Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

ঈদের ছুটির মধ্যে রাজধানীর মগবাজারের আদ্ দ্বীন হাসপাতাল এ একসঙ্গে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ২৭ মে ভোরে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে এসির গ্যাস লাইনে লিকেজ বা অন্য কোনো কারিগরি ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ওই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ও ৬ নবজাতক ভর্তি ছিলেন। রাতে কিছু সময় এসি বন্ধ রাখার পর পুনরায় চালু করা হলে কয়েকজন নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের এনআইসিইউতে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত ৬ নবজাতকেরই মৃত্যু হয়। পরিবারের আবেদনের পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

মানবজমিন
দেশ রূপান্তর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে বাংলাভাষী অনেক মানুষকে ‘অবৈধ অভিবাসী’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা বা পুশইনের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন স্থান থেকে আটক ব্যক্তিদের সীমান্ত এলাকায় এনে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা হতে পারে। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তসহ কয়েকটি রুট দিয়ে এ ধরনের প্রবেশ ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া সীমান্তের কাছে কয়েকশ মানুষকে জড়ো করা এবং ডিটেনশন বা হোল্ডিং সেন্টারে আটকে রাখার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথাও বলা হচ্ছে, যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি জানিয়েছে, আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছে।

এ বিষয়ে সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ রাখছে বলে জানা গেছে।

আজকের পত্রিকা

ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বিদেশে অবস্থান নেওয়া সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তাদের ঘনিষ্ঠরা দেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় হয়েছেন। তারা বিভিন্ন বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) জমা দিচ্ছেন, যার মাধ্যমে দেশে থাকা প্রতিনিধিদের সম্পত্তি দেখভাল, বিক্রি এবং মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী এখন পর্যন্ত এ ধরনের অর্ধশতাধিক আবেদন জমা পড়েছে।

আবেদনকারীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশাজীবীরা রয়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা বা তদন্ত চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তারা পরিবারের সঙ্গে বিদেশে আশ্রয় নিলেও এখন সম্পদ নিয়ন্ত্রণে ফের সক্রিয় হয়েছেন বলে জানা যায়।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রথম আলো

বিআরটি প্রকল্প শুরুতে পরিকল্পনা ছিল আলাদা বাস লেনে দিনে প্রায় ২৫ হাজার যাত্রী নির্বিঘ্নে পরিবহন করা, যাতে যানজট কমে। কিন্তু ১৪ বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও প্রকল্পটি তার লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। বরং অব্যবস্থাপনা, নকশাগত ত্রুটি ও সমন্বয়হীনতার কারণে যানজট ও জনভোগান্তি আরও বেড়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল প্রকল্পটি পর্যালোচনা করে এটিকে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, যথাযথ কারিগরি যাচাই ও জবাবদিহির অভাবেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তারা পুরো প্রকল্পটি বাতিল করে বিদ্যমান অবকাঠামোকে সাধারণ মহাসড়ক হিসেবে ব্যবহারের সুপারিশ করেছে।

তবে সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বলছে, প্রকল্পটি বাতিল করা বা অতিরিক্ত বিনিয়োগ করে আংশিকভাবে চালু করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। শিগগিরই বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

কালের কণ্ঠ

২০২৬ ২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট চূড়ান্ত করেছে সরকার, যা ১১ জুন সংসদে উপস্থাপনের কথা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন এখনও লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে থাকলেও নতুন বাজেটের আকার প্রায় ১৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এমন সময়ে এই বাজেট আসছে, যখন সরকার তহবিল সংকট, রাজস্ব ঘাটতি এবং ঋণনির্ভর অর্থায়নের চাপে রয়েছে।

নতুন বাজেটে প্রায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। তবুও প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে, যা মেটাতে সরকারকে বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভর করতে হবে। অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে এবং রাজস্ব বাড়াতে করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে সরকার বলছে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের আলোকে প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

যুগান্তর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়ার পথ বন্ধ করতে নতুন বিধি যুক্ত করার প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করে জানাতে হবে যে তারা কোনো নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। ভুল তথ্য দিলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারবে। এর ফলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও কর্মীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালায় নতুন কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেখানে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়রদের ‘সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে তারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদের জন্য প্রস্তাবিত এসব সংশোধনী পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনেও প্রয়োগ করা হতে পারে। নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, এই বিধান কোনো নির্দিষ্ট দলকে লক্ষ্য করে নয়, বরং দেশের বিদ্যমান আইন ও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর বিষয় বিবেচনায় নিয়েই প্রস্তাব করা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- ADP for health doubles, delivery still a concern অর্থাৎ আগামী অর্থবছরের জন্য স্বাস্থ্য উন্নয়ন বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

নতুন এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকার তুলনায় অনেক বেশি। এই বরাদ্দ মোট উন্নয়ন বাজেটের প্রায় ১১.৮৬ শতাংশ এবং এটি তৃতীয় বৃহত্তম খাত হিসেবে অবস্থান করছে।

তবে বাজেট বাড়লেও বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন দুই বিভাগ মাত্র প্রায় ৯৩৩ কোটি টাকা ব্যয় করতে পেরেছে, যা মোট বরাদ্দের এক দশমাংশেরও কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্বল প্রকল্প বাস্তবায়ন, জটিল ক্রয় প্রক্রিয়া এবং পুরোনো বাজেট ব্যবস্থাপনার কারণে এই ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বাজেট বাড়ালেই হবে না, বরং প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে জিডিপির এক শতাংশের কম স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হওয়ায় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই তারা জিডিপির অন্তত ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের লক্ষ্যের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Formal wages for 67 more sectors likely অর্থাৎ বাংলাদেশের ৬৭টি নতুন শিল্প খাতকে আনুষ্ঠানিক মজুরি কাঠামোর আওতায় আনার প্রস্তাব দিয়েছে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড

এসব খাতে মজুরি নির্ধারণ ও শ্রম সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শ্রম মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানো হয়েছে। বোর্ডের মতে, উৎপাদন, সেবা ও পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন শিল্পকে ধাপে ধাপে আনুষ্ঠানিক মজুরি ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে।

তালিকাটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শিল্প শ্রেণিবিন্যাস এবং বিভিন্ন জরিপ ও শিল্পমালিক ও শ্রমিকদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এতে শিপবিল্ডিং, বন্দর, গ্যাস সিলিন্ডার প্রসেসিং, কুরিয়ার সার্ভিস, সুপারশপ, সফট ড্রিংকস ও কনজিউমার গুডসসহ বিভিন্ন খাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শ্রম বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও তারা বলছেন, সব খাতে একটি সমন্বিত জাতীয় ন্যূনতম মজুরি কাঠামো থাকা জরুরি, যাতে বিভিন্ন খাতে মজুরির অসামঞ্জস্য না বাড়ে।

নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পাঁচটি প্রধান কয়লাখনি আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলো হলো দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়া, রংপুরের খালাশপীর এবং জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ। এসব খনিতে মোট প্রায় ৭.১ বিলিয়ন টন কয়লার মজুদ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় মজুদ রয়েছে জামালগঞ্জে, যেখানে প্রায় ৫.৪ বিলিয়ন টন কয়লা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিগত ও পরিবেশগত সীমাবদ্ধতার কারণে পুরো মজুদ উত্তোলন সম্ভব না হলেও এর অর্ধেক ব্যবহার করা গেলে বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ২৩০ থেকে ৩০০ বছর দেশের বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি চাহিদা মেটানো সম্ভব। ফলে দেশীয় কয়লা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে বিপুল মজুদ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে শুধু বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে সীমিত পরিমাণ কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে দেশের অধিকাংশ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরশীল। বছরে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ থেকে এক কোটি ৫০ লাখ টন কয়লা আমদানি করতে হয়, যার জন্য ব্যয় হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

বণিক বার্তা

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সম্পদ কর পুনঃপ্রবর্তন, কর অব্যাহতি ও রেয়াত কমানো, রফতানি প্রণোদনার ওপর উৎসে কর বৃদ্ধি এবং উৎসে কর ব্যবস্থার সম্প্রসারণের মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনায় রয়েছে। প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণের আলোচনা চলছে। এ লক্ষ্যে উচ্চ আয়ের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি কর অব্যাহতি পুনর্মূল্যায়ন ও করজাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর।

তবে এসব সম্ভাব্য পদক্ষেপ বড় করদাতা উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রাজস্ব আহরণে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকায় তারা আশঙ্কা করছেন, নতুন করদাতা খোঁজার পরিবর্তে বিদ্যমান করদাতাদের ওপরই বাড়তি করের চাপ বাড়ানো হতে পারে। তাদের মতে, এতে বিনিয়োগ, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, কর জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হলে নতুন করদাতা শনাক্ত ও করজাল সম্প্রসারণে জোর দিতে হবে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমানের মতে, দেশের বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় করদাতার সংখ্যা এখনও খুবই কম। একই করদাতাদের ওপর বারবার চাপ সৃষ্টি না করে নতুন করদাতাদের আওতায় আনাই দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আহরণের সবচেয়ে কার্যকর পথ।

টাইমস অফ বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক অবস্থান এখন কার্যত দুর্বল ও প্রান্তিক হয়ে পড়েছে বলে দলীয় সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। একসময় যিনি দলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা ছিলেন, বর্তমানে তিনি দলীয় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার বাইরে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। নেতৃত্বের নতুন কৌশলে তাকে আর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় বিবেচনা করা হচ্ছে না বলেও ইঙ্গিত মিলছে।

দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা বর্তমানে অনলাইন বৈঠকের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে এই প্রক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতি বা ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। তার পরিবর্তে তুলনামূলকভাবে শান্ত, সংকট ব্যবস্থাপনায় দক্ষ নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।

বর্তমানে তিনি কলকাতার নিউ টাউনে অবস্থান করছেন এবং রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একসময় যিনি দলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিলেন, এখন তার ঘনিষ্ঠতা সীমিত কিছু ব্যক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ, এবং দলের ভেতরে তার প্রতি অসন্তোষও প্রকাশ পাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।