Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘আ. লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হচ্ছেন পুতুল’

পত্রিকা: ‘আ. লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হচ্ছেন পুতুল’

5
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

টাইমস অব বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Putul set to join AL Presidium; অর্থাৎ আ. লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হচ্ছেন পুতুল।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুতির দুই বছর পর দেশে ফেরার আলোচনার মধ্যেই দল গোছানোর কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।

এর অংশ হিসেবে তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

চলতি মাসের মধ‍্যেই পুতুলের এই মনোয়ন চূড়ান্ত করা হতে পারে বলে ক্ষমতাচ্যুত দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন।

অবশ্য পুতুল একা নন, চট্টগ্রাম বিভাগের একজন এবং বরিশাল বিভাগের আরও একজন নেতার সভাপতিমণ্ডলীতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনা আছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিল বা কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলের সভাপতি এই পদে মনোয়ন দিয়ে থাকেন।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শুক্রবার ভারতের নয়াদিল্লিতে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সভার বৈঠক ডাকা হয়েছে।

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতেই তার উত্তরাধিকার কে হবেন– এ নিয়ে আলোচনা ছিল।

এর মধ্যে শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আর তিনি কারাগারে গেলে দলের হাল কে ধরবে, তা নিয়েও আলোচনা আছে।

টাইমস অব বাংলাদেশ

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— MPs to get bigger dev funds amid irregularity concerns; অর্থাৎ অনিয়মের শঙ্কার মাঝেই এমপিরা পেতে যাচ্ছেন বড় অঙ্কের উন্নয়ন তহবিল।

খবরটিতে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশনের বাইরে নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্বকারী সংসদ সদস্যের উন্নয়ন বরাদ্দ বর্তমান সরকারের আমলেই জনপ্রতি ৮০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। যা পূর্ববর্তী সরকারের প্রস্তাবিত ২৫ কোটি টাকার চেয়ে ২২০ শতাংশ বেশি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৫ হাজার ৪১ কোটি টাকা ব্যয়ের নয়টি নতুন প্রকল্প এবং দুটি অসমাপ্ত প্রকল্পের সম্প্রসারণের প্রস্তাব দিয়েছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এমপিদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ এবং তাদের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত— রাস্তা, সেতু, কালভার্ট, বাজার এবং ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোতে অর্থায়নের লক্ষ্যেই এই প্রকল্পগুলো নেওয়া হচ্ছে।

এর আগেও এমন উদ্যোগে দুর্নীতি, নির্মাণে ত্রুটি এবং বাস্তবায়নে ব্যর্থতার মতো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, প্রকল্প নির্বাচনের ক্ষমতা এমপিদেরকে দেওয়া হলে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী বিভাগের কাজের মধ্যে পার্থক্য অস্পষ্ট হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হতে পারে এবং সরকারি বিনিয়োগ রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার উৎসে পরিণত হতে পারে।

পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এমপিদের জন্য তহবিল বরাদ্দের প্রক্রিয়াটি ২০০৫ সালে শুরু হয়েছিল, তখন একনেক প্রতিটি এমপির জন্য ২ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা এবং ২০২০ সালে ২০ কোটি টাকা করা হয়।

২০২৪ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে সেই প্রকল্প অনুমোদিত হয়নি।

নিউ এইজ

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সফরের কর্মসূচিতে বড় কাটছাঁট করা হয়েছে।

জাতিসংঘের অধিবেশন শেষে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো যাওয়ার কথা ছিল তার। এখন সেই সফর বাতিল করা হয়েছে।

দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে না থাকা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সফরটি সংক্ষিপ্ত করার আগ্রহ জানিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো দেশ ছাড়ছেন সরকারপ্রধান।

২৩শে সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

২৪শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ২৫শে সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

আগের পরিকল্পনায় জাতিসংঘের কর্মসূচি শেষে সানফ্রান্সিসকো যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও বৈঠকের পরিকল্পনা ছিল।

মানবজমিন

এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ইয়েমেন ফ্রন্ট। ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে সৌদি আরব।

ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলার বিপরীতে সৌদি ভূখণ্ডে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে হুথিরা।

একই সঙ্গে লোহিত সাগর উপকূলে হুথিদের কৌশলগত দখল এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে অবস্থান শক্তিশালী হওয়ায় সংঘাতের পরিধি ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি দুটোই বেড়েছে।

সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যকার চলমান যুদ্ধাবস্থা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশেরও।

সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস। একই সঙ্গে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী দেশটি। সৌদি আরব থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আনার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়ে সৌদি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করলে এর নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের রেমিট্যান্স, শ্রমবাজার, জ্বালানি ব্যয় ও বিনিয়োগেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরু করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল সে অনুযায়ী ভোট শুরু হচ্ছে না।

সরকারের তরফ থেকে ইসিকে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে চলতি বছর ইউপি নির্বাচন করার মতো প্রস্তুতি নেই। ভোট করার জন্য প্রস্তুত হতে কত দিন লাগবে, তা জানাতেও এক মাস সময় লাগতে পারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নিয়ে ইসির সভায় সরকারের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের সচিবেরা এই মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন।

সভা শেষে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনের জন্য আগে সময় বের করতে হবে। নভেম্বর-ডিসেম্বরে পরীক্ষা থাকায় মাঝে সময় কম। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও ফেব্রুয়ারির শুরুতে রোজা এবং এরপর এসএসসি পরীক্ষা। এসএসসি পরীক্ষা শেষে ৬ জুন থেকে এইচএসসি শুরুর আগেও কিছুটা সময় পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ইউপি নির্বাচন শেষ করতে হবে। এ বিষয়ে সভায় সম্মতি এসেছে।

আজকের পত্রিকা

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরের শাসনামলে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী না পেয়ে বর্তমানে মহাসংকটে পড়েছে।

২০২৪ সালের পর অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডেও পরিবর্তন এসেছে, কিন্তু সংকট থেকে উত্তরণ মিলছে না।

দেশে বর্তমানে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১১৭। এর মধ্যে সঠিকভাবে চলছে ২০ থেকে ২৫টি। আরো ২০টির মতো বিশ্ববিদ্যালয় মোটামুটি চলছে। তবে ৭০টির মতো বিশ্ববিদ্যালয় বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পড়ালেখার মান নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে অন্তত অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি, প্রোভিসি বা ট্রেজারারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সূত্র জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১২ বছরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও পুরোপুরি স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেছে মাত্র ৫৩টি। আর এ পর্যন্ত স্থায়ী সনদ পেয়েছে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়।

জানা গেছে, সংকটে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আয় না থাকায় ভালো শিক্ষকও পাচ্ছে না। কোনো রকমে একটি ভবনের এক-দুটি ফ্লোর ভাড়া করে চলছে এসব বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষক নেই, ল্যাবরেটরি নেই, পাঠাগার নেই, ক্লাসও ঠিকমতো হয় না।

এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়ালেখা না করলেও নির্দিষ্ট সময় পর শিক্ষার্থীদের ঠিকই সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে।

কালের কণ্ঠ

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাংয়ের মতোই শিশু গ্যাংয়ের তৎপরতা বেড়ে গেছে।

কিশোর অপরাধীদের মতোই ওরা বেপরোয়া আচরণ করছে। চোখের সামনেই দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে এই শিশু গ্যাং।

কিশোর গ্যাংয়ের পরিবার বা ঠিকানা থাকলেও শিশু গ্যাংয়ের অধিকাংশই ভাসমান এবং অভিভাবকহীন।

এই নিয়ে পুলিশে নতুন করে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। ইতোমধ্যে পুলিশের একটি ইউনিট গোপন বার্তা দিয়ে বলেছে, ভাসমান শিশুরা চুরি-ছিনতাইয়ে জড়াচ্ছে। বস্তি-ফুটপাতসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আস্তানা গাড়ছে। তারা পথচারীদের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। একেকটি এলাকায় তারা গ্রুপ তৈরি করে অপরাধও চালাচ্ছে।

পুলিশ জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে এসব গ্রুপের অপরাধের ধরন ও বিস্তার নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনমনেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

একসময় পাড়া-মহল্লায় দলবদ্ধ আড্ডা, মারামারি কিংবা আধিপত্য বিস্তারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা শিশু গ্রুপ এখন চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধসহ হরেক ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে পুলিশ ও বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজস্ব আয় বাড়িয়ে ঋণ কমানোর পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। বাজেট বাস্তবায়নে অর্থবছরের শুরু থেকেই ঋণ করতে হচ্ছে।

তবে ঋণের জন্য সরকার ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমাতে চায়। এ কারণে নতুন পথ খুঁজছে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে বিকল্প অর্থায়নের পথে যাচ্ছে সরকার। ব্যাংক থেকে সরকার বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রাপ্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাবের চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ।

এর অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে সার্বভৌম বন্ড এবং অবকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি সুকুক বা ইসলামী বন্ড ইস্যুর মতো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে।

এর বাইরে বহুপক্ষীয় সংস্থার কাছ থেকে বাজেট সহায়তা, স্বল্পমেয়াদি সার্বভৌম সুকুক, অভ্যন্তরীণ ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে বন্ধকি ঋণ এবং সবুজ ও নীল বন্ডসহ একাধিক নতুন অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তবে নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এসব উদ্যোগ অর্থ সংগ্রহের বিকল্প পদ্ধতি এবং শেষ পর্যন্ত সবই ঋণ। রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর মূল লক্ষ্য থেকে সরকারের মনোযোগ সরে যাওয়া উচিত নয়।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে নারী-পুরুষের সমতার চিত্র ইতিবাচক হলেও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নারীর প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক সূচকে পিছিয়েছে বাংলাদেশ।

নারী-পুরুষ বৈষম্য কমানোর বৈশ্বিক সূচকে এক বছরে পিছিয়েছে ৫৫ ধাপ। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৪তম। এবার ১৪৫টি দেশের মধ্যে অবস্থান হয়েছে ৭৯তম।

রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণে বড় পতনের পরও দক্ষিণ এশিয়ায় এখনো শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২৬’ বা ‘বৈশ্বিক লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য প্রতিবেদন ২০২৬’-এ এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম আমদানিতে করের বোঝা ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১ শতাংশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

নতুন এ সুবিধায় সৌর প্যানেল, মাউন্টিং স্ট্রাকচার, ইনভার্টার, ফটোভোলটাইক ব্যবস্থায় ব্যবহৃত লিথিয়াম ব্যাটারি, ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং মনিটরিং ও কন্ট্রোল সিস্টেমসহ নির্ধারিত সরঞ্জাম আমদানিতে ১ শতাংশের বেশি কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, অ্যাডভান্স ট্যাক্স ও অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্সসহ অন্যান্য প্রযোজ্য কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সুবিধাটি বাণিজ্যিক আমদানিকারকদেরও প্রথমবারের মতো দেওয়া হয়েছে এবং প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন কার্যকর থাকবে।

এ সিদ্ধান্তের তাৎপর্য শুধু আমদানি ব্যয় কমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব পড়তে পারে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রাথমিক বিনিয়োগ, অর্থায়নের প্রয়োজন, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ক্রয়মূল্যের ওপর।

নয়া দিগন্ত