Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘একযোগে ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে পাওনা দেবে সরকার’

পত্রিকা: ‘একযোগে ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে পাওনা দেবে সরকার’

6
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

এতে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পরিশোধ করতে যাচ্ছে সরকার।

আগামী ১৫ই অগাস্ট দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে এই অর্থ পরিশোধ করা হবে। এ জন্য এই খাতে দুই হাজার কোটি টাকা বিশেষ থোক বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

অবসর সুবিধা বোর্ড ও শিক্ষক- কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট— দুই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় এককালীন অর্থ বিতরণ কর্মসূচি।

তবে শিক্ষক-কর্মচারীদের শঙ্কা, একসঙ্গে পুরো টাকা তাদের এখনই নাও দেওয়া হতে পারে।

বর্তমানে অবসর বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে এক লাখ ১০ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তিতে প্রয়োজন ১০ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানান, ২০২২ সাল থেকে অবসর নেওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউই অবসর সুবিধার টাকা পাননি। দীর্ঘদিন ধরে তারা মানবেতর জীবন কাটাচ্ছিলেন।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) এক জরিপে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীতে একক সংস্থা হিসেবে ওয়াসার ৬৬টি বর্জ্য উৎসমুখ (আউটলেট) শনাক্ত হয়েছে।

রাজধানী-সংলগ্ন নদীগুলোয় মোট ৪২৪টি প্রত্যক্ষ বর্জ্য উৎসমুখের তথ্য উঠে এসেছে জরিপে।

এর মধ্যে ২৪৪টি ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বেসরকারি শিল্প-কারখানার, যেখান থেকে প্রতিদিন অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে।

পর্যাপ্ত স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্ক না থাকায় রাজধানীর বিপুল পরিমাণ গৃহস্থালি ও মানববর্জ্য সরাসরি বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যাসহ আশপাশের নদীতে গিয়ে পড়ছে।

অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির পানি ও পয়োবর্জ্যের জন্য পৃথক লাইন না থাকায় একই ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব বর্জ্য নদীতে মিশছে। ফলে শিল্পবর্জ্যের পাশাপাশি নগর বর্জ্যও নদীর পানির গুণগত মান দ্রুত নষ্ট করছে।

যার কারণে রাজধানীর নদী দূষণের পেছনে ওয়াসার দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাকেও বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বণিক বার্তা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান সংবাদ— Ganges treaty: Dhaka awaits Delhi’s response to talks proposal; গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবের বিষয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা।

খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী থাকলেও পানি বণ্টন নিয়ে মাত্র একটি চুক্তিই স্বাক্ষরিত হয়েছে— আর তা হলো গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি।

স্বাক্ষরের ৩০ বছর পর আগামী ১১ই ডিসেম্বর এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

এই বিষয়ে আলোচনার জন্য ঢাকার দেওয়া প্রস্তাবের জবাবে নয়াদিল্লির সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ— এই অপেক্ষা প্রায় দুই মাস ধরে চলছে।

বাংলাদেশ সরকার গত এপ্রিলে গঙ্গা চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ১০ সদস্যের একটি কারিগরি কমিটি গঠন করে, তারপর জুনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে একটি চিঠি পাঠায়।

চুক্তিটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নের কোনও শর্ত না থাকায় এই আলোচনা আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে; বিশেষ করে চব্বিশের অগাস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন বিবেচনায় নিলে বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তবে আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট জানা যাচ্ছে না? অর্থাৎ ঢাকা কি বিদ্যমান চুক্তি নবায়ন করতে চায়, নাকি নতুন কোনও চুক্তি করতে চায়, কিংবা বর্তমান শর্তগুলোর আংশিক বা পূর্ণাঙ্গ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেবে? এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও বাংলাদেশের সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এ বিষয়ে আরও বিলম্ব হলে তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

অনেকদিন ধরেই টানাপোড়েনে চলা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আচমকা তলানিতে পৌঁছেছে।

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে নিয়েই যত বিরোধ, বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দ্বৈরথ।

ঢাকার সন্দেহ, নয়াদিল্লি শেখ হাসিনাকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করছে। কারণ, দেশটির ভূখণ্ড থেকে শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিল দিল্লি। কিন্তু কথা রাখেনি।

পাঁচই অগাস্টে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার বক্তব্যের বিষয়ে ভারতের নির্বিকার অবস্থানে ক্ষুব্ধ ঢাকা।

তার বক্তব্য প্রচারের পরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণলায়। কড়া বিবৃতিতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়।

যেখানে ফুটে উঠে কতটা সংক্ষুব্ধ সরকার।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এত কঠোর ও সরাসরি প্রতিক্রিয়া আর দেখা যায়নি।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য এক ধরনের উসকানি। পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে তিনি এটি করছেন।

মানবজমিন

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতের সীমান্ত সংযোগস্থলে সম্প্রতি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নজিরবিহীন ও উদ্বেগজনক সামরিক মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির সীমান্তে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি, বান্দরবানের কুকি চিন, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ— এই তিন আলোচিত সশস্ত্র সংগঠন পাহাড়ের পরিস্থিতিকে ভয়ঙ্কর করতে এক মঞ্চে জোট বেঁধেছে।

ভারী অস্ত্র ও গোলাবারুদ আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রিদেশীয় সীমান্ত এখন ‘ডেঞ্জার জোনে’ পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর লাগাতার অভিযানের মুখে ইউপিডিএফ তাদের কৌশল পাল্টে অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে হাত মেলাতে শুরু করেছে।

নয়া দিগন্ত

এই খবরে বলা হয়েছে, বড় আন্দোলনের জন্য দেশের মানুষকে প্রস্তুত করতে চাইছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

এ জন্য আগামী তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি দিয়েছে তারা।

সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ঢাকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ চারটি বিভাগ অভিমুখে লংমার্চ শেষে আগামী ১৪শে নভেম্বর রাজধানীতে মহাসমাবেশ করা হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনের মুক্তাঙ্গন এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি থেকে লংমার্চ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সব গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে এসব কর্মসূচি পালন করবে ১১ দলীয় জোট।

শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেছেন, আগামী ১৪শে নভেম্বর বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া , মহল্লা থেকে আমাদের ভাইবোনেরা ঢাকার দিকে রওনা করবে, ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আমি আপনাদের আজকে থেকে সেই প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে রাখলাম।

আজকের পত্রিকা

প্রথম আলোর প্রধান খবর— ৪৫% শিশু ঠিকমতো মায়ের দুধ পাচ্ছে না

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে প্রয়োজনমতো মায়ের দুধ পান করা শিশুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে কম। জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ পায় ৫৫ শতাংশ শিশু, পায় না ৪৫ শতাংশ শিশু।

আর হাসপাতালগুলোতে আইন না মেনে মায়ের বুকের দুধের বিকল্প শিশুখাদ্য রাখা হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে সেমিনারে শিশুস্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য দেন।

সেমিনারে বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণের ফলাফল তুলে ধরে বলা হয়, স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানে ব্রেস্টফিডিং কর্নারের মতো শিশুকে মায়ের দুধ পান করানোর বেশ কিছু উদ্যোগ ছিল। সেসব উদ্যোগ এখন অনেক ঝিমিয়ে পড়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে মাতৃদুগ্ধ পানের হার নিকট অতীতে ভালোই ছিল। ২০২০ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল প্রথম। বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। ২০১৭-১৮ সালে বাংলাদেশে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ পানের শিশু ছিল ৬৫ শতাংশ।

প্রথম আলো

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। চলতি বছরের নভেম্বরকে সম্ভাব্য সময় ধরে দলটির উচ্চপর্যায়ে জোর প্রস্তুতি চলছে।

এই কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় রদবদল আসতে পারে। প্রথমবারের মতো বিএনপির ১০ সাংগঠনিক বিভাগে ‘যুগ্ম মহাসচিব’ করা হতে পারে বলে দলটির দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে, আলোচনায় থাকা মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ শূন্য হবে।

সেক্ষেত্রে জাতীয় কাউন্সিলের আগ পর্যন্ত বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে আসতে পারেন যুগ্ম মহাসচিব থেকে যে কেউ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থায়ী কমিটিতে পাঁচজন নতুন যুক্ত হতে পারেন।

এছাড়া, বর্তমানে দলটিতে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবসহ যুগ্ম মহাসচিবের সংখ্যা সাতজন। সাংগঠনিক কাঠামোতে পরিবর্তন এনে তিন যুগ্ম মহাসচিব যুক্ত করার বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা আছে বলে একাধিক সূত্র জানায়।

কালের কণ্ঠ

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Presidential race takes surprise Yunus turn; অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হঠাৎ ইউনূসকে নিয়ে গুঞ্জন।

খবরটিতে বলা হয়েছে, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপি তাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব দেওয়ার পর আলোচনায় এসেছে একাধিক নাম।

এর মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা।

আলোচনার সূত্রপাত গত পাঁচই অগাস্ট। বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে আড়ালে থাকা মুহাম্মদ ইউনূস আলোচনায় আসেন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

সেদিন দর্শকসারি থেকে তাকে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে ডেকে নেওয়া, পাশে রেখে সময় কাটানোর পর সরকার, সচিবালয়, রাজনৈতিক অঙ্গন এবং বিশ্লেষকদের ভাবনায় আসে তার নাম।

তবে মুহাম্মদ ইউনূসের নাম বিবেচনায় আছে কি না, এ বিষয়ে সরকার বা বিএনপির পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

এদিকে, এক সপ্তাহ ধরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা না থাকলেও বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২০শে অগাস্ট নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় দেওয়া হয় ১৩ই অগাস্ট।

টাইমস অব বাংলাদেশ

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান খবর— 11 troubled banks to face asset quality test by int’l firms from January; অর্থাৎ সংকটাপন্ন ১১টি ব্যাংকের সম্পদের মান জানুয়ারি থেকে যাচাই করবে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতিতে জর্জরিত ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নের উদ্যোগ জোরদার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এরই অংশ হিসেবে আগামী জানুয়ারি থেকে আন্তর্জাতিক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১১টি সংকটাপন্ন ব্যাংকের সম্পদের গুণগতমান যাচাই (অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ–একিউআর) কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

এই পর্যালোচনা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যোগ্য আন্তর্জাতিক পরামর্শক ও নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আগ্রহপত্র আহ্বান করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ওই ১১টি ব্যাংকের নাম জানিয়েছেন। ব্যাংকগুলো হলো—ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংক।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এই খবরে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং যেকোনো ধরনের আকস্মিক রাজনৈতিক সহিংসতা এড়াতে এখন থেকেই বিশেষ পরিকল্পনা সাজাচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তর।

এ নিয়ে গত মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের বিশেষ বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে। সপ্তাহ খানেক আগে পুলিশ সদর দপ্তরেও এ সংক্রান্ত বিশেষ বৈঠক হয়।

বৈঠকে দাগি অপরাধীদের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। পাশাপাশি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের স্থাপনাগুলো থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন প্রশাসন।

এছাড়া, দ্রুত অপরাধীদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া আছে, তারা যেন স্থানীয় নির্বাচন করতে না পারেন, এমনকি আওয়ামী লীগের ব্যানারে যাতে কেউ ভোট করতে না পারেন, তার বিশেষ নজরদারির বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।

দাগি অপরাধীরা কোনও প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার প্রমাণ মিললেই গ্রেপ্তার করতে হবে।

আরও বেশকিছু নির্দেশনা দিয়ে ইতামধ্যে পুলিশের সবকটি ইউনিট প্রধান, রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপারদের কাছে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে

দেশ রূপান্তর