Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর ‘Yunus-Modi meet: Restoring mutual trust key objective‘ অর্থাৎ ‘ইউনূস-মোদী বৈঠকে পারস্পরিক আস্থা পুনরুদ্ধারই মূল লক্ষ্য’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের মূল লক্ষ্য হবে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের উদ্দেশ্য।

এই বৈঠকটি ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে, যা স্থানীয় সময় ১২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে এবং প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট চলবে।

বৈঠকে দুদেশের সম্পর্কের সব দিক আলোচনা হবে, তবে প্রধানত পারস্পরিক বিশ্বাস পুনর্গঠন এবং আস্থা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।

গত বছরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এটি দুই নেতার প্রথম একক বৈঠক হবে।

দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ ছিল, বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ নিয়ে ভারতের উদ্বেগ এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের অভিযোগের কারণে।

এ বৈঠকে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেবে।

এছাড়া, বাংলাদেশের রপ্তানির জন্য ভারতের বাজারে উন্নত প্রবেশাধিকার, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং রোহিঙ্গা সমস্যায় ভারতের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

প্রফেসর ইউনুস ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। ভারতও বাংলাদেশের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছে।

আরও পড়তে পারেন
পত্রিকা

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ‘ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কে পণ্য রপ্তানিতে বড় ধাক্কার শঙ্কা’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৫ শতাংশ।

এ কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে, বড় ধাক্কা খেতে পারে। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ১৮ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে যায়।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতি বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, যার ফলে শেয়ারবাজারে পতন, সোনার দাম বৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের দাম কমেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, ভারত এবং অন্যান্য দেশের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ বিশ্ববাণিজ্যে পরিবর্তন আনবে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে, কারণ দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক।

ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের কারণে পোশাকের দাম বাড়বে, যা চাহিদা কমাতে পারে এবং উৎপাদকদের জন্য চাপ সৃষ্টি করবে।

সরকার এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পরিকল্পনা করছে। এছাড়া, অন্যান্য পণ্য যেমন চামড়া, মাছ, পাট ইত্যাদি রপ্তানিতে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পত্রিকা

সমকালের প্রথম পাতার অভিমত ‘ইইউর বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানিতে প্রভাব পড়বে‘।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বিপদের সৃষ্টি করবে।

এই ধরনের সিদ্ধান্ত আগে ১৯৩০ সালে নেওয়া হয়েছিল, যা বৈশ্বিক মহামন্দার কারণ হয়েছিল। বাংলাদেশ সব বাণিজ্যিক অংশীদারের সঙ্গে এমএফএন ভিত্তিতে বৈষম্যহীন শুল্ক আরোপ করে, তবে বিশেষ বাণিজ্য চুক্তি হলে শুল্ক কমানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র বছরে ৯০ থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে, যার মধ্যে বাংলাদেশ বছরে ছয় থেকে সাত বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করে।

তবে নতুন শুল্কের কারণে এই বাজারে পোশাকের দাম বাড়বে, যা আমদানি কমাতে পারে।

এছাড়া, চীনের জন্যও নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে, কারণ চীন এখন ইউরোপীয় বাজারে তার পোশাকের দাম কমিয়ে দিতে পারে।

ফলে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত শুধু তাদের বাজার নয়, বরং বাংলাদেশের অন্যান্য বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে।

পত্রিকা

সংবাদের প্রথম পাতার খবর ‘বিদ্যুৎ জ্বালানি: রমজান পার, এপ্রিল এখন বড় চ্যালেঞ্জ‘। খবরে বলা হচ্ছে, রমজান মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় গ্যাস সরবরাহ বাড়িয়েছিল এবং ভারতের আদানি থেকেও বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে।

এর ফলে রমজান মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ সাধারণত স্বাভাবিক ছিল, যদিও মাঝে মাঝে কিছু লোডশেডিং হয়েছে।

তবে এপ্রিল মাসে গরম ও সেচের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়বে, যা সরকার এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, ৩১শে মার্চ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১১ হাজার ৭৮৫ মেগাওয়াট, যা পূর্ণভাবে সরবরাহ করা হয়েছিল।

তবে এপ্রিল মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এপ্রিলে গ্যাস আমদানি আগের মতো বাড়ানো হবে না, কারণ এর খরচ বাড়তে পারে, যা পরবর্তীতে ভোক্তার উপর চাপ ফেলবে।

এলএনজি আমদানির খরচও বাড়ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কমাতে এপ্রিল-মে মাসে গ্যাস আমদানি কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ মাসে লোডশেডিং বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, এবং এই বিষয়ে তাঁর আইনজীবীরা যে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।

টিউলিপ বলেন, গত কয়েক মাস ধরে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠছে, তবে অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হয়নি।

গত জানুয়ারিতে বাংলাদেশে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তিনি অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন। এটি ছিল তাঁর মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর প্রথম জনসমক্ষে বক্তব্য।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টিউলিপের বিপুল সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁর এই সম্পদের উৎস নিয়ে জবাবদিহি দাবি করেন।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে টিউলিপের আইনজীবীরা দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগগুলোকে মিথ্যা এবং বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেন।

চিঠিতে বলা হয়, ২৫শে মার্চের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি কোনো প্রশ্ন না পাঠায়, তবে তা আইনগত প্রশ্ন হিসেবে ধরা হবে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টিউলিপ জানান, সময়সীমা পার হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।

পত্রিকা

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘বাংলাদেশে বছরে প্রসবকালে মারা যায় ৬৩ হাজার শিশু’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর ৬৩ হাজারের বেশি শিশুর মৃত প্রসব ঘটে, অর্থাৎ প্রতি ৪১টি জন্মের মধ্যে একটি মৃত সন্তান প্রসব হয়।

এই হার দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এক লাখেরও বেশি শিশু তাদের পঞ্চম জন্মদিনের আগে মারা যায়, যার মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই মারা যায় শিশু বয়স ২৮ দিনের মধ্যে।

বাংলাদেশে মৃত সন্তান প্রসবের এই উচ্চ হার রোধে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

বাংলাদেশে নবজাতক মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অপরিণত জন্ম, সেপসিস, নিউমোনিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণ রয়েছে।

এসব প্রতিরোধ করা সম্ভব, তবে এজন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। বিশেষ করে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং দক্ষ ধাত্রীদের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা দিয়ে মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার মান কম, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে।

এসব কারণে নবজাতক ও মা উভয়ের জন্য জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ কম, যা শিশুমৃত্যুর হার বাড়িয়ে দেয়।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন
পত্রিকা

ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর ‘বাড়তি তাপমাত্রার মধ্যেই বৃষ্টির পূর্বাভাস‘। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বর্তমানে ১০টি জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, এবং এটি অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, তাপমাত্রা আরও বাড়বে, তবে আজ শুক্রবার থেকে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হবে।

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ শুক্রবার থেকে ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, এবং তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

শনিবার থেকে একই ধরনের বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগে।

বাকি অঞ্চলে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। রবিবারও একই ধরণের আবহাওয়া পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।

তবে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্যের পর ভারতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

তিনি বলেছেন, ভারতীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চল ‘ভূমিবেষ্টিত’ এবং বাংলাদেশের মাধ্যমে ওই অঞ্চলের সমুদ্রে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এ মন্তব্যের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বঙ্গোপসাগরের ৬,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখার কথা তুলে ধরেন, যা ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব ও ভৌগোলিক সংযুক্তির সুবিধা ব্যাখ্যা করে।

তিনি জানান, বিমসটেকের সদস্য দেশের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সংযোগ স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া, তিনি জানান যে, ভারতে বিভিন্ন নেটওয়ার্ক রয়েছে, যা এই অঞ্চলের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, ড. ইউনূসের বক্তব্যের বিরুদ্ধে ভারতীয় রাজনৈতিক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্বশর্মা মন্তব্য করেছেন যে, ড. ইউনূসের বক্তব্য আক্রমণাত্মক এবং উস্কানিমূলক, যা ভারতের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মণিপুরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিং অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কৌশলগত দাবার ঘুঁটি হিসেবে দেখছে।

পত্রিকা

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর ‘ভারতে মুসলিম সম্পত্তি সম্পর্কিত বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস‘। খবরে বলা হচ্ছে, ভারতে মুসলিমদের সম্পত্তি সম্পর্কিত বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল সম্প্রতি লোকসভায় পাস হয়েছে, যা নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক আপত্তি তৈরি হয়েছে।

এই বিলটি মুসলিমদের দানকৃত সম্পত্তির পরিচালনার পদ্ধতি পরিবর্তন করবে, যাতে কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিল ও ওয়াকফ বোর্ডে দুইজন অ-মুসলিম সদস্য থাকতে হবে।

এছাড়া, ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা করার ক্ষমতা বর্তমান ওয়াকফ বোর্ডের হাতে ছিল, কিন্তু নতুন বিল অনুযায়ী জেলা প্রশাসক বা সমমানের কর্মকর্তাদের হাতে এই সিদ্ধান্তের ক্ষমতা দেওয়া হবে।

বিরোধীরা এই বিলকে অসাংবিধানিক দাবি করে বলছে, এতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।

তারা বিশেষভাবে বিলের মাধ্যমে অ-মুসলিম সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি এবং সরকারের দখলদারি বাড়ানোর উদ্দেশ্যকে সমালোচনা করেছেন।

কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, এবং অন্যান্য বিরোধী দল বিলের বিরোধিতা করেছে, তাদের দাবি, এই বিল মুসলিমদের অধিকারকে খর্ব করবে এবং সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই বিল মুসলিমদের স্বার্থে এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই আনা হয়েছে।