Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘একই শহরে একই কোম্পানির ৩ মেট্রো প্রকল্প, তবু খরচে ৭০ শতাংশ...

পত্রিকা: ‘একই শহরে একই কোম্পানির ৩ মেট্রো প্রকল্প, তবু খরচে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পার্থক্য’

3
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

একনেকে পাস হওয়া তিন মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পগুলোর মধ্যে খরচের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে; ইসি চলতি বছরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা করলেও সেই সম্ভাবনা কম; কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎপরতা বন্ধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর নির্দেশনা পুলিশের এবং সরকারের হিসাব অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ ৬৩ হাজার টন সার বেশি রয়েছে— এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

নিউ এইজের প্রধান খবরের শিরোনাম— 3 METRO PROJECTS: Same co, same city, yet up to 70pc cost gap; অর্থাৎ ‘একই কোম্পানি, একই শহর, তবু খরচে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পার্থক্য’।

এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন মেট্রোরেল প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পগুলোর আওতায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড মোট ৬৮.৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করবে। ভূগর্ভস্থ ও উড়ালপথের এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে প্রতি কিলোমিটার নির্মাণ ব্যয়ে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে।

তিন প্রকল্পের মধ্যে দুটি হলো— জাপানের অর্থায়নে এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর) ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন (হেমায়েতপুর-ভাটারা) প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব।

এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১-এ প্রতি কিলোমিটারে খরচ পড়বে তিন হাজার ৬৬৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্নে তা বেড়ে দাঁড়াবে চার হাজার ৪৯২ কোটি টাকা।

অপর প্রকল্পটি হলো এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নের এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি) প্রকল্প। তুলনামূলক কম খরচের এই প্রকল্পে কিলোমিটার প্রতি খরচ পড়বে দুই হাজার ৬৪৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

একনেক সভার পর সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আবদুর রহিম সাকি এক প্রশ্নের জবাবে জানান, নির্মাণসামগ্রীর উৎস ও বৈদেশিক অর্থায়নের শর্তের কারণেই মূলত খরচের এই পার্থক্য তৈরি হয়েছে।

জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলোতে জাপানি ঠিকাদার, পরামর্শক, তাদের পণ্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক হওয়ায় আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ সীমিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

একই শহরে একই কোম্পানির বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে খরচের এই পার্থক্যের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।

তারা সতর্ক করেছেন, শর্তযুক্ত অর্থায়ন ও সীমাবদ্ধ ক্রয়প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশকে দুর্বল করতে পারে। এছাড়া, খরচের এই ব্যাপক বৃদ্ধি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়াবে এবং অন্যান্য জরুরি খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সরকারের সক্ষমতা কমিয়ে দেবে।

নিউ এইজ

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ১২ই নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোটের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা করলেও এ বছর ভোট হওয়ার সম্ভাবনা কম।

বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা, এরপর রমজান ও এসএসসি পরীক্ষার সময় বিবেচনায় আগামী মে’র আগে নির্বাচন আয়োজনের কম সম্ভাবনা দেখছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়ের ব্যাপারে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন আন্তমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা তাদের মতামত ও প্রস্তুতির অবস্থা তুলে ধরবেন।

সবার মতামত পাওয়ার পর কখন নির্বাচন করা সম্ভব, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। এসব বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে- যোগ করেন মীর শাহে আলম।

প্রথম আলো

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আক্রান্ত শিশুর অর্ধেকের বেশির হাম অত্যন্ত জটিল ও গুরুতর পর্যায়ে ছিল।

৫৮ দশমিক শিশু হামের এক ডোজ টিকাও নেয়নি, যাদের মধ্যে ৪৬ শতাংশের বয়স ৯ মাসের কম ছিল। ৩১ শতাংশ শিশুর শরীরে মিলেছে তীব্র অপুষ্টিতে ভোগার প্রমাণও।

হামে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের চারটি হাসপাতালে ভর্তি ৩০০ শিশুর ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় এমন তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন এক দল গবেষক।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, মায়ের বুকের দুধ পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ শিশু। শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ‘এ’ না পাওয়া শিশুদের ৫৯ শতাংশই গুরুতর জটিলতার শিকার হয়েছে।

হামের গুরুতর শারীরিক জটিলতা তৈরির প্রধান কারণ মাঝারি ও তীব্র অপুষ্টি। জীবনে হামের টিকা পেয়েছেন মাত্র ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ শিশুর মা।

সমকাল

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের তৎপরতা বন্ধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই মানবজমিনের প্রধান সংবাদ— মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা

বেশ কিছুদিন ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের নির্দেশে ঝটিকা মিছিল করছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে গুলশানের বড় মিছিল ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো চাপে রয়েছে।

এ নিয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। পরে মাঠ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে নানা নির্দেশনা।

গত রোববার পুলিশ সদর দপ্তরের পাশাপাশি ডিএমপির সদর দপ্তরেও বিশেষ বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠক থেকে পুলিশের সবকটি ইউনিট প্রধানকে কড়া বার্তা দিয়ে বলা হয়েছে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের কোনো মিছিল ঠেকাতে না পারলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিসহ তার ঊর্ধ্বতনদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নেওয়া হবে। যে এলাকায় মিছিল হবে ওই এলাকার পুলিশকে দায় নিতে হবে।

এতে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তাৎক্ষণিক অন্যত্র বদলিরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গুলশানের মিছিলের জেরে পাঁচ দিন পর গুলশান থানার ওসি ও গুলশান জোনের ডিসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মানবজমিন

এতে বলা হয়েছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সারের সম্ভাব্য চাহিদা ৩৫ লাখ ২০ হাজার টন।

এর বিপরীতে সরকারি মজুদ রয়েছে ৫১ লাখ ৮৩ হাজার টন। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ ৬৩ হাজার টন সার বেশি রয়েছে।

এরপরও আমন মৌসুমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সারের জন্য কৃষকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। কোথাও চাহিদামতো সার মিলছে না, আবার কোথাও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। কয়েকটি এলাকায় সার মজুদ করে সংকট তৈরির ঘটনাও ধরা পড়েছে।

ঘাটতি না থাকার পরও মাঠের সংকট নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে সরকার এবং ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন বলছে, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে একটি সিন্ডিকেট।

তবে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এর সঙ্গে যুক্ত করেছেন বিতরণের শেষ ধাপের ব্যবস্থাপনা, ডিলারদের অনিশ্চয়তা, সমন্বয়হীন মনিটরিং এবং দুর্বল নজরদারি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন ডিলারনীতি বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণের জটিলতা।

কালের কণ্ঠ

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে ব্যবহৃত জ্বালানির অন্তত ৭০ ভাগ আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, প্রাপ্যতা ও ডলার সংকটে জ্বালানির জোগান নিশ্চিতে সরকার হিমশিম খাচ্ছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন এককভাবে গ্যাসনির্ভর। কিন্তু গত ১০ বছরে স্থলভাগের গ্যাসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে শুরু করেছে।

দেশে আর কোনো বড় খনি পাওয়ার আশাও দেখছে না পেট্রোবাংলা। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে সরকার কয়লাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দেশীয় কয়লাখনির উত্তোলন বৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে।

সরকারের কয়লা তোলার ঘোষণায় পরিবেশবাদী এবং খনি এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পরিবেশবাদী এবং খনি এলাকার মানুষ মনে করছে, এতে বিপুল পরিমাণ মানুষ যেমন উচ্ছেদ হবে, ঠিক একইভাবে খনি এলাকার প্রাণ ও প্রকৃতি ধ্বংস হবে।

জ্বালানি বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেছেন, কয়লা তোলার বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কাজ শুরু হয়নি। আমরা এখন জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করছি। তবে এখানে বড় সমস্যা হচ্ছে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছ থেকে প্রভাবশালীরা সব জমি কিনে নিয়েছেন। এখন তারা সরকারের কাছে তিনগুণ দামে এই জমি বিক্রি করবে।

দেশ রূপান্তর

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Education gains begin to reverse; অর্থাৎ শিক্ষা খাতের সাফল্য এখন উল্টো পথে।

এতে বলা হয়েছে, টানা ১৪ বছরের ধারাবাহিক অগ্রগতির পর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়তে শুরু করেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধি, উচ্চমাধ্যমিকে বিপুল আসন ফাঁকা থাকা এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী না পাওয়া– সব মিলিয়ে পুরো শিক্ষা খাতে সংকট গভীর হচ্ছে।

২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশে।

চলতি বছরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১১ লাখ ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদনই করেনি। অর্থাৎ সারাদেশে কলেজেগুলোতে প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকলেও এবার মাত্র ৯ লাখ ৯৫ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করেছে।

এছাড়া, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, ১৪৯টি চালু থাকা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে প্রায় এক লাখ ৫৬ হাজার আসনের মধ্যে ৬৩ শতাংশ বা ৯৭ হাজার আসন খালি রয়ে গেছে।

মারাত্মক শিক্ষক সংকট, পেশাগত অসন্তোষ, ক্লাসে ব্যাপক অনুপস্থিতি, নৈতিকতা ও দক্ষতার অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ এবং সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষা দর্শনের ক্রমাগত পরিবর্তনের ফলে এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

টাইমস অব বাংলাদেশ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Malaysia job market reopening: Recruitment clouded by cartel worries; অর্থাৎ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, কর্মী পাঠানোয় সিন্ডিকেটের শঙ্কা।

এই খবরে বলা হয়েছে, দুই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া।

তবে কর্মী নিয়োগে প্রক্রিয়ার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে তারা এখনো ঢাকাকে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

নিয়োগকারী সংস্থা ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই নতুন ব্যবস্থাও আগের মতো সিন্ডিকেট-নিয়ন্ত্রিত বিতর্কিত পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি ঘটাবে এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ব্যয় ছয় লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এবার দেশটিতে কর্মী পাঠানোয় মোট ৩৩৮টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকবে। তার মধ্যে মালয়েশিয়া কর্তৃক বাছাই করা ২৫টি এজেন্সি; তাদের সহযোগী হিসেবে থাকছে ৩১২টি এজেন্সি।

এছাড়া রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডও যুক্ত থাকবে প্রক্রিয়াটিতে।

এর মধ্যে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে ওই ৩১২টি সহযোগী এজেন্সি কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।

এ নিয়ে নির্দেশনা চেয়ে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর কুয়ালালামপুরকে একটি ‘নোট ভারবাল’ (কূটনৈতিক পত্র) পাঠিয়েছে ঢাকা।

এদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত পদ্ধতি ঘোষণা করা হবে। এখন এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে।

দ্য ডেইলি স্টার

সাইবার অপরাধ ও অনলাইন হয়রানি ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে খসড়া তৈরি করেছে সরকার। তবে খসড়ার কয়েকটি বিধান নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন অংশীজনেরা।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের খসড়ায় সাইবার অপরাধ, সাইবার সুরক্ষা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে একই কাঠামোয় আনা হয়েছে। এতে তিনটি ক্ষেত্রের কোনোটিই যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা এমনভাবে দেওয়া হয়েছে, যাতে অপব্যাখ্যার সুযোগ থাকে।

সংশোধনীর খসড়ায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই কাউন্সিলের প্রধান হবেন প্রধানমন্ত্রী। ২৮ সদস্যের কাউন্সিলে পাঁচজন মন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা থাকবেন।

বেসরকারি পর্যায় থেকে দুজন বিশেষজ্ঞ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তারা তথ্যপ্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হবেন। তাদের মনোনীত করবে সরকার। কাউন্সিলের সদস্য এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়মুক্তির বিধানও রয়েছে।

এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারের নেতৃত্বে কাউন্সিল হলে সরকারের প্রভাবই বেশি থাকবে। এতে স্বার্থের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। স্বাধীন ও দলনিরপেক্ষ কাউন্সিল গঠন করতে হবে।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানি ও শ্রমবাজার নিয়ে একের পর এক নেতিবাচক খবর আসছে। এবার লাওসেও বাংলাদেশি কর্মীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এসেছে।

এতে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ আরো সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অবৈধ অভিবাসন, মানবপাচার, অননুমোদিত শ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং কর্মী নিয়োগের পর দায় এড়িয়ে যাওয়া নিয়োগকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরপর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারে এমন সংকট বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানকে নতুন অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।

এদিকে, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে ১৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদেশে বাংলাদেশী কর্মী যাওয়ার সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে।

বিএমইটি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর লাওসের বিভিন্ন খাতে তিন হাজার ২৮৯ জন বাংলাদেশি কর্মী গেছেন।

বণিক বার্তা