Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে, কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে’

পত্রিকা: ‘সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে, কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে’

6
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৩০ হাজার ৩২৮ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এলেও পরের অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৫৮৯ মিলিয়ন ডলারে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। দেশটি থেকে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৪২৬৪.৩৬ মিলিয়ন ডলার এলেও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮৪৮.৮৭ মিলিয়ন ডলার।

সৌদি আরবের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স আসে ৫০৭১.৯৯ মিলিয়ন ডলার। এক বছরে যুক্তরাজ্য থেকে রেমিট্যান্স আসার হার বেড়েছে প্রায় ৬০.১ শতাংশ।

এরপরের অবস্থানে আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (৪৫৮৩.৯১ মিলিয়ন ডলার), মালয়েশিয়া (৩৪০৩.৬৫ মিলিয়ন ডলার)।

এই সময় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দেশটি থেকে ৪৭৩৩.১৩ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এলেও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তা কমে ৩০৩৩.১৫ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

পত্রিকা

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Bangladesh’s US LNG imports jump 61%, making it 17th largest buyer; অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানি বেড়েছে ৬১ শতাংশ, শীর্ষ ক্রেতার তালিকায় ১৭তম বাংলাদেশ।

খবরটিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে প্রচলিত উৎস থেকে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্নতা সৃষ্টি হওয়ায় চলতি বছরের প্রধমার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিকারক দেশগুলোর তালিকায় ১৭তম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের এলএনজি আমদানি বেড়ে ৫০.২৩ বিলিয়ন কিউবিক ফুটে (বিসিএফ) দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ৩১.২৭ বিসিএফের তুলনায় ৬১ শতাংশ বেশি।

ইআইএ’র তথ্য অনুযায়ী, উল্লেখিত সময়ে দৈনিক যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি রপ্তানির গড় পরিমাণ ছিল ১৭.৪ বিসিএফ; যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি।

এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানির জন্য বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, বিশেষ করে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

তবে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর সপ্তাহখানেক পর এলএনজি কার্যক্রম স্থগিত করে সরবরাহের ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি (ফোর্স মেজার) ঘোষণা করে।

এই যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মারাত্বকভাবে ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকট মোকাবেলা করে আসছে, যার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পোৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর— LNG bill to triple as war drags on; অর্থাৎ যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এলএনজিতে ভতুর্কি তিন গুণ হতে চলেছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ায় চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে ভর্তুকির ব্যয় প্রায় তিন গুণ বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

যার কারণে অতিরিক্ত সহায়তার জন্য ঋণদানকারী সংস্থাগুলোর দ্বারস্থ হতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এই খাতে ব্যয় সরকারি কোষাগারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

গত অর্থবছরে সরকার শুরুতে এলএনজিতে ভর্তুকির জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয় বেড়ে ১৪,৫০০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।

চলতি অর্থবছরের জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় এই বাবদ ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রাথমিক প্রাক্কলন জমা দিয়েছে— যা গত বছরের চূড়ান্ত ব্যয়ের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি কেবল বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে করা একটি প্রাক্কলন মাত্র।

ওই কর্মকর্তার তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই সরকার ভর্তুকি বাবদ ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় করে ফেলেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন, দেশি-বিদেশি ঋণ শোধ, ভর্তুকি ও জ্বালানি ব্যয়ের বাড়তি চাপের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন কর্মসূচি ও বড় কেনাকাটা।

ফলে বাজেটের বড় একটি অংশ এমন খাতে চলে যাচ্ছে, যেখান থেকে সরকারের সরাসরি কোনো আয় নেই।

অন্যদিকে, খরচের এসব চাপ সামাল দেওয়ার জন্য সেই হারে আয়ও বাড়ছে না।

চলতি অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রায় ৪ লাখ কোটি টাকা টাকা সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন–ভাতা, ঋণ শোধ ও ভর্তুকি-এই তিন খাতেই যাবে।

এছাড়া, বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নিয়ে জ্বালানি পণ্য ও সার আমদানির খরচ সামাল দিচ্ছে সরকার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি দরকার ৪৫ শতাংশ, যা অতীতের অর্জনের তুলনায় অনেক বেশি।

ফলে ব্যয়ের বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত হারে আয় বৃদ্ধি না পাওয়ায় সরকারের অর্থ ব্যবস্থাপনা এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে।

অর্থনীতিবিদেরা পরামর্শ দিয়েছেন, আয় বৃদ্ধির সুযোগ সীমিত হওয়ায় সরকারের খরচ কমাতে ব্যয় খাত পর্যালোচনা করা দরকার।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকটে দেশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছে সরকার।

কিন্তু দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন যখন কমছে, বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে, তখন ২ বছর পর পরিস্থিতি কতটা সামাল দেওয়া যাবে, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

বর্তমানে লোডশেডিংয়ের প্রধান কারণ হচ্ছে জ্বালানি গ্যাসের তীব্র সংকট তৈরি হওয়া।

গত ৩০ আগস্ট দেওয়া পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুসারে, এখন দেশে গ্রিড-সংযুক্ত গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের দৈনিক চাহিদা ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে ওই দিন সরবরাহ করা হয়েছে ৮৫২ মিলিয়ন ঘনফুট।

একই দিনে সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে ২ হাজার ৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

বাণিজ্য, আবাসিক এবং পরিবহনের সঙ্গে যোগ করলে গ্যাসের চাহিদা দাঁড়ায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটে। সেদিন চাহিদা থেকে সরবরাহ ঘাটতি ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এদিকে, প্রতি বছর দেশে ১০ শতাংশ করে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এই হিসাবে এখন চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট হলে ২ বছর পর তা বেড়ে হবে ২১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট।

কোনো রকম উৎপাদন না বাড়ানো হলে এখনকার মতো ১৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন হলে তখন ঘাটতি তৈরি হবে ৬ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের।

বর্তমান অবকাঠামোয় এই সংকট মেটানোর মতো কোনো ব্যবস্থা নেই।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে এলে দেশে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু এরপরও আরও ৫ হাজার ৩০০ মেগাওয়াটের ঘাটতি থেকে যাবে।

গ্যাসের বদলে তরল জ্বালানি দিয়ে এই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গেলে ভর্তুকির চাপ এতটা বাড়বে, যা বহন করা সরকারের পক্ষে কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশ রূপান্তর

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Fraudsters fleece families of prisoners; অর্থাৎ কারাবন্দীদের টার্গেট করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকচক্র।

এই খবরে বলা হয়েছে, কারাগারে থাকা স্বজনকে মুক্ত করা, জামিন করানো, রিমান্ড ঠেকানো কিংবা চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা বলে বন্দীদের পরিবারের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকচক্র।

কখনো বন্দী অসুস্থ, কখনো কারাগারে মারামারি করে বিপদে পড়েছেন, আবার কখনো তাকে অন্য কারাগারে পাঠানো হবে— এমন নানা কথা বলে পরিবারের সদস্যদের ভয় দেখিয়ে দ্রুত টাকা পাঠাতে চাপ দেন তারা।

এছাড়া, টাকা দিলে কারাগারের ভেতরে বন্দীকে ভালো সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথাও বলা হয়। এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে।

প্রতারকরা নিজেদের কখনো পুলিশ কর্মকর্তা, কখনো কারা কর্মকর্তা, আবার কখনো আদালতের কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেন।

বন্দীদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিশ্বাস অর্জন করেন তারা। এরপর নানা অজুহাতে টাকা দাবি করেন।

ভারপ্রাপ্ত কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) কর্নেল মোস্তফা কামালও এ ধরনের ঘটনার কথা স্বীকার করেন।

তিনি বলেছেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঘটনা ঘটে। অপরাধী চক্র বিভিন্ন উপায়ে বন্দিদের তথ্য সংগ্রহ করে। পরে সেই তথ্য ব্যবহার করে প্রতারণা করে।’

টাইমস অব বাংলাদেশ

খবরটিতে বলা হয়েছে, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করতে জাতীয় সংসদে বিল আনা হয়েছে।

নতুন বাহিনীটির নাম হবে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ গতকাল বৃহস্পতিবার ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল ২০২৬’ উত্থাপন করেন।

বিলটি উত্থাপনে আপত্তি জানায় বিরোধী দল। বিরোধী নেতারা অভিযোগ করেন, এসআরবি কার্যত র‍্যাবের মতোই বাহিনী হবে। এ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়।

পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে গত বছর চিকিৎসা নিয়েছেন ৩০ হাজার রোগী।

প্রতিষ্ঠানটির ২০২৫ সালের ক্যান্সার রোগী নিবন্ধনের তথ্য বলছে, নতুন করে ক্যান্সার শনাক্ত হওয়া রোগীদের প্রায় ৮০ শতাংশ স্বাক্ষরজ্ঞানহীন অথবা স্বল্পশিক্ষিত।

রোগ বিষয়ে সচেতনতা, ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে ধারণা এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা শুরু করা জীবন রক্ষায় জরুরি। স্বাক্ষরজ্ঞানহীন অথবা স্বল্পশিক্ষিতরা অনেক সময় রোগের লক্ষণকে গুরুত্ব দেন না, চিকিৎসা নিতে দেরি করেন কিংবা হাতুড়ে চিকিৎসার শরণাপন্ন হন।

এতে ক্যান্সার শনাক্তে বিলম্বের ঝুঁকি বাড়ে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসায় ইতিবাচক ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বিপুলভাবে কমে যায়।

এছাড়া, সামাজিক-আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের মধ্যে পুষ্টির অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, যে কারণে তারা জরায়ুমুখ ও হেড-নেক ক্যান্সারে বেশি ভোগেন। অনেক ক্ষেত্রে অল্প বয়সে বিয়ের কারণে এসব ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া

হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৮ সালের জুনে।

কিন্তু গত ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির বাস্তব অগ্রগতি মাত্র ১০ দশমিক ১৪ শতাংশ।

এছাড়া, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকার পূর্বাচলে টিচিং ও ট্রেনিং পেট হাসপাতাল ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন এবং কক্সবাজারে গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পেরও একই অবস্থা।

শুধু এ দুটি প্রকল্প নয়, গত অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৭২টি প্রকল্পের মধ্যে অধিকাংশই ধীরগতির চক্করে পড়েছে।

কয়েকটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে প্রকল্পগুলোর মেয়াদ আবার বাড়ানো হচ্ছে। কোনো কোনো প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সরদার মো. কেরামত আলী জানান, শিক্ষার প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে কেন বিলম্ব হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।

‘সোশ্যাল মিডিয়ার আশ্রয় নিয়ে কেউ কেউ মানুষকে উসকে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে’— যোগ করেন তিনি।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, ‘দেশে কোনো রকমের সাম্প্রদায়িক উসকানি কিংবা বিদ্বেষ যেন আমাদের সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টির কারণ না হয়, সে বিষয়ে আমি সজাগ দৃষ্টি রাখতে সবার প্রতি আহবান জানাই। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা বিধানে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

কালের কণ্ঠ