Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, ANI
বাংলাদেশ থেক ে হিন্দ ু ধর্মাবলম্ব ী মতুয় া সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ ভারত ে চল ে এসেছিলেন, তাদের য ে কথিত ‘ অনুপ্রবেশকার ী ‘ নয়, বর ং ‘ শরণার্থ ী ‘ বল া হবে, বিজেপ ি দীর্ঘদিন ধরেই সেই আশ্বাস দিয় ে এসেছে । এখন বিজেপিই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় এসেছে, তবুও মতুয় া সম্প্রদায়ের অনেক মানুষের মধ্য ে নতুন কর ে অনিশ্চয়ত া তৈর ি হয়েছ ে য ে তার া ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন ক ি না।
তাদের নতুন এই অনিশ্চয়তার সূত্রপাত রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর একট ি ঘোষণার পরে।
মতুয় া সম্প্রদায়ের একাংশের সেইসব প্রশ্ন নিয়েই সোমবার এক বৈঠক ে বসেছিলেন রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্র ী অশোক কীর্তনিয়া, যিন ি নিজেও মতুয় া সম্প্রদায়ের মানুষ।
দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপ ি নেতার া বারেবার ে এই আশ্বাস দিয় ে এসেছেন য ে ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ব া সিএএ-তে আবেদন করল ে বাংলাদেশ থেক ে আস া হিন্দ ু ‘ শরণার্থ ী’র া নাগরিকত্ব পেয় ে যাবেন।
সরকার গঠনের পর ে মুখ্যমন্ত্র ী শুভেন্দ ু অধিকার ী ঘোষণ া করেছেন য ে বাংলাদেশ থেক ে আসা, তার ভাষায় ‘ অনুপ্রবেশকারীদের’, তার রাজ্যের পুলিশ আটক কর ে বিএসএফের হাত ে তুল ে দেব ে যাত ে সেই কথিত অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশ ে ফেরত পাঠিয় ে দেওয় া যায়।
তিন ি বলেছিলেন,” যার া ভারতের সীমান্ত পেরিয় ে এসেছেন, কিন্ত ু নাগরিকত্ব সংশোধন ী আইন সিএএ-এর আওতায় পড়েন না, তার া ‘ পুরোপুর ি অবৈধ অনুপ্রবেশকার ী ‘।”
” তাদের সরাসর ি রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করবে, আটক করব ে এব ং বর্ডার সিকিউরিট ি ফোর্স ব া বিএসএফ-এর হাত ে তুল ে দেবে। বিএসএফ বিডিআরের ( বিজিবির পুরোনে া নাম ) সঙ্গ ে কথ া বল ে তাদের ডিপোর্ট করার ব্যবস্থ া করবে । অর্থাৎ ডিটেক্ট, ডিলিট, এব ং ডিপোর্ট ।”
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষ ী বাহিনীক ে মি. অধিকার ী ওই বাহিনীর পুরোনে া নাম বিডিআর বলেই উল্লেখ করেছিলেন।
ওই ঘোষণায় এট া স্পষ্ট নয় য ে ‘ সিএএ- এর আওতায় পড়েন ন া ‘- এই কথাটির অর্থ ক ি এই যে, যার া সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অনুযায় ী আবেদন করেননি, তাদেরই কথিত অনুপ্রবেশকার ী বল া হবে?
আবার নির্বাচনের আগ ে ভোটার তালিকায় য ে নিবিড় সংশোধন ব া এসআইআর প্রক্রিয় া চালানে া হয়েছে, তাত ে নাম বাদ পড় া হিন্দ ু ধর্মাবলম্বীদের একট া বড়ে া অংশই মতুয় া সম্প্রদায়ের।
তাই মতুয় া সম্প্রদায়ের অনেকেই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ে উদ্বিগ্ন হয় ে পড়েছেন এই ভেব ে য ে তাদেরও ক ি তাহল ে বাংলাদেশ ে ফেরত পাঠিয় ে দেওয় া হব ে কথিত অনুপ্রবেশকার ী হিসেব ে চিহ্নিত করে?
সোমবার এই সব প্রশ্নের জবাব দিতেই মতুয় া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধ ি ও পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্র ী অশোক কীর্তনিয়ার সঙ্গ ে বৈঠক ে বসেন মতুয় া সম্প্রদায়ের প্রায় একশে া জন মানুষ।
ছবির উৎস, ANI
মতুয়াদের ক ী আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী?
মতুয় া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গ ে বৈঠকের পর ে মন্ত্র ী অশোক কীর্তনিয় া বলেন,” মতুয় া সম্প্রদায়ের কোনে া উদ্বাস্ত মানুষ, যার া ২০২৪ সালের ৩১শ ে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারত ে এসেছেন, তাদের কাউক ে ফের উদ্বাস্ত ু হত ে হব ে না । আম ি মতুয়াদের বলেছি, আপনাদের প্রতিনিধ ি নিয় ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গ ে দেখ া করুন ও আপনদের দাব ি তুল ে ধরুন ।”
মতুয়াদের ‘ ধর্মগুর ু ‘ ঠাকুর পরিবারের সদস্য ও বিজেপির বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বিবিসিক ে বলেছেন,” তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-নেত্রীর া এব ং আমাদের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্র ী মানুষক ে অনেক ভুল বুঝিয়েছিলেন । সিএএ ত ে আবেদন কর া নিয় ে মানুষের মন ে ভয়ের সৃষ্ট ি করেছিলেন । কিন্ত ু মানুষ সত্য বুঝত ে পেরেছেন, তাই আজ আবার মতুয়াদের অনেকেই সিএএর মাধ্যম ে নাগরিকত্বের আবেদন করছেন ।”
নাগরিকত্বের আবেদন জানাত ে শিবিরও শুর ু করেছেন তিনি।
তার কথায়,” আমাদের বিধায়কদের মধ্য ে অনেকেই, আম ি নিজেই, আবার সিএএ ক্যাম্প চাল ু করেছি । এসআইআরের সময়েও এই ক্যাম্প ে অনেক মানুষক ে এই আবেদন প্রক্রিয়ায় সহায়ত া দেওয় া হয়েছে ।”
ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন ী আইন ব া সিএএ অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এব ং আফগানিস্তান থেক ে য ে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারস ি এব ং খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ২০২৪ সালের ৩১শ ে ডিসেম্বরের আগ ে ভারত ে এসেছেন, তার া ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করত ে পারবেন । প্রতিবেশ ী দেশগুলোর মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এই আইনের আওতায় পড়েন না।
ছবির উৎস, ANI
দিত ে হব ে বাংলাদেশ ে ‘ ধর্মীয় নিপীড়নের’ প্রমাণ
সিএএ-এর তালিকাভুক্ত ি পর্ব চলার সময়, পশ্চিমবঙ্গ ে মতুয়াদের মূল কেন্দ্রস্থল ঠাকুরনগর ে বিজেপির পৃষ্ঠপোষকতায় বেশ কিছ ু সহায়ত া শিবির গড় ে উঠেছিল।
সেখান ে সিএএ-এর অনলাইন আবেদনের পাশাপাশ ি প্রয়োজনীয় হলফনাম া এব ং মতুয় া ঠাকুরবাড়ির উদ্যোগ ে হিন্দ ু সনদ এব ং মতুয় া সনদ সংগ্রহের জন্য সব মিলিয় ে ভারতীয় মুদ্রায় ৮০০ টাক া কর ে নেওয় া হচ্ছিল।
মতুয়াদের বক্তব্য ছিল, এই সনদগুলে া তাদের অধিকার নিশ্চিত করব ে বল ে প্রতিশ্রুত ি দেওয় া হয়েছিল।
তব ে গত নয়ই ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ দেয় যে, সিএএ-এর আওতায় অধিকার প্রদান বিষয়ট ি নির্ভর করব ে আবেদনকারীর ধর্মীয় নিপীড়নের হাত থেক ে পালিয় ে আসার দাবির সত্যত া যাচাই করার ওপর।
অর্থাৎ, মতুয় া সমাজের সদস্যদের ভারতীয ় নাগরিকত্ব পেত ে বাংলাদেশ থেক ে ‘ ধর্মীয ় নিপীড়ন’-এর শিকার হওয়ার প্রমাণ দেওয় া বাধ্যতামূলক।
ঠাকুরনগরের বাসিন্দ া একজন ব্যক্তি, যিন ি মতুয় া গোষ্ঠীর সদস্য, তিন ি বিবিসিক ে বলেছেন,” বিজেপ ি ক্ষমতায ় আসার পর মানুষ আবার সজাগ হয়েছেন । অনেকেই বিশ্বাস করেন হয়ত ো এবার কেন্দ্র আর রাজ্যের সম্মিলিত উদ্যোগ ে তাদের নাগরিকত্বের সমস্য া মিটবে । কিন্ত ু বিজেপ ি তাদের প্রতিশ্রুত ি রাখব ে ক ি ন া সেট া সময ় বলবে ।”
সঞ্জয় বিশ্বাস নাম ে তৃণমূল কংগ্রেসপন্থ ি একজন মতুয় া নেত া বিবিসিক ে বলছেন,” বাংলাদেশের জমির দলিল অনেকের কাছেই নেই । সেট া সিএএ-এর আবেদন ে একট া বড ় সমস্য া হয় ে দাঁড়াচ্ছে । অনেক আবেদনকার ী আবার তাদের বাংলাদেশ ি পাসপোর্ট প া পরিচয়পত্র সারেন্ডার করত ে চাইছেন না ।”
ফলত এট া পরিষ্কার য ে ভারতের নাগরিকত্ব নিয় ে সংশয ় অনেকের মনেই বাস্তব দুশ্চিন্তার রূপ নিয়েছে।
মি. বিশ্বাস জানাচ্ছিলেন,” মানুষের মন ে এ নিয় ে বিভ্রান্ত ি অনেক । এখন এমন পরিস্থিতি, য ে সিএএ-এর মাধ্যম ে নাগরিকত্বের আবেদন ন া করল ে হয়ত ো আমাদের ডিটেনশন ক্যাম্প ে পাঠিয় ে দেব ে ব া বাংলাদেশ ে পুশব্যাক কর ে দেবে । যার া নাগরিকত্ব পানন ি এব ং যাদের নাম ভোটার তালিক া থেক ে এসআইআরের সময় ে বাদ গিয়েছে, তাদের মন ে আরও বেশ ি কর ে ভয় ।”
মতুয় া ও দলিত অধিকার নেত া বল ে পরিচিত সুকৃত ি রঞ্জন বিশ্বাস বলছিলেন,” সিএএ-এর অধীন ে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য য ে সব তথ্যপ্রমাণ ও কাগজপত্র দরকার, ত া অধিকাংশ মানুষের কাছেই নেই । যার ফল ে ভবিষ্যত ে ভুয় া নথ ি তৈর ি করার প্রবণত া বৃদ্ধ ি পেত ে পারে ।”
তিন ি আরও জানান,” সিএএ-এর অধীন ে নাগরিকত্ব পেত ে আবেদনকারীক ে প্রথম ে নিজেক ে বাংলাদেশ ি নাগরিক বল ে প্রমাণ করত ে হবে । ফলে, পরবর্তীকাল ে যদ ি তার আবেদন গৃহীত ন া হয়, তাহল ে তিন ি সিএএ থেক ে বাদ পড়বেন ও ‘ অনুপ্রবেশকার ী ‘ বল ে তাক ে বিবেচন া কর া হত ে পার ে”, জানাচ্ছিলেন সুকৃত ি রঞ্জন বিশ্বাস।
আবার এখনে া পর্যন্ত কতজন সিএএ-র অধীন ে নাগরিকত্বের আবেদন কর ে ভারতের নাগরিক হয়েছেন, স ে ব্যাপারেও কোনে া স্পষ্ট তথ্য নেই।
রাজ্যসভায ় ২০২৫ সালের এপ্রিল মাস ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্র ী নিত্যানন্দ রাই বলেন, সিএএর অধীন ে” হাজার হাজার মানুষ” নাগরিকত্ব পেয়েছেন ।
যদিও এর আগ ে তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ সদস্য সুস্মিত া দেব রাজ্যসভায় দাব ি করেন, মাত্র ৩৫০ জন মানুষ সিএএর মাধ্যম ে নাগরিকত্ব পেয়েছেন।
ছবির উৎস, ANI
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিত ে যেভাব ে মতুয় া সম্প্রদায়
নমঃশূদ্র ব া দলিত শ্রেণির হিন্দুদের মধ্য ে কিছ ু মানুষ তৎকালীন পূর্ববঙ্গের ওড়াকান্দির সমাজ সংস্কারক হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নেতৃত্ব ে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ ে মতুয় া সম্প্রদায়ের সূচন া করেন।
১৯৪৭ সাল থেক ে শুর ু কর ে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পরবর্ত ী সময়কাল পর্যন্ত, মতুয়ার া পূর্ব পাকিস্তান ও পর ে বাংলাদেশ ত্যাগ কর ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বসত ি স্থাপন করেন, এদের অধিকাংশই উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, কোচবিহার এব ং মালদার মত ো সীমান্তবর্ত ী জেলাগুলোত ে আশ্রয় নেন।
ষাটের দশক থেকেই মতুয়ার া পশ্চিমবঙ্গের সক্রিয ় রাজনীতিত ে প্রবেশ করেন।
হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের বংশধর প্রমথরঞ্জন ঠাকুর প্রথম ১৯৬৩ সাল ে ভারতের জাতীয ় কংগ্রেসের প্রার্থ ী হয় ে হাঁসখাল ি থেক ে নির্বাচিত হয় ে আদিবাস ী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্র ী হন । তখন থেকেই একাধিকবার দল বদল কর ে ঠাকুরবাড় ি সক্রিয ় রাজনীতিত ে যুক্ত থেকেছেন।
বর্তমান ে ৩০টিরও বেশ ি বিধানসভ া আসন ে মতুয় া সম্প্রদায়ের মানুষর া নির্ণায়ক ভূমিক া পালন করেন । এর মধ্য ে অধিকাংশই উত্তর ২৪ পরগন া ও নদীয় া জেলায ় অবস্থিত।
বাম আমল ে রাজনীতির সঙ্গ ে মতুয়াদের প্রধান ধর্মস্থান ‘ ঠাকুরবাড় ি ‘র সম্পৃক্তত া প্রকাশ্য ে আসত না । যদিও বামেদের দীর্ঘদিন ভোট দিয় ে এসেছেন মতুয়ারা।
তব ে ২০১১ সালে, যেবছর তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এলো, সেবছরের ভোট ে মতুয়াদের বড়ে া অংশ মমত া ব্যানার্জীকেই সমর্থন করেছিলেন।
কিন্ত ু কয়েক বছর পর ে মতুয়ার া স্পষ্টত দুইভাগ ে ভাগ হয় ে যান । ‘ ঠাকুরবাড় ি ‘ত ে তৃণমূলপন্থ ি ও বিজেপ ি সমর্থক ভাগাভাগ ি প্রকট হয়।
২০১৯ সাল ে ‘ নাগরিকত্ব সংশোধন ী আইন ‘ পাশ হওয়ার পর ে মতুয়াদের মধ্য ে বিজেপির জনপ্রিয়ত া বাড়ত ে থাকে । মতুয় া সম্প্রদায়েরই সদস্য এব ং বিজেপ ি প্রার্থ ী শান্তন ু ঠাকুর ২০১৯ ও ২০২৪ উভয় লোকসভ া নির্বাচনেই বনগা ঁ আসন থেক ে জয়লাভ করেন । তিন ি এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
দীর্ঘকাল ধর ে বিজেপ ি মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ট ি উত্থাপন কর ে আসছে । অন্যদিক ে সাবেক শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য ছিল, সিএএ ছাড়াও তাদের নাগরিকত্ব দিত ে অসুবিধ া নেই, কারণ অধিকাংশ মানুষই ভোট দেন।
‘ বিশেষ নিবিড় সংশোধন ‘ ব া এসআইআর প্রক্রিয় া চলার সময়ে, বিজেপ ি মতুয় া এব ং অন্যান্য বাংলাদেশ ি হিন্দ ু শরণার্থীদের সিএএ আইনের আওতায় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করত ে বলে, যাত ে পরবর্তীত ে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত কর া সম্ভব হয়।
তবে, মতুয় া মহাসংঘের তৃণমূলপন্থ ি অংশটির নেত্র ী মমতাবাল া ঠাকুরের নেতৃত্ব ে মতুয় া সম্প্রদায়ের একট ি অংশ অনশন ধর্মঘট ে বসে । তাদের অভিযোগ ছিল যে, এই এসআইআর প্রক্রিয়ার ফল ে মতুয়ার া তাদের ভোটাধিকার থেক ে বঞ্চিত হবেন এব ং তাদের ভোটাধিকার কেড় ে নেওয় া হবে।
পর ে দেখ া যায়, এসআইআর তালিক া থেক ে নাম বাদ যাওয় া মানুষদের বড ় অংশ এই মতুয় া সম্প্রদায়ের হিন্দু।
নাগরিকত্ব হারানোর ভয ় জাঁকিয় ে বসেছিল মতুয় া সম্প্রদায়ের বহ ু মানুষকেই । যদিও বর্তমান রাজ্য সরকারের মন্ত্র ী অশোক কীর্তনিয়ার বক্তব্য, মতুয়ার া সিএএ-এর মাধ্যম ে নাগরিকত্ব পেয় ে সসম্মান ে ভোটার তালিকায ় ফিরবেন।







