Home LATEST NEWS BANGLA মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড

6
0

Source : BBC NEWS

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

Published

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির সাতজন নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান।

এছাড়াও এই মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

এই মামলার সব আসামিই পলাতক রয়েছে।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীসহ তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেছে।

রায়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আনা চারটি করে অভিযোগ নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয়েছে।

“ট্রাইব্যুনাল তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে এবং অভিযোগভেদে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়ও দেওয়া হয়েছে,” বলেন তিনি।

প্রসিকিউটর জানান, রায়ের পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনাল বলেছে- “প্রত্যেক আসামির স্থাবর-অস্থাবর মোট সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সম্পত্তি বিক্রি করে জুলাই ফাউন্ডেশন বা গণঅভ্যুত্থানে আহত বা নিহতদের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।”

রায়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

ছবির উৎস, Screen Grab

এই রায়ের একটি ইতিবাচক দিক আছে উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “রোম স্ট্যাটিউটে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সম্পদ বাজেয়াপ্তের বিধান আছে।”

“তারই ধারাবাহিকতায় আজকের রায়ে বলেছে, প্রত্যেক আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে এবং এই ৫০ শতাংশ এটাও সুনির্দিষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, জুলাই ফাউন্ডেশন অথবা বিধিবদ্ধ কোনো সংস্থা দ্বারা সেটা বিক্রয় করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিলি-বন্টনের ব্যবস্থা করা হবে” বলেন তিনি।

এর ফলে এখন আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা, সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা এবং আহত-নিহতদের পরিবারের মধ্যে বিলি-বন্টনের ব্যবস্থা করতে আর কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করেন মি. ইসলাম।

আসামিদের সম্পদ বাস্তবায়নের বিষয়ে এক প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “এই রায় বাস্তবায়ন করবে সরকার এবং তাদের কার কোথায় কী সম্পদ আছে রাষ্ট্র বা সরকার সেটা খুঁজে বের করবে এবং সে অনুযায়ী তাদের যে সম্পদ পাওয়া যাবে তার অর্ধেক বাজেয়াপ্ত হবে।”

আইনানুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রকাশিত হওয়ার পরে ৩০ দিন পর্যন্ত আসামিদের আপিল করার সুযোগ থাকে।

চিফ প্রসিকিউটর মি. ইসলাম বলেন, “৩০ দিন পর্যন্ত কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থায় যাওয়ার হয়তো সুযোগ নাই। কিন্তু ৩০ দিন পর থেকে বাংলাদেশ সরকারের এই রায় বাস্তবায়ন করতে কোনো বাধা নেই।”

আসামিরা পলাতক অবস্থায় কোনো বক্তব্য দিলে সেটি গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন চিফ প্রসিকিউটর।

একইসঙ্গে, এই মামলায় পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়।

এরপর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দেওয়া সপ্তম মামলায় রায় এটি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গেটে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দাঁড়ানো

ছবির উৎস, Getty Images

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ

জুলাইয়ের গণঅ্যভুত্থানের সময়ের ঘটনায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, উসকানি, আন্দোলন দমনের নির্দেশ, অপহরণ এবং হত্যার মতো তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।

এই মামলার শুনানিতে ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরের বেশ কয়েকটি অডিও শোনানো হয়েছে। এসব অডিওতে মি. কাদেরকে তার নেতা-কর্মীদের জুলাই অভ্যুত্থান দমনের নির্দেশ দিতে শোনা গেছে।

মি. কাদেরের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো, ২০২৪ সালের ১১ই জুলাই বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে তার সঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের মুঠোফোনে কথোপকথনে আন্দোলন দমনের সরাসরি নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

মি. কাদের তখন বলেছিলেন, “মারো না কেন ওদের, প্রশ্রয় দাও কেন?”

পরে ১৪ই জুলাই গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা “রাজাকারের বাচ্চা ও নাতিপুতি” উচ্চারণ করে যে বক্তব্য দেন সেই সংবাদ সম্মেলনে মি. কাদের উপস্থিত ছিলেন।

তিনি অপরাধ সংঘটনে সমর্থন ও প্ররোচনা দেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

একইসঙ্গে, পরদিন “আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের জবাব দেবে ছাত্রলীগ” এমন বক্তব্য দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের দমন করতে মি. কাদের নিজ দলের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন। ১৫ই জুলাই শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য নির্দেশ দেন।

দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম সেই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে অপরাধ সংঘটনে সমর্থন ও প্ররোচনা দেন।

এরই প্রেক্ষিতে বাহাউদ্দিন নাছিমের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ই জুলাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংসভাবে হামলা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে, মি. কাদেরের ওই নির্দেশসহ অন্যান্য বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ছাত্রলীগের সশস্ত্র কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।

এমন হামলায় ঢাবিতে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী এবং সারাদেশে অনেক শিক্ষার্থী আহত হন।

আন্দোলন দমন করতে মি. কাদের তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে ফোন করে ইন্টারনেটের গতি ধীর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

একইসঙ্গে, চব্বিশের ১৬ই জুলাই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে ফোন করে ওবায়দুল কাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ চট্টগ্রাম মহানগরের সব এলাকা দখলে রাখার নির্দেশ দেন।

তার নির্দেশের পর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলি করে চট্টগ্রামে চাঁন্দগাঁও থানাধীন মুরাদপুর এলাকায় মোহাম্মদ ওয়াসিম, ফয়সাল আহম্মেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যা করে।

একই দিন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ সারা দেশে ছয়জন নিরীহ-নিরস্ত্র আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ২০২৪ সালের ১৭ই জুলাই দলীয় নেতাদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় আন্দোলন দমনের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ দেন।

পরদিন ধানমন্ডির আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চলমান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে সরকারবিরোধী ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে আখ্যা দেন তিনি।

মি. কাদের ১৯শে জুলাই গণভবনে নিজ দল ও ১৪ দলের প্রধানদের বৈঠক শেষে কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে বলেছিলেন, “এটা অবশ্যই কারফিউ, সেটা শ্যুট অ্যাট সাইট হবে,” এর অর্থ দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের।

সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বাহাউদ্দিন নাছিম অন্যতম ভূমিকা পালন করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সাধারণ মানুষের দখলে (ফাইল ছবি)

তাদের বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনের জন্য শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথোপকথনে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করেন ওবায়দুল কাদের।

তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ অন্যান্য দলীয় নেতা এবং ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের সঙ্গে ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে অপহরণ, গুম, হত্যা ও নির্যাতনের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়েছে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের পাড়া-মহল্লায় অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে ওবায়দুল কাদের নির্দেশ দেন।

তার নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা গুলি করে মিরপুরে ২০২৪ সালের চৌঠা অগাস্ট শাহরিয়ার হাসান আলভী, মিরাজ ফরাজি, মহিউদ্দিনসহ ১২ জনকে, ফেনীর মহিপালে ইশতিয়াক আহাম্মেদসহ সাতজনকে এবং লক্ষ্মীপুর সদরে সাদ-আল আফনানসহ চার জনকে হত্যা করে।

একইভাবে পাঁচই অগাস্ট মিরপুরে মাহফুজুল আলমসহ ২০ জনকে এবং রাজশাহী মহানগরে রায়হান আলী ও সাকিব আনজুমসহ সারা দেশে অসংখ্য আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে।

চব্বিশের ১৪ই জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের “রাজাকারের বাচ্চা ও নাতিপুতি” সম্বোধন করে উসকানিমূলক যে বক্তব্য দেন, সেখানে আলী আরাফাত উপস্থিত থেকে অপরাধ সংঘটনের সমর্থন ও প্ররোচনা দেন বলে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়েছে।

আন্দোলন দমনে সরকারের অবৈধ বল প্রয়োগ ও বিভিন্ন সহিংসতার সংবাদ প্রচার করায় চব্বিশের ১৮ই জুলাই সন্ধ্যা ছয়টার সংবাদ বুলেটিন চলার সময় বাংলা ভিশন, দেশ টিভি, চ্যানেল ২৪ ও এনটিভি এবং ২২শে জুলাই বেলা দুইটায় সংবাদ চলার সময় বাংলা ভিশন ও চ্যানেল ২৪ এর সম্প্রচার ৩০ মিনিটের জন্য বন্ধ করে দেন তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আলী আরাফাত।

চৌঠা অগাস্ট আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিলে মোহাম্মাদ আলী আরাফাত সংসদ ভবন এলাকায় পতিত সরকারের মুখপাত্র হিসেবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেন।

আন্দোলনকে সহিংস কর্মকাণ্ড দাবি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মী ও অনুসারীদের আন্দোলন দমনের জন্য নির্দেশ দেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “এ আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও ১৪ দলীয় সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনীর আক্রমণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এক হাজার চারশোর বেশি ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে। ২৫ হাজারের বেশি ছাত্র-জনতা গুরুতর আহত হয়।”

তিনি যুক্ত করেন, এই হত্যা, নির্যাতনের অন্যতম নির্দেশদাতা ও নেতৃত্বে শেখ ফজলে শামস পরশ ছিলেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।