Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘প্রাথমিকে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র পাননি শত শত প্রার্থী’

পত্রিকা: ‘প্রাথমিকে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র পাননি শত শত প্রার্থী’

5
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শত শত প্রার্থী।

গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন জেলায় নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়, তবে অনেক প্রার্থীর চূড়ান্ত ফলাফলে নাম এলেও পাননি নিয়োগপত্র।

তারা ভেরিফিকেশনের কারণে নিয়োগপত্র পাননি বলে ধারণা করলেও সুনির্দিষ্ট কারণ জানেন না।

নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণ হিসেবে কয়েকজন প্রার্থী এনএসআই ও ডিএসবি যাচাইয়ের ‘নেতিবাচক’ প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেছেন।

বিভিন্ন জেলার প্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে অন্তত ২৭ জেলায় প্রায় ৮০০ জনের তথ্য পাওয়া গেছে; যারা নিয়োগপত্র হাতে পাননি। অন্য জেলাগুলো থেকেও নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ আসছে।

বিষয়টিকে এখনই নিয়োগ থেকে বাদ পড়া হিসেবে দেখছে না প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সংস্থাটির মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানান, নিয়োগপত্র ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় চিঠি পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে।

নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থী বাদ পড়েছেন এমন তথ্য তার কাছে আসেনি এবং কোনো প্রার্থীর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে, তা বললেন শাহীনা ফেরদৗসী।

মানবজমিন

খবরটিতে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুতি, মানবিক সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে।

এই কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন , সংঘাতের সমাধান হতে হবে আলোচনা, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে।

বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাই দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। জাতিসংঘকে এমন একটি সমঝোতামূলক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতে হবে— যোগ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

আজকের পত্রিকা

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— As private jobs dry up, 21 lakh chase 1,485 govt post; অর্থাৎ বেসরকারি চাকরিতে সুযোগ কমায় ১,৪৮৫টি সরকারি পদের বিপরীতে ২১ লাখ আবেদন।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সরকারি চাকরি পেতে প্রার্থীদের তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা প্রতিযোগিতা কমার বদলে সময়ের সাথে সাথে আরও বেড়েছে।

এই প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র হয়েছে, তা বুঝা যায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের একটি নিয়োগে।

সরকারের এ সংস্থা গত মে মাসে ৫২টি ক্যাটাগরিতে ১,৪৮৫টি পদের জন্য চাকরিপ্রার্থীদের কাছে আবেদন চায়। ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত এসব পদের মধ্যে স্থায়ী ও অস্থায়ী— উভয় ধরনের পদই রয়েছে।

আর সেসব পদে চাকরি পেতে ২১ লাখেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। এই বিপুল সংখ্যক আবেদনকারী সামাল দেওয়া এবং নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চাকরিপ্রার্থীদের এই বিপুল সংখ্যা এমন এক শ্রমবাজারের চিত্র তুলে ধরেছে, যেটিকে অর্থনীতিবিদরা আগেই অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

গত বছরের অগাস্টে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও নীতি-বিকল্প বিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এখানকার কর্মসংস্থানের পরিস্থিতিকে ‘এমপ্লয়মেন্ট ইমার্জেন্সি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল।

প্রতিবেদনটি উপস্থাপনকারী পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান পরবর্তীতে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, বাংলাদেশে বেকারত্ব ‘মহামারি পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।

এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি জানিয়েছে, বাংলাদেশে উচ্চমাধ্যমিক পরবর্তী শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণদের প্রায় ৩৬ শতাংশই বেকার।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ‘রিইনটিগ্রেশন অব মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স’ জরিপে দেখা গেছে, বিদেশ যাওয়ার আগে বাধ্যতামূলক প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (পিডিও) নিতে আসা কর্মীদের ৭১ দশমিক ৩ শতাংশ কোনো দক্ষতা প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিদেশে যাচ্ছেন।

অথচ বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য কর্মী তৈরি ও প্রেরণের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করেছিল জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।

সংস্থাটির অধীনে বর্তমানে দেশে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে আরো ৫০টি কেন্দ্র স্থাপনের কাজও চলমান।

বিদেশে যাওয়ার আগে এসব কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন মাত্র ৯ দশমিক ৯ শতাংশ কর্মী।

আর টিটিসির বাইরে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ কর্মী।

জরিপে অংশ নেওয়া কর্মীদের ৬৬ শতাংশ যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যে। তাদের ১৩ শতাংশ এরই মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো বিদেশে যাচ্ছেন বলে জানান।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হয়েছে, কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত অত্যন্ত বিষাক্ত আগাছানাশক প্যারাকোয়াট ও গ্লাইফোসেট ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

দেশে থাকা এই গ্রুপের বালাইনাশকের মজুত আগামী ছয় মাসের মধ্যে শূন্য করতে হবে। একই সঙ্গে এ গ্রুপের বালাইনাশক আমদানি, নতুন নিবন্ধন এবং বিদ্যমান পণ্যের লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, ব্রাজিলসহ বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশে প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ, এই আগাছানাশকটি পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

তবে বাংলাদেশে এতদিন কৃষিতে এর ব্যবহার বন্ধের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, গ্লাইফোসেট বিশ্বের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত আগাছানাশক। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার অধীন আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা ২০১৫ সালে গ্লাইফোসেটকে মানুষের জন্য সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বা ‘গ্রুপ ২এ’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে।

সমকাল

এতে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত মিলে সিদ্ধান্ত নেবে বলে ‘আশা’ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত বুধবার নিউইয়র্কে ‘অন-ব্যাকগ্রাউন্ড’ ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের এ অবস্থান তুলে ধরেন।

ওই ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। আমরা বুঝতে পারছি যে, বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে।

আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত. তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি— যোগ করেন তিনি।

ইত্তেফাক

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অসংখ্য আলামত বছরের পর বছর ধরে সংরক্ষিত আছে।

কোনোটি পড়ে আছে তদন্ত শেষ হওয়ার পরও, কোনোটি বিচার চলাকালের, আবার কোনোটি আদালতের নির্দেশের পরও নিষ্পত্তি না হওয়ায়।

নতুন মামলার আলামত আসতে থাকায় পুরনোগুলো জমে তৈরি হচ্ছে জায়গার সংকট। যার ফলে এগুলো নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ। যথাযথ সংরক্ষণ না হওয়ায় এগুলো নষ্টও হচ্ছে। কোনো কোনো আলামত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সংরক্ষিত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

কিছু ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশের পরও আলামত মালখানায় পড়ে থাকছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড প্রসিকিউশন বিভাগের মালখানার আলামত সংরক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিএমপিতে বর্তমানে ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৪টি আলামত রয়েছে। তার মধ্যে ৮ হাজার ২৬৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৩৫টি যানবাহন। আলামতগুলোর অধিকাংশই হত্যা, ধর্ষণ, মোবাইল ও মাদকসংক্রান্ত।

এক থেকে তিন বছরের ঊর্ধ্বে আলামতের সংখ্যা ২ লাখ ১৬ হাজার ৮৬৩। এক বছরের কম সময়ের আলামতের সংখ্যা ২২ হাজার ৩৭১।

দেশ রূপান্তর

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, হাম ছড়ানো শুরু হওয়ার প্রায় সাত মাস পর বাদ পড়া শিশুদের টিকা দিতে আজ শনিবার আবার বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। টিকা দেওয়া হবে ৩৪ লাখ শিশুকে।

এই ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। এই শিশুরা ৫ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা হাম–রুবেলার টিকার মূল ক্যাম্পেইন থেকে বাদ পড়েছিল।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, সংক্রমণের এলাকা শনাক্ত করে সব ঝুঁকিপূর্ণ শিশুকে সুরক্ষা দেওয়া এবং রোগী থেকে সংক্রমণ ঠেকানোর উদ্যোগ ছাড়া হাম নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে।

প্রথম আলো

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Madrassah abuse cases expose gaps in child protection; অর্থাৎ মাদ্রাসায় নির্যাতনের ঘটনা শিশু সুরক্ষার ঘাটতিকে সামনে এনেছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে দেশের মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষক, জ্যেষ্ঠ ছাত্র ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রায়ই সামনে আসছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এ ধরনের ঘটনার প্রকৃত সংখ্যা বা ব্যাপকতা নিরূপণ করা কঠিন।

সরকারি সংস্থা বা মানবাধিকার সংগঠন— কোনোটিই মাদ্রাসার অভ্যন্তরে নির্যাতনের ঘটনার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান রাখে না; ফলে এ ধরনের ঘটনাগুলো সামগ্রিক জাতীয় পরিসংখ্যানের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অগাস্ট পর্যন্ত ২৭৭ জন মেয়ে ও ৫২ জন ছেলে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

ওই ৫২ জন ছেলের অধিকাংশই মাদ্রাসায় শিক্ষক বা বয়সে বড় শিক্ষার্থীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে জানালেন আসকের তথ্য কর্মকর্তা আবু আহমেদ ফয়জুল কবির।

আসকের তথ্যে আরও দেখা যায় যে, ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা বিশেষ ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ধর্ষণের শিকার হওয়া যেসব শিশুর কথা জানা গেছে, তাদের মধ্যে এই বয়সী ১০০ জন মেয়ে ও ৩৩ জন ছেলে রয়েছে।

‘আওয়াজ উঠাও’ নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পরিচয় গোপন রেখে ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা সংগ্রহের কাজ শুরু করে, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা যৌন নির্যাতনের ২০৯টি ঘটনার বিবরণ পেয়েছে।

প্রাপ্ত অভিযোগগুলোর মধ্যে ৪০ শতাংশই ছিল ধর্মীয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘটা নির্যাতনের ঘটনা। এর মধ্যে ৪৯ শতাংশ ঘটনা ঘটেছে কওমি মাদ্রাসায় এবং ৬ শতাংশ আলিয়া মাদ্রাসায়।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা প্রায়শই বছরের পর বছর লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে যায়।

নিউ এইজ

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Fuel shock in transport: People bear brunt of govt inaction, inefficiency; অর্থাৎ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি: মানুষ বেশি ভোগে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা-অদক্ষতায়।

এতে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর থেকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী দেশের দামের তুলনার প্রসঙ্গ বারবার আনা হলেও দুই দেশে পরিবহন ভাড়ার ব্যাপক পার্থক্যের কথাটি বলা হচ্ছে না।

বাংলাদেশে নগর পরিবহন, শহরতলী ও দূরপাল্লায় যে হারে বাস ভাড়া দিতে হয়, পশ্চিমবঙ্গে সে ভাড়া অনেক কম।

আবার সড়ক পরিবহন খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ যে হারে ভাড়া নির্ধারণ করে, যাত্রীদের কাছ থেকে নানা কৌশলে আদায় করা হয় তার চেয়ে অনেক বেশি।

বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, আসলে যাত্রীদের অভিযোগ করার কোনো জায়গাও নেই।

বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ারই নেই, অথচ বিআরটিএর পর্যাপ্ত লোকবল নেই।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে গত আট বছরে জ্বালানি তেলের দাম বহুবার বাড়লেও বাস ভাড়া একবারও বাড়ানো হয়নি।

অথচ বাংলাদেশে এই সময়ে ভাড়া বেড়েছে চারবার। আবার ২০২২ সালের পর ছয় দফায় ডিজেলের দাম মোট ১৩ টাকা কমানোর পরও বাস ভাড়া কমেনি একটুও।

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ

এই খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর পরও কমছে না দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপ।

গত সাড়ে ছয় মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লোকসান হয়েছে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা।

নতুন করে মূল্য বৃদ্ধির পরও ডিজেলে প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

এদিকে, এলএনজি খাতেও বাড়ছে সরকারের আর্থিক চাপ। চলতি অর্থবছরের প্রথম আড়াই মাসেই এলএনজিতে ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে, যেখানে পুরো বছরের জন্য বরাদ্দ ছিল সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা।

এর বাইরে গত সাড়ে ছয় মাসে পেট্রোবাংলার নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে আরো ১৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

কয়লা, ফার্নেস অয়েল ও এলএনজির দাম বৃদ্ধির কারণে চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতের লোকসান ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কালের কণ্ঠ