Source : BBC NEWS

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনার মাধ্যমে যানজট কমাতে ছয় মাসের মধ্যে বাস রুট রেশনালাইজেশন বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ পদ্ধতিতে একটি রুটে একাধিক নয়; ঢাকাকে ৩২টি রুটে বিভক্ত করে সবকটিতে কেবল একটি করে কোম্পানির ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বাস চলবে।
এ পদ্ধতিতে কাউন্টারভিত্তিক যাত্রীসেবা, ই- টিকেটিং ও জিপিএস ট্র্যাকিং থাকবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ঢাকা মহানগরের গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী দুই মাসে বাস স্টপেজ নির্ধারণ, লক্কড়ঝক্কড় বাস মেরামত এবং চালকদের মাসিক বেতনের ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে। এই সময়ে কয়েকটি রুট চালু করা হবে।
এছাড়া, পৃথক এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে সারাদেশে কমপক্ষে এক হাজার খেলার মাঠ করতে বলেছেন তিনি।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি বাজারের চালের দামে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তাতে বেশ কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দামে ঊর্ধ্বমুখী ভাব দেখা যাচ্ছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মান ও এলাকাভেদে চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা বেড়েছে।
সেপ্টেম্বরে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে চালের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।
আর খুচরা দোকানিরা বলছেন পাইকারি বাজারের ঊর্ধ্বমুখিতায় তাদের বাড়তি দামে চাল কিনতে হচ্ছে।
দেশের বড় চালের মোকামগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু পরিবহন ব্যয় নয়, ধানের মূল্যবৃদ্ধিও চালের বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রতিবাদ বিক্ষোভ ও পুলিশের লাঠিপেটার মধ্যেই গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) তুলে দেওয়া হলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে।
১৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় এনসিটি এবং এর ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ডের (ওসিওয়াই) পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড।
সরকার অনেক দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে ব্যস্ত এই টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর নিয়োগের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছিল।
অন্যদিকে, জাতীয় স্বার্থহানি হবে, এ দাবি করে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল শ্রমিক সংগঠন ও বিভিন্ন অংশীজনেরা।
বিরোধিতাকারীদের ভাষ্য, এতে নিজের রাজস্ব আয় কমে বন্দর কর্তৃপক্ষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং দেশের ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়তে পারে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Tax filings jump 77% as early rebate drives returns; অর্থাৎ আয়কর আগে জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রণোদনায় রিটার্ন দাখিল বেড়েছে ৭৭ শতাংশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আয়কর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনার সুবিধার কারণে ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা বেড়ে ১২ লাখ ৫৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে; যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৭ শতাংশ বেশি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সূত্রমতে, প্রায় তিন লাখ করদাতা এই প্রণোদনা সুবিধা নিয়েছেন। এই সুবিধার আওতায় প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ রিবেট বা ছাড় পাওয়া গেছে, যার সর্বোচ্চ সীমা ২৫,০০০ টাকা। কর পরিশোধের সময় করদাতার প্রদেয় করের সাথে সরাসরি এই রিবেট সমন্বয় করা হয়।
গত দোসরা অগাস্ট ঘোষিত এনবিআরের এই প্রণোদনাভিত্তিক ব্যবস্থা প্রথাগত নির্দিষ্ট সময়সীমার ধারণা থেকে সরে আসার একটি পদক্ষেপ।
নতুন এই ব্যবস্থায়, ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তিগত করদাতারা ৫ শতাংশ রিবেট পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন। আর পহেলা অক্টোবর থেকে ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে দাখিল করা রিটার্নের ক্ষেত্রে কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না। এরপরে রিটার্ন দাখিল করলে গুণতে হবে জরিমানা।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Secondary schools: Vacant posts hurting children, taxing teachers; অর্থাৎ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষকদের ওপর বাড়তি চাপ।
এই খবরে বলা হয়েছে, সারাদেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষক সংকটের কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
এর ফলে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গণিত, ইংরেজি ও আইসিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের বোঝা চাপাতে বাধ্য হচ্ছে এবং ব্যবহারিক (প্র্যাকটিক্যাল) ক্লাসের সংখ্যা কমিয়ে দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট কোচিংয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যা শিক্ষার গুণগত মান কমিয়ে দিচ্ছে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য বাড়াচ্ছে।
গত ২৩শে এপ্রিল সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে অন্তত ২ হাজার ৮৪২টি এবং এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৭৭ হাজার ২২৭টি শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশের ২০ হাজার ৬৩১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজের মাধ্যমিক শাখায় প্রায় ৯০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের নথিপত্র অনুযায়ী, এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে তিন হাজার ৮৬১টিতে কোনো আইসিটি শিক্ষক নেই; দুই হাজার ৭৪৪টিতে গণিত শিক্ষক এবং দুই হাজার ৬২৫টিতে ইংরেজি শিক্ষক নেই।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, শিক্ষক পদায়নে সমস্যা এবং শিক্ষকদের ধরে রাখার ক্ষেত্রে জটিলতার কারণেই মূলত এই সংকটের সৃষ্টি।

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Hasina’s Dec return claim: BNP tells local units to counter AL moves; অর্থাৎ, ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার দাবি: আ. লীগকে রুখতে স্থানীয় ইউনিটগুলোর প্রতি বিএনপির নির্দেশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণাকে বিএনপি খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে না।
তবে এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ দেশে ‘অস্থিতিশীল’ পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করতে পারে বলে বিএনপি নেতারা আশঙ্কা করছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের জেলাপর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
দলটির সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জেলাপর্যায়ের কমিটিগুলোর পাশাপাশি সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে রাজপথে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
বিএনপি নেতাদের মতে, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্বাভাবিকভাবেই তাদের প্রতিহত করবে।
তবে, বিএনপি কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ভরসা করে বসে থাকতে চায় না। ক্ষমতাচ্যুত দলটি যাতে কোনো সভা-মিছিল বা বিশৃঙ্খলা করতে না পারে, সেজন্য নেতাকর্মীদের কড়া পাহারায় থাকতে বলা হয়েছে।
বিএনপি নেতারা জানান, মূলত তিনটি কারণে দলটি এই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে— আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচি যেন প্রকাশ্যে আসতে না পারে; তাদের কর্মসূচির কারণে যেন কোনো সংঘাত বা নাশকতা না ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির দলীয় সংগঠনও যেন তৈরি থাকে।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— আইএমএফের নতুন ঋণ ৪৫০ কোটি ডলার, চুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে।
এতে বলা হয়েছে, পুরোনো ঋণ বাতিলের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে সরকার।
এই কর্মসূচির আওতায় ৪৫০ কোটি ডলার ঋণের প্রাথমিক আলোচনা চলছে।
নতুন কর্মসূচির মেয়াদ হবে তিন বছর। আগামী ডিসেম্বর মাসে নতুন ঋণ কর্মসূচির চুক্তি হতে পারে।
এখন শর্ত নিয়ে দর-কষাকষি চলছে। শর্তের মধ্যে ব্যাংক ও রাজস্ব খাতের সংস্কারের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের সরকারি ভর্তুকি কমানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
আগামী সোমবার থেকে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় যোগ দেবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। সেখানে আইএমএফের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরবর্তী ঋণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় এখন এ নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে গ্যাসের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও ছয় বছরের ব্যবধানে জাতীয় গ্রিডে দেশীয় কূপ থেকে গ্যাসের সরবরাহ কমেছে প্রায় ৩৪ শতাংশ।
একই সঙ্গে ঘাটতি পূরণে আমদানি করা ব্যয়বহুল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ বেড়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ।
ফলে বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা মোট গ্যাসের প্রায় ৩৮ শতাংশই আসছে এলএনজি থেকে।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো না গেলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে মোট গ্যাস সরবরাহে এলএনজির অংশ ৬০ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছতে পারে।
তখন উচ্চমূল্যের এলএনজি আমদানির ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধি এবং শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
পেট্রোবাংলার গ্যাস সরবরাহের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০২০ সালের পহেলা অক্টোবর দেশীয় কূপগুলো থেকে দৈনিক দুই হাজার ৪৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হলেও চলতি বছরের পহেলা অক্টোবর তা কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬২০ মিলিয়ন ঘনফুটে।
বিপরীতে ৭০২ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে বেড়ে এলএনজি সরবরাহ হয়েছে এক হাজার তিন মিলিয়ন ঘনফুট।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থায় সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত ও রিপোর্টিংয়ের পরিমাণ এক বছরে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে সন্দেহজনক লেনদেন ও কর্মকাণ্ডের ৩০ হাজার ১৯৯টি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আগের অর্থবছরে এ সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩৪৫টি।
অর্থাৎ, এক বছরে রিপোর্ট বেড়েছে প্রায় ৭৪ শতাংশ।
এর মধ্যে ২০ হাজার ৫২৪টি সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন বা এসটিআর এবং ৯ হাজার ৬৭৫টি সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড প্রতিবেদন বা এসএআর।
বিএফআইইউর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রক নজরদারি ও কমপ্লায়েন্সের চাপ বৃদ্ধি, লেনদেন পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তির ব্যবহার, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সচেতনতা এবং অনলাইন জুয়া-বেটিং, ক্রিপ্টো, বৈদেশিক মুদ্রা ও ডিজিটাল হুন্ডির মতো নতুন ঝুঁকিও রিপোর্ট বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

এতে বলা হয়েছে, মানবপাচার, স্বর্ণ চোরাচালান, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, মাদক কারবার ও পাচার, প্রতারণা ও অনলাইন জালিয়াতি, এটিএম ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, জালমুদ্রা তৈরি, বিয়ের নামে প্রতারণা এবং অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালনাসহ দেশে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন বিদেশি নাগরিক।
অপরাধে জড়িতদের অনেকে বাংলাদেশে ঢুকেই পাসপোর্ট নষ্ট করে ফেলেন, আবার অনেকে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে পাসপোর্ট ফেলে দেন অথবা পাসপোর্ট হারানোর কথা বলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এরপর জিডির সুবাদে অবৈধভাবে থাকার সুযোগ নেন। গ্রেফতার বা মামলার আসামি হলে বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার সুযোগ নিয়েও অপরাধ কর্ম চালিয়ে যান।
এসব কাজে তাদের সহযোগিতা করছে এ দেশের একশ্রেণির অপরাধী।
বিভিন্ন সময়ে এসব অপরাধে গ্রেফতার ২১ দেশের ৪০৭ নাগরিক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ভারত ও মিয়ানমারের নাগরিকের সংখ্যাই বেশি।
তবে বড় অপরাধে অভিযুক্তদের মধ্যে চীন, নাইজেরিয়া, পেরু ও তানজানিয়ার নাগরিকই বেশি।





