ভারতের সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে: সংবাদমাধ্যম আদালতের কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারবে, তবে তাদের প্রতিবেদনে অডিও বা ভিডিও ক্লিপ ব্যবহার করা যাবে না। ২৪ জুলাই জারি করা সাম্প্রতিক একটি অন্তর্বর্তী আদেশকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি Surya Kant-এর নেতৃত্বাধীন Bench-এ Justice Joymalya Bagchi এবং V. Mohana ছিলেন। আদালতের কার্যক্রম রেকর্ড করা, সরাসরি সম্প্রচার করা এবং তা শেয়ার করার নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা একাধিক পিটিশনের শুনানির সময় Bench এই ব্যাখ্যা দেয়।
—
## আদালত কী স্পষ্ট করেছে
– ২৪ জুলাইয়ের অন্তর্বর্তী আদেশে আদালতের শুনানির অডিও-ভিডিও ক্লিপ শেয়ার বা আপলোডে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, তবে স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমকে আদালতের কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের অনুমতি স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছিল।
– সুপ্রিম কোর্ট জোর দিয়ে জানিয়েছে, সংবাদমাধ্যম আদালতের শুনানি, বিচারিক রায় এবং আইনি অগ্রগতি নিয়ে প্রতিবেদন করতে পারবে, তবে আদালতকক্ষের অডিও বা ভিডিও অংশ তাদের প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।
– বিশেষভাবে, ২৪ জুলাইয়ের আদেশের ১০ নম্বর অনুচ্ছেদে সংশ্লিষ্ট আদালতের Registrar General-এর পূর্বানুমতি ছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আদালতের কার্যক্রমের অডিও-ভিডিও রেকর্ডিং থেকে অংশবিশেষ নেওয়া, সম্পাদনা করা, প্রচার, পুনরায় পোস্ট, আপলোড বা তা থেকে অর্থ উপার্জন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
—
## কেন এই ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়েছিল
আদালত জানায়, নিষেধাজ্ঞার সঠিক পরিধি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে বিভ্রান্তি অব্যাহত ছিল—বিশেষত ২৪ জুলাইয়ের আদেশের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রকাশের পর। ওই অনুচ্ছেদে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হলেও অডিওভিজুয়াল ক্লিপ শেয়ারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে মনে হয়েছিল।
এর পরিপ্রেক্ষিতে Bench স্পষ্টভাবে জানায়: “The said paragraph makes it clear that the order is not to be construed as imposing a blanket prohibition on the reporting of court proceedings by recognised news outlets.”
—
## ২৪ জুলাইয়ের অন্তর্বর্তী আদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
সাংবাদিক Harshita Grover-এর পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই আদেশ জারি করা হয়েছিল। বিচারিক কার্যক্রমের অডিওভিজুয়াল রেকর্ডিং থেকে অংশবিশেষ নেওয়া, সম্পাদনা, শেয়ার এবং তা থেকে অর্থ উপার্জন নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনি নির্দেশিকা চেয়েছিলেন। তাঁর আশঙ্কা ছিল, আদালতের কার্যক্রমের ফুটেজ বেছে নিয়ে বা প্রেক্ষাপট বিচ্ছিন্নভাবে ব্যবহার করলে আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এবং বিচারব্যবস্থার ওপর জনসাধারণের আস্থা কমে যায়।
ওই আদেশ অনুযায়ী:
– সব High Court-কে সুপ্রিম কোর্টের মডেল লাইভস্ট্রিমিং নির্দেশিকা গ্রহণের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে এবং ধারাবাহিক লাইভস্ট্রিমিংয়ের প্রভাব মূল্যায়ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
– পিটিশনে চাওয়া পরিবর্তনগুলি কোন কোন মন্ত্রক কার্যকর করবে, সে বিষয়ে প্রস্তাব দিতে Union Government-কে বলা হয়েছিল।
– Meta এবং X-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকেও জবাবদাতা পক্ষ হিসেবে নোটিস দেওয়া হয়েছিল।
—
## সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও পরবর্তী পদক্ষেপ
আদালতের ক্লিপ শেয়ারের ওপর জারি করা বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করা RTI activists-দের এই মামলায় হস্তক্ষেপের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
Union Government, High Courts এবং সোশ্যাল মিডিয়া intermediaries-কে তাদের জবাব দাখিলের সময় দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট মামলাটির শুনানি **September 18, 2026** পর্যন্ত মুলতবি করেছে।
—
## সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের জন্য মূল বার্তা
– স্বীকৃত সংবাদমাধ্যম সব আদালতের কার্যক্রম এবং রায় নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা চালিয়ে যেতে পারবে।
– স্পষ্ট অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত ওই কার্যক্রমের অডিও বা ভিডিও ক্লিপ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
– উদ্দেশ্য হলো অপব্যবহার রোধ করা: বিভ্রান্তিকর সম্পাদনা, প্রেক্ষাপট-বিচ্ছিন্ন ক্লিপ এবং অননুমোদিতভাবে অর্থ উপার্জন।
—
This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.
