Home RSS national bangla কর্ণাটকের বিজেপি বিধায়কের মেয়ে মহিলা পুলিশ আধিকারিককে চড় মারায় মামলা দায়ের

কর্ণাটকের বিজেপি বিধায়কের মেয়ে মহিলা পুলিশ আধিকারিককে চড় মারায় মামলা দায়ের

5
0

কর্ণাটকের মহিলা থানার এক মহিলা সাব-ইন্সপেক্টরকে চড় মারার অভিযোগে BJP বিধায়ক বি. সুরেশ গৌড়ার মেয়ে ঐশ্বর্যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনাটি মাণ্ড্য জেলার শ্রীরঙ্গপট্টনা তালুকের আরথি উক্কাদা মন্দিরে ভীমা অমাবস্যা উদ্‌যাপনের সময় ঘটেছে বলে অভিযোগ।

## কী ঘটেছিল

– **তারিখ, স্থান ও উপলক্ষ:** ১২ আগস্ট সন্ধ্যা আনুমানিক রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ভীমা অমাবস্যার উৎসব চলাকালীন মন্দির চত্বরে কথাকাটাকাটির ঘটনাটি ঘটে।
– **জড়িত পক্ষগুলি:** অভিযুক্ত ঐশ্বর্যা দর্শনের জন্য মন্দিরে গিয়েছিলেন। মাণ্ড্য মহিলা থানায় নিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর সবিতা পাটিল ঘটনাস্থলে বিশেষ দায়িত্বে ছিলেন।

## অভিযোগের বিবরণ

কায়থানাহল্লি থানায় দায়ের করা FIR অনুযায়ী:

– পুলিশ আধিকারিককে মৌখিকভাবে গালিগালাজ করা, তাঁকে চড় মারা এবং তাঁর সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঐশ্বর্যার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।
– পুলিশ আধিকারিকের অভিযোগ, তাঁকে গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, অথচ এক সার্কেল ইন্সপেক্টরকে ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ঐশ্বর্যা ফের প্রবেশের অনুমতি চাইলে ওই আধিকারিক তাঁকে মৌখিকভাবে গালিগালাজ করেন বলে তিনি দাবি করেন, যার জেরে বিবাদ escalates করে।

## আইনি অবস্থান

– ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-র একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে জামিন অযোগ্য ধারাও রয়েছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঐশ্বর্যাকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি এবং তাঁকে কোনও আইনি নোটিসও দেওয়া হয়নি।

## বিধায়কের প্রতিক্রিয়া

তুমাকুরু রুরাল-এর বিধায়ক বি. সুরেশ গৌড়া প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন:

– তিনি বলেন, তাঁর মেয়ে মন্দিরে গিয়েছিলেন এবং গর্ভগৃহে প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন। এক সার্কেল ইন্সপেক্টরকে ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তাঁর মেয়েকে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, এরপর সাব-ইন্সপেক্টর তাঁর মেয়েকে মৌখিকভাবে গালিগালাজ করেন।
– তাঁর মেয়ে পুলিশ আধিকারিককে চড় মেরেছেন—এমন কোনও ভিডিও প্রমাণ তিনি দেখেননি বলে স্বীকার করেন। তিনি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, “আমি ক্ষমাপ্রার্থী, এর জন্য আমি দুঃখিত।”

## তাৎপর্য ও জনস্বার্থ

– জনপরিচিত ব্যক্তি বা তাঁদের আত্মীয়স্বজন কথিত অসদাচরণে জড়িয়ে পড়লে তার আইনি পরিণতি কী হতে পারে, এই মামলা সেই বিষয়টি সামনে এনেছে।
– মন্দিরের নিয়মকানুন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগ কীভাবে সামলানো হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
– তদন্তে অগ্রগতি, ভিডিও ফুটেজের মতো কোনও প্রমাণ সামনে আসে কি না এবং জামিন অযোগ্য ধারাগুলির ক্ষেত্রে সরকারি কৌঁসুলিরা কী অবস্থান নেন—তা নিয়ে জনসাধারণের নজর থাকবে।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.