।”

বাংলাদেশ পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি মিডিয়া বলছেন, নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে ভবিষ্যতে আন্তঃবাহিনীর সমন্বয়ে একটা কমান্ড সেন্টার বা কন্ট্রোল সেন্টার তৈরি করার উদ্যোগ এবং পরিকল্পনা আছে।