Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার’

পত্রিকা: ‘শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার’

4
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার শিগগিরই খুলছে না। কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলা বস্তির বাসিন্দাদের জন্য সমন্বিত আবাসন প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, ফুটবল বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন খবর রয়েছে ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলোতে।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবার চালু করতে চলমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের সময় এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। দ্রুত সংশোধন করা না হলে নতুন করে সমঝোতা স্মারক সই করতে হবে, যা সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

অবশ্য দুই দেশই মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী করতে একমত হয়েছে। এতে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে।

তবে এসব প্রক্রিয়া শেষ করে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে সময় লাগবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত রোববার মালয়েশিয়া সফরে যান। পরদিন সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে ওয়ার্কিং গ্রুপ (জেডব্লিউজি) গঠনের কথা বলা হয়।

ওয়ার্কিং গ্রুপ বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) পর্যালোচনা করবে এবং বর্তমান বাস্তবতা ও দুই দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সমঝোতা স্মারকের ভিত্তি তৈরি করবে।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্পের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে নেই।

তবে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে ইস্যুটি আলোচনায় আসতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, কৌশলগত কারণে চীনের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন চাইছে না ভারত। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় তিস্তা প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই বাংলাদেশ এও বলে রেখেছে যে, তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে করবে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে শেষ পর্যন্ত কী আলোচনা হয়, তা দেখার অপেক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাই।

ভারতের পাশাপাশি কূটনৈতিক মহল এবং বাংলাদেশের সচেতন জনগোষ্ঠীর মধ্যেও এ নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বলা হচ্ছে-সবার নজর এখন তিস্তায়।

যুগান্তর

‘কারখানা তৈরি, গ্যাস নেই, ঋণের সুদ ঠিকই দিতে হয়’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, দুটি কারখানা পাশাপাশি। একটি কাচ তৈরির, আরেকটি রডের। দুই কারখানায় বিনিয়োগ প্রায় ৭ হাজার ৩২০ কোটি টাকা। প্রায় পুরোটাই দেশি-বিদেশি ঋণ। বছরে সুদ দিতে হয় প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা; কিন্তু গ্যাস-সংযোগ না পেয়ে কারখানা দুটি চালু করা যাচ্ছে না।

কারখানা দুটি মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই)। করা হয়েছে কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চলে। কাচ তৈরির কারখানাটি নির্মাণ শেষ হয়েছে প্রায় আড়াই বছর আগে। আর রডের কারখানাটির কাজ শেষ হয়েছে দেড় বছর আগে।

এমজিআই যখন বিনিয়োগ করে, তখন তারা গ্যাস-সংযোগের আশ্বাস পেয়েছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নিজেরাই ৫৫০ কোটি টাকা খরচ করে গ্যাসলাইন ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করেছে; কিন্তু গ্যাস-সংযোগ পাওয়া যায়নি।

দুই কারখানার ঋণের বিপরীতে মাসে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা সুদ দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে এমজিআইয়ের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই বিনিয়োগ বিদেশি ঋণে হয়েছে। বিদেশি ঋণে তো আর রিশিডিউল (পুনঃ তফসিল) করা যায় না। সুদও মাফ পাওয়া যায় না। গ্যাস না পেলে কারখানা দুটি চালু করা যাবে না।’

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর দরিদ্র শ্রমজীবীদের তিন বড় আবাসস্থল কড়াইল , ভাষানটেক ও সাততলা বস্তির বাসিন্দাদের জন্য সমন্বিত পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হতে পারে কয়েক হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পটিকে সার্বিকভাবে স্বাগত জানালেও বর্তমান বাসিন্দাদের প্রকল্পকালীন সাময়িক আবাসনের ব্যবস্থা এবং পরে প্রকৃত বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট পাওয়া নিশ্চিত করতে সতর্ক করে দিয়েছেন নগর বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসি সূত্র বলছে, উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির জন্য ৯ জুন চারটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়েছে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসানকে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলা বস্তিকে নিয়ে একটি সমন্বিত আবাসনের মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে। তবে প্রকল্পের নকশা, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নকাঠামো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

আজকের পত্রিকা

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম, ‘Debt servicing burden to nearly double in 4yrs’ অর্থাৎ ‘৪ বছরে ঋণ পরিশোধের বোঝা প্রায় দ্বিগুণ হবে’।

খবরে বলা হচ্ছে, ক্রমবর্ধমান সুদ পরিশোধ, স্বল্প মেয়াদী ঋণ এবং বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের চাপ সরকারি অর্থায়নের ওপর পড়তে শুরু করেছে।

এর ফলে সরকারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের বোঝা ২০২৫ অর্থবছরের ৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০২৯ অর্থবছরে প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, কার্যকর ব্যবস্থাপনা ছাড়া এই ক্রমবর্ধমান বোঝা আর্থিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল এবং তারল্য সংকট তীব্র করতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অর্থ বিভাগের ২০২৭-২৯ অর্থবছরের মধ্যমেয়াদী সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি অনুসারে, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ব্যয়ের মধ্যে ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার মূলধন পরিশোধ করতে হবে।

এ সময় সুদ পরিশোধের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Dengue spreads beyond Dhaka to rural areas’ অর্থাৎ ‘ঢাকার বাইরে গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু’।

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি হিসাবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর প্রায় ৮০ শতাংশই ঢাকা শহরের বাইরের। এর মাধ্যমে মশাবাহিত এইে রোগের বিস্তারে একটি নতুন প্রবণতা ফুটে উঠেছে। কিছুদিন আগেও এটি শহুরে রোগ হিসেবে পরিচিত ছিল।

রোগটির বিস্তারের এই পরিবর্তনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উদ্বিগ্ন। তারা আশঙ্কা করছেন, রোগটি গ্রামীণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। ওই বছর ডেঙ্গুতে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত , চলতি বছর সারাদেশে ৫ হাজার ১৬০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ হাজার ৩০ জন—অর্থাৎ প্রায় ৭৮ শতাংশই ঢাকার বাইরের। রাজধানীতে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩০ জনের।

নিউ এইজ

খবরে বলা হচ্ছে, বিশ্বের সব দেশেই সরকারের আয়-ব্যয়ের সামগ্রিক হিসাব পরিচালিত হয় একটি একক ট্রেজারি অ্যাকাউন্টের (টিএসএ) মাধ্যমে। বাংলাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সরকারের বিভিন্ন হিসাবকে এখনো একক কাঠামোর অধীনে আনা সম্ভব হয়নি।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, টিএসএ কাঠামোর বাইরে এখনো সরকারের প্রায় ১৯ হাজার হিসাব রয়ে গেছে।

প্রত্যক্ষ নজরদারির বাইরে থাকার কারণে এসব হিসাবের মাধ্যমে লেনদেনের স্বচ্ছতা ও অর্থ অপচয়ের বিষয়টি তদারক করা সম্ভব হয়ে উঠছে না।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত কেন্দ্রীয় ‘ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্ট (টিএসএ)’ ব্যবস্থাটি প্রযুক্তিগতভাবে বেশ উন্নত। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং পেনশন এখন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) প্রযুক্তির মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আদায় বেড়েছে প্রায় ৩২ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা।

কিন্তু সংশোধিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে ১১ মাসে আদায় করা রাজস্বের প্রায় ৪০ শতাংশ আদায় করতে হবে শেষ মাসে, যা হবে আগের বছরের একই সময়ের আদায়ের চেয়ে ২৪১ শতাংশ বেশি।

১১ মাসের মতো শেষ মাসে ১০ শতাংশ রাজস্ব আদায় এনবিআর বৃৃদ্ধি করতে পারলে মোট আদায় হতে পারে ৪ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার মতো। এতে চলতি অর্থবছরের রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়াবে ১ লাখ কোটি টাকা।

এনবিআর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। আর এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে নতুন বছরে এনবিআরকে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে সাড়ে ৪৮ শতাংশ যা কার্যত কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

নয়াদিগন্ত

‘ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে দেশ’ কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ঘুষ, দুর্নীতি ও কর ফাঁকি ঠেকাতে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে আনা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

‘বাংলা কিউআর’ নামের এ উদ্যোগ পুরোপুরি চালু হলে একজন গ্রাহক নগদ টাকা ছাড়াই সব ধরনের লেনদেন করতে পারবে। এ জন্য দেশের সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে চলতি জুন মাসের মধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখনো ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে প্রচারের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। এর ব্যাপক প্রচার করা গেলে মানুষ এতে উদ্বুদ্ধ হবে এবং উদ্যোগটিও সফল হবে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অর্ধেক শেয়ার রয়েছে এ কোম্পানিতে।

তিনি গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির (জিটিসিএল) বোর্ডেও আছেন। তিনি এ কোম্পানির পরিচালক।

তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে মোট ৩৭টি কোম্পানি রয়েছে; ৩৭টি বোর্ডে ৩০৬ জন বোর্ড সদস্য রয়েছেন। এসব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরিচালকের ১৬৭টি পদেই আমলারা রয়েছেন।

একই ব্যক্তি একাধিক বোর্ডেরও সদস্য। কোনো বোর্ডে বর্তমান আমলাদের পাশাপাশি প্রভাবশালী সাবেক আমলারাও জায়গা পেয়েছেন।

একই আমলা একাধিক বোর্ডে যেমন রয়েছেন, আবার কানিজ মওলার মতো আমলা অন্য মন্ত্রণালয় থেকে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কোম্পানির বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরিচালক হয়েছেন।

দেশ রূপান্তর

‘স্বরূপে ফিরলেন রোনালদো’ মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরটিতে বলা হচ্ছে, পূর্ণতা পেলো বিশ্বকাপ! স্বরূপে ফিরলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। গোল করলেন, ইতিহাস গড়লেন! গতকাল উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে হারায় পর্তুগাল।

হিউস্টন স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে জোড়া গোল করেন রোনালদো। ঘষামাজা করেন রেকর্ড বুক। ‘কে’ গ্রুপে এটি পর্তুগালের প্রথম জয়। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে অনেকটাই স্বস্তি ফিরলো পর্তুগিজ শিবিরে। আগের ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল তারা।

মেসি, এমবাপ্পে, হালান্দ, কেইন, ভিনিসিউসরা আছেন সুপার ফর্মে। রোনালদো কেমন করেন অপেক্ষায় ছিল ফুটবল বিশ্ব। প্রথম ম্যাচে ঝলক দেখাতে পারেননি রোনালদো।

গতকাল ভক্ত-সমর্থকদের আনন্দে মাতান রোনালদো। নিজের মাথার ওপর থেকেও সরালেন বিশাল চাপ। ম্যাচের শুরুতেই সুযোগ আসে রোনালদোর সামনে।

চতুর্থ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে ক্রস করেন নুনো মেন্ডেস। কিন্তু ছোট বক্সে বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন রোনালদো। দুই মিনিট পরই ডেডলক ভাঙেন সিআরসেভেন। জোয়াও ক্যানসালোর দারুণ পাসে ট্যাব করে জালে জড়ান বল।

মানবজমিন