Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ’লীগপন্থী কর্মকর্তারা’

পত্রিকা: ‘প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ’লীগপন্থী কর্মকর্তারা’

5
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়নে লটারি পদ্ধতি অনুসরণের নামে অনিয়ম, গ্রেডিং শিট ম্যানিপুলেশন, পূর্বনির্ধারিত পদায়ন এবং প্রায় ১২০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন হয়েছে।

কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, সততা ও বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) বিবেচনার পরিবর্তে প্রভাব ও পছন্দের ভিত্তিতে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে গুরুত্বপূর্ণ কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে।

ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে আওআমী লীগের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও অর্থায়নের বিনিময়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে পদায়ন চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এসব কিছুর পেছনে পতিত সরকারের আমলের কর্মকর্তারা ভূমিকা পালন করছেন। তারা প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন ও কেপিআই স্থাপনাগুলোকে টার্গেটে পরিণত করছে।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর অত্মীয় ও বুয়েট ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতাকে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ এ পদায়ন করা হয়েছে।

এর অধীনে রয়েছে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্কিং ডিভিশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের জাদুঘর।

এ বিষয়ে নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এসব কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জীবন নাশের কারিগর হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারেন।

নয়াদিগন্ত
বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

টোকিওতে দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) বাস্তবায়ন, অবকাঠামো-জ্বালানি সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরো গভীর ও সুদূরপ্রসারী হওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মধ্য দিয়ে দেশে জাপানি বিনিয়োগপ্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চারদিনের সরকারি সফরে গতকাল সকালে টোকিও পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

তিনি বলেন, কে আসবে, আপা কবে আসবে— ওইটা আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেখার বিষয় না।

আমাদের দায়িত্ব, আইন ও সংবিধান অনুযায়ী যখন যেখানে যা প্রয়োগ করা দরকার, সেটাই আমরা করবো।

সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র ইসলামিক ব্যাংকিংসেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিকের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করবো।

প্রথম আলো

‘হামের টিকা ঠিকমতো কাজে আসছে না’ প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, একটি গবেষণায় দেখা গেছে, হামের টিকা দেওয়ার পরও ২৭ শতাংশ শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা (অ্যান্টিবডি) গড়ে ওঠেনি।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে না ওঠার এমন প্রবণতা ৯ থেকে ১৪ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি।

জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের টিকা ঠিকমতো কাজে আসছে না। টিকা ও টিকাদানব্যবস্থা নিয়ে সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে।

সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা বলছেন, হাম-রুবেলার জাতীয় টিকা ক্যাম্পেইনের পর দেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শরীরে হাম প্রতিরোধ পরিস্থিতি জানতে প্রথমবারের মতো এই গবেষণা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর; রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, ইস্টার্ন মেডিটেরানিয়ান পাবলিক হেলথ নেটওয়ার্ক ও ঢাকা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের ১২ জন গবেষক ও কর্মকর্তা গবেষণাটি করেছেন।

গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছে আইইডিসিআর। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের কাছ থেকে প্রথম আলো গবেষণার সারসংক্ষেপ পেয়েছে।

এ বছর মার্চে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর স্বাস্থ্য বিভাগ ২০শে এপ্রিল দেশজুড়ে হাম-রুবেলার টিকা ক্যাম্পেইন শুরু করে। ছয় মাস বয়স থেকে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশুকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই ক্যাম্পেইন শেষ হয় ২০শে মে।

যুগান্তর

২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৬৬টি খাতে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতা অপব্যবহারের তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

এর ফলে আওয়ামী লীগ আমল ছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের শেষদিন পর্যন্ত এই তদন্ত আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

গঠিত তদন্ত কমিটি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দিলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তদন্তকাজ শেষ করতে পারেনি।

তদন্তে, ৬৬টি খাত নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে কোথাও প্রকল্পের অর্থের ব্যবহার, কোথাও ভ্যাট-কর সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়া, কোথাও নির্মাণ কাজের মান যাচাই না করে বিল পরিশোধ, আবার কোথাও নিয়োগ ও ক্ষমতা অপব্যবহারের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

‘সারের ডিলারে স্বজন তোষণ’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকার কৃষকের দোরগোড়ায় ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দিতে নতুন করে ডিলার নিয়োগ দিলেও প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ছাড়াও বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে।

যুক্ত বা সুবিধাপ্রাপ্ত লোকজন, কৃষি কর্মকর্তাদের স্বজনদের হাতে সারের ডিলারশিপ তুলে দেওয়া হয়েছে।।

অর্থের বিনিময়ে সার ব্যবসার অভিজ্ঞতাহীন ব্যক্তিদেরও ডিলার করার অভিযোগও রয়েছে।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিয়মের মাধ্যমে যারা ডিলারশিপ পেয়েছেন, তাঁরা আর্থিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ভবিষ্যতে সার সরবরাহ-ব্যবস্থায় সংকট তৈরি করতে পারেন।

ভুক্তভোগী কৃষকসহ বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, নীতিমালার তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিলের মাধ্যমেই ডিলারশিপের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তবে কৃষি খাতের কর্তারা বলছেন শতভাগ নীতিমালার আলোকেই ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে।

সমকাল

‘সেন্টমার্টিন: আড়াইশ হোটেল ও রিসোর্ট অগ্নি ছাড়পত্র নেই একটিরও’ সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত শুরু হচ্ছে আগামী রোববার।

পর্যটনের নতুন মৌসুম ঘিরে দ্বীপের ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও পর্যটকের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে উদ্বেগ কাটেনি।

দ্বীপে থাকা আড়াইশর বেশি হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁর একটিরও ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই।

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদনও। অনেক স্থাপনায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, পয়োশোধনাগার ও জরুরি নির্গমনপথের মতো মৌলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুপস্থিত।

বারবার দাবি সামনে এলেও দ্বীপটিতে গড়ে ওঠেনি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন; নেই অগ্নিনির্বাপণের প্রশিক্ষিত কোনো ইউনিট।

গত ১৭ অক্টোবর কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর পর সেন্টমার্টিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

দ্বীপের অধিকাংশ রিসোর্ট কাঠ, বাঁশ ও অন্যান্য দাহ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি। সমুদ্রের প্রবল বাতাসে এসব স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

কালের কণ্ঠ

শীর্ষ কারবারিরা আকাশপথসহ দেশের সীমান্তবর্তী ২৪টি জেলার দেড় শতাধিক পয়েন্ট দিয়ে মাদকপাচার করছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ব্যাপক অভিযান সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না মাদকপাচার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সূত্র বলছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নজরদারির মধ্যেও ইয়াবা, হেরোইন, কুশ—এমনকি কোকেন পাচারের রুট হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে মাদক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টেকনাফ অঞ্চল বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যে আনা হয়েছে।

দেশে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে আইন-শৃৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিয়মিত কঠোর অভিযান চলছে জানিয়ে ডিএনসি সূত্র বলছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) তিন কোটি চার লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৩ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

সেই হিসাবে প্রতিদিন এক লাখ ৬৯ হাজারের বেশি ইয়াবা জব্দ করা হয়, যা গত বছরের তুলনায় প্রতিদিন ৫০ হাজারের বেশি ইয়াবা জব্দ বেড়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানে ২০২৫ সালে চার কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১ পিস (প্রতিদিন প্রায় এক লাখ ১৯ হাজার পিস) ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল দুই কোটি ২৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫১ পিস। এক বছরের ব্যবধানে জব্দের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ।

নিউ এইজ

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Websites still on outdated program amid data breach claims’ অর্থাৎ ‘হ্যাকিংয়ের আশঙ্কার মধ্যেও ওয়েবসাইটগুলো পুরোনো প্রোগ্রামে চলছে’।

খবরে বলা হচ্ছে, গুরুতর নিরাপত্তা সতর্কতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ১০০টিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি ওয়েবসাইট এখনও পুরোনো পিএইচপি সংস্করণ ব্যবহার করছে।

নিউ এইজ সম্প্রতি তিনটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য চুরির ঘটনা শনাক্ত করেছে। পিএইচপি হলো ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও পরিচালনার ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত একটি প্রোগ্রামিং ভাষা।

সম্প্রতি এতে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি ধরা পড়েছে, যা অরক্ষিত ওয়েবসাইটগুলোকে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

সোমবার দুজন হুমকিদাতা ডেসকো এবং পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ থেকে চুরি করা গ্রাহকের তথ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে।

এছাড়া, ২৩ অক্টোবর ‘কিলিন’ র‍্যানসমওয়্যার গোষ্ঠী তাদের ফাঁস করার ওয়েবসাইটে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের নামও অন্তর্ভুক্ত করেছে।

রোববার প্রকাশিত একটি নিরাপত্তা বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ই-গভর্নমেন্ট কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (সার্ট) জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক পূর্ববর্তী সতর্কবার্তাগুলোর কোনো জবাব দেয়নি অথবা দুর্বলতাগুলো নিরসন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘FIVE UNIVERSITIES: Student unions hog headlines for wrong reasons‘ অর্থাৎ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়: ভুল কারণে শিরোনামে ছাত্র সংসদগুলো’।

খবরে বলা হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষার ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হওয়া পাঁচটি বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নেতারা বারবার বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, শিক্ষকদের ভয় দেখানো, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং বিভাজনমূলক উদ্যোগের ঘটনা রয়েছে।

সর্বশেষ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। সেখানে দুর্গাপূজার সময় গবাদি পশু জবাই করে আয়োজিত ‘গরুর মাংসের ভোজ’-কে সমর্থন করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতারা সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মন্দিরের কাছে আগে আয়োজিত একটি ভোজের ঘটনায় হিন্দু শিক্ষার্থীদের আপত্তির প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পশু জবাইয়ের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতেই এই আয়োজনটি করা হয়েছিল।

এসব ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে যে, নির্বাচিত ছাত্রনেতারা ক্যাম্পাসের জরুরি সমস্যাগুলো যেমন আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা এবং একাডেমিক অধিকার সঠিকভাবে মোকাবিলা করছেন কি না।