ফরিদাবাদের একটি স্কুলের তৃতীয় তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে ১৬ বছর বয়সি এক ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। তার বাবা দাবি করেছেন, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে ওই ছাত্রী প্রায় দু’ঘণ্টা vice principal-এর অফিসে ছিল। CCTV ফুটেজ এবং পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই আটক রাখার ঘটনাকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে।
—
## ঘটনার বিবরণ
মৃত ছাত্রীর নাম **Janvi**। তিনি হরিয়ানার Faridabad-এর Navodaya Vidya Niketan Senior Secondary School-এর একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, স্কুলে biryani খাওয়ার কারণে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। তার বাবা **Pramod Kumar**-এর দাবি, Janvi-কে সরাসরি রোদের মধ্যে শ্রেণিকক্ষের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল।
এরপর, প্রায় **11:00 AM** নাগাদ Janvi vice principal-এর অফিসে ঢোকেন বলে জানা যায়। তার বাবা যে CCTV ফুটেজ দেখেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রায় দু’ঘণ্টা পর, আনুমানিক **1:30 PM** নাগাদ তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি স্কুল ভবনের তৃতীয় তলায় গিয়ে ঝাঁপ দেন এবং মারা যান।
—
## পরিবারের তোলা প্রশ্ন
Pramod Kumar ঘটনায় হতবাক হয়ে vice principal-এর ঘরের ভিতরে কী ঘটেছিল, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে:
– CCTV ফুটেজে দেখা যায়, শেষবার প্রায় 1:30 PM নাগাদ বেরিয়ে আসার আগে Janvi এক বা দু’বার vice principal-এর অফিসে ঢুকে বেরিয়েছিলেন।
– Janvi ঝাঁপ দেওয়ার খবর পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। তারা দেরিতে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানতে পারেন এবং অভিযোগ করেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে দেখা না করেই হাসপাতাল থেকে চলে যায়।
– Kumar জানান, এই অভিযোগের আগে Janvi-কে রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রাখার মতো কঠোর শাস্তি পাওয়ার কথা তিনি কখনও শোনেননি।
—
## স্কুলের প্রতিক্রিয়া ও Principal-এর বক্তব্য
Principal **R.K. Sharma** দাবি করেছেন, Janvi দু’ঘণ্টা vice principal-এর ঘরে আটক ছিলেন—এই বক্তব্য “outright lie” বা “সম্পূর্ণ মিথ্যা”। তার বক্তব্য, স্কুলের ফুটেজে এতক্ষণ Janvi সেখানে ছিলেন বলে কোনও প্রমাণ নেই।
এছাড়াও তিনি দাবি করেন, Janvi তৃতীয় তলায় শুধুমাত্র washroom-এ গিয়েছিলেন এবং ঘটনাটির আগে সেটিই ছিল তার শেষ গন্তব্য।
—
## চিকিৎসা ও আইনি কর্তৃপক্ষের involvement
Janvi-কে উদ্ধারের পর প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে **B.K. Hospital**-এ পাঠানো হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ময়নাতদন্ত চলছে এবং এর ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Faridabad পুলিশের Station House Officer **Sumir Singh** জানিয়েছেন, First Information Report (FIR) দায়েরের দাবিতে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়েনি। উপলব্ধ CCTV ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের প্রাথমিক মূল্যায়নে Janvi-কে চার ঘণ্টা শাস্তি দেওয়া হয়েছিল—বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমন যে দাবি করা হয়েছে—তা প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
—
## সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ
স্কুলের আরও কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, যা ওই প্রতিষ্ঠানে কঠোর শাস্তিমূলক পদ্ধতির বৃহত্তর একটি প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। স্কুলে চার সন্তান পড়ে এমন এক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন:
– শাস্তি হিসেবে শিক্ষার্থীদের রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে।
– ফি জমা দিতে দেরি করা শিক্ষার্থীদের প্রকাশ্যে অপমান এবং শারীরিক শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
—
## ন্যায়বিচারের দাবি
Janvi-এর বাবা দাবি করেছেন:
– ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে।
– আরও স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য **AIIMS Hospital**-এ ময়নাতদন্ত করতে হবে।
—
## পরবর্তী পদক্ষেপ কোন বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করবে
তদন্তের ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারক ভূমিকা পালন করবে:
– **CCTV ফুটেজের** বিস্তারিত বিশ্লেষণ থেকে Janvi কতক্ষণ vice principal-এর ঘরে ছিলেন এবং সেখানে কী ঘটেছিল, তা যাচাই করা হবে।
– **ময়নাতদন্তের রিপোর্টে** এমন কোনও শারীরিক বা চিকিৎসাগত প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে, যা দুর্ব্যবহার বা অবহেলার অভিযোগকে সমর্থন করতে পারে।
– শিক্ষার্থী ও কর্মীদের **প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য** Janvi-কে দেওয়া শাস্তি ও তার সঙ্গে করা আচরণ সম্পর্কিত অভিযোগগুলোর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ দিতে পারে।
– স্কুলের নিয়মনীতি এবং তথ্য জানানোর সময়সীমা খতিয়ে দেখা হতে পারে—বিশেষ করে পরিবারকে কখন ও কীভাবে জানানো হয়েছিল এবং স্কুলের নীতি মেনে চলা হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।
—
এই ঘটনাটি স্কুলগুলিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ধরন এবং সংকটের সময় প্রশাসকদের দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তদন্ত এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ্যে আসা প্রতিটি প্রমাণ হয় পরিবারের দাবিকে সমর্থন করতে পারে, নয়তো স্কুলের পাল্টা বক্তব্যকে আরও জোরালো করতে পারে।
This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.
