Source : BBC NEWS

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট
আজ নতুন পে-স্কেল মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। এছাড়া দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ ঘাটতি, সংসদে স্থায়ী কমিটি নিয়ে বিতর্ক ও ঢাকায় ছিনতাই বেড়ে যাওয়া – সোমবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিকগুলোর শিরোনামে এসব খবরই প্রাধান্য পেয়েছে।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Payscale to balance budget and inflation অর্থাৎ বাজেট ও মূল্যস্ফীতির সমতা রক্ষায় পে-স্কেল। খবরে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল দুই অর্থবছরে চার ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে পারে অর্থ মন্ত্রণালয়।
মূল্যস্ফীতি ও বাজেটের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশার সঙ্গে অর্থনৈতিক বাস্তবতার সমন্বয় করতেই এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সুপারিশ আজ মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, পহেলা জুলাই থেকে মূল বেতনের ৩০ শতাংশ কার্যকর করার পাশাপাশি তা বকেয়া হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
আগামী বছরের শুরুতে আরও ৩৫ শতাংশ মূল বেতন কার্যকর হতে পারে। বাকি অংশ পরবর্তী অর্থবছরের জুলাইয়ে এবং ভাতা তার পরের জানুয়ারিতে কার্যকর করার সুপারিশ করা হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১ম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল পুরোপুরি চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তাঁর দাবি, প্রায় ২১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টার্মিনালটি আগের সরকার উদ্বোধন করলেও এর অভ্যন্তরীণ কাজ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়নি।
মন্ত্রী বলেন, ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের এই সম্পদ অব্যবহৃত রেখে দিলে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব টার্মিনালটি চালু করা প্রয়োজন। এটি চালু হলে বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা সক্ষমতা বাড়বে এবং অতিরিক্ত আয় থেকে ঋণ পরিশোধেও সহায়তা হবে বলে তিনি জানান।

যুগান্তর পত্রিকার খবর- দিনে ক্ষতি ২৩৮৭ কোটি টাকা। খবরে বলা হয়েছে, দেশের জ্বালানি সংকট এখন ব্যবসা ও অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠেছে।
এর প্রভাব শুধু বড় শিল্পে নয়, ওষুধ, টেক্সটাইল, সিরামিক, চিনি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পসহ সেবা খাতেও পড়ছে। উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমেছে।
বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৩৮৭ কোটি টাকার উৎপাদন ক্ষতির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
গ্যাস সংকটের কারণে নতুন সংযোগের জন্য এক হাজার ৮৫৭টি আবেদন এখনো ঝুলে রয়েছে। এতে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার শিল্প বিনিয়োগ আটকে আছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে দেশের ব্যবসার পরিবেশ ও শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি আরও চাপের মুখে পড়তে পারে।
রোববার রাজধানীর গুলশানে এমসিসিআই ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে ব্যবসার পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংসদের বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে কমিটি গঠন নিয়ে বেশ উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে।
বিরোধী দল বলছে, জুলাই সনদ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ তাদের পাওয়া উচিত।
কিন্তু সরকারি দলের বক্তব্য হলো, বিরোধী দল যদি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে নাম না দেয়, তাহলে তাদের সভাপতি পদ দেওয়া হবে না।
বিরোধী দল এটাকে একধরনের জবরদস্তি বলে আখ্যা দিয়েছে, কারণ জুলাই সনদে কমিটিগুলোর ২৬ শতাংশ সভাপতি পদ পাওয়ার যে অধিকারের কথা বলা আছে, তার সঙ্গে বিশেষ কমিটিতে যোগদানের কোনো শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়নি।
দুই পক্ষের এই অনড় অবস্থানের মধ্যে বৈঠকের সভাপতিত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সবাইকে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ক্লোজড ডোর বা রুদ্ধদ্বার আলোচনার পরামর্শ দেন।

গতকাল বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
সম্প্রতি সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)’র সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দেন হুমায়ুন কবির।
সম্মেলনের সাইডলাইনে সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে।
সেখানে মক্কা চুক্তিতে ঢাকার যোগদানের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে বলে জানান হুমায়ুন কবির।
সাইডলাইন বৈঠকে বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়ে রিয়াদ ও আঙ্কারার মনোভাব জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা ইতিবাচক। মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসা এবং সহায়তা করা মোটেও খারাপ কিছু নয়।
তাই আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি। এর আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ঢাকার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে।

গতকাল রোববার রাতে অনির্ধারিত এই বিতর্ক হলেও বিরোধী দলকে মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি পদ দেওয়া হবে কি না, সে প্রশ্নের সুরাহা হয়নি।
সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অংশ নিলে জুলাই সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী তাদের সভাপতি পদ দিতে আপত্তি নেই।
এ জন্য বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে প্রতিনিধি দিতে হবে।
জুলাই সনদের ভিত্তিতে বিভিন্ন দাবি তুললেও সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা না করাকে বিপরীতমুখী অবস্থান বলছে সরকারি দল।
অন্যদিকে বিরোধী দল বলেছে, একটি কমিটিতে যোগ দেওয়ার শর্তে সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ দেওয়ার প্রস্তাব তারা সঠিক মনে করে না।
সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে তারা প্রতিনিধি দেবে না। তবে জুলাই সনদ অনুযায়ী মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিগুলোর ২৬ শতাংশের সভাপতি পদ পাওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Tax cuts yet to deliver relief to consumers অর্থাৎ কর কমলেও ভোক্তার স্বস্তি নেই, বাড়তি দামই দিতে হচ্ছে। খবরে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবায় কর ও আমদানি শুল্ক কমালেও প্রায় তিন মাস পরও এর সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা।
মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, গম, পেঁয়াজ, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, খেজুর, মসলা, শিশুখাদ্যের কাঁচামাল ও ডায়ালাইসিস ফিল্টারসহ বিভিন্ন পণ্যে কর কমানো হয়।
তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব পণ্য ও সেবার দাম কমার বদলে অনেক ক্ষেত্রে আগের মতোই আছে বা আরও বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে বাজারে থাকা অনেক পণ্য কর কমানোর আগে আমদানি করা হয়েছিল।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি ব্যয় ও টাকার দুর্বল বিনিময় হার কর কমানোর সুবিধাকে অনেকটাই সীমিত করে দিয়েছে।
ডায়ালাইসিস ফিল্টারের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করা হলেও বেশির ভাগ হাসপাতালে এখনো ডায়ালাইসিসের খরচ কমেনি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন কর ব্যবস্থার আওতায় কম দামে ফিল্টার কেনার পরই তারা খরচ কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করবে।
তবে স্কয়ার, কন্টিনেন্টাল ও ল্যাবএইডসহ কয়েকটি বড় হাসপাতাল এখনো ডায়ালাইসিসের ফি অপরিবর্তিত রেখেছে। ফলে বাজেটে কর কমানোর ঘোষণা এলেও তার বাস্তব সুফল এখনো সাধারণ ভোক্তার কাছে পৌঁছায়নি।

সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় ছিনতাইয়ের সময় রিকশা ও অটোরিকশা থেকে পড়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে।
সর্বশেষ শনিবার ভোরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু হয়।
এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় পথচারী ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোবাইল, ব্যাগ, টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তালিকায় রাজধানীর ৩০৫ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছিনতাইয়ে জড়িত হিসেবে ১ হাজার ৩৮৭ জন চিহ্নিত রয়েছেন।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিনতাইকারী তালিকাভুক্ত ওয়ারী বিভাগে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তালিকাভুক্তদের ৮০ শতাংশের বেশি একাধিক মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বের হওয়ার পর আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

তীব্র যানবাহন সংকটের কারণে অনেক থানায় নিয়মিত টহল কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
আবার ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন প্রতারণা, হ্যাকিং, পরিচয় চুরি, আর্থিক জালিয়াতি ও সাইবার হয়রানির মতো অপরাধ বাড়ছে।
এসব মোকাবেলায় নেই তেমন আধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক সরঞ্জাম। এমন সব সীমাবদ্ধতার মধ্যেই নতুন করে পুলিশ সদস্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
যদিও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও অবকাঠামো নিশ্চিত না করে কেবল সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হলে বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিবর্তে ব্যবস্থাপনায় নতুন করে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

অভিজ্ঞতার পরিবর্তে প্রাধান্য পাচ্ছে রাজনৈতিক আনুগত্য। বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত শিক্ষকদেরও উপাচার্য পদে আসীন হতে দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সার্চ কমিটি গঠন করা হলেও তা ছিল কাগজে। বাস্তবে যা হয়েছে তা হলো কর্তার ইচ্ছায় কর্ম।
একই অবস্থা বর্তমান সরকারের আমলেও। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সার্চ কমিটি পুনর্গঠন হওয়া ছাড়া বিশেষ কোনো অগ্রগতি নেই। ফলে কারা ভিসি হচ্ছেন, তাদের যোগ্যতা কী তা নিয়ে চলছে নানামুখী বিতর্ক।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের টানা ২৮ দিনের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত বছরের ১৩ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানি ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে অব্যাহতি পাওয়া অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানি ও অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদকে পরে পুরস্কার দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
অধ্যাপক গোলাম রব্বানীকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অধ্যাপক ড. মামুন অব্যাহতি পেয়েছিলেন, সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই তাকে উপাচার্য বানানো হয়েছে।

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Heat, power cuts, scarce rain make life unbearable অর্থাৎ তীব্র গরম, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও কম বৃষ্টিতে দুর্বিষহ জনজীবন।
আগস্টের শেষ দিকে বাংলাদেশজুড়ে তীব্র গরম, স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি এবং বৃষ্টিপাত ৩০ বছরের গড়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কম।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, পরিস্থিতিটি বহুল আলোচিত ‘সুপার এল নিনো’র সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
তীব্র গরমে বাইরে কাজ করা মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। অন্যদিকে বাসাবাড়িতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরম থেকে স্বস্তি মিলছে না।
বিদ্যুৎ সংকটের কারণে অফিস ও কর্মস্থলেও স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। দিনের ব্যস্ত সময়ে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ২০ শতাংশের বেশি কম রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে, এ সময় চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট।
ফলে তীব্র গরম, বৃষ্টির ঘাটতি এবং বিদ্যুৎ সংকট মিলিয়ে দেশের লাখো মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কর্মক্ষেত্রে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।




