Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, সীমান্ত জেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের একের পর এক পুশইন চেষ্টায় সীমান্ত এলাকায় এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে।

স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি বিএসএফের এই তৎপরতা রুখে দিচ্ছে। বিএসএফের পুশইন চেষ্টার কারণে সীমান্তে টহল জোরদার করেছে বিজিবি। একইসঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, দেশের ২৬ জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পুশইনের চেষ্টা হতে পারে- এমন আশঙ্কা থেকে যশোর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, ফেনী, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, কুমিল্লা, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও শেরপুর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এসব জেলার সীমান্তে সাধারণ মানুষও সতর্ক পাহারায় রয়েছেন। কোনো কোনো এলাকার বাসিন্দারা রাত জেগে পাহারাও দিচ্ছেন। সীমান্তে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গতকাল থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনের সম্মেলন।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন প্রচেষ্টার কারণে গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নো-ম্যানস-ল্যান্ডে অপেক্ষারত মানুষের দৃশ্য আসন্ন মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরেছে।

প্রায় ৭০ ঘণ্টা ধরে কোনো খাবার ও আশ্রয় ছাড়াই পঞ্চগড়ের কাছে শুন্যরেখায় রেখে দেওয়ার পর সোমবার ভোরে ১০ জনকে ফেরত নিয়ে গেছে বিএসএফ।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ-বিজিবি অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকিয়ে দেওয়ায় শুক্রবার সকাল থেকে তীব্র গরম, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে সীমান্তের ফসলি জমিতে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় এসব পরিবার।

বিজিবি-৫৬ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আলোচনার পর সোমবার ভোর আড়াইটার দিকে বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়।’

নিউ এইজ

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বড় ধরনের প্রতিরোধের মুখে পড়েছিল পুলিশবাহিনী। জনরোষ ও হামলার শিকার হয়ে এ বাহিনীর শীর্ষ কর্তাসহ অনেকেই তখন আত্মগোপনে চলে যান।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেতৃত্বে পরিবর্তন এনে ঢেলে সাজানো হয় পুলিশবাহিনীকে। চলতি বছর বিএনপি সরকার গঠন করার পর পুলিশের নেতৃত্বে আরেক দফা পরিবর্তন আসে। দ্বিতীয় দফায় পুলিশকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তবে এসব উদ্যোগের পরও পুলিশের মনোবল এখনো পুরোপুরি চাঙা হয়নি। আলোচনা আছে, ৫ই আগস্টের ট্রমা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি পুলিশ।

সরকারের অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও ফেরেনি পূর্ণ মনোবলও। একসময় পুলিশকে দেখলে অপরাধীরা দৌড়ে পালাত। অথচ এখন সেই পুলিশই বিভিন্ন জায়গায় হামলার শিকার হচ্ছে।

যানবাহনের চালকরা একসময় ট্রাফিক পুলিশ দেখলেই সমীহ করতে বাধ্য হলেও এখন একধরনের ‘ড্যামকেয়ার’ ভাব তাদের। দু-একটি ঘটনায় উলটো ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা; এমনকি কোথাও কোথাও তাদের গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনাও আছে।

যুগান্তর

‘ব্যবসায় মন্দা, কর্মসংস্থান কম, চোখ বাজেটে’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই দেশের অধিকাংশ শিল্পকারখানা ভুগছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে দেশে রাজনৈতিক আন্দোলন ও রূপান্তর ঘটে।

গত ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীলতা এসেছে। কিন্তু এরপরই শুরু হয় ইরান যুদ্ধ। বেড়ে যায় জ্বালানির দাম। অন্যদিকে দেশ দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে রয়েছে।

সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় পণ্যের চাহিদা কমতির দিকে। সব মিলিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব। নতুন বিনিয়োগ কম। চলছে ব্যয় সাশ্রয় ও কর্মী ছাঁটাই। নতুন নিয়োগের সংখ্যা প্রত্যাশা অনুযায়ী নয়।

এমন প্রেক্ষাপটে ১১ই জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণা করবেন। এটিই নতুন সরকারের প্রথম বাজেট হতে যাচ্ছে।

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে ব্যবসায় গতি ফেরানো, বিনিয়োগ চাঙা করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোই এখন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে নজর থাকবে সবার।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, নতুন বাজেট প্রায় চূড়ান্ত। বিএনপি জোট সরকার বিশাল বাজেট করছে, যেখানে রাজস্ব আয়েরও বিরাট লক্ষ্যমাত্রা।

তা অর্জনে এবার ভ্যাট খাতে বড় ধরনের সাহসী সংস্কার আনতে চাচ্ছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের জালের আওতায় আনা হচ্ছে।

কোনো ব্যবসাই আর ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া ভ্যাটের জালে সব ব্যবসাচালানো যাবে না। শুধু তা-ই নয়, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ঋণ নেওয়া, ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া থেকে শুরু করে জরুরি সাত সেবায়ও ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

পাশাপাশি ভ্যাট বাড়ানোয় নতুন অর্থবছরে ব্যয়বহুল হবে মদ্যপান। এ পণ্যটিতে লিটারপ্রতি নতুন করে ভ্যাট দিতে হবে ৫০০ টাকা। তবে স্বর্ণালংকার, নারীদের কসমেটিকস, মোবাইলের সিম কার্ড আরো সহজলভ্য হবে। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরকারি হিসাবেই দেশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক কোটি ১৭ লাখ। নিয়ম অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান ভ্যাটের আওতায় থাকার বাধ্যবাধকতা আছে।

তবে কোটির বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিপরীতে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র সাত লাখ ৭৫ হাজার।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (আইপিএইচ) চলমান হামের ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করার পর নমুনা ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক রেফারেন্স পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে।

কিন্তু এ জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের।

এ ধরনের আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতায় গত কয়েক বছর কোনো নমুনা বিদেশে পাঠানোই যায়নি । জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, জরুরি পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির বাধ্যবাধকতা যৌক্তিক নয়।

বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশ থেকে রোগজীবাণুর জিনগত বৈশিষ্ট্যের প্রতিবেদন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় (ডব্লিউএইচও) পাঠাতে হয়।

দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং (জিনের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ) করার আন্তর্জাতিক অনুমোদন নেই বলে কাজটি করতে হয় ডব্লিউএইচও অনুমোদিত কয়েকটি আঞ্চলিক রেফারেন্স পরীক্ষাগারে।

আজকের পত্রিকা

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা ১২ লাখ রোহিঙ্গার তথ্য ও ডেটাবেজ বাংলাদেশ সরকারের একটি সার্ভারে যাচ্ছে। এই সার্ভার তৈরির কাজ শেষ করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শেষে শিগগিরই এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) রোহিঙ্গাদের ডেটা বাংলাদেশি সার্ভারে পাঠানো শুরু করবে।

তবে এতদিন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরআরসি) রোহিঙ্গাদের ডেটা শুধু ‘রিড অনলি অ্যাকসেস’ (দেখতে পারা) ছিল। গতকাল সোমবার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দীর্ঘদিন বাংলাদেশ দাবি জানিয়ে আসছে, রোহিঙ্গাদের তথ্যভান্ডার সরকারের কাছে থাকাও জরুরি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ-সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়েছে।

কীভাবে দ্রুত রোহিঙ্গাদের ডেটাবেজ সরকার সংরক্ষণ করতে পারে, তা ওই বৈঠকে আলোচনা হয়। এর আগের দুটি সরকারের সময় বিষয়টি নিয়ে একাধিক ফোরামে আলোচনা হয়। সর্বশেষ কয়েকটি বৈঠকে রোহিঙ্গাদের তথ্যভান্ডার হস্তান্তরের বিষয়টির গতি আসে।

সমকাল

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Tk 1,243cr flowed to PM’s fund, entities linked to Hasina’ অর্থাৎ ‘প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ১,২৪৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে’।

খবরে বলা হচ্ছে, ২০১৫ সাল থেকে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকস-বিএবির নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংকগুলো প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা দান করেছে। একটি ফরেনসিক নিরীক্ষায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

নিরীক্ষায় দেখা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী নজরুল ইসলাম মজুমদার বিএবির নেতৃত্বে থাকার সময়েই এই অর্থ দেওয়া হয়েছিল।

এই অর্থের মধ্যে, বিএবি সরাসরি সদস্য ব্যাংকগুলো থেকে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। পরে তা বাছাইকৃত সংস্থাগুলোতে স্থানান্তর করে।

অবশিষ্ট ১ হাজার ১৩৮ কোটি টাকার বেশিরভাগই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জারি করা অনুরোধপত্রের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর তহবিল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এবং সূচনা ফাউন্ডেশনকে দেয়।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকায় অন্তত ১৪৩টি কিশোর গ্যাং গ্রুপের খোঁজ পাওয়া গেছে। এসব বাহিনীর সদস্যরা ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখলে সহায়তা, ইন্টারনেট সংযোগ, ক্যাবল টিভি (ডিশ) ব্যবসা ও ময়লা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ, উত্ত্যক্ত করা, যৌন হয়রানি করা, হামলা, মারধরসহ নানা অপরাধে জড়িত।

নামে কিশোর গ্যাং হলেও বেশিরভাগ সদস্যের বয়স ১৮ বছরের বেশি। এদের কেউ কেউ গাড়ির হেলপার, গ্যারেজ মিস্ত্রি, দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, ভাঙারি পণ্যের ক্রেতা, সবজি বিক্রেতা।

এক সময় ভাসমান ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানরা কিশোর গ্যাং চক্রে নাম লেখালেও সাম্প্রতিককালে প্রভাবশালী পরিবার, ধনীর দুলালরাও গ্যাং সংস্কৃতিতে জড়িয়ে পড়েছে বলে সরেজমিন অনুসন্ধান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

দেশ রূপান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি মালিকানাধীন ৩৯২টি কোম্পানি, সংস্থা, করপোরেশন, কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে চিঠি দিয়েছিল অর্থ বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি)।

এর মধ্যে ২৮৪টি প্রতিষ্ঠানই প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ২৭টি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো চিঠি সংস্থাটির কাছে ফেরত এসেছে। কেবল ১০৮টি প্রতিষ্ঠান আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এফআরসির পক্ষ থেকে প্রথম দফায় গত বছরের নভেম্বরে ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের কাছে আর্থিক প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় দফায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরো ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে এ-সংক্রান্ত চিঠি দেয়া হয়।

প্রতিবারই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য তিন সপ্তাহের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল। এফআরসির কর্মকর্তাদের ধারণা, আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি না করার কারণেই হয়তো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তা জমা দিতে পারেনি। যদিও প্রতি বছর এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে জনগণের করের অর্থ ব্যয় করছে সরকার।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার আগেই প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মেধা, সক্ষমতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে (মেরিটোক্র্যাসি) পদোন্নতি ও পদায়নের জোরালো ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচিতেও মেরিটোক্র্যাসির বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলা হয়।

তবে সরকার গঠনের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের বাস্তব চিত্রে এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্টো অনেক সৎ, দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক ‘ট্যাগ’ দিয়ে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) বা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এসব কারণে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তাদের আপত্তির মুখে কোনো কোনো সিদ্ধান্ত বাতিল করতেও বাধ্য হয়েছে সরকার। ফলে সামগ্রিকভাবে জনপ্রশাসনে এক ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

নয়াদিগন্ত