Home LATEST NEWS BANGLA ভারতে ‘এআই চশমা’ বিক্রির হিড়িক, কিন্তু দেশের আইন কী বলছে?

ভারতে ‘এআই চশমা’ বিক্রির হিড়িক, কিন্তু দেশের আইন কী বলছে?

6
0

Source : BBC NEWS

মেটা ও রে ব্যান সংস্থা প্রথম এই ধরনের চশমা বাজারে নিয়ে আসে

, Photo by Michael M. Santiago/Getty Images

এত দিন চশম া কেবল দুর্বল দৃষ্টিশক্তির মানুষদের দেখত ে সাহায্য করত । অনেকেই রোদ থেক ে বাঁচার জন্য রোদ চশমাও ব্যবহার করতেন । তব ে আধুনিক প্রযুক্তিত ে চশম া কেবল দেখার কাজ ে নয়, গান শোনা, ভিডিও রেকর্ডি ং থেক ে শুর ু কর ে মানুষ চিনতেও সাহায্য করছে।

মেটার নতুন এআই গ্লাস ব া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চশম া নিয় ে তৈর ি হয়েছ ে নানান সংশয় । এমনক ি মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়ত া রক্ষ া নিয়েও উঠছ ে প্রশ্ন।

মেট া এআই গ্লাস এক ধরনের অত্যাধুনিক স্মার্ট চশমা, যাত ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ রয়েছে । মেট া এব ং রে-ব্যান যৌথ উদ্যোগ ে তৈর ি করেছ ে মেট া এআই গ্লাস । বর্তমান ে রিলায়েন্স, স্যামসাং-য়ের মত সংস্থাও এই উদ্যোগ ে সামিল হত ে চাইছে।

এই চশমায় সাধারণত আল্ট্র া ওয়াইড ক্যামের া রয়েছ ে যার সাহায্য ে হাই রেজলিউশন ছব ি তোল া যায় । ফেস রেকগনিশনের বিশেষ ব্যবস্থাও কিছ ু কিছ ু ক্ষেত্র ে থাকে । যার সাহায্য ে কোনও মানুষের ছব ি তুল ে তার সম্পর্ক ে সমস্ত তথ্য পেত ে সাহায্য করত ে পার ে এআই । এছাড়াও ভয়েস কমান্ডের মাধ্যম ে এআইয়ের সঙ্গ ে কথ া বল া যায়, তার থেক ে য ে কোনও পরামর্শ নেওয় া যায়।

এই ধরনের চশমায় ওপেন-ইয়ার ব্লুটুথ স্পিকার ও একাধিক মাইক্রোফোন রয়েছে, গান শোন া ও কল রিসিভ কর া যায় । একবার চার্জ দিল ে ৮ ঘণ্ট া পর্যন্ত এই চশম া ব্যবহার কর া যায় বল ে দাব ি বিভিন্ন সংস্থার।

এই চশমার সবথেক ে বড ় সুবিধ া হল, হাত ব্যবহার ন া করেই শুধ ু ভয়েস কমান্ড ব া ইশারায় ছব ি তোলা, ভিডিও করা, লাইভ স্ট্রিমি ং কর া এব ং মেসেজ ব া কল আদান-প্রদান কর া সম্ভব । য া অনেক ক্ষেত্রেই সামন ে থাক া ব্যক্তির নিরাপত্তার ঝুঁকিও তৈর ি করছে।

সম্প্রত ি দিল্লির যন্তরমন্তর ে ককরোচ জনত া পার্টির আন্দোলন ে দিল্ল ি পুলিশের বিরুদ্ধ ে এই মেট া এআই গ্লাস ব্যবহার কর ে আন্দোলনকারীদের চিহ্নিত করার অভিযোগ উঠেছিল । এমনক ি সেখান ে আন্দোলনকারীদের ভিডিও এই চশমার মাধ্যম ে তুল ে সামাজিক মাধ্যম ে ভাইরাল করার অভিযোগও রয়েছে।

কারোর অজান্তে তার কার্যকলাপ রেকর্ড করা যায়

David Paul Morris/Bloomberg via Getty Images

এই চশমার শিকার যারা..

বিবিস ি এমন কয়েকজনের সঙ্গ ে কথ া বলেছ ে যার া জানিয়েছেন যে, এই চশম া ব্যবহার কর ে অজান্ত ে তাদের ছব ি তুল ে সামাজিক মাধ্যম ে ছড়িয় ে দেওয় া হয়েছে । সেই সব পোস্ট ে তার া লাগাতার ট্রলিংয়ের শিকার হয়েছেন, য া তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।

এদের মধ্য ে রয়েছেন কলকাতার ৩৫ বছর বয়স ী একজন কলেজ শিক্ষিক া বিদিশা । তিন ি শুধ ু একট ি নামই ব্যবহার করেন।

বিদিশার অভিযোগের ভিত্তিত ে এক ব্যক্তিক ে গ্রেফতার কর া হয়েছে । মন ে কর া হচ্ছ ে এই ধরনের ঘটনায় ভারত ে এটিই প্রথম কোনও পুলিশ ি মামলা।

বিদিশার সঙ্গ ে ক ী ঘটেছিল?

তিন ি জানিয়েছেন, ১১ই জুন সন্ধ্যায় শহরের একট ি স্বল্প-আলোকিত রাস্ত া দিয় ে বাড় ি ফেরার সময় এক ব্যক্ত ি তার পথ আটক ে দাঁড়ায় । স ে প্রথম ে বিদিশার প্রশংস া করে, তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের খোঁজ জানত ে চায় এব ং তার সঙ্গ ে কথ া বলার জন্য পীড়াপীড় ি করত ে থাকে । বিদিশ া কোন ো আগ্রহ ন া দেখালেও লোকট ি তাক ে অনুসরণ করত ে থাকে।

বিদিশ া বিবিসিক ে বলেন,” তার হাত ে এমন কোন ো ক্যামের া ব া অন্য কোন ো যন্ত্র আম ি দেখিন ি য া দেখ ে মন ে হত ে পার ে য ে স ে কিছ ু রেকর্ড করছে ।”

পরের দিন বিদিশার এক শিক্ষার্থ ী তাক ে জানায় যে, সেই রাতের ঘটনার ভিডিও ইনস্টাগ্রাম ে ছড়িয় ে পড়েছে।

বিদিশ া তখন বুঝত ে পারেন যে, লোকট ি গোপন ে তাদের পুর ো কথোপকথন রেকর্ড কর ে নিয়েছিল । পর ে ভিডিওট ি এমনভাব ে এডিট কর া হয়েছ ে যাত ে মন ে হয়েছ ে বিদিশ া স্বেচ্ছায় ওই ব্যক্তির সঙ্গ ে কথোপকথন ে জড়িয় ে পড়েছিলেন।

সেই ভিডিওর কমেন্ট ে অনেক পুরুষ বিদিশার শারীরিক গঠন ও বাহ্যিক রূপ নিয় ে নান া কু-মন্তব্য করেছেন । বন্ধুদের কাছ থেকেই বিদিশ া জানত ে পারেন যে, ওই ব্যক্তিট ি একট ি ‘ স্মার্ট গ্লাস ‘ ব া বিশেষ প্রযুক্তির চশম া পরেছিলেন।

অগাস্ট মাস ে জনসমক্ষ ে আরেকজন তরুণ হাত ে ফোন নিয় ে বিদিশার দিক ে এগিয় ে আসে । আবারও গোপন ে তার ভিডিয় ো তুলত ে পার ে এই আশঙ্কায় বিদিশ া তাক ে এড়িয় ে যান । এরপর তিন ি পুলিশের কাছ ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তব ে তার অভিযোগ পুলিশ প্রথম ে এফআইআর দায়ের করত ে চায়নি।

বেশ কয়েক ঘণ্ট া চেষ্টার পর, অবশেষ ে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধ ে একট ি এফআইআর নথিভুক্ত কর া হয় । অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধ ে অন্যায়ভাব ে পথ আটক ে দেওয়া, গোপন ে নজরদার ি ব া পিছ ু নেওয় া এব ং ‘ স্টকি ং’-এর মত ো অভিযোগ আন া হয়।

তদন্তকার ী পুলিশ কর্মকর্ত া বিবিসিক ে জানিয়েছেন যে, এফআইআর দায়ের করার কয়েক দিন পর অভিযুক্তক ে গ্রেফতার কর া হয় । তাক ে একদিন পুলিশ হেফাজত ে রাখ া হয়েছিল, এরপর বিচার বিভাগীয় হেফাজত ে পাঠান ো হয় এব ং পরবর্তীত ে জামিন ে ওই ব্যক্ত ি মুক্তিও পেয় ে যান।

দিল্লিত ে ২৯ বছর বয়স ী একজন ট্রান্সজেন্ডারও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন । তার সঙ্গ ে ঘটনাট ি ঘটেছিল এপ্রিলে । ‘ ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস ( প্রোটেকশন অফ রাইটস ) অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর বিরুদ্ধ ে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিত ে অংশ নিত ে ‘ স্কাই’ নামের ওই ব্যক্ত ি দিল্লির যন্তর মন্তর ে গিয়েছিলেন । সেখান ে তার অজান্ত ে তার ভিডিও তুল ে সামাজিক মাধ্যম ে ভাইরাল কর া হয়।

মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গ

David Paul Morris/Bloomberg via Getty Images

ভারত ে বিপুল চাহিদা, সাধারণ চশমার তুলনায় দাম বহুগুণ

ভারতের বাজার ে এখন এই মেট া চশমার জেনারেশন এক ও দুই- দুট ো ভার্সানই পাওয় া যাচ্ছে । অনলাইন ে বিভিন্ন সংস্থার দাব ি অনুযায়ী, ভারত ে জেনারেশন ২-এর এই চশমার দাম ৩৯, ৯০০ টাক া থেক ে শুরু । ফ্রেম সমেত চশম া ৪৫, ৭০০ টাক া পর্যন্ত হত ে পারে । অন্যদিক ে জেনারেশন-১ এখন ছাড ় সমেত ২২০০০-২৭০০০ টাকার মধ্য ে পাওয় া যাচ্ছে।

মেট া ইন্ডিয়ার তরফ ে ভারতের বাজার সম্পর্ক ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট তথ্য দেওয় া হয়নি । তাই ভারত ে এখনও পর্যন্ত এই চশম া কত জোড় া বিক্র ি হয়েছ ে ত া সঠিকভাব ে বল া ন া গেলেও বিভিন্ন শহর ে খোঁজ নিল ে দেখ া যাচ্ছ ে কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই সহ দেশের বিভিন্ন শহর ে অফলাইন ে অর্থাৎ দোকান ে দোকান ে দুট ি জেনারেশনের চশমারই যথেষ্ট চাহিদ া রয়েছে।

ফল ে নির্ভরযোগ্য সংখ্য া দেওয় া হয়ত ো সম্ভব হব ে না।

তব ে অনলাইন ে বহ ু মানুষ এই চশম া ব্যবহার কর ে তাদের রিভিউ জানিয়েছেন । যার থেক ে বোঝ া যাচ্ছ ে ভারতের বাজার ে মেটার এই চশমার যথেষ্ট চাহিদ া রয়েছে।

সাধারণ চশমার মতো দেখতে এআই চশমা

David Paul Morris/Bloomberg via Getty Images

‘ এই চশম া ব্যবহার ে বিপদ অনেক ‘

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্ত া বিশেষজ্ঞ অরিজিৎ মুখার্জ ী বিবিসিক ে জানিয়েছেন এধরনের ঘটন া প্রতিরোধ করার মত প্রযুক্ত ি এখনও নেই । এই চশমার সব থেক ে বড ় সমস্য া হল এট ি একেবার ে সাধারণ চশমার মত দেখতে।

তার মধ্য ে য ে এলইড ি আল ো রেকডিংয়ের সময় জ্বল ে ত া অত ি সামান্য এব ং দিনের আলোয় প্রায় চোখ ে ন া পড়ার মতোই । এমনক ি অনলাইন ে একধরনের স্টিকার পাওয় া যায় য া রের্কডি ং শুর ু করার পর ওই আলোর ওপর ে লাগিয় ে দিল ে আল ো দেখ া যায় না।

যদিও মেটার দাব ি এই আল ো রেকডি ং করার সময় জ্বলত ে থাকে, তব ে ত া বন্ধ করার উপায়ও বিশেষজ্ঞর া ছয় মাস আগেই জানত ে পেরেছেন বল ে জানান মি. মুখার্জী ।

মেট া ক্রেত া সুরক্ষ া সংক্রান্ত একাধিক দাব ি করলেও ম ি মুখার্জ ী বলেন, মেট া এআইক ে ট্রেনি ং দেওয়ার জন্য য ে সব ছব ি ব া ভিডিও ব্যবহার করে, সেখান ে এই চশমার মাধ্যম ে তোল া একাধিক ব্যক্তিগত ভিডিও অনেকের অজান্তেই থেক ে যাচ্ছে।

মেট া অস্বীকার করলেও এমন অনেক প্রমাণ একাধিক বিজ্ঞান ী পেয়েছেন।

সাইবার সিকিউরিট ি বিশেষজ্ঞ কিঞ্জল কান্ত ি ঘোষের মত ে এই চশম া সাধারণ মানুষের কোনে া কাজ ে লাগ ে না । বর ং এর অপকার বেশি, তাই সরকারের উচিত নজরদার ি বাড়ান ো এব ং ভারত ে এর ব্যবহার ে নিয়ন্ত্রণ আনা।

তিন ি বিবিসিক ে জানান,” কারও অজান্ত ে তার ছব ি তুল ে নেওয় া ব া তার সমস্ত তথ্য হাতিয় ে নেওয় া সাইবার থ্রেট ত ো বটেই । এই চশম া দিয় ে য ে ছব ি উঠছ ে ত া যিন ি তুলছেন কেবল তার কাছেই নয়, যেহেত ু এই চশম া মেটার তৈর ি তাই সেই ছব ি মেটার কাছেও সংরক্ষিত থাকছে ।”

এই চশম া ব্যবহার ে বড় বিপদের সম্ভাবন া রয়েছ ে বল ে মন ে করছেন তিনি।

তার মতে,” ভিআইপিদের উপস্থিতিত ে কোনও অনুষ্ঠান ে কেউ যদ ি এই চশম া দিয় ে সমস্ত কিছ ু রেকর্ড করে, ত া অপব্যবহার করত ে পারে । সেক্ষেত্র ে দেশের নিরাপত্ত া নিয়েও বড ় প্রশ্ন তৈর ি হত ে বাধ্য ।”

” ফেস রেকগনিশন কর ে কারও পাসওয়ার্ড হ্যাক কর ে তার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয় ে নেওয়াও খুব সহজ ে সম্ভব । এব ং এগুল ো ঠেকানোর মত ো প্রযুক্ত ি নেই । সিনেম া হল ে গোট া সিনেম া রেকর্ড কর ে ত া বাজার ে ছেড় ে দেওয় া যাবে, সেখান ে স্বত্ব দাখিলের ত ো কোনও জায়গাই নেই বর ং বিরাট ক্ষতির সম্ভাবন া রয়েছ ে য া আইডেন্টিফাই করাও মুশকিল ।”

চশমা দিয়ে তোলা ছবি বা তথ্য ক্লাউডে জমা হতে পারে

Ahmet Serdar Eser/Anadolu via Getty Images

গোপন ে রেকর্ড করার বিরুদ্ধ ে ক ী আইন?

প্রযুক্ত ি বিষয়ক আইনজীব ী ও ইন্টারনেট-কেন্দ্রিক নাগরিক অধিকার কর্ম ী মিশ ি চৌধুর ী বিবিসিক ে বলেছেন যে,” গোপন ে এ ধরনের ভিডিও করল ে তার শাস্ত ি ক ী হত ে পার ে ত া নিয় ে ভারত ে নির্দিষ্ট কোনে া আইন নেই।

তার মত ে”, এট ি অত্যন্ত অনৈতিক কাজ হলেও, আইন অনুযায় ী এট ি স্পষ্টভাব ে কোন ো অপরাধ হিসেব ে গণ্য কর া হয়নি ।”

তিন ি বলেন, ভিডিওত ে রেকর্ড কর া দৃশ্য অনুযায় ী তার ওপর ভিত্ত ি কর ে মানহানি, গোপন ে অন্যের ব্যক্তিগত মুহূর্ত দেখ া ব া সংরক্ষণ কর ে রাখা, স্টকি ং এব ং অপরাধমূলক হুমকির মত ো অভিযোগ উঠত ে পারে । কিন্ত ু জনবহুল জায়গায় গোপন ে কারোও ভিডিও তুল ে রাখল ে ত া কোনে া আইনের আওতায় পড়বে, কিন া ত া ভারতীয় আইন ে বল া নেই।

এআই চশমায় লাগানো ক্যামেরা

David Paul Morris/Bloomberg via Getty Images

ভিডিওট ি সরিয় ে ফেলার ক্ষেত্র ে জটিলতা

গোপন ে কারোও ভিডিও তোল া হয় ে থাকল ে ত া সামাজিক মাধ্যম থেক ে সরানোও কঠিন বল ে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

হয়রান ি ব া উত্যক্ত করার বিষয়টিক ে মেট া তাদের নিয়ম ে আপত্তিকর বল ে মন ে করেলেও ইনস্টাগ্রাম ে কোন ো পোস্টের বিরুদ্ধ ে অভিযোগ জানানোর সময় ে গোপনীয়ত া লঙ্ঘন কিংব া স্মার্ট গ্লাসের মাধ্যম ে সম্মত ি ছাড় া ভিডিও তোলার মত ো বিষয়গুলোত ে অভিযোগ জানানোর জন্য কোন ো আলাদ া ক্যাটেগর ি ব া বিভাগ নেই।

এর ফল ে ভুক্তভোগীদের বাধ্য হয় ে ‘ বুলি ং অ্যান্ড হ্যারাসমেন্ট ‘ ব া উত্যক্তকরণ ও হয়রান ি ক্যাটেগরির অধীনেই অভিযোগ জানাত ে হয়।

বিদিশাক ে নিয় ে তৈর ি ভিডিওট ি দুই মাসেরও বেশ ি সময় ধর ে অনলাইন ে ছিল এব ং ২৫ লাখ বার দেখ া হয়েছিল । তার বন্ধুর া ইনস্টাগ্রামের কাছ ে অভিযোগ করেছিলেন য ে ভিডিওট ি তাদের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে, কিন্ত ু ত া সত্বেও ভিডিওট ি প্লাটফর্ম থেক ে সরান ো হয়নি।

বিদিশ া যখন পুলিশের দ্বারস্থ হন, ভিডিওট ি যিন ি তৈর ি করেছিলেন পুলিশ তাক ে সেই ভিডিওট ি সরিয় ে নিত ে বলায় তিন ি সেই ভিডিওট ি সরিয় ে নেন।

এআই চশমা

ছবির উৎস, Smith Collection/Gado/Getty Images

সুরক্ষ া নিয় ে মেটার ক ী দাবি?

ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের স্বত্বাধিকার ী প্রতিষ্ঠান মেট া জানিয়েছ ে যে, তাদের এআই চশমাগুল ো তৈরির শুর ু থেকেই গোপনীয়তার বিষয়ট ি বিবেচনায় রাখ া হয়েছে।

মেটার একজন মুখপাত্র বিবিসিক ে বলেছেন”, প্রতিট ি চশমায় একট ি রেকর্ডি ং এলইড ি লাইট ব া বাত ি রয়েছে । ছব ি ব া ভিডিও তোলার সময় এই বাতিট ি জ্বলে-নেভ ে এব ং এর উজ্জ্বলত া কম-বেশ ি হয় ।”

তিন ি জানিয়েছেন”, ছব ি ব া ভিডিওগুল ো পর ে সংরক্ষণ ব া শেয়ার কর া সম্ভব । এই বাতিট ি বন্ধ করার কোন ো ব্যবস্থ া নেই । কেউ যদ ি এট ি ঢেক ে দেয় ব া নষ্ট কর ে ফেলে, তব ে ক্যামেরাট ি কাজ কর া বন্ধ কর ে দেবে ।”

জুলাই মাস ে ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসের ি বলেছিলেন”, কেউ যদ ি এমন কোন ো ভিডিও পোস্ট করেন যার মাধ্যম ে মানুষক ে হেনস্ত া ব া অপদস্থ কর া হয়, তব ে আমর া ত া সরিয় ে ফেলব । আমর া চাই ন া য ে মানুষ গোপন ে অন্যদের ভিডিও তুল ে তাদের হেনস্ত া করুক এব ং তারপর সেই ভিডিওগুল ো আমাদের প্ল্যাটফর্ম ে পোস্ট করুক ।”

বিবিসিক ে দেওয় া এক বিবৃতিত ে মেট া দাব ি করেছ ে যে, তার া” তাদের নিয়মলঙ্ঘনকার ী হাজার হাজার ভিডিও এব ং পোস্ট সরিয় ে ফেলেছে ।”

তার া আরও জানিয়েছ ে যে, মেট া এ ধরনের ভিডিওর সঙ্গ ে সম্পর্কিত বিভিন্ন অনুসন্ধানকার ী শব্দ ও হ্যাশট্যাগ ব্লক করেছ ে যার মধ্য ে ‘ রিজ’,’ পিক-আপ আর্টিস্ট’,’ কোল্ড অ্যাপ্রোচ ‘ জাতীয় জেন-জির া ব্যবহার করেন এমন শব্দও রয়েছে।