Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘হঠাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ, অস্থিরতা’

পত্রিকা: ‘হঠাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ, অস্থিরতা’

3
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি আজ। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সবগুলো সংবাদপত্র এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। এছাড়া গ্যাস সংকট, অর্থনীতি ও রাজনীতির খবর রয়েছে আজকের সংবাদপত্রে।

খবরে বলা হচ্ছে, হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সোমবার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের পর থেকেই উত্তেজনা শুরু হয়। গতকাল দিনভর সংঘর্ষ হয়েছে রাজধানীর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

সংঘর্ষ হয়েছে মূলত ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মাঝে। ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষে যোগ দেয় যুবদলের নেতাকর্মীরাও। সংঘর্ষ হয় রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায়।

জগন্নাথের হামলায় আহতরা ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে সেখানেও হামলা চালায় ছাত্রদল। এসব সংঘর্ষে আহত হয় শতাধিক নেতাকর্মী।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ চলাকালে ঢাকা কলেজে সংঘর্ষে জড়ান ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। বেলা ৩টার দিকে কলেজ অডিটোরিয়ামের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে দু’পক্ষেরই কয়েকজন আহত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এই দুই সংঘর্ষের মাঝে পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসার সামনে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। চলতে থাকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। দু’পক্ষের হাতেই ছিল লাঠিসোটা, দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপসহ দেশীয় নানা অস্ত্র।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, দুই বছর আগে আজকের দিনে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটে।

কর্তৃত্ববাদ ও অর্থনৈতিক অনিয়মনির্ভর সেই শাসনের অবসানের পর রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কার, রাজনৈতিক সহাবস্থান এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া গতি পায়নি।

অন্যদিকে রাজনীতিতে বিভিন্ন দলের মধ্যে দূরত্ব কমলেও মৌলিক অনেক মতভেদ অব্যাহত থাকে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে।

জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর এবং নির্বাচিত সরকারের প্রায় ছয় মাস পার হলেও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত গতি পায়নি। বরং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।

সরকারকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট সামাল দিতে হচ্ছে। এসব সংকটের প্রায় সবই বিগত স্বৈরতান্ত্রিক শাসনামলে সৃষ্ট।

এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট, যার তাৎক্ষণিক সমাধান সরকারের হাতে নেই।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকাসহ দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার উত্তাল আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। তবে তাঁর বিদায়ের সিদ্ধান্ত কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে আসেনি।

এর আগে কয়েক দিন ধরে রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরে দ্রুত বদলে যেতে থাকে পরিস্থিতি। নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ আলোচনা এবং শেষ মুহূর্তে সামরিক নেতৃত্বের পরিস্থিতি মূল্যায়ন-সব মিলিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় পাল্টেছে সিদ্ধান্তের হিসাব।

চব্বিশের ৩ আগস্ট সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদরে দরবারে মিলিত হন। সেখানে সেনাবাহিনীর অবস্থান স্পষ্ট হয়। এরপরও ৪ আগস্ট গভীর রাত পর্যন্ত গণভবনে একের পর এক বৈঠক হয়।

একই সময়ে চলতে থাকে পদত্যাগ, জরুরি অবস্থা জারি এবং আন্দোলন দমনের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা। কিন্তু প্রতিটি ঘণ্টার সঙ্গে মাঠের পরিস্থিতি আরও দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

শেষ পর্যন্ত ৫ আগস্ট সকালে সামরিক কর্মকর্তাদের বার্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে বাস্তব মূল্যায়ন এবং ঢাকামুখী জনস্রোতের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের রক্তাক্ত দিনগুলোয় দেশের সরকারি হাসপাতালের ৮৩১ জন জুলাই শহীদের নিবন্ধন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থায় ৬৫৫ জনকে (৭৮.৮ শতাংশ) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মারা গেছেন। আর ১৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

অর্থাৎ প্রতি পাঁচজন শহীদের মধ্যে চারজন প্রাণ হারিয়েছেন চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর আগে। পুরো দেশের সরকারি হাসপাতাল থেকে তথ্য নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। তবে সরকারি গেজেট অনুযায়ী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ৮৪৩ জন শহীদ এবং ১৪ হাজার ৩৭০ জন আহত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, অধিকাংশ শহীদের মাথা, গলা, বুক কিংবা পেটে গুলির আঘাত ছিল। অনেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, কেউ বা মারাত্মক অঙ্গহানি, আবার কেউ আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।

জরুরি চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুলিবিদ্ধ রোগীর ক্ষেত্রে প্রথম এক ঘণ্টা ‘গোল্ডেন আওয়ার’ অর্থাৎ জীবন-মৃত্যুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।

এই সময়ের মধ্যে রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ, শ্বাসনালি সচল রাখা, দ্রুত ট্রমা সেন্টারে স্থানান্তর এবং জরুরি অস্ত্রোপচার শুরু করা গেলে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। কিন্তু জুলাইয়ের রক্তাক্ত দিনগুলোয় অসংখ্য আহত মানুষ সেই সুযোগ পাননি।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই গণ – অভ্যুত্থানের দুই বছর পরও বহুল আলোচিত রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি । এই জনপ্রত্যাশা পূরণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে ।

এর কারণ , এই সংস্কারের জন্য তৈরি করা জুলাই জাতীয় সনদে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করলেও তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে সরকারি দল বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের বিপরীতমুখী অবস্থান ।

জাতীয় সংসদে সরকারি দল সংবিধান সংশোধন – সম্পর্কিত ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি করলেও বিরোধী দল তাতে অংশ না নিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে ।

গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী ঐক্য রাজপথে নেমেছে ।

এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক সংস্কার নিয়ে অনেকে আশাবাদী হলেও সংশয়ও প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ । রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন , এ অবস্থায় সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ক্রমে দুর্বল হয়ে যেতে পারে ।

এদিকে সংবিধান সংশোধন- সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গতকাল মঙ্গলবার প্রথম বৈঠক করেছে । বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন , জুলাই সনদ সামনে রেখে অংশীজনসহ সবার মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনতে চায় এই কমিটি ।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, চব্বিশের ৫ আগস্ট। অবিশ্বাস্য পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। গণভবন ছেড়ে হেলিকপ্টার ও সামরিক বিমানে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

ছাত্র-জনতার এই অভূতপূর্ব বিপ্লবের সূচনা কোটার বিরুদ্ধে হলেও বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে শেষের দিনগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন মেধাভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করা। একই সঙ্গে ইনসাফ তথা আইনের শাসন নিশ্চিত করে হাসিনা সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের টানা দুঃশাসনের কবর রচনা করা।

এভাবে ভবিষ্যতে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিল দেশের কোটি কোটি আমজনতা। ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত বিজয় যখন সুনিশ্চিত হয়ে যায়, তখন গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব রাজনৈতিক শক্তিও নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ গ্রহণ করে।

কিন্তু আজ গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পর সব আশা যেন ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে। অনেকে মনে করছেন, স্বপ্নের সেই নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য থেকে বাংলাদেশ আজ অনেক দূরে দাঁড়িয়ে আছে।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, দেশজুড়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের তেমন উন্নতি হয়নি। কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকার প্রভাব এখনও কাটেনি।

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে।

একই সঙ্গে আবাসিক এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ, শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভোগান্তিও কমেনি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, বর্তমানে লোডশেডিং এবং জ্বালানি সংকট তি সমাধানে সরকার সচেষ্ট। এ ব্যাপারে সরকার কাজ করছে। আশা করি, দ্রুতই সমাধান হবে।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে এক দিকে প্রবৃদ্ধির গতি আশঙ্কাজনকভাবে কমছে, অন্য দিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকে কঠিন করে তুলছে।

কৃষি, শিল্প ও সেবা- অর্থনীতির তিনটি প্রধান চালিকাশক্তিই গতি হারিয়েছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে এবং খেলাপি ঋণের বোঝা নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে।

তবে এই অস্বস্তির মধ্যেও রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স, বৈদেশিক লেনদেনে উদ্বৃত্ত এবং তুলনামূলক স্থিতিশীল বিনিময় হার অর্থনীতিকে বড় ধরনের সঙ্কট থেকে রক্ষা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংল প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ) প্রতিবেদনে অর্থনীতির এমন চিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনা বলছে, বর্তমান পরিস্থিতি শুধু সাময়িক প্রবৃদ্ধি হ্রাসের নয়; বরং অর্থনীতির ভেতরে জমে থাকা কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন।

নয়াদিগন্ত

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘JS panel to review entire constitution’ অর্থাৎ’সম্পূর্ণ সংবিধান পর্যালোচনা করবে সংসদীয় কমিটি।

খবরে বলা হচ্ছে, সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ সংসদীয় কমিটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করার আগে পুরো সংবিধান পর্যালোচনা করবে। এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’।

গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম বৈঠকের পর সদস্যরা জানান, সংবিধানের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার জন্য এ ধরনের পর্যালোচনা প্রয়োজন।

তারা আরও জানান, সুপারিশগুলো চূড়ান্ত করার আগে সাংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী এবং অন্যান্য অংশীজনের মতামত নেওয়া হবে।

গত ১৩ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের এই কমিটি গঠন করে। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে বিএনপির অস্বীকৃতির প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এমন একটি কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের শিরোনাম ‘Cepa signed with South Korea could it reshape Bangladesh’s industrial future?’ অর্থাৎ ‘দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ‘সেপা’ সই বাংলাদেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ কি নতুন করে গড়তে পারবে?’

খবরে বলা হচ্ছে, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের আগে রপ্তানি সক্ষমতা রক্ষা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে একটি ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট’ (সেপা) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদশে। জাপানের পর কোনো দেশের সঙ্গে এটি এ ধরনের দ্বিতীয় চুক্তি।

এই চুক্তির আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে প্রবেশকারী ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যের (যার মধ্যে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও পাটজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত) ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

বিনিময়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার ৮৭ শতাংশ রপ্তানি পণ্যের ওপর অনুরূপ শুল্ক সুবিধা দেবে। এর আওতায় কৃষি পণ্য, প্লাস্টিক ও শিল্পখাতের যন্ত্রাংশের মতো পণ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এক বছর ধরে চলা আলোচনার পর গতকাল এই চুক্তি সই হয়। দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর চুক্তিটি কার্যকর হবে।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়িক নেতারা এটিকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, এর ফলে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্য আরও সাশ্রয়ী হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় রপ্তানিকারকেরা এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবেন।