Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘একাদশে ১৫ লাখ আসন ফাঁকা থাকার শঙ্কা’

পত্রিকা: ‘একাদশে ১৫ লাখ আসন ফাঁকা থাকার শঙ্কা’

5
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, একদিকে কমছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার। অন্যদিকে বছরের পর বছর বাড়ছে কলেজের আসন।

ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পরও বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার চিত্র গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এবার সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হওয়ার কারণে এ সংখ্যা ১৫ লক্ষাধিক হতে পারে।

এর ফলে সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে নানা সংকট তৈরি হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ায় বেসরকারি কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে আর্থিক জটিলতাসহ নানামুখী সংকট দেখা দেবে।

বিগত বছরগুলোয় পাসের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশে কলেজের সংখ্যা ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু হঠাৎ করে পাসের হার কমতে শুরু করায় বিপাকে পড়বে নবীন ও মানহীন কলেজগুলো। বেশি ঝুঁকিতে পড়বে মফস্বলের এমপিওভুক্ত ও বেসরকারি কলেজগুলো।

দেশ রূপান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, ২০০৮ সালের পর থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বাড়তে থাকে পাসের হার ও জিপিএ ৫। তবে গত বছর সেই পাসের হারে ছন্দ পতন ঘটে।

চলতি বছরের ফলে দেখা যায়, গত বছরের চেয়েও পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার ৬.২০ শতাংশ কমেছে, ২০২৪ সালের চেয়ে কমেছে ১৭.৭৯ শতাংশ।

এ ছাড়া গত বছরের চেয়ে এবার জিপিএ ৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন, ২০২৪ সালের তুলনায় কমেছে ৬৫ হাজার ৪৫৩ জন। এবারের পরীক্ষার ফলে ইংরেজি ও গণিতের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।

গতকাল সোমবার ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশিত হয়। এ বছর পাসের হার ৬২. ২৫ শতাংশ।

জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। মোট অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি সংকট ও মেরামতের কারণে দেশের ৪১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ আছে। চালু থাকা কেন্দ্রগুলোর অধিকাংশই সক্ষমতা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না।

এই পরিস্থিতিতে রাজধানীর বাইরে শিল্পাঞ্চলগুলোতেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গ্রামের অবস্থা আরও খারাপ। কোথাও ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে। কোথাও একবার গেলে কয়েক ঘণ্টায়ও আসছে না। তীব্র গরমে মানুষ চরম ভোগান্তিতে আছে।

বিতরণ কোম্পানির সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে লোডশেডিং আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। গড়ে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড হয়েছে।

গত রোববার বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল তিন হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট। রাত ১টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় তিন হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে।

এর আগে ৩ আগস্ট রাত ১টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছিল তিন হাজার ৫১২ মেগাওয়াট।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালের ২৭ জুন সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছিল তিন হাজার ৪১৯ মেগাওয়াট।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি থেকে প্রযুক্তি, অবকাঠামো থেকে আর্থিক সেবা — বাংলাদেশের একাধিক খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে ঢাকায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ৪৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

ঢাকায় অবস্থানকালে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে বৈঠকে তারা সম্ভাবনাময় খাত, বিনিয়োগের সুযোগ এবং ব্যবসার পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা নেবে বলে দায়িত্বশীল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তবে এই সফরে এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি নির্দিষ্ট বিনিয়োগের অঙ্ক বা প্রকল্প ঘোষণা করেনি। ফলে সফরটিকে এখন পর্যন্ত সরাসরি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাংলাদেশে কোথায় এবং কীভাবে বিনিয়োগ করা যায় ; তার প্রাথমিক অনুসন্ধান হিসেবেই দেখছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টরা।

অবশ্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সফর শেষে ঢাকা ত্যাগের আগে এ বিষয়ে একটি পরিষ্কার ধারণা মিলতে পারে।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাধাগ্রস্ত হয় পুলিশের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া।

বর্তমান নির্বাচিত সরকারের প্রথম ছয় মাসেও পুলিশ সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। কাজের মূল্যায়নের মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে ভেতরে-বাইরে।

ফলে পুলিশের কাজের প্রকৃত মূল্যায়ন ও স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক চলছে। তৈরি হয়েছে গভীর সংকটও। শুধু তাই নয়, নিজেদের ওপর অর্পিত ক্ষমতার প্রয়োগ করতে পারছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।

নানা বিতর্কের পরও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না এই বাহিনী। এমন প্রেক্ষাপটে মাঠ পুলিশকে নিয়ে নতুন চিন্তা করছেন নীতিনির্ধারকরা।

তারা জানিয়েছেন, পুলিশ বাহিনীকে পেশাদার, গতিশীল ও জনমুখী হিসাবে গড়ে তুলতে হলে শুধু রাজনৈতিক পরিচয় বা বঞ্চিত হওয়ার কার্ড খেলার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

যুগান্তর

‘রাউজানে সন্ত্রাসীরাই যেন ‘রাজা’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, রাউজানের গরিবউল্লাহ পাড়ায় ঢোকার আগে সিএনজিচালকদের হিসাব করতে হয়-যাত্রী কারা, যাবেন কোন বাড়িতে, পরিচিত লোকের নাম কী।

কারণ, পথে সন্ত্রাসীদের দুটি পক্ষ গাড়ি থামিয়ে চালক ও যাত্রীদের তল্লাশি করে। এই পাড়ার ভান্ডারি কলোনিতেই গত বছরের ১৯শে এপ্রিল রাতে প্রবাসফেরত যুবদল কর্মী মানিক আবদুল্লাহকে নিজ বাড়িতে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এরপর তাঁর পরিবার বাড়ি ছেড়েছে। প্রতিবেশীরা হত্যাকারীদের কয়েকজনকে চিনলেও নাম বলতে চান না। একজন বললেন, ‘এখানে কথা বলার মানে নিজের বিপদ ডেকে আনা।’

শুধু গরিবউল্লাহ পাড়া নয়। ঈশান ভট্টের হাটে স্ত্রী-সন্তানের সামনে যুবদল নেতা মো. সেলিমকে, পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে শত শত মানুষের সামনে মাসুদুল হক চৌধুরীকে, গাজীপাড়ায় মুহাম্মদ ইব্রাহিম ও পশ্চিম রাউজানে আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত ব্যক্তিদের সবাই যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

হত্যার স্থান আলাদা হলেও কৌশল প্রায় একই। অস্ত্রধারীরা মোটরসাইকেল বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এসে প্রকাশ্যে গুলি করেন। এরপর পাহাড়ি পথ ধরে সরে যান। পড়ে থাকে লাশ, বাড়ি ছাড়ে পরিবার এবং নীরব হয়ে যান প্রত্যক্ষদর্শীরা। এরপর বদলে যেতে থাকে এলাকার নিয়ন্ত্রণ।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, বড় ছেলে মোহন সৌদিতে যান সাত বছর আগে, আর মেজো ছেলে সুমন যান দুই বছর হলো। এরপর আর ছুটিতে বাড়িতে আসেননি তারা।

নিহত দুই সন্তানের ছবি বুকে জড়িয়ে বিলাপ করছিলেন বাবা আব্দুল গাফফার। গতকাল সকালে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গণ্ডগোহালী গ্রামে মোহন এবং সুমনদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

রোববার দুপুর ২টার দিকে সৌদি আরবের রিয়াদের শিফা থানারে মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকার একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি নিহত হন। ওই অগ্নিকাণ্ডে দুই ভাইও প্রাণ হারান।

ওই অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জনের বাড়িই আত্রাইয়ের বিভিন্ন গ্রামে। দুজনের বাড়ি নাটোর জেলার নলডাঙ্গায়। অপরজনের বাড়ি আত্রাই লাগোয়া রাজশাহীর বাগমারায়।

এ ঘটনায় শোকে স্তব্ধ গোটা আত্রাই উপজেলা। দুই সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায় আব্দুল গাফফার। সন্তানদের কথা স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, বড় ছেলে মোহন বলতো ‘বাবা কষ্ট করে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করবো। তারপর বিয়ে করে সংসার করবো। আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কি সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’

তিনি দুই সন্তানের লাশ ফেরত আনার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের শোয়ে গ্যাস প্রকল্প থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের পুরোনো প্রস্তাবটি নতুন করে আলোচনায় আসায় দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ঘিরে একাধিক মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে।

বিশেষ করে, সম্ভাব্য পাইপলাইনের ভৌগোলিক রুটের একটি বড় অংশ যদি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’র নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে, তবে প্রকল্পটির আর্থিক দিক ছাড়াও সার্বভৌম নিরাপত্তা, কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ও কূটনৈতিক জটিলতা অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চলতি মাসের শুরুতে ঢাকায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সাথে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের পর শোয়ে গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাইপলাইনে বাংলাদেশে গ্যাস আনার বিষয়টি পুনরুজ্জীবিত হয়।

তবে এর কয়েক দিন পরই বার্মা নিউজ ইন্টারন্যাশনালে প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আরাকান আর্মির সরাসরি সম্মতি ও সহযোগিতা ছাড়া এই প্রকল্পটি মাঠে বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব।

নয়াদিগন্ত

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Dhaka, New Delhi seek ‘fresh start’.

খবরে বলা হচ্ছে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‌’নতুন সূচনা’র ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত।

এর মাধ্যমে তারা ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে সম্পর্কে সৃষ্ট টানাপোড়েন বা মতপার্থক্য পেছনে ফেলে সমতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও আলোচনার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পরদিন গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর পৃথক বৈঠকের সময় এই বার্তা পাওয়া যায়।

ত্রিবেদী প্রথমে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সালাহউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ১২ জুন ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ।

গতকাল বিকেলে ত্রিবেদী ঢাকা থেকে নয়াদিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে যেসব বিষয় দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে—বিশেষ করে ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ই অগাস্ট একটি গণমাধ্যম অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, সেসব বিষয়ে ঢাকার উদ্বেগের কথা জানানোর উদ্দেশ্যেই হয়তো তার এই সফর।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, ঋণ সংক্রান্ত অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী ২৯শে জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে তদন্তের অনুরোধ জানিয়ে অভিযোগ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেন।

ইয়াসিন জানান, ঋণ অনুমোদন ও বিতরণের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এই অভিযোগটি দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর, প্রতারণামূলক উপায়ে আর্থিকভাবে দুর্বল প্রতিষ্ঠান ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’-এর ঋণসীমা ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছিল। এরপর সেই অর্থ উত্তোলন ও আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিউ এইজ