Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘সংবিধানে ফিরছেন জিয়াউর রহমান’

পত্রিকা: ‘সংবিধানে ফিরছেন জিয়াউর রহমান’

3
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, সংবিধানে প্রথমবার যুক্ত হতে যাচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের বিষয়টি। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়ার দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা ঠাঁই পাবে সংবিধানে।

বিপরীতে বাদ যাচ্ছে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত হওয়া শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে স্বীকৃতি, তার ৭ই মার্চের ভাষণ ও ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা। থাকছে না তার প্রতিকৃতি টানানোর বাধ্যবাধকতাও।

একইসঙ্গে সংবিধানে ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান। আর সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও জুলাই যোদ্ধাদের অবদান।

আজ সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ঘিরেই সামনে আসছে এই প্রস্তাবনাগুলো। নৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত সংসদ-সদস্যদের সদস্যপদ বাতিলে নতুন বিধানসহ যুক্ত হবে আরও কিছু বিধান।

বিশেষ করে জুলাই সনদকে সামনে রেখে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী নয়, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো, একাধিক ডেপুটি স্পিকারের পদ সৃষ্টি, নারী সদস্যদের আসন বাড়ানোসহ আরও অনেক প্রস্তাবনা সংবিধানে যুক্ত করার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নতুন করে শুরু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে সরকার।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ভাষ্য, যেকোনো চুক্তি বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে হলে তা এগিয়ে নিতে তাদের আপত্তি নেই।

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল বিশেষ দূত সার্জিও গরের সদ্যসমাপ্ত তিনদিনের ঢাকা সফরে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় আসে।

সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাতে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার জন্য নতুন একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের প্রস্তাব দেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওয়াশিংটনের প্রস্তাব সম্পর্কে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের অবস্থান ইতিবাচক।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যান। সেদিন আশুলিয়ায় ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন আন্দোলনকারীর মরদেহ স্তূপ করে একটি রিকশা ভ্যানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

জুলাইয়ের সেই সহিংস সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলায় একসঙ্গে অনেক অন্দোলনকারী নিহত হন। সে সময় মরদেহ সম্মানজনক ও সংরক্ষণযোগ্যভাবে পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত যানবাহন দেখা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দেশে সরকারি মরচুয়ারি ভ্যান ছিল মাত্র তিনটি। এর মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের দুটি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ছিল একটি। বর্তমানেও সেই সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।

যেকোনো পরিস্থিতিতে মৃতদেহের মর্যাদাপূর্ণ সংরক্ষণ, নিরাপদ পরিবহন ও সঠিক পরিচয় শনাক্তকরণ আন্তর্জাতিক রীতিসিদ্ধ চর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

‘গ্যাসের অভাবে উৎপাদন কম, ছুটি বাড়িয়েছে কিছু কারখানা’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় মিতালি ফ্যাশনের কারখানার ডাইং (কাপড়ের রং করা) সেকশন গ্যাস-সংকটের কারণে আট দিন ধরে বন্ধ। কাপড় ডাইং না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সেলাই সেকশনের ৩০টি উৎপাদন লাইনের মধ্যে ১৮টি লাইন অলস হয়ে পড়েছে।

মিতালি ফ্যাশনের চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ আবদুল্লাহ গতকাল বলেন, গ্যাস-সংকটের কারণে কারখানার উৎপাদন সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। কয়েকটি রপ্তানি ক্রয়াদেশের বিপরীতে তৈরি পোশাক নির্ধারিত সময়ে পাঠাতে পারবেন না তাঁরা। এ জন্য ক্রেতাদের মূল্যছাড় দিতে হতে পারে।

মিতালি ফ্যাশনের মতো সারা দেশের শিল্পকারখানা দুই সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ গ্যাস-সংকটে ভুগছে। সঙ্গে আছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। এতে অনেক শিল্পের উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে।

ফলে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়ায় পণ্য রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্যাস-সংকটের কারণে কাচ, ইস্পাত, বস্ত্রকল ও তৈরি পোশাক, সিরামিক, বিস্কুট-কেক এবং ভোগ্যপণ্যের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

উৎপাদন কম হওয়ায় ব্যয় বাড়ছে। তাতে লোকসান গুনতে হচ্ছে। শিগগিরই গ্যাসের সংকট না কাটলে কর্মী ছাঁটাইয়ের মতো পদক্ষেপ নিতে হতে পারে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, আজারবাইজানের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সকার আবারও বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহ, নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের ‘সঙ্গে চলমান আইনি বিরোধের মধ্যেই কোম্পানিটি এমন প্রস্তাব দিল। পুরোনো বিরোধ নিষ্পত্তির আগেই নতুন উদ্যোগ কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে জ্বালানি খাত-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তবে জ্বালানি বিভাগ প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে পর্যালোচনা করছে বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত জুনে সকার সরকারকে কয়েকটি পৃথক প্রস্তাব দেয়।

এর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি ভিত্তিতে) দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহ, ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ এবং রূপসা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ। প্রস্তাব পাওয়ার পর বিষয়গুলো পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে গুম করার অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আর গুমের ফলে মৃত্যু ঘটলে, মরদেহ পাওয়া গেলে অথবা পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড আরোপের বিধান এতে যুক্ত করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনের খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এ গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের বেশিরভাগ স্কুলশিক্ষার্থীই ছুটছে কোচিং সেন্টারে। শুধু স্কুলশিক্ষার্থী নয়, প্ৰথম শ্রেণিতে ভর্তির অপেক্ষায় থাকা শিশুদের নিয়েও অভিভাবকেরা ছুটছেন কোচিং সেন্টারে।

বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুধু নয়; এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা এমনকি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও কোচিংনির্ভরতা। রাজধানী থেকে জেলা শহর, উপজেলা, গ্রাম পর্যন্ত বিস্তার ঘটেছে রমরমা এই কোচিং-বাণিজ্যের।

আনাচকানাচেগড়ে ওঠা এসব কোচিং সেন্টারে সকাল থেকে রাত ৯টা -১০ টা পর্যন্ত ব্যাচে ব্যাচে চলছে কোচিংয়ের নামে ক্লাস। কোচিং – বাণিজ্য ঠেকাতে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো কাজে আসেনি। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়েছে কোচিং সেন্টার।

শিক্ষাবিদেরা বলছেন , শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি, পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা, অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং অভিভাবকদের ভালো ফলের প্রত্যাশা — সব মিলিয়ে কোচিংনির্ভরতা বাড়ছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একশ্রেণির শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পড়ানোর চেয়ে আর্থিক লাভের জন্য কোচিং করানোর প্রবণতা।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সাথে মার্কিন বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত দূত সার্জিও গোরের বৈঠকের পরই ভারতের ভূখণ্ড থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করেছে দিল্লি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে মানবিক বিবেচনায় আশ্রয়ে রাখা হলেও ভারতের মাটি ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

একই সময়ে ঘটে যাওয়া এই দু’টি ঘটনা ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনা দু’টির সময়কাল কাছাকাছি হলেও এদের মধ্যে সরাসরি কোনো সংযোগ বা কার্যকারণ রয়েছে- এমন কোনো দাফতরিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বরং এটিকে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘোষিত নীতিরই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন তারা।

নয়াদিগন্ত

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Promised quota reforms remain stalled’ অর্থাৎ ‌’কোটা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি নেই’।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা বণ্টন নিয়ে বিতর্ক এখনো চলছে। অথচ কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভই একসময় গণ-আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। যা পরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটিয়েছিল।

বিষয়টি দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণ হলো, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে তৈরি করা বর্তমান ব্যবস্থাকে সংস্কারের পরিবর্তে বিক্ষোভের মুখে নেওয়া তড়িঘড়ি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়েছিল।

এরপর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলেও একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা ছাড়া আর বিশেষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এদিকে, নারী সংগঠন ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বলছেন, সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে তারা এখনো বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করতে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছিল তা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছ।

নিউ এইজ

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Gas crisis ripples across economy‘ অর্থাৎ ‘অর্থনীতিতে গ্যাস সংকটের প্রভাব’।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাস সংকট এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের গণ্ডি ছাড়িয়ে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করছে। ফলে কারখানাগুলোতে উৎপাদন হ্রাস বা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো প্রায় শূন্য চাপের কারণে হিমশিম খাচ্ছে। বাসাবাড়িতে দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দিনের বড় একটি সময়জুড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি ছিল। ফলে বিতরণ কোম্পানিগুলো সারা দেশে লোডশেডিংয়ের সময়সীমা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাস সরবরাহ একদমই কমে গেছে বা একেবারেই পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে গাড়িগুলোতে গ্যাস ভরতে হিমশিম খেতে হচ্ছে, এতে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি।

দিন-রাত অধিকাংশ সিএনজি স্টেশনে গাড়ি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। গতকাল তেজগাঁও এলাকার অন্তত সাতটি স্টেশনে গিয়ে সবকটিতেই দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

দ্য ডেইলি স্টার