Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘আরও একটি মেট্রোরেলের কাজ গতি পাচ্ছে’

পত্রিকা: ‘আরও একটি মেট্রোরেলের কাজ গতি পাচ্ছে’

6
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Another metro getting on track অর্থাৎ আরও একটি মেট্রোরেলের কাজ শুরু হতে চলেছে।

এমআরটি-৫ এর দক্ষিণাঞ্চলীয় রুটের প্রকল্পটি আগামী সপ্তাহে অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিমতে (একনেক) উপস্থাপন করা হবে।

৪৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৭ দশমিক দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি হবে মাটির নিচে। এটি হবে বিএনপি সরকারের আমলে অগ্রসর হওয়া হওয়া প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্প।

প্রকল্পে অর্থায়ন করবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়া। এডিবি সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে আগামী অর্থবছরে ৩০০ মিলিয়ন বা ৩০ কোটি ডলারের প্রথম কিস্তি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়া দেবে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ১৫০ কোটি ডলার।

এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে এই মাস থেকে শুরু করে ২০৩৩ সালের অগাস্ট পর্যন্ত।

দ্য ডেইলি স্টার
দেশ রূপান্তর

এতে বলা হয়েছে, ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ওয়ান-ইলেভেন’ নামেই পরিচিত। তৎকালীন সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহায়তায় ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল অরাজনৈতিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

সেই সরকারের অধীনে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ বাস্তবায়ন চেষ্টা করা হয়। তখন রাজনৈতিক নেতা, শীর্ষ শিল্পপতি-ব্যবসায়ীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন এবং তাদের কাছে থেকে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। ওয়ান-ইলেভেনের নেপথ্যে থাকা কুশীলব ও তাদের সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

ইতোমধ্যে মাস্টারমাইন্ড ও প্রভাবশালী ব্যক্তি অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা।

জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অনেক রাঘববোয়ালের নামও বলে দিয়েছেন। তথ্য পেয়ে তাদের প্রোফাইল তৈরির কাজ গুছিয়ে এনেছে গোয়েন্দারা।

যারা দেশে আছে তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আর যারা বিদেশে আছে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। সরকারের হাইকমান্ডের গ্রিন সিগন্যাল পেলেই চিঠি পাঠাবে ইন্টারপোলে।

টাইমস অফ বাংলাদেশ

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Indoor air pollution, the danger lurking inside homes।অর্থাৎ বাসাবাড়ির ভেতরের বায়ুদূষণও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠছে।

শহরের বাইরের ধুলা ও দূষণ এড়াতে ঘর পরিষ্কার রাখলেও অনেক ক্ষেত্রে ঘরের ভেতরেই দূষিত বাতাস জমে থাকে।

ঢাকার বাসাবো এলাকার গৃহিণী তানবীন সুলতানা দীর্ঘদিন ঘরে থেকেও শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হন। চিকিৎসকেরা দীর্ঘদিন ক্ষতিকর গ্যাস ও ধূলিকণার সংস্পর্শকে এর কারণ হিসেবে দেখেছেন।

৭ই সেপ্টেম্বর নীল আকাশের জন্য আন্তর্জাতিক নির্মল বায়ু দিবস সামনে রেখে প্রকাশিত এক গবেষণায় ঢাকার ঘরের বায়ুদূষণের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

৪৩টি বাড়িতে করা গবেষণায় দেখা যায়, ঘরের বাতাসে পিএম২.৫-এর গড় মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ দশমিক ৬৯ মাইক্রোগ্রাম, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার নিরাপদ সীমা ১৫ মাইক্রোগ্রামের প্রায় পাঁচ গুণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচল, ভবনের নকশা ও ঘরের বিভিন্ন দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ঘরের ভেতরের দূষণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে বাইরের বায়ুদূষণের পাশাপাশি ঘরের বাতাসের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

সমকাল

নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের বাণিজ্যিক বাগান থেকে সংগ্রহ করা কিছু পেয়ারায় অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি আর্সেনিক, সিসা ও ক্যাডমিয়াম পাওয়া গেছে।

পরীক্ষিত নমুনার ৯০ শতাংশে ক্যাডমিয়ামের মাত্রা অনুমোদিত সীমার বেশি ছিল, ৭০ শতাংশে সিসা এবং ৩০ শতাংশে আর্সেনিক অনুমোদিত মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সর্বোচ্চ পাওয়া নমুনায় ক্যাডমিয়ামের মাত্রা অনুমোদিত সীমার ৩৮ গুণ পর্যন্ত ছিল।

গবেষকরা বলছেন, রাসায়নিক সার, কীটনাশক, সেচের পানি নাকি মাটি—কোন উৎস থেকে এসব ভারী ধাতু পেয়ারায় প্রবেশ করছে, তা নির্দিষ্টভাবে জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

তবে সম্ভাব্য উৎস হিসেবে রাসায়নিক সার, কীটনাশক, সেচের পানি, মাটি, শিল্পকারখানার নির্গমন ও যানবাহনের ধোঁয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাড়ির আঙিনার গাছের পেয়ারায় আর্সেনিক ও সিসার মাত্রা মূলত সীমার মধ্যে থাকলেও ক্যাডমিয়াম ২০ শতাংশ নমুনায় বেশি পাওয়া গেছে।

নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার খবর – Enrolment falls at schools, colleges, rises at madrassahs অর্থাৎ, বাংলাদেশে স্কুল, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে এবং মাদ্রাসায় বাড়ছে।

বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী কমেছে ৪.৬৮ শতাংশ এবং কলেজে ৬.৮৮ শতাংশ। বিপরীতে, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী সংখ্যা বেড়েছে ১.৫৭ শতাংশ।

শিক্ষাবিদদের মতে, দারিদ্র্য, শিক্ষার বাড়তি খরচ, দুর্বল শিক্ষার পরিবেশ ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব মূলধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী কমার অন্যতম কারণ।

ধর্মীয় রক্ষণশীলতা বৃদ্ধিও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বাড়ার একটি কারণ হতে পারে বলে তারা মনে করছেন, যদিও পরিসংখ্যান সরাসরি এমন কোনো সম্পর্ক প্রমাণ করে না।

দীর্ঘমেয়াদি হিসাবেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী কমেছে প্রায় ১৬ লাখ, কলেজে প্রায় ৪৮ হাজার। অন্যদিকে, একই সময়ে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বেড়েছে প্রায় ২ লাখ ৮৭ হাজার।

বণিক বার্তা

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, চলতি, সঞ্চয়ী ও মেয়াদি হিসাবধারীরা তাদের আমানতের মূল টাকা তুলে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক নিয়ে একীভূত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যক্তিশ্রেণীর গ্রাহকদের আমানতের অর্থ ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আবেদন অনুযায়ী আজ থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে।

প্রথম সপ্তাহে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করেছেন গ্রাহকরা। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়।

পহেলা সেপ্টেম্বর এসব ব্যাংকের ব্যক্তি আমানতের অর্থ ফেরত দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন গ্রহণ শুরু করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে আজ থেকে পর্যায়ক্রমে গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধ করা হবে।

মানবজমিন

বর্তমানে দেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ এক লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকার বেশি বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অধিবেশনে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ হিসাব তুলে ধরেন।

আজকের পত্রিকা

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল গতকাল রোববার জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

বিল দুটি পাস হওয়ার আগে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা । এরপর মুখে কালো কাপড় বেঁধে সংসদ লবি ত্যাগ করেন তারা।

পরে সংসদের টানেলে কালো কাপড় বেঁধে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

এর আগেই বিরোধী দল ঘোষণা দিয়েছিল, বিল দুটি পাসের কোনো প্রক্রিয়ায় তারা থাকবে না।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিলটি উত্থাপনের জন্য আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে আহ্বান জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

এ সময় বিল পাসের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ।

তিনি বলেন, “দুর্বল আইন পাস করার অংশীদার হব না। আমরা এই আইনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না এবং আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।”

জবাবে স্পিকার বলেন, “ওয়াকআউট করার জন্য আপনাদেরও ধন্যবাদ।”

যুগান্তর

মাদক কারবারের আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ৩০শে অগাস্ট রাতে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগ ও মুন্সিরটেক এলাকায় সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়।

এলোপাতাড়ি গুলিতে এক নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। এর আগের দিন শনিবার ভোরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ হারান স্কুল শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন।

চোখের চিকিৎসার জন্য বগুড়া থেকে ঢাকায় এসে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন বাগবাড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই প্রধান শিক্ষিকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই দুটি ঘটনা কেবল বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। বরং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির রূপ সামনে এনেছে।

এভাবে দিনকে দিন রাজধানীসহ সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটছে। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে।

কালের কণ্ঠ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারের জ্বালানির দামের অস্থিরতার বড় মাশুল দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। বেশি দামে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করে দেশের বাজারে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি করায় বিপুল লোকসান গুনছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো।

একই সঙ্গে বাড়ছে সরকারের ভর্তুকির বোঝা। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই এলএনজি খাতে সরকারের ভর্তুকি সাত হাজার ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যেখানে পুরো বছরের জন্য বরাদ্দ ছিল সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজার থেকে চড়া দামে জ্বালানি তেল কিনে কম দামে বিক্রির ফলে গত অগাস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) লোকসান দিয়েছে ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি।

আর চড়া দামে এলএনজি আমদানি করে কম দামে বিক্রি করে গত ছয় মাসে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে অতিরিক্ত ১৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে পেট্রোবাংলার।

প্রথম আলো

দুই বছরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ অনেকটাই বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এখন চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ আছে। সাধারণত তিন মাসের মজুত থাকলেই গ্রহণযোগ্য ধরা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গতকাল রোববার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন (৩ হাজার ৬৩৯ কোটি) ডলার। বিগত ছয় মাসে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গত সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ সাড়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। তবে ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারের বিল পরিশোধের কারণে রিজার্ভ কমেছে।

এটা মোট মজুতের হিসাব। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত হিসেবে মোট রিজার্ভের পাশাপাশি প্রকৃত রিজার্ভের হিসাবও দেওয়া হয়, যা বিপিএম ৬ (ব্যালান্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন) নামে পরিচিত।

এ হিসাবে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি (৩ হাজার ৪৭৪ কোটি)।

যথেষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা হাতে না থাকলে দেশের খাদ্য, জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি ব্যাহত হয়। ডলারের দাম বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতিও বাড়ে। অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে দেশ দেউলিয়া হয়। শ্রীলঙ্কা তেমন পরিস্থিতিতেই পড়েছিল।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের অবস্থাও খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান

নয়া দিগন্ত

দেশের রাজনীতিতে ফের দৃশ্যমান হচ্ছে সরকার ও বিরোধী পক্ষের মুখোমুখি অবস্থান।

এক দিকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলছেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকট মোকাবিলার সুযোগ নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

অন্য দিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অভিযোগ-সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে, গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে এবং অর্থনীতি, জ্বালানি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলাতে পারছে না।

৫ই সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী আমল ও অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন সমস্যা সরকার সমাধানের চেষ্টা করছে।

একই সাথে তিনি সতর্ক করেন, এসব সমস্যাকে পুঁজি করে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জনগণের কথা বলার অধিকার ও গণতান্ত্রিক নীতি সমুন্নত রাখার কথাও বলেন।