Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে শূন্য হবে তিনটি পদ’

পত্রিকা: ‘মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে শূন্য হবে তিনটি পদ’

4
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই বৈঠকের পর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

রাষ্ট্রপতি পদে দলটির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জোর আলোচনায় রয়েছেন দলটির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সচিবালয়েও গুঞ্জন রয়েছে আজ মির্জা ফখরুল মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে পারেন।

এখন মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে নাকি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চমক দেখাবেন তা দুপুরেই জানা যাবে।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে তিনটি পদ খালি হবে। সেগুলো হচ্ছে দলের মহাসচিবের পদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদ এবং সংসদ সদস্য পদ।

দেশ রূপান্তর

সমকালের প্রধান প্রতিবেদনের শিরোনাম— গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট আরও এক সপ্তাহ চলতে পারে। এ খবরে বলা হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও কারিগরি সমস্যার কারণে মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গেছে।

এর সঙ্গে কয়লা সংকটে কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।

ভারত থেকেও বিদ্যুৎ আমদানি কমেছে।

সব মিলিয়ে বিদ্যুতের ঘাটতি বড় আকার নিয়েছে এবং উৎপাদনে ধস নেমেছে।

গত কয়েকদিনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, একদিকে বিদ্যুতের উৎপাদন কমেছে, অন্যদিকে চাহিদা বেড়েছে। লাইনের গ্যাস না পেয়ে বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক চুলার ব্যবহার বেড়েছে। গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় তারাও গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করছে।

জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন সর্বোচ্চ লোডশেডিং ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভুগছেন গ্রামের মানুষ। কোনো কোনো এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে; কোথাও কোথাও ১৭ থেকে ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

তবে গ্রামের লোডশেডিং কমাতে এরই মধ্যে রাজধানীসহ শহরগুলোতেও লোডশেডিং শুরু হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সংকট কাটিয়ে উঠতে আরও অন্তত এক সপ্তাহ লাগতে পারে। ফলে এখনই বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতির আশা কম।

সমকাল

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Ministers’ constituencies, Bogura escape power crisis; অর্থাৎ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী-মন্ত্রীর আসন ও বগুড়ায় লোডশেডিংয়ের ছাপ পড়েনি।

এ খবরে বলা হয়েছে, সারাদেশে যখন তীব্র লোডশেডিং চলছে, তখন তুলনামূলক ভালো আছে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নির্বাচনী আসন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিজের জেলা বগুড়া।

তবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর আসনের বাইরে ওই জেলাগুলোর অন্য এলাকাগুলোতে অবস্থা বেশ খারাপ।

সিরাজগঞ্জের একটি উপজেলায় বিদ্যুৎ না পেয়ে স্থানীয় মানুষ প্রতিবাদ মিছিলও করেছেন।

অন্যদিকে, বগুড়ায় হালকা লোডশেডিং হলেও সেখানকার পরিস্থিতি মানুষের সহ্যের মধ্যেই আছে।

সিরাজগঞ্জ শহরে বিদ্যুৎ দেয় নর্দার্ন ইলেকট্রিক কোম্পানি (নেসকো)। সংস্থাটির দুই জানিয়েছেন, তাদের এলাকায় কোনো লোডশেডিং নেই। বিদ্যুৎ গেলে তা কেবল লাইনের সমস্যার কারণেই যায়।

গোলাম মোস্তফা রুবেল নামের স্থানীয় এক সাংবাদিক জানান, গত মে ও জুন মাসেও সারাদেশে বিদ্যুৎসংকট থাকলেও জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী টুকুর নির্বাচনী এলাকা সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন আলো ফুটেছে।

টাইমস অব বাংলাদেশ

এই খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশের পল্লী এলাকায় তীব্র লোডশেডিং চলছে।

চাহিদার তুলনায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় কোথাও দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।

তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ জনতা হয়ে কোথাও বিদ্যুৎ অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটেছে।

পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) অধীনস্থ দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিস, উপকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।

এ বিষয়ে গতকাল বুধবার পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, জাতীয় গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সকাল ৮টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ২৪৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ১২ হাজার ৯৩৫ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৩১৪ মেগাওয়াট। ভোর ৪টায় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৯৬৯ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৩ হাজার ১৮ মেগাওয়াট; লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯৫১ মেগাওয়াট। তারও আগে রাত ১টায় লোডশেডিং বেড়ে ৩ হাজার ১৯৪ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়।

সংবাদ

দলের পদ না ছেড়েই তাঁরা সরকারি সংস্থায়— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি। এ খবরে বলা হয়েছে, সরকার গত জুন ও জুলাইয়ে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশন এবং ৮টি নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ পদে বিএনপি ও দলের অঙ্গসংগঠনের বর্তমান ও সাবেক ১৭ নেতাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দলের নেতাদের কেউ এখনো দলীয় পদ ছাড়েননি।

এছাড়া, দল থেকেও তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।

যদিও প্রতিটি নিয়োগের ক্ষেত্রেই ছিল একই শর্ত— অন্য পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অথবা সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে যোগদানের আগে ছাড়তে হবে।

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দলের পদে থেকে সরকারি সংস্থার পদে বসার নজির দেখা গেছে।

সরকারি চাকরি আইনের বিশেষজ্ঞ ও সাবেক যুগ্ম সচিব ফিরোজ মিয়া মনে করেন, সরকারি সংস্থাগুলোর প্রধানের পদ কোনো জনপ্রতিনিধির পদ নয়।

এগুলো সরকারি পদ। এসব পদে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দলের পদ ছাড়া উচিত।

প্রথম আলো

নির্দলীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী— যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। এ খবরে বলা হয়েছে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য জোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে আগেভাগেই নেওয়া হচ্ছে এ প্রস্তুতি।

স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখতে এবং নিজেদের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে একক প্রার্থী বাছাইয়ে মনোযোগ দিয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি।

দলগুলোর নীতিনির্ধারণী সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে এলাকায় তার সততা, ব্যক্তিগত ইমেজ ও জনসমর্থনকে এবার সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে জামায়াতে ইসলামী তাদের ৯৫ শতাংশ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করেছে।

সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে ধাপে ধাপে ইউপি চেয়ারম্যানপ্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা জানিয়েছে এনসিপি।

অন্যদিকে, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা-জেলা কমিটির মতামতের ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ এগিয়ে রাখছে ক্ষমতাসীন বিএনপি।

যুগান্তর

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Govt goes for long-term US LNG supply; অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন এলএনজি সরবরাহের দিকে ঝুঁকছে সরকার।

এ খবরে বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা ও সরবরাহের অনিশ্চয়তার মধ্যে গতকাল বুধবার ১২ বছর মেয়াদী চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে ১১৭ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাব অনুযায়ী, গানভর ইউএসএ এলএলসি বাংলাদেশকে চলতি বছর ৫ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করবে। ২০২৭ সালে ৬ কার্গো এবং ২০২৮ সালে ৩ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করবে।

এই ১৪ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করার ক্ষেত্রে দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ’তে এশিয়ার স্পট মার্কেট (খোলাবাজার) প্রাইস হিসেবে পরিচিত জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) এর সঙ্গে অতিরিক্ত ০.০৮৭৫ ডলার।

এছাড়া, কোম্পানিটি বাকি ১০৩ কার্গো এলএনজি ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ করবে।

এক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এর দাম অনুমোদন করা হয়েছে উত্তর আমেরিকার প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান মূল্য নির্ধারণের ভিত্তি ‘হেনরি হাব’ এর ১২১ শতাংশের সঙ্গে আরও ৫.২০ ডলার।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Govt plans to shift fiscal year from July-June to April-March; অর্থাৎ অর্থবছর জুলাই-জুন থেকে এপ্রিল-মার্চে পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থবছর (জুলাই-জুন) পরিবর্তন এপ্রিল-মার্চ ভিত্তিক করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব শিগগিরই মন্ত্রিসভা কমিটির সামনে পেশ করা হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, প্রস্তাবটি প্রস্তুত করতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট শাখা এখন সংশ্লিষ্ট আইনগুলোতে কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন হবে তা পর্যালোচনা করছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এ খবরে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট, আট দিনের হিসাবে দেখা গেছে, বিভিন্ন গন্তব্যের অন্তত ৭২টি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে পারেনি।

রেলওয়ের দুই অঞ্চলের মধ্যে পূর্বাঞ্চলে এই সংকট বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে। দেরির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিলম্বিত মোট ৭২ ট্রেনের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলে ছিল ২৮ টি এবং পূর্বাঞ্চলে ৪৪ টি।

দেরি হওয়া ট্রেনগুলোর মধ্যে আন্তনগর, কমিউটার, মেইল ও লোকাল— সবই রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের এক অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশেষ করে মিটারগেজ ইঞ্জিনের সংকট ও ইঞ্জিনের ঘন ঘন যান্ত্রিক ত্রুটিতে রেলযাত্রার সময় ঠিক থাকা ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

আজকের পত্রিকা

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— মাঠ প্রশাসনে তীব্র অসন্তোষ। খবরে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ, মিছিল, দফতর ঘেরাও এবং ভাঙচুরের ঘটনায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যমান বিধিবিধান ও নিয়মকানুন মেনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে তাদের প্রতিনিয়ত নানামুখী রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্মকর্তারা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মাঠ পর্যায়ে সরকারি দায়িত্ব পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নয়া দিগন্ত