Home RSS bangla বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা ৬,০০০ ছাড়াল: সর্বশেষ আপডেট

বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা ৬,০০০ ছাড়াল: সর্বশেষ আপডেট

4
0

দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ২৪ জুন দেশটি কেঁপে ওঠার পর ভেনেজুয়েলাজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৬,০০০ ছাড়িয়েছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট Jorge Rodríguez-এর মতে, জোড়া ভূমিকম্পে অন্তত ৬,১২৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাসপাতালগুলোতে আহত ৬১,০০০-এরও বেশি মানুষের চিকিৎসা হয়েছে।

## সরকারের সমালোচনা তীব্রতর

এই বিপর্যয়ে ভেনেজুয়েলা যখন বিপর্যস্ত, তখন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট Delcy Rodríguez-এর প্রশাসন ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে পড়েছে। বহু নাগরিকের বিশ্বাস, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকারি ও সামরিক—উভয় পক্ষের প্রচেষ্টাই যথেষ্ট ছিল না, বিশেষ করে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে অনুসন্ধানকারী দলগুলো—যার অনেকগুলোই স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে গঠিত—এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

## বিধ্বংসী ভূমিকম্প: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

– মাত্রা: ৭.২ এবং ৭.৫
– তারিখ: ২৪ জুন, ২০২৬
– সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা: La Guaira এবং রাজধানী Caracas

## ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অনিশ্চিত পুনরুদ্ধার

ভূমিকম্পে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা বিস্ময়কর। World Bank-এর হিসাবে, ভৌত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার। এদিকে, এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পের ধ্বংসাবশেষের মাত্র ১৬.৫ শতাংশ সরানো হয়েছে।

## নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

এই বিপর্যয়ের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ভূমিকা। যারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পক্ষে, বিশেষ করে Nicolás Maduro-এর প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন থেকে কার্যকর থাকা নিষেধাজ্ঞাগুলোর ক্ষেত্রে, তারা যুক্তি দিচ্ছেন যে এগুলো তুলে নিলে বিদেশি সহায়তা দ্রুত পৌঁছাতে পারে।

## সরকারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান

➤ মৃত: ৬,১২৫ জন নিশ্চিত
➤ আহত: ৬১,০০০-এরও বেশি হাসপাতালে ভর্তি
➤ পুনর্গঠনের আনুমানিক ব্যয়: প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার
➤ সরানো ধ্বংসাবশেষ: ১৬.৫ শতাংশ

## দুর্যোগ মোকাবিলা নিয়ে বাড়তে থাকা প্রশ্ন

দেশীয় বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলার কার্যক্রম খতিয়ে দেখছেন। পরবর্তী সময়ের সমালোচনার মধ্যে রয়েছে উদ্ধারকাজে বিলম্ব থেকে শুরু করে অপর্যাপ্ত চিকিৎসা সহায়তা পর্যন্ত নানা বিষয়। অবকাঠামোর দুরবস্থা এবং সমন্বয়ের অভাব জনসাধারণের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

## আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব সহায়তা

ভূমিকম্পের পর বহু দেশ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেও, সহায়তার পরিমাণ ও তা পৌঁছানোর সময় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও অস্পষ্ট। নিষেধাজ্ঞার প্রভাবের কারণে বিদেশি সহায়তা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোর কাছে পৌঁছাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

## বর্তমান পরিস্থিতি

– ভূমিকম্পের পরবর্তী দিনগুলোতে ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রাথমিক পর্যায়ের কয়েকজন ভুক্তভোগীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। কয়েক মাস পরও অনেকে মনে করছেন, সরকারের প্রতিক্রিয়া ছিল অসম।
– ক্ষয়ক্ষতির হিসাব ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও পুনর্গঠনের কাজ এখনও সামান্যই এগিয়েছে। প্রধান শহরগুলোর বাইরে, যেখানে সম্পদ আরও সীমিত, সেখানে পুনরুদ্ধারের গতি ধীর।

## সামনে যে পথ

জুনের ভূমিকম্পে বিপুল প্রাণহানি ও ধ্বংসের পর উদ্ধার ও পুনর্গঠন কার্যক্রমের গতি এবং সমন্বয় এখন গভীর পর্যবেক্ষণের আওতায়। ধ্বংসাবশেষের অবশিষ্টাংশ সরানো, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আন্তর্জাতিক সহায়তাদাতাদের অর্থায়ন কাজে লাগানো—পুনরুদ্ধারের গতি বাড়ানো ও জনসাধারণের প্রত্যাশা পূরণে এসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.