Source : BBC NEWS

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট
খবরে বলা হয়েছে, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ২০১৫ সালে গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
মামলায় বর্তমানে যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের বাইরে আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আসামির তালিকা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আরও কয়েকজনের নাম আসতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে চাইছে না তদন্ত সংস্থা।
মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক র্যাব কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।
তবে তদন্তকারীরা বলছেন, সালাহউদ্দিন আহমদ টিএফআই (টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন) সেলে অবস্থান করার সময় সেলের নিরাপত্তারক্ষী সেখানে থাকা অন্য ভুক্তভোগীদের জানিয়েছিলেন, ‘তোমাদের দলের একজন হাই-প্রোফাইল নেতাকেও এখানে আনা হয়েছে।’
ওই সময় টিএফআই সেলে আটক থাকা ভুক্তভোগীদের বক্তব্য এবং গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দেয়া কয়েকজন সাক্ষীর জবানবন্দি থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি তদন্ত সংস্থার।


যুগান্তর পত্রিকার খবর – কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ছয় লাখ মানুষ। খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বিশ্বব্যাংকের নতুন রিপোর্টের বরাত দিয়ে এ খবরে বলা হয়েছে, একই সঙ্গে প্রায় ১২ লাখ মানুষের দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ নষ্ট হতে পারে।
জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে শিল্প উৎপাদন, কৃষি, স্বাস্থ্য খাত, মূল্যস্ফীতি এবং মানুষের আয়-রোজগারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সংকট দীর্ঘ হলে অর্থনীতিতে এর চাপ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এসব ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সীমিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রকৃত মজুরি কমে যাওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দারিদ্র্য কমানোর গতি কমে যায়।
২০২৫ সালেই দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ১৪ লাখ বেড়েছে। চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ না হলে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারতেন।
কিন্তু যুদ্ধের প্রভাবে এ সংখ্যা কমে প্রায় ৫ লাখে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ যুদ্ধের কারণে আরও প্রায় ১২ লাখ মানুষের দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ নষ্ট হতে পারে। শুধু তাই নয়, এ বছর ছয় লাখ মানুষের কাজ হারানোর শঙ্কা রয়েছে।

কালের কণ্ঠের শিরোনাম – হদিস নেই আড়াই শ ব্যক্তির। খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলের বিভিন্ন সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেওয়ার পর আর হদিস নেই – এমন আড়াই শ অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এসব অভিযোগের মধ্যে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের গুমের ঘটনাও রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় জানিয়েছে, আড়াই শ অভিযোগ তদন্তের জন্য গুম বিশেষজ্ঞ পাঁচজন তদন্তকারী কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্তদল গঠন করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম নিজে এই তদন্তদলের তত্ত্বাবধান করছেন।
আগামী মাসের (সেপ্টেম্বর) মধ্যে তদন্ত শেষ করে ট্রাইব্যুনালে ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ দাখিলের চেষ্টায় আছে প্রসিকিউশন।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলা বিচারাধীন।
আড়াই শ গুম গুম অভিযোগের (মিস কেস বা বিবিধ মামলা) মামলাটি নিয়ে তদন্ত পর্যায়ে আছে ১১টি মামলা। অচিরেই এসব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়।

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Manpower export: Skills gap costs Bangladesh billions অর্থ্যাৎ জনশক্তি রপ্তানি: দক্ষতার ঘাটতিতে বাংলাদেশের ক্ষতি হচ্ছে বিলিয়ন ডলার।
প্রায় দুই দশক ধরে সৌদি আরবে কাজ করছেন হুমায়ুন। মাসে আয় করেন প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।
তার মতে, বিদেশ যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেলে আয় আরও বেশি হতে পারত। তার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির বড় একটি সমস্যার চিত্র তুলে ধরে।
বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কর্মী বিদেশে গেলেও বেশিরভাগই কম বেতনের কাজে যুক্ত হচ্ছেন। অথচ বিশ্বজুড়ে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষ কর্মী ও পেশাজীবী পাঠাতে পারলে একই সংখ্যক অভিবাসী কর্মী থেকে বাংলাদেশ আরও বেশি আয় করতে পারত।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছিল। পরের বছর তা ৩০ বিলিয়ন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
তবে কর্মীপ্রতি রেমিট্যান্স আয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে। প্রায় ৮০ লাখ প্রবাসী কর্মী নিয়ে গড়ে একজন কর্মীর মাধ্যমে বছরে ৪ হাজার ৫০০ ডলারের কম আসে।
ভারতে এই পরিমাণ ৭ হাজার ৮০০ ডলারের বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষতা উন্নয়ন ও উচ্চ বেতনের বাজারে কর্মী পাঠানোই এই ব্যবধান কমানোর প্রধান পথ।

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যা মামলায় পুলিশের তদন্ত নিয়ে ১৯টি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতি।
মামলার অন্যতম আসামি সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল হেফাজতে নিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা রেখে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় মহানগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড়সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারে গতকাল দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি।
লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ বলেন, ‘শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের সবাইকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা প্রমাণ করে রংপুরসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা নাজুক।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Spate of crime hits 4 districts অর্থাৎ চার জেলায় অপরাধের ঘটনায় চারজন নিহত।
গাজীপুর, হবিগঞ্জ, রংপুর ও জামালপুরে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল দুপুর পর্যন্ত পৃথক ঘটনায় চারটি হত্যাকাণ্ড ও চারটি মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছে পুলিশ।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ৭০ বছর বয়সী কলা ব্যবসায়ী মজিদ মোরলকে কুপিয়ে হত্যা করেন তাঁর জামাতা মোজাম্মেল হোসেন (৩৫)।
শুক্রবার বিকেলে জামালপুর এলাকায় হামলার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে মজিদকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে মোজাম্মেল পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
অন্যদিকে, কাপাসিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের হাতে নিহত হয়েছেন ২৫ বছর বয়সী নিলয় সরকার।
গতকাল সকালে পবুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় রাসেল ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিলয়কে হামলা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেন্দ্রীয় নির্দেশনা আসার আগেই বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা মাঠে নেমে পড়েছেন।
দলীয় ও মাঠপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় সব জায়গায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একাধিক নেতা প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকায় জনসংযোগও শুরু করেছেন। কোনো কোনো ইউনিয়নে তিন–চারজন পর্যন্ত বিএনপি নেতা প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে দল-সমর্থিত একক প্রার্থী ঠিক করা এবং অন্যদের তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করাই বিএনপির সামনে বড় সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
বিএনপির নেতারা বলছেন, কেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত প্রার্থী বাছাই বা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা তাঁরা পাননি।
সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের মতো করেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনকে সমর্থন দেওয়ার সাংগঠনিক প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি।
এদিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বছরের শেষ দিকে ইউপি নির্বাচন শুরু করতে চায়। এ জন্য আগামী সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকেও চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Nepal death toll nears 700 অর্থাৎ নেপালে মৃত্যুর সংখ্যা ৭০০ ছুঁইছুঁই, নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার।
খবরে বলা হয়েছে, নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ গ্লেশিয়ার ধসের পর সৃষ্ট পানির ঢল ও ধ্বংসাবশেষে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৭০০ ছুঁয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার মানুষ।
বুধবারের এই দুর্যোগে নেপালের বিভিন্ন গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে গেছে। উদ্ধারকারীরা ঘন কাদার মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছেন।
নেপালের দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে শত শত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিক, বিদেশি পর্যটক ও কৈলাস পর্বতে যাওয়া তীর্থযাত্রী রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, গ্লেশিয়ার ধসের কারণে এই বিপর্যয় ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে হিমবাহ গলতে থাকায় এ ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

খবরে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে ভোলার গ্যাস দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহের জন্য একটি পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল ভোলা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা পর্যন্ত প্রায় ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন নির্মাণের।
সে সময় প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছিল মাত্র ৬০০ কোটি টাকা। ২৪ ইঞ্চি ব্যাসের এই পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হতো, যা একটি এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ সক্ষমতার কাছাকাছি।
তবে অর্থনৈতিক ঝুঁকি, সিদ্ধান্তহীনতা এবং তৎকালীন সরকারের নীতিগত নানা কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়নি।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই সময় পাইপলাইনটি নির্মাণ করা হলে দেশের গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হতো। একই সঙ্গে ভোলায় নতুন গ্যাস অনুসন্ধানেও আরও গুরুত্ব দেওয়া হতো।
এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। যে প্রকল্পটি একসময় ৬০০ কোটি টাকায় করা সম্ভব ছিল, বর্তমানে সেটি বাস্তবায়নে অন্তত সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

খবরে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে মিয়ানমার ও ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধে জয় পায় বাংলাদেশ। এতে বঙ্গোপসাগরের বিশাল এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন সাগরকে দেশের সম্ভাবনাময় জ্বালানি উৎস হিসেবে দেখা হয়েছিল।
কিন্তু ১২ বছর পরও সমুদ্র থেকে উল্লেখযোগ্য তেল বা গ্যাসের সন্ধান মেলেনি। একাধিকবার অনুসন্ধান ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস বা তেল উত্তোলন শুরু হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূতাত্ত্বিক তথ্যের ঘাটতি, নীতির পরিবর্তন, প্রশাসনিক জটিলতা ও গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধানের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এর অন্যতম কারণ। একই সময়ে স্থানীয় গ্যাসের বদলে আমদানিনির্ভরতা বেড়েছে।
তবে সমুদ্রসীমা অর্জন মানেই সেখানে তেল-গ্যাসের মজুদ নিশ্চিত নয়। সম্ভাবনা যাচাই করতে প্রয়োজন নিয়মিত ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান।

আজকের পত্রিকার শীর্ষ খবর – বিকল্প কাজ খুঁজছে কোম্পানি। খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বিআরটি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে গঠিত সরকারি কোম্পানি ডিবিআরটি তাই বিকল্প কাজ খুঁজছে। ঢাকার বাস পরিবহনকে সমন্বিত করতে প্রস্তাবিত বাসনেট প্রকল্পের দায়িত্ব নিতে তারা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে।
২০১২ সালে চার বছরে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে বিআরটি প্রকল্প শুরু হয়েছিল। কিন্তু বারবার সময় বাড়ানোর পরও এক যুগে কাজ শেষ হয়নি। ২ হাজার ৪০ কোটি টাকা থেকে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। কাজ বন্ধ হওয়ার আগে খরচ হয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।
প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা চার ধরনের মত দিয়েছেন। বিআরটি চালু করা, সাধারণ সড়কে ফিরিয়ে দেওয়া বা টোল সড়ক করাসহ এসব প্রস্তাব নিয়ে সড়ক পরিবহন বিভাগ একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে।
প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের পর বিআরটি চালু হবে, বাতিল হবে, নাকি অন্যভাবে ব্যবহার করা হবে—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




