Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘ভোটের আগে ২০৩ এমপির জন্য বিশেষ বরাদ্দ’

পত্রিকা: ‘ভোটের আগে ২০৩ এমপির জন্য বিশেষ বরাদ্দ’

5
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এতে বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের (এমপি) বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

মন্ত্রীর অভিপ্রায়ে ২০৩টি আসনে এমপিরা তাদের পছন্দের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবেন। বিশেষ এই বরাদ্দের পরিমাণ ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

আগামী বছর ৩০ জুনের মধ্যে বরাদ্দের টাকা খরচ করতে হবে। আর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত।

বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, এমন আসনের ইউনিয়নগুলো এই বিশেষ বরাদ্দ পায়নি।

তবে বিরোধী জোট ছেড়ে যাওয়া খেলাফত মজলিসের এমপির আসনের (সিলেট-৫) ইউনিয়নগুলোর জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বিরোধী দলের এমপিরা বলছেন, ইউপি নির্বাচনের আগে সরকারি দলের এমপিরা যাতে নিজেদের পছন্দের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারেন, সেজন্যই এই বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে নির্বাচন প্রভাবিত হবে।

সমকাল

প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— স্নাতক অন্য বিষয়ে, তবু ইংরেজি গণিত পড়ান ২০ হাজার শিক্ষক।

খবরটিতে বলা হয়েছে, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি পড়ানো ৯ হাজার ৯৮২ শিক্ষকের স্নাতক পর্যায়ে ইংরেজি বিষয় ছিল না। আর গণিত পড়ানো শিক্ষকদের মধ্যে ১০ হাজার ১৬৯ জনের স্নাতকে গণিত নেই।

সব মিলিয়ে ২০ হাজারের বেশি শিক্ষক স্নাতকে অন্য বিষয়ে পড়লেও ক্লাস নিচ্ছেন ইংরেজি ও গণিতে।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ‘বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান- ২০২৫’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শুধু বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা নয়, শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণেও রয়েছে বড় ঘাটতি।

মাধ্যমিক স্তরে কর্মরত শিক্ষকদের প্রায় ৪০ শতাংশের বিএড, এমএড, বিপিএডের মতো পেশাগত প্রশিক্ষণ নেই।

শিক্ষক ও শিক্ষাবিদেরা বলছেন, মাধ্যমিকে শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক; কিন্তু বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সংকটের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে অন্য বিষয়ের শিক্ষকদেরও ইংরেজি ও গণিতের ক্লাস নিতে হচ্ছে।

এতে বিদ্যালয়ে যথাযথভাবে পড়াশোনা হয় না। শিক্ষার্থীদের শিখনঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

ফলে অনেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় পাসের প্রস্তুতি নিতে বিদ্যালয়ের বাইরেও অর্থ খরচ করে কোচিং ও প্রাইভেট পড়তে হচ্ছে।

প্রথম আলো

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Labour unrest puts garment industry on alert; শ্রমিকদের বিক্ষোভে সতর্ক অবস্থায় পোশাক শিল্প।

এই খবরে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি ও ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে সম্প্রতি ঢাকা ও ঢাকার বাইরের শিল্পাঞ্চলগুলোতে উচ্চ মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, যা রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

শ্রমিক অধিকারকর্মীরা বলেছেন, একটি ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন এই অসন্তোষ দূর করতে সহায়ক হতে পারে।

অন্যদিকে, কারখানার মালিকরা অভিযোগ করেছেন, সরকার ও মালিকপক্ষ বোর্ড গঠনে সম্মত হওয়া সত্ত্বেও স্বার্থান্বেষী মহল পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে শ্রমিকদের উসকানি দিচ্ছে।

তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা ত্রিশ হাজার টাকা ন্যূনতম মাসিক মজুরি, বর্ধিত ভাতা ও বকেয়া পরিশোধের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার টানা চতুর্থ দিনের মতো রাজধানীর উত্তরায় সড়ক অবরোধ করেন। গাজীপুরসহ অন্যান্য শিল্পাঞ্চলেও বিক্ষোভ হয়েছে।

এর মধ্যে উত্তরায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধকারী শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান অস্থিরতা পোশাক খাতকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কারখানার মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

নিউ এইজ

এই খবরে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরে বিএনপির সপ্তম কাউন্সিল নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। দলটি এখন কাউন্সিল নয়, আপাতত স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত।

সম্প্রতি দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক বৈঠক হলেও কাউন্সিল নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহাসচিব থাকাকালে একাধিকার বিএনপির কাউন্সিলের কথা বললেও এখন কেউ কাউন্সিলের কথা বলছেন না।

বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দলীয় কাউন্সিল না হলেও নেতৃত্বের সংকট রাখতে চায় না নীতিনির্ধারণী ফোরাম। এজন্য অভ্যন্তরীণভাবে শূন্য পদ পূরণে একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে। গত অগাস্ট থেকেই এ প্রক্রিয়া চলছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘সপ্তম কাউন্সিলের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

দেশ রূপান্তর

খবরটিতে বলা হয়েছে, ট্রেনের সাধারণ যাত্রীদের জন্য অনলাইনে টিকিট ছাড়ার কয়েক দিন আগেই অ্যাডমিন ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করে টিকিট ব্লক করার সুযোগ রয়েছে। চাইলেই এই সুযোগ নিতে পারেন ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান ‘সহজ’-এর প্রতিনিধি ও রেলওয়ের বুকিং সহকারীরা।

এভাবে টিকিট ব্লক করার বিষয়টি ধরা পড়েছে রেলওয়ের ই-টিকিটিং ব্যবস্থা নিয়ে করা আইটি অডিটে (নিরীক্ষা)। অডিটে ‘সহজ’ কর্মীদের পরিচালনায় প্রায় ১৬৯টি অ্যাডমিন অ্যাকাউন্টের তথ্য রয়েছে।

অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে সহজের প্রতিনিধি ও বুকিং সহকারীদের যোগসাজশে টিকিট কালোবাজারির সুযোগ রয়েছে।

২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিআরআইটিএস-এর কার্যক্রম নিয়ে করা এই অডিটে আরও অনিয়ম ধরা পড়েছে।

আজকের পত্রিকা

এতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ প্রটোকলের পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশটিতে অবস্থানকালে তার এ নিরাপত্তা ও প্রটোকল বহাল থাকবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তার জন্য এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন ওয়াশিংটন ডিসিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা।

গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তা করে একদল ব্যক্তি।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিউইয়র্ক এবং ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মানবজমিন

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান সংবাদ— Triumph of early rice varieties in the north; অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদী ধানের জাত চাষে উত্তরাঞ্চলে সাফল্য।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদী ধানের জাত চাষ করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন এসেছে।

এই ধরনের ধানের জাত চাষের ফলে কৃষকরা এখন প্রতি বছর বাড়তি একটি ফসল ফলাতে পারছেন, যা একসময় খাদ্য সংকটের ঝুঁকিতে থাকা এই অঞ্চলে উৎপাদন ও আয়— উভয়ই বৃদ্ধি করেছে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কৃষিবিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত এই ধানের জাতগুলো সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত স্থায়ী মৌসুমী খাদ্য সংকট দূর করতে সহায়তা করেছে।

দীর্ঘকাল ধরে এই সমস্যা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে রংপুর বিভাগকে জর্জরিত করে রেখেছিল।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, প্রচলিত জাতের ধান পাকতে ১৩৬ থেকে ১৫৫ দিন সময় লাগে। এতে হেক্টরপ্রতি ৪.৪ থেকে ৫.৫ টন ফলন পাওয়া যায়, যেখানে স্বল্পমেয়াদী জাতগুলো থেকে হেক্টরপ্রতি ৫.৫ থেকে ৬.৬ টন ফলন পাওয়া সম্ভব।

তারা আরও জানান, মঙ্গা দূর করার লক্ষ্যে সরকার ২০০৫ সালে মাঠপর্যায়ে স্বল্পমেয়াদী আমন ধানের পরীক্ষামূলক চাষাবাদ শুরু করে। ধীরে ধীরে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য এলাকায় এই জাতের ধানের চাষাবাদ ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত আমন মৌসুমে কৃষকরা সারাদেশে রেকর্ড ১ কোটি ৭৩ লাখ টন ধান উৎপাদন করেছেন; উচ্চফলনশীল ও সংকর জাতের ধানের চাষাবাদ সম্প্রসারণের ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত ও সরবরাহ-শৃঙ্খলে বিঘ্নের কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংকট তীব্র হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৬ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে ভুগছে।

জাতিসংঘের তথ্য বলছে, ৬৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষ নিয়মিত পর্যাপ্ত খাবার পায় না। চরম তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি প্রায় শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ পয়েন্ট কমছে।

খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি ও সারের বাজারে অস্থিরতা এবং যুদ্ধের প্রভাবে বিশেষ করে নিম্ন আয় ও ঋণগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে।

কালের কণ্ঠ

খবরটিতে বলা হয়েছে, ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অগ্রগতির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ১২২টি দেশের মধ্যে ১৯ দশমিক ২ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম। যা ‘মাঝারি’ ক্ষুধা পরিস্থিতির শ্রেণিতে পড়ে।

২০১৮ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২০; অর্থাৎ ওই সময়ের তুলনায় স্কোরের উন্নতি হয়েছে মাত্র ৪ শতাংশের মতো। অথচ ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে উন্নতি হয়েছিল ৪২ শতাংশের বেশি।

১৫ই অক্টোবর প্রকাশিত এই সূচকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পুষ্টি পরিস্থিতির দুটি বিপরীত চিত্র ওঠে এসেছে।

একদিকে, শিশুর খর্বকায়ত্ব ও জনসংখ্যার অপুষ্টির হার কমেছে; অন্যদিকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের তীব্র অপুষ্টির হার বেড়ে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০০০ সালের পর এ সূচকে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ হার।

নয়া দিগন্ত

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— Bangladesh seeks $4.5b IMF loan in 6 instalments through 2029; অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ছয় কিস্তিতে আইএমএফ থেকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ।

খবরটিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।

এই ঋণ চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন কিস্তিতে পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে চলতি বছরের শেষ নাগাদ একটি চুক্তি হতে পারে।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে ঋণের বিষয়ে সংস্থাটির সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল, সেই দলেরই একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, চলতি মাসের শেষের দিকে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসবে। তখন আলোচনার মাধ্যমে ঋণের পরিমাণ ও শর্ত চূড়ান্ত করা হবে।

প্রতিনিধি দলটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে তাদের ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ হয়েছে।