Home RSS national bangla উত্তরাখণ্ড সুড়ঙ্গধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮, আরও ২ জনের সন্ধান চলছে

উত্তরাখণ্ড সুড়ঙ্গধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮, আরও ২ জনের সন্ধান চলছে

3
0

উত্তরাখণ্ডের Pipalkoti টানেল ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারীরা নির্মীয়মাণ টানেলের ভিতরে আটকে থাকা আরও দুই শ্রমিকের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। টানেলের ভিতরে জলস্তর বেশি থাকা এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান এখনও অত্যন্ত কঠিন।

## কী ঘটেছিল

**13 August 2026** সন্ধ্যায় Chamoli জেলায় Birhi নদীর কাছে ভূমিধসের মতো জল ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত THDC (Tehri Hydro Development Corporation)-র নির্মাণাধীন টানেলে ঢুকে পড়লে এই বিপর্যয় ঘটে। সেই সময় টানেলের ভিতরে **22 জন শ্রমিক** ছিলেন। আচমকা এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন কর্মী আটকে পড়েন এবং টানেলের ভিতরে জল ঢুকে যায়।

## উদ্ধার অভিযানের বর্তমান অবস্থা

– **উদ্ধার হওয়া দেহ**: এখনও পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে আটটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
– **এখনও নিখোঁজ**: দুই শ্রমিক এখনও আটকে রয়েছেন এবং তাঁদের নিরাপদে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
– **আবহাওয়ার পরিস্থিতি**: ভারী বৃষ্টি এবং টানেলের ভিতরে বাড়তে থাকা জলস্তর উদ্ধার অভিযানে ক্রমাগত বাধা সৃষ্টি করছে।

## সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা

উদ্ধারকাজে একাধিক সংস্থা যুক্ত রয়েছে:

– National Disaster Response Force (NDRF)
– State Disaster Response Force (SDRF)
– District Disaster Response Force (DDRF)
– Indo-Tibetan Border Police (ITBP)
– নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা HCC এবং THDC-ও টানেলের ভিতরের জল নিয়ন্ত্রণে NTPC-র সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

## কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

– **Vivek Prakash**, Chamoli-র Additional District Magistrate (ADM), বলেন: “আমরা জলস্তর কমাতে সক্ষম হয়েছি। আজ একটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে… আমরা এখনও অন্য দু’জন [ব্যক্তির] সন্ধান করছি… আমাদের দলগুলি শীঘ্রই তাঁদের উদ্ধার করতে পারবে বলে আশা করছে।”
– প্রকৃতির অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “এত বেশি জল ছিল যে আমরা তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম না… জল নিষ্কাশনের জন্য আমরা NTPC এবং THDC থেকে পাম্প নিয়ে এসেছি।”

## সরকারি পদক্ষেপ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

মুখ্যমন্ত্রী **Pushkar Singh Dhami** বলেছেন, এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয় যে যেকোনও মূল্যে শ্রমিকদের নিরাপত্তাকে “সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার” দিতে হবে। ঘটনার কারণ ও দায় নির্ধারণের জন্য তিনি একটি **ম্যাজিস্টেরিয়াল তদন্তের** নির্দেশ দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “Chamoli-তে নির্মীয়মাণ THDC টানেলে জল ও ধ্বংসাবশেষের আকস্মিক স্রোতে 22 জন শ্রমিক আটকে পড়েন… এখনও উদ্ধার না হওয়া তিনজনের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে।”

## উদ্ধারকারীদের সামনে চ্যালেঞ্জ

উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, টানেলের ভিতরে চলতে থাকা **বৃষ্টি**, বেশি **জলস্তর** এবং **কাদামাটি** উদ্ধারকাজকে ধীর ও বিপজ্জনক করে তুলেছে। ঘটনাস্থলে পাম্প নিয়ে যাওয়ায় কিছুটা সহায়তা হয়েছে, তবে দুর্গম ভূখণ্ডের কারণে প্রতিটি পদক্ষেপই জটিল হয়ে উঠছে।

## সময়রেখা

– **13 August 2026-এর সন্ধ্যা**: জল ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত নির্মীয়মাণ টানেলের ভিতরে ঢুকে পড়ে এবং 22 জন শ্রমিক আটকে পড়েন।
– **15 August 2026**: উদ্ধারকারী দল আরও একটি দেহ উদ্ধার করে; মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটে দাঁড়ায়। দুই শ্রমিক এখনও নিখোঁজ।
– মুখ্যমন্ত্রী ম্যাজিস্টেরিয়াল তদন্তের নির্দেশ দেন এবং নিরাপত্তা সংস্কারের ওপর জোর দেন।

## এরপর কী

– একাধিক দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাওয়া।
– বন্যার মতো এই ঘটনা কীভাবে ঘটল এবং এতে কোনও নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি ছিল কি না, তা নিয়ে ম্যাজিস্টেরিয়াল তদন্তের প্রতিবেদন।
– মূল কারণের বিশ্লেষণ—তা ভূতাত্ত্বিক অস্থিতিশীলতা, জল চুঁইয়ে পড়া, নিষ্কাশন ব্যবস্থার ব্যর্থতা অথবা নির্মাণকাজে নজরদারির ঘাটতি যাই হোক না কেন—অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

চূড়ান্ত দুই শ্রমিককে খুঁজে বের করতে উদ্ধারকারী দলগুলি এখন দিনরাত কাজ করছে। অন্যদিকে কর্তৃপক্ষ পূর্ণ জবাবদিহি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছে। এই দুর্ঘটনা প্রাকৃতিক ঝুঁকির মুখে থাকা টানেল নির্মাণকাজে শক্তিশালী নিরাপত্তা প্রোটোকল থাকা কতটা জরুরি, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিল।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.