Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘ভারতের সঙ্গে করা সব চুক্তি পর্যালোচনা করবে সরকার: চিফ হুইপ’

পত্রিকা: ‘ভারতের সঙ্গে করা সব চুক্তি পর্যালোচনা করবে সরকার: চিফ হুইপ’

4
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৯ মিনিট

দুই বিসিএস পরীক্ষার ফলে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও ঢাকার প্রার্থীদের এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে; গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে বলে সরকার দাবি করলেও মাঠ পরিস্থিতি ভিন্ন; আগামী সপ্তাহগুলোতে ১৫ জেলায় ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়তে পারে এবং ভারতের সঙ্গে করা শতাধিক চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার— এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

খবরটিতে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার এবং এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের মূল নীতি হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে যেকোনো অনৈতিক বা অসঙ্গতিপূর্ণ চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে সরকার।

এছাড়া, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণের বিষয়ে ভারতের অবস্থান নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সংবাদ

এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ আমলের ৪১ ও ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও ঢাকা জেলার প্রার্থীরা সর্বাধিক এগিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা এগিয়ে।

উল্টো চিত্র মেয়েদের ক্ষেত্রে। একাডেমিক পরীক্ষায় মেয়েরা ভালো করলেও বিসিএসে ছেলেদের চেয়ে পিছিয়ে।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া বলেছেন, জেলার ক্ষেত্রে ঢাকা ও চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা উন্নত। ময়মনসিংহ ঢাকার কাছে হওয়ায় ওই জেলারও বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ঢাকায় পড়ে। আবার এই তিন জেলায় লোকসংখ্যাও বেশি। যেহেতু জনসংখ্যার অনুপাতে কোটা হয়, সে জন্য এই জেলাগুলো স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে যায়।

বিসিএসগুলোর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেশি এগোচ্ছে। কিন্তু প্রকৌশলে ডিগ্রিপ্রাপ্ত এসব শিক্ষার্থীর প্রকৌশলসংক্রান্ত পদ খুব সীমিত।

তারা প্রকৌশলের চেয়ে প্রশাসন ক্যাডার ও পররাষ্ট্র ক্যাডার বেশি পছন্দ করছেন। এমনকি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরাও কৃষিসংক্রান্ত পেশায় না থেকে অন্য ক্যাডার পছন্দ করছেন। এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

কালের কণ্ঠ

এতে বলা হয়েছে, সরকারের দাবি, গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। যা দিয়ে আগামী কয়েক মাস চাহিদা মেটানো সম্ভব। একই সঙ্গে আমদানির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তারপরও প্রয়োজনের সময়ে সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।

কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। কোথাও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। আবার কোথাও ডিলারের গুদামে সার না থাকার কথা বলা হলেও পরে সেই সার অন্যত্র বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠছে।

এ নিয়ে গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা বিক্ষোভ, মানববন্ধন, উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় ঘেরাও এবং সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করেন।

কয়েকটি এলাকায় পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়েছে, ডিলারের গুদামের দরজা ও বেড়া ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, পুরোনো ডিলারদের একটি অংশ নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নে অসন্তুষ্ট হয়ে সার উত্তোলন ও বিতরণে অসহযোগিতা করেছেন।

আবার মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন অভিযোগে উঠে এসেছে, ডিলারদের একাংশের নিয়ন্ত্রণ, খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি এবং স্থানীয়ভাবে সার আটকে রাখার কারণে কৃষকের কাছে প্রয়োজনের সময় সার পৌঁছাচ্ছে না।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়েছে ডেঙ্গু। প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। প্রতিরোধযোগ্য এই রোগে প্রায় প্রতিদিনই মৃত্যু হচ্ছে।

সরকার বলছে, সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ হবে। তবে অন্তত ১৫ জেলায় সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) চার বছরের তথ্য–উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বলেছে, আগামী সপ্তাহগুলোতে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঝালকাঠি, কক্সবাজার, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, বরিশাল, বরগুনা, বান্দরবান ও পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

এমন অবস্থায় আজ শনিবার থেকে সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নামছে সরকার।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের লোহিত সাগরীয় উপকূলজুড়ে প্রায় পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা।

ইরানপন্থী হুতি বাহিনীর যোদ্ধারা গতকাল শুক্রবার বাব আল-মান্দেব প্রণালির পেরিম দ্বীপ দখল করে। লোহিতসাগরের বন্দরগুলো থেকে সংকীর্ণ এই প্রণালি দিয়েই সৌদি আরবের জ্বালানি রপ্তানি হয়ে থাকে।

হুতিদের এই তৎপরতার মাধ্যমে হরমুজের পর বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথে অস্থিরতা বাড়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার আবার অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

যদিও হুতিদের দাবি, বাব আল-মান্দেব শুধু সৌদি আরব ছাড়া সবার জন্য উন্মুক্ত।

সৌদি আরব ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে একটি জোট তৈরি করে কয়েক বছর ধরে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বাব আল- মান্দেরে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা হলে বৈশ্বিকভাবে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়েও জ্বালানি তেলের পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। এতে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

এরই মধ্যে ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানির বাজার অস্থিতিশীল। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে আরো সুবিধাজনক অবস্থায় যেতে পারে ইরান।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন আমানত ফেরত না পাওয়া, তারল্য সংকট ও দুর্বল আর্থিক ভিত্তির কারণে শরিয়াহভিত্তিক দুর্বল পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল আস্থাহীনতা।

তাই ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে গড়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু থেকেই ছিল উদ্বেগ। কার্যক্রম শুরুর পর আমানত উত্তোলনে বড় চাপ তৈরি হতে পারে— এমন আশঙ্কা ছিল।

তবে কার্যক্রম শুরুর পর দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। আমানত উত্তোলনের চাপ প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। প্রতিদিন যে অর্থের সংস্থান রাখা হচ্ছে, গ্রাহকরা তার অর্ধেকও তুলছেন না। বরং নতুন করে আমানত রাখতে আসছেন অনেকে। এতে স্বস্তি ফিরেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যেও।

ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুনর্গঠিত ব্যাংকের প্রথম পরীক্ষা ছিল আমানতকারীদের আস্থা ফেরানো। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সে পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল মিলছে। এ স্বস্তি ধরে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন মাত্র ৯ কর্মদিবস চলেছে। এ্ট অধিবেশনে উত্থাপিত ছয়টি বিলই পাস হয়েছে। সংসদের কার্যপ্রণালীর বিভিন্ন বিধিতে নোটিশ ও আলোচনা হয়েছে।

আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ অধিবেশনে তিনটি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টির অধিক সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যপ্রণালীর বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যগণ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেছেন।

পাস হওয়া আইনগুলোর মধ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬; জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬; সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬; স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬ এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তদন্ত ক্ষমতা সম্প্রসারণ সংক্রান্ত বিলটি উল্লেখযোগ্য।

যদিও অধিকাংশ বিলেই বিরোধী দলের সদস্যরা বিরোধিতার পাশাপাশি আরো আলোচনার মাধ্যমে পাস করার দাবি করেছিলেন।

সমালোচকরা বলছেন, মাত্র ৯ কার্যদিবসের মধ্যে ছয়টি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করার অর্থ হলো বিলগুলোর খুঁটিনাটি ও ধারাগুলো নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে এবং মূল সংসদে যতটা বিশদ বিতর্ক হওয়া উচিত ছিল, তা হয়ে ওঠেনি। তড়িঘড়ি করে আইন পাসের যে সংস্কৃতি অতীতে ছিল, তা থেকে পুরোপুরি বের হওয়া এখনো সম্ভব হয়নি।

নয়া দিগন্ত

এই খবরে বলা হয়েছে, পরিবহন পুল হিসেবে পরিচিত সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের অধীনে থাকা গাড়ির সংখ্যা বর্তমানে ২ হাজার ৬০টি। এসব গাড়ির বেশিরভাগই ১৫ থেকে ২০ বছর বা তারও বেশি পুরনো।

গাড়িগুলোর বডি ও ইঞ্জিন দুর্বল হয়ে পড়লেও সেগুলো মেরামত করে সচল রাখা হয়েছে। এ কারণে প্রতিবছর কয়েকশত কোটি টাকা সরকারের বাড়তি ব্যয় হচ্ছে।

২০১২-১৩ সালের পর আর কোনো গাড়ি ক্রয় করা হয়নি বলে জানা গেছে অধিদপ্তর সূত্রে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরকারি কাজে মন্ত্রী, পরিবহন পুলের কাছে যে হিসাব রয়েছে তা সরকারের সব গাড়ির মোট হিসাবকে প্রতিনিধিত্ব করে না।

টেবিল অব অরগানাইজেশন অ্যান্ড ইক্যুইপমেন্ট (টিওঅ্যান্ডই) অনুযায়ী প্রত্যেক মন্ত্রণালয় বা অধীনস্থ সংস্থা ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ আয় বা বাজেট বরাদ্দ থেকে গাড়িসহ প্রয়োজনীয় সব ক্রয় করার সুবিধা পায়। ওইসব গাড়ির হিসাব পরিবহন পুলে নেই। এর বাইরে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্প বা এডিপির আওতাধীন ক্রয় করা কয়েকশত গাড়ির হিসাবও পরিবহন পুলে নেই।

দেশ রূপান্তর

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— ‘Waste terror’ traps Dhaka residents; অর্থাৎ ‘ময়লা সন্ত্রাসে’ জিম্মিদশায় ঢাকার বাসিন্দারা।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকার প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় কখনো সাত দিন, কখনো ১০ দিন বা তার চেয়ে বেশি সময় ধরে গৃহস্থালী বর্জ্য নিতে না আসার ঘটনা ঘটছে।

২০২৪ সালের অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের আগে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি সে সময়ের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পট পরিবর্তনের পর ধীরে ধীরে তা চলে গেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের হাতে।

নগরবাসীর অভিযোগ, নতুন নিয়ন্ত্রকরা সিটি করপোরেশনের বেঁধে দেওয়ার মূল্যসীমা মানতে চাইছেন না। যে নেতা যে এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছেন, সেখানে তার ইচ্ছা অনিচ্ছার ওপর নগরবাসীকে নির্ভর করতে হয়। দাবি করা টাকা না দিলেই এভাবে ময়লা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি ফ্ল্যাট থেকে বাসাবাড়ির প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ বাবদ মাসে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা নেওয়া যাবে।

কিন্তু মাঠের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। ফ্ল্যাটপ্রতি ১২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় এবং অভিজাত এলাকায় একেকটি বহুতল বাড়িতে আড়াই থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে।

ছোট দোকান থেকে নেওয়া হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, আর বড় রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে আদায় করা হচ্ছে দুই হাজার টাকারও বেশি।

অনেক ক্ষেত্রে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই ফি।

টাইমস অব বাংলাদেশ

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Rising imports of major crop seeds threaten food security; অর্থাৎ প্রধান ফসলগুলোর বীজের আমদানি বৃদ্ধি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, বেসরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা আমদানিকৃত বীজের ওপর ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। হাইব্রিড ধান, ভুট্টা, পাট ও শাকসবজির মতো প্রধান ফসলের ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ১০০ শতাংশ বীজই আসে এসব কোম্পানি থেকে, যার ফলে বীজের ওপর কৃষকদের নিয়ন্ত্রণ কমে যাচ্ছে।

বীজ আমদানিতে কোনো বিঘ্ন ঘটলে তা কৃষিখাতকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। তারা আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর অত্যধিক নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকটের সাথে এর তুলনা করেছেন।

কৃষকরা তাদের ব্যবহৃত বীজের মাত্র ৩০ শতাংশের মতো সংরক্ষণ করতে পারেন— যার বেশিরভাগই হলো স্থানীয় ও উচ্চফলনশীল জাতের ধান এবং বাড়ির আঙিনায় উৎপাদিত কিছু ফসল।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষকদের কাছে সরবরাহ করা ৩ লাখ ৪৮ হাজার টন বীজের মধ্যে ৫৮ শতাংশই এসেছিল বেসরকারি সরবরাহকারীদের কাছ থেকে।

বাকি বীজ সরবরাহ করেছিল রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান—বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

নিউ এইজ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— Reserves on rise despite fuel, fertiliser shock; অর্থাৎ জ্বালানি ও সারের বাজারে ধাক্কা সত্ত্বেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি।

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে যখন জ্বালানির দাম হু-হু করে বাড়ছিল, তখন মনে হয়েছিল বাংলাদেশ বড় ধাক্কা খাবে।

আমদানিনির্ভর অর্থনীতি, রিজার্ভের সীমিত সুরক্ষা এবং সাম্প্রতিক সময়ে ডলার ঘাটতির ঘটনায় দেশের অর্থনীতির ভেঙে পড়ার আশঙ্কা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট রিজার্ভের হিসাব অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা জুন নাগাদ বেড়ে ৩৭.৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। এরপর থেকে তা ৩৬-৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে ওঠানামা করছে।

টানা তিন বছর ধরে ডলারের ঘাটতি বা সংকটের মধ্য দিয়ে যাওয়া অর্থনীতির জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টি বৈদেশিক খাতে নতুন চমক হিসেবে দেখা দিয়েছে।

রিজার্ভের এই স্বস্তিদায়ক হলেও বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। বাংলাধেমকে যে ধাক্কা সামলাতে হয়েছে, তা মোটেও সামান্য ছিল না।

ব্যালেন্স অব পেমেন্টের তথ্যানুযায়ী, গত অর্থবছরে পেট্রোলিয়াম আমদানি ১০৭ শতাংশ বেড়ে ১০.৬৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে— অর্থাৎ আমদানি দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। একই সময়ে সার আমদানি ৪২ শতাংশ বেড়ে ৩.৭২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

সব মিলিয়ে আগের অর্থবছরের তুলনায় এই দুটি পণ্য আমদানিতে অতিরিক্ত প্রায় ৬.৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে এবং এই ব্যয়ের চাপ এখনো কমেনি।

দ্য ডেইলি স্টার