Home RSS national bangla রেল মন্ত্রক বারামুলা-উরি রেলপথ ও কাজিগুন্ড-শ্রীনগর-বাডগাম ডাবলিং প্রকল্প প্রত্যাহার করল

রেল মন্ত্রক বারামুলা-উরি রেলপথ ও কাজিগুন্ড-শ্রীনগর-বাডগাম ডাবলিং প্রকল্প প্রত্যাহার করল

9
0

রেল মন্ত্রক জম্মু ও কাশ্মীরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করেছে: বারামুলা-উরি নতুন রেললাইন এবং কাজিগুন্ড-শ্রীনগর-বাডগাম রেললাইন দ্বিগুণকরণ প্রকল্প। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে Northern Railway-এর জেনারেল ম্যানেজারকে পাঠানো সাম্প্রতিক এক চিঠিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, প্রকল্প দু’টি “Cabinet Secretariat-এর মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং আর বিবেচনাধীন নেই।”

—

## কী প্রস্তাব করা হয়েছিল

– প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ **বারামুলা-উরি নতুন রেললাইন** প্রকল্পটি বারামুলার মাধ্যমে উরিকে বিদ্যমান রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছিল।
– প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ **কাজিগুন্ড-শ্রীনগর-বাডগাম রেললাইন দ্বিগুণকরণ প্রকল্প**ের লক্ষ্য ছিল কাশ্মীর উপত্যকায় পরিষেবা প্রদানকারী রেল করিডরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

উভয় প্রকল্পই কয়েক মাস আগে উন্নয়ন পর্যায়ে প্রবেশ করেছিল। সম্ভাব্যতা যাচাই ও পরিকল্পনার জন্য বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (DPR) জমা দেওয়া হয়েছিল।

—

## গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ

– **ফেব্রুয়ারি ২০২৬**: উরি-বারামুলা রেললাইন এবং কাজিগুন্ড-শ্রীনগর-বাডগাম রেললাইন দ্বিগুণকরণ প্রকল্পের DPR প্রস্তুত করা হয়। সে সময় Ministry of Railways স্পষ্ট করেছিল যে DPR প্রস্তুত হওয়া চূড়ান্ত অনুমোদনের সমান নয়; ব্যবহারকারী ও সরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে পরামর্শের পাশাপাশি NITI Aayog এবং Ministry of Finance-এর অনুমোদনও তখনও বাকি ছিল।
– **জুলাই ২০২৬**: Gazette notification-এর নথি অনুযায়ী, উভয় প্রকল্পকেই Railways Act-এর অধীনে “Special Railway Projects” হিসেবে বিজ্ঞপ্তিবদ্ধ করা হয়।
– **এপ্রিল ২০২৬**: Railway Minister Ashwini Vaishnaw জানিয়েছিলেন যে উরি-বারামুলা রেললাইন এখনও পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। একইসঙ্গে, কাজিগুন্ড থেকে বারামুলা পর্যন্ত দ্বিগুণকরণ প্রকল্পের অংশের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানা গিয়েছিল।

—

## প্রত্যাহারের প্রভাব

এই পরিবর্তনের অর্থ হল, প্রাথমিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন এগোলেও গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদন ও প্রশাসনিক ছাড়পত্র শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। NITI Aayog-এর মতো সংস্থার অনুমোদন বা Finance Ministry-এর ছাড়পত্র ছাড়া এই পরিকাঠামো প্রকল্পগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

কাশ্মীর উপত্যকা এবং উরির মতো সীমান্তবর্তী এলাকার জন্য এই প্রকল্পগুলি যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা, রেলপথের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং সম্ভাব্য কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত। প্রকল্পগুলি প্রত্যাহার হওয়ায় সেই সম্ভাব্য উন্নয়ন এখন অনির্দিষ্টকালের জন্য থমকে গেল। বিশেষ করে দ্বিগুণকরণ প্রকল্পটি উপত্যকাজুড়ে যানজট কমানো এবং যাতায়াতের সময় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

—

## স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও নজরদারি

বারামুলা-উরি প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায় জম্মু ও কাশ্মীর Legislative Assembly-এর বিধায়করা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এক জন প্রতিনিধির আনা প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, প্রকল্পটি আরও এগিয়ে নেওয়ার আগে প্রস্তাবিত রেলপথের অ্যালাইনমেন্টের পূর্ণাঙ্গ ভূতাত্ত্বিক, ভূ-প্রযুক্তিগত এবং ভূকম্পন সংক্রান্ত পর্যালোচনা করা উচিত।

এই উদ্বেগগুলি দেখায় যে সংবেদনশীল সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকাঠামো প্রকল্পগুলিকে কতটা কঠোর যাচাইয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়—বিশেষ করে যেখানে পরিবেশ, দুর্গম ভূখণ্ড এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

—

## আগামী দিনের পথ

এই মুহূর্তে উভয় প্রস্তাবই আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনার বাইরে চলে যাওয়ায়, এগুলি কবে—বা আদৌ—আবার বিবেচনায় ফিরবে কি না, সে বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত নেই। এই প্রত্যাহার একটি বৃহত্তর নীতির প্রতিফলন: প্রকল্প প্রতিবেদন প্রস্তুত করা এবং প্রকল্পকে বিশেষ প্রকল্প হিসেবে বিজ্ঞপ্তিবদ্ধ করা মানেই তা বাস্তবায়িত হবে না, যতক্ষণ না সমস্ত প্রশাসনিক, আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত অনুমোদন একসঙ্গে মেলে।

এই মুহূর্তে বারামুলা-উরি রেললাইন এবং কাজিগুন্ড-শ্রীনগর-বাডগাম রেললাইন দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা স্থগিত রয়েছে। ফলে সম্ভাব্য পুনরুজ্জীবন বা বিকল্প পরিকাঠামো উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্ট অংশীদার, বাসিন্দা এবং আঞ্চলিক পরিকল্পনাবিদরা।

—

এই নিবন্ধটি AI-নির্মিত বিষয়বস্তু। এই নিবন্ধের ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অনুগ্রহ করে স্বাধীনভাবে তথ্য যাচাই করুন।