Source : BBC NEWS

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
এই খবরে বলা হয়েছে, গত ১৮ই অগাস্ট কলকাতার এক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর শহরের বিভিন্ন হোটেল ও গেস্টহাউসে অভিযান শুরু করে কর্তৃপক্ষ।
নিরাপত্তা বিধিমালা না মানার অভিযোগে হোটেল, গেস্ট হাউস ও লজসহ ৭০০-র বেশি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়েছে।
কয়েকটির আবাসন খালি করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন অতিথি নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে নেওয়া এই পদক্ষেপের কারণে সেখানে আবাসন সংকট বেশ তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে রোগী ও তাদের স্বজনদের অনেকেই সুলভে থাকার জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না। তাদের রাত কাটাতে হচ্ছে ফুটপাতে।
ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ও ঠাকুরপুকুর ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের আশপাশে গত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশ থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। থাকার জায়গা না পেয়ে বৃষ্টির মধ্যেও অনেকে লাগেজ নিয়ে রাস্তার পাশে ঘুমান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগীর স্বজন জানান, কেমোথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যানসার রোগীদের হাসপাতালের কাছাকাছি থাকা জরুরি।
তিনি বলেন, ‘ক্যানসার অত্যন্ত গুরুতর রোগগুলোর একটি। কেমোথেরাপি নেওয়া রোগীদের দীর্ঘ পথ যাতায়াত করা সম্ভব নয়। কিন্তু হোটেলে থাকার সুযোগ না থাকায় আমরা চরম দুর্ভোগে পড়েছি।’
মেডিকেল ভিসায় কলকাতায় আসা আরেক বাংলাদেশি বলেন, তিনি আবাসন সংকটের বিষয়ে আগে থেকে জানতেন না।

খবরটিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ৪৩৩টি উপজেলার ৩৪৪টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।
এসব অপারেশন থিয়েটারে কোথাও কয়েক মাস, কোথাও বা কয়েক বছর ধরে তালা ঝুলছে।
অস্ত্রোপচার বন্ধে সবচেয়ে বড় সংকট— অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞের।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সার্জন ও গাইনি বিশেষজ্ঞের ঘাটতি, ওটি সহকারী ও কারিগরি জনবলের সংকট এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রীর অভাব।
আবার কোথাও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়িত থাকলেও সংযুক্তিতে অন্য হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh set to pay 35-37% more for third FSRU; অর্থাৎ তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) ৩৫-৩৭ শতাংশ বেশি খরচ পড়বে।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এক কোম্পানিকে ৩৫-৩৭ শতাংশ বেশি অর্থ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অথচ সরকারের পর্যালোচনা কমিটি এই বাড়তি খরচ কতটা যৌক্তিক, তা নির্ধারণ করতে পারেনি।
গত ১৯ জুন, ‘চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি’ মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি অফশোর এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব জমা দেয়।
১৫ বছর মেয়াদী চুক্তির আওতায় কোম্পানিটি দৈনিক তিন লাখ ৪২ হাজার ডলার অর্থ চেয়েছে।
বর্তমানে ‘এক্সিলারেট এনার্জি’র এফএসআরইউ’র দৈনিক ফি দুই লাখ ৫৪ হাজার ডলার এবং ‘সামিট এলএনজি’ টার্মিনালের ফি দুই লাখ ৪৯ হাজার ১১৫ ডলার।
এমনকি চীনা কোম্পানির দাবি করা এই অর্থ মহেশখালীতে সামিটের নিজেদের দ্বিতীয় এফএসআরইউ’র জন্য ২০২৪ সালের মার্চে পেট্রোবাংলার সাথে চুক্তি হওয়া দৈনিক তিন লাখ ডলার ফি-এর চেয়েও বেশি। যদিও একই বছরে চুক্তিটি বাতিল হয়।
এর মধ্যে বর্তমানে দেশের দুই ভাসমান টার্মিনালেই এলএনজি সংরক্ষণের সক্ষমতা এক লাখ ৩৮ হাজার কিউবিক মিটার; যার মধ্যে ‘এক্সিলারেট এনার্জি’র রি-গ্যাসিফিকেশন করার সক্ষমতা দৈনিক ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং সামিটে তা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
চীনা কোম্পানির প্রস্তাবিত টার্মিনালে এক লাখ ৭৪ হাজার কিউবিক মিটার এলএনজি সংরক্ষণ করা যাবে; আর এটিতেও রি-গ্যাসিফিকেশন করার সক্ষমতা দৈনিক ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

খবরটিতে বলা হয়েছে, কর্মী পাঠানোর কাজ পাওয়ার যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া যে ১০ শর্ত দিয়েছিল, তা মানা হয়নি শেষ পর্যন্ত।
মালয়েশিয়ার ১০ শর্তের ছয়টি পূরণ করে ৪২৩ এজেন্সির তালিকা দেশটিকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে ২৫ এজেন্সিকে বাছাই করে গত ২১শে অগাস্ট তালিকা প্রকাশ করে মালয়েশিয়া।
পরে ‘সহযোগী এজেন্সি’ হিসেবে আরও ৩১২ প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা প্রকাশ করে।
এজেন্সিগুলোকে কোন মানদণ্ডে বাছাই করা হয়েছে, তা জানায়নি মালয়েশিয়া।
তবে তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাঁচ বছরে অন্তত তিন দেশে তিন হাজার কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা না থাকা এবং মানবপাচারে অভিযুক্ত এজেন্সি রয়েছে তালিকায়। যদিও ১০ শর্তের মধ্যে ছিল এ ধরনের প্রতিষ্ঠান হওয়া যাবে না।
সরকারি দপ্তর এবং জনশক্তি ব্যবসায়ীদের সূত্রগুলো জানিয়েছে, অখ্যাত প্রতিষ্ঠানের কাজ পাওয়া এজেন্সিগুলোর পেছনে রয়েছেন দেশের ক্ষমতাধর কিছু ব্যক্তি। তবে কর্মী নিয়োগের ‘সিন্ডিকেটের’ মূল নিয়ন্ত্রকরা রয়েছেন মালয়েশিয়ায়। বাংলাদেশে থাকা তাদের সহযোগীদের তদবিরে এসব এজেন্সিকে তালিকায় রাখা হয়েছে।
এবারও ‘সিন্ডিকেট’ এর কারণে কর্মীদের নির্ধারিত ব্যয়ের কয়েক গুণ টাকা লাগবে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে।

ছোট হয়ে গেছে বড় শ্রমবাজার— প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, সার্বিকভাবে বাংলাদেশি কর্মীদের বিদেশ যাওয়া কমছে।
বিদেশে যেতে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) ছাড়পত্র নিয়েছেন প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী। গত বছর একই সময়ে যা ছিল প্রায় সাত লাখ ৪০ হাজার।
ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, বাহরাইনের মতো বাংলাদেশের কিছু বড় শ্রমবাজার দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অথবা কর্মী যাওয়া কমে গেছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর মালয়েশিয়ার বাজার খোলার ঘোষণা এসেছে।
বাংলাদেশি অদক্ষ শ্রমিকেরা মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যান। মালয়েশিয়ায়ও অনেকেই যেতেন। আর্থিক দিক দিয়ে বেশি সচ্ছলেরা যান ইউরোপের দেশগুলোতে।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলো রাশিয়া ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলোতে অনেকে যাচ্ছেন। তবে সেখানে গিয়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল দেশের বাইরে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা। সেটার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার সকালে মোকামতলা-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকায় জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে বহনকারী সরকারি গাড়ির ধাক্কায় ফিরোজা বেগম নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
এই পথচারীকে বাঁচানোর চেষ্টায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে ধানখেতে নেমে যায়। এতে প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রী নাজমা আরা বেগম আহত হন।
প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। জয়পুরহাট ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বিকেলে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

এই খবরে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর-সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলের প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনা ঘটেছে।
কেবল তা-ই নয়, বিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকে টাকা রাখায় আটকে আছে আরও প্রায় ৬৪০ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে তহবিলের অর্থ না পাওয়ায় এক লাখ ২৩ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ভোগান্তিতে রয়েছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই এই অর্থ লোপাট হয়েছে বলে অভিযোগ।
পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এই খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বড় পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
নতুন টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে বাড়ানো হবে এলএনজি আমদানির সক্ষমতা, নির্মাণ করা হবে গ্যাসভিত্তিক ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, নেওয়া হবে আরো একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মতো বড় প্রকল্প।
২০৩১ সালের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোডম্যাপে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বড় পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।
তবে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে এসব কাঠামোগত সংস্কার কীভাবে করা হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা কীভাবে বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কৌশল ও সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা কী, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা নেই।
বরং নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সক্ষমতার বিষয়টি সামনে রেখে জ্বালানি নিরাপত্তার নামে নতুন অবকাঠামো ও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকেই সরকারের ঝোঁক বেশি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।

খবরটিতে বলা হয়েছে, ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ২৪টি কোম্পানির মাধ্যমে এস আলমসংশ্লিষ্টদের বেআইনিভাবে কেন্দ্রীভূত ও নিয়ন্ত্রণের অভিযোগে দায়ের হওয়া রিটে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।
একই সাথে ওই ২৪টি কোম্পানির নামে থাকা ইসলামী ব্যাংকের এসব শেয়ার আগামী তিন মাসের জন্য ফ্রিজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর ফলে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক নতুন করে আইনি পর্যায়ে গড়াল।
এর আগে, ইসলামী ব্যাংকের বিপুলসংখ্যক শেয়ার এস আলম-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— 11-party’s Dhaka-Chattogram long march with 1,500 vehicles today; অর্থাৎ ১,৫০০ গাড়ির বহর নিয়ে আজ ১১ দলের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ।
এই সংবাদে বলা হয়, গণভোটের রায় ও জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট আজ শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে।
গতকাল শুক্রবার প্রস্তুতি সভা শেষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও লংমার্চ কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, এতে প্রায় ১,৫০০ গাড়ি অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের যাত্রা শুরুর কথা বলা হয়; যেটি বিকেলে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
এছাড়া, মাঝপথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর সেতুর কাছে ট্রাক স্ট্যান্ডেও সমাবেশ করবে জোটটি।
এদিকে, অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ী নেতারা।





