Home rss world bengali ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার হামলা

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার হামলা

3
0

২০২৬ সালের ৪ আগস্ট ভোররাতে রাশিয়ার একটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কিয়েভের রাজধানী অঞ্চলে আঘাত হানে। শহরের সামরিক প্রশাসনের বিবৃতি অনুযায়ী, এতে অন্তত **১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত** হয়েছেন।

## রাতভর প্রাণঘাতী হামলা

মধ্যরাতের পর কিয়েভ অঞ্চলের সাতটি স্থানে হামলা চালানো হয়। বেশ কয়েকটি গুদামে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র—শহরের কেন্দ্রের কাছে একটি গুদাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ থেকে দু’জনকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে সেখানে এখনও আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে সতর্ক করেছেন শহরের মেয়র।

এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিমান হামলার সতর্কতা জারি ছিল। স্থানীয় জরুরি পরিষেবা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট—উভয়ই দ্রুত সাড়া দেয়।

## কিয়েভের প্রতিক্রিয়া: ক্ষয়ক্ষতি ও প্রতিরক্ষা

– **অবকাঠামোগত ধ্বংস**: গুদাম ভবনসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান চলছে।
– **প্রতিরক্ষামূলক তৎপরতা**: বোমাবর্ষণের সময় কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী সক্রিয় ছিল এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা চালায়।

## নেতৃত্বের বক্তব্য

মেয়র **ভিতালি ক্লিৎসকো** Telegram-এ চলমান অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন।

রাষ্ট্রপতি **ভলোদিমির জেলেনস্কি** ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য ইউক্রেনের আরও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বিশেষভাবে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি Patriot সিস্টেমের কথা উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান ঘাটতি “রাশিয়াকে এমন হামলা চালাতে আরও উৎসাহিত করে, যাতে মানুষের প্রাণহানি হয়।”

## বৃহত্তর প্রেক্ষাপট: চলমান যুদ্ধ

এই হামলা বেসামরিক হতাহতের ক্রমবর্ধমান তালিকায় আরও একটি ঘটনা যোগ করল। সপ্তাহের গোড়ার দিকে ইউক্রেন ও রাশিয়া—উভয় দেশেই ধারাবাহিক হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়, যা হতাহতের ভয়াবহ পরিসংখ্যানকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।

## আন্তর্জাতিক সমর্থন ও চাপ

ইউক্রেন আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জন্য মিত্রদেশগুলোর কাছে আবেদন জোরদার করছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে Patriot ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টরের সরবরাহ বাড়ানো একটি কেন্দ্রীয় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।

গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর বৈঠকে (উপলব্ধ সূত্রে তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) Patriot সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের লাইসেন্স দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

## বাড়ছে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা

মানবাধিকার পর্যবেক্ষকেরা ক্রমবর্ধমান বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। জাতিসংঘের সূত্র অনুযায়ী, যুদ্ধে অংশ না নেওয়া মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার সংখ্যা ২০২২ সালের গোড়ার দিকে যুদ্ধ তীব্র হওয়ার পর থেকে নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

## এরপর কী?

– ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে, বিশেষ করে ধ্বংস হয়ে যাওয়া গুদামগুলোর আশপাশে, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
– ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য কিয়েভের নেতারা কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে পারেন।
– দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক মনোযোগ আরও তীব্র হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.