Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘বোয়িংয়ের সাথে চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ’

পত্রিকা: ‘বোয়িংয়ের সাথে চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ’

3
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৯ মিনিট

রাজপথে বিরোধীদলগুলোকে ছাড় দেবে না ক্ষমতাসীন বিএনপি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর গণপরিবহনে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সোয়া দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেনি। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে। এ ছাড়াও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর যোগ দেওয়াসহ আন্তর্জাতিক ও অর্থনীতির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খবরও রয়েছে আজকের সংবাদপত্রগুলোতে।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘France pushes Airbus as Boeing deal draws near‘ অর্থাৎ ‘বোয়িংয়ের সাথে চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ’।

আগামীকাল নিউ ইয়র্কে ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। একই সময়ে জাতীয় পতাকাবাহী এই সংস্থার কাছে ১০টি এয়ারবাস বিমান বিক্রির জন্য ফ্রান্সও জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন চলাকালে নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১৫ মিনিট) বোয়িংয়ের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র গতকাল এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মসূচিতেও আছে।

সূত্রটি জানায়, বিমানের চেয়ারম্যান রুমি আখতার হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে গতকাল বাংলাদেশে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে ফ্রান্সের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা ও ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস’ মোকাবেলায় মাঠের কর্মসূচিতে সক্রিয় হচ্ছে বিএনপি। ষড়যন্ত্র করে দেশের স্থিতিশীল পরিবেশ ঘোলাটে করতে বিরোধী দলগুলো মাঠে নামলে ছাড় দেবে না ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় এরই মধ্যে রাজধানীসহ সারা দেশে দলটির নেতাকর্মীরা মিছিল-মিটিংয়ের মতো কর্মসূচি পালন করা শুরু করেছেন। ধারাবাহিকভাবে এই মিছিল-মিটিং, সমাবেশসহ অন্যান্য কর্মসূচি আরো জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির দায়িত্বশীল নেতারা।

দলের অঙ্গদলগুলোসহ সমমনা সংগঠনগুলোকে এরই মধ্যে কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি দেওয়া না হলেও অঙ্গসংগঠনগুলোকে নিজেদের মতো করে কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে সরকারবিরোধী ‘ষড়যন্ত্র’ প্রতিহত করার বার্তা পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক কোনো কর্মসূচিতে বাধা না দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আগামী ২৭শে সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন। এ সময়ে সারা দেশের নেতাকর্মীদের রাজপথের কর্মসূচিতে সরব থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কালের কণ্ঠ

‘জ্বালানি তেল থেকে সরকার পেয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, আমদানি পর্যায়ে একক পণ্য হিসেবে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে ডিজেল থেকে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, গত অর্থবছরে শুধু ডিজেল আমদানিতেই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারকে ১১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা শুল্ক-কর দিয়েছে। ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল মিলিয়ে অঙ্কটি আরও বড়।

বিপিসির হিসাবে, ২০১৬-১৭থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে শুল্ক-কর বাবদ সরকারকে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে সংস্থাটি।

এই বিপুল শুল্ক-কর দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মুনাফায় ছিল বিপিসি। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত নিরীক্ষিত হিসাবে মাত্র এক বছর লোকসান হয়েছে তাদের। সেই লোকসান বাদ দিয়ে বাকি ১০ বছরে সংস্থাটির নিট মুনাফা টিকেছে ৫৩ হাজার ১৩২ কোটি টাকা।

১০ বছরের শুল্ক-কর ও মুনাফার দুই অঙ্ক যোগ করলে পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। এই অর্থ এসেছে শেষ পর্যন্ত ভোক্তার কাছে জ্বালানি বিক্রির আয় থেকেই।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশে তেলের দাম সেভাবে না কমানো হয়নি। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিশ্ববাজারে অস্থিরতা শুরু হয়।

গত ১৮ই এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়। গত রোববার তা আরও ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে গ্যাস-বিদ্যুৎ, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), ফার্নেস অয়েল ও জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কিন্তু সংস্থাটি এখনো ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা পায়নি।

জানা গেছে, এসব পণ্যের দাম নির্ধারণে বিইআরসি প্রবিধানমালা প্রয়োজন। সে জন্য ২০১২ সালে প্রবিধানমালার ওপর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামত জানতে চেয়েছিল কমিশন। তবে ১৪ বছরেও প্রবিধানমালা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের মতামত কিংবা সিদ্ধান্ত পায়নি বিইআরসি।

সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি সূত্র বলছে, এসব তরল জ্বালানি পণ্যের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির হাতে ছেড়ে দিলে মন্ত্রণালয়ের কর্তৃত্ব খর্ব হতে পারে—এমন ধারণা থেকে বিষয়টি বাস্তবায়ন হয়নি।

নির্বাহী আদেশের ক্ষমতাবলে এবং স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় নির্দেশিকার আওতায় ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করছে সরকার। আইন অনুযায়ী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম গণশুনানির মাধ্যমে নির্ধারণ করার মূল এখতিয়ার বিইআরসির।

কিন্তু ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আইনটি সংশোধন করে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। এর ফলে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণে সরাসরি ক্ষমতা পায় সরকার।

সংশোধিত আইনি ক্ষমতাবলে সরকার যখন প্রয়োজন মনে করবে, তখন সরাসরি নির্বাহী আদেশে গেজেট বা প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন দাম নির্ধারণ করতে পারবে।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, সরকার বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়ে যায়। সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই নৈরাজ্য মঙ্গলবারও চলে।

ঢাকার বিভিন্ন বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ২০ টাকা বেশি নেওয়া হয়। দূরপাল্লার বাসে নেওয়া হয় ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি। চট্টগ্রামের বিভিন্ন রুটেও ইচ্ছামতো ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ নিয়ে যাত্রী ও পরিবহণকর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কোথাও কোথাও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে বলে খবর মিলেছে।

রোববার রাতে সরকার ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ায়। নতুন দাম সোমবার থেকে কার্যকর হয়। তখনো বাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়নি। এরপরও সোমবার সকাল থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার বাস, মিনিবাস ও লেগুনায় বাড়তি ভাড়া আদায় শুরু হয়।

মঙ্গলবার সকালেও রাজধানীর রায়সাহেব বাজার, গুলিস্তান, পল্টন ও শাহবাগ এলাকার বিভিন্ন বাসে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। মঙ্গলবার বিকালে কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায় সরকার।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে নানা অব্যবস্থাপনা এবং মানুষের কষ্টের দৃশ্য। এ নিয়ে বাসের স্টাফদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়।

যাত্রীরা বলেন, ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্তই এখনো হয়নি। তার আগেই বাড়তি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ যাত্রীদের ওপরই এর চাপ পড়ছে।

 যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, এক লিটার ডিজেলের দাম এক লাফে ২০ টাকা বাড়ানোর ধাক্কা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশের পরিবহন, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

ঢাকা-বরিশাল নৌপথে লঞ্চের ভাড়া ১৭ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। দূরপাল্লা ও নগর বাসে কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

এর পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের বেসরকারি ২১টি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো বা আইসিডি ছয় ধরনের সেবার চার্জ ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাড়িয়েছে। বন্দরকেন্দ্রিক অন্যান্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানও বাড়তি চার্জের দাবি তুলেছে।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, ডিজেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল কৃষির সেচ ও যান্ত্রিক চাষাবাদ, গ্যাস-বিদ্যুৎ সঙ্কটে ডিজেল জেনারেটরনির্ভর শিল্প এবং পণ্য পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত এর বিরূপ প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর। এটি মূল্যস্ফীতিতে নতুন করে বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও ফ্রেইট (জাহাজ ভাড়া) ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বিপুল লোকসান কমানো এবং প্রতিবেশী দেশে জ্বালানি পাচার ঠেকাতে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

গত ২০শে সেপ্টেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনে সরকার প্রতি লিটার ডিজেল, অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে, যা ২১শে সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা সোয়া দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে (কলেজ ও মাদ্রাসা) ভর্তির প্রক্রিয়ায় নেই; যা গত চার বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

এবার ভর্তিপ্রক্রিয়ার বাইরে থাকা পৌনে ২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী আবেদনই করেনি। তাদের মধ্যে জিপিএ -৫ পাওয়া শিক্ষার্থী রয়েছে সাড়ে ১১ হাজার। এবার ভর্তির প্রক্রিয়ায় না থাকা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা মোট পাস করা শিক্ষার্থীদের প্রায় ২১ শতাংশ। অর্থাৎ পাস করা প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন ভর্তির প্রক্রিয়ায় নেই।

এসব শিক্ষার্থীকে আবার সুযোগ দিতে দ্বিতীয় দফায় অনলাইনে আবেদন নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষাবিদেরা বলছেন, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়ার বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের একটি অংশের শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আগের তিন বছরেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের পর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়ার বাইরে ছিল । রাজধানীর নটর ডেম কলেজসহ হাতে গোনা কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করে।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতের বড় অংশ জুড়েই রয়েছে মৌলিক বা ‘বেসিক’ পণ্য। টি-শার্ট, প্যান্ট, সোয়েটার, আন্ডারগার্মেন্টস ও শিশুদের পোশাকের মতো পণ্যের ওপরই দেশের পোশাক রপ্তানি অনেক বেশি নির্ভরশীল।

বিপরীতে বিশ্ববাজারে তুলনামূলক বেশি চাহিদার উচ্চমূল্যের ও বৈচিত্র্যময় পোশাক- যেমন আউটারওয়্যার, ড্রেস, স্পোর্টসওয়্যার, টেকনিক্যাল ওয়্যার ও স্যুট- রপ্তানিতে বাংলাদেশের অংশ এখনো বেশ কম। ক্যালেন্ডার বছর ২০২৫-এর পোশাক রপ্তানির তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ প্রায় ৩৮.৮২৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের (আইটিসি) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪২৬ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েস (বিএভি) ইপিবি ও আইটিসি ট্রেড ম্যাপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তুলনা করেছে। তথ্য বলছে, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া পোশাকের ৭৬.৯৪ শতাংশই বেসিক ক্যাটাগরির পণ্য। এর মধ্যে রয়েছে বটমওয়্যার বা প্যান্টজাতীয় পোশাক, টি-শার্ট, সোয়েটার, ইননারওয়্যার, শিশুদের পোশাক এবং ছোটখাটো অ্যাক্সেসরিজ।

অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী মোট পোশাক বাণিজ্যে এসব মৌলিক পণ্যের অংশ ৬১.৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ বিশ্ববাজারের তুলনায় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেসিক পণ্যের ওপর প্রায় ১৫ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি নির্ভরশীল।

মানবজমিন

‘মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না’ সমকালের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজে বহু শিক্ষক মবের শিকার হন।

তাদের মধ্যে সহস্রাধিক শিক্ষক এখনও নিজ কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের একটি সংগঠন এ দাবি করেছে।

দুই বছর পার হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কিংবা জেলা শিক্ষা অফিসের কাছে মব বা জোরজবরদস্তির মুখে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া কিংবা হেনস্তার শিকার শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নেই।

সরকারি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে দুই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়া বা পদত্যাগে বাধ্য করার তথ্য উঠে এসেছে। পুনর্বহালের দাবিতে আট শতাধিক শিক্ষক আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া শিক্ষকদের সংগঠন ‘পদবঞ্চিত প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষক জোট’-এর দাবি, সারাদেশে প্রায় দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিন হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষক হয়রানি, অপমান, পদত্যাগে বাধ্য হওয়া কিংবা কর্মস্থল থেকে বিতাড়নের শিকার হয়েছেন।

তাদের মধ্যে পাঁচ শতাধিক আহত বা অসুস্থ হয়েছেন। জোটের দাবি, শারীরিক ও মানসিক আঘাতের জেরে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

সমকাল

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের শিরোনাম ‘TK1500CR INVESTMENT STUCK UNDER SEA FOR 3 YEARS’ অর্থাৎ ‘সমুদ্রের তলদেশে আটকা ১,৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ’।

খবরে বলা হচ্ছে, বেসরকারি খাতের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার সাবমেরিন ক্যাবলে বিনিয়োগ ঝুলে আছে।

ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে আরও বেশি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ আমদানি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। ফলে ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট পাওয়ার বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে।

দেশের প্রথম বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পের সঙ্গে তিনটি স্থানীয় কোম্পানি জড়িত। প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না পাওয়ার কারণে ক্যাবল বসানো চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রায় তিন বছর ধরে আটকে আছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকার সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে ক্যাবল স্থাপনের চূড়ান্ত পর্যায় স্থগিত করে ব্যান্ডউইথ আমদানির পরিমাণ চাহিদার ৫০ শতাংশে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছিল।

তবে, একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট পরবর্তীতে এই সীমাবদ্ধতার আদেশ স্থগিত করেন।

এরই মধ্যে, আমদানিকৃত ব্যান্ডউইথের পরিমাণ বেড়ে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মোট চাহিদার বিপরীতে এর হিস্যা প্রায় ৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে প্রায় ৭০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ