Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, Reuters
ওমানের
সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের একটি রুট নির্ধারণে সমঝোতা হয়েছে এবং
চুক্তিটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।
তবে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান হুমকির কারণে শুধু এই চুক্তি নিরাপদ নৌ চলাচলের নিশ্চয়তা
দেবে না।
এ
বিষয়ে এখনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্র বা ওমান।
ফেব্রুয়ারিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত
প্রাকৃতিক গ্যাস -এলএনজি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত
চলাচল সীমিত করে রেখেছে ইরান।
মঙ্গলবার
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, প্রণালিটি দ্রুত খুলে না দিলে
ইরানকে “কঠোরভাবে আঘাত” করা হবে।
বাঘাই
জানান, ওমানের সঙ্গে নতুন রুটের ভৌগোলিক অবস্থান চূড়ান্ত হয়েছে। পরে
উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, এটি অস্থায়ী
ব্যবস্থা এবং দুই থেকে চার মাস কার্যকর থাকতে পারে।
সংঘাতের
মধ্যে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার এশিয়ার লেনদেনে
ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম শূন্য দশমিক তিন শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৯ দশমিক দুই
চার ডলারে নেমেছে।
রয়টার্সের
তথ্যমতে, ইরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের পণ্যমূল্যের পাঁচ থেকে সাত শতাংশ
হারে মূল্য চায়; ওমান প্রায় তিন শতাংশ প্রস্তাব করেছে,
আর যুক্তরাষ্ট্র কোনো মূল্য দিতে চায় না। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায়
উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণও থাকবে।
এর আগে, জুনে
যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা হলেও
তা ভেঙে যায়।




