Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, Getty Images
ভেনেজুয়েলায় গত ২৪শে জুন জোড়া ভূমিকম্প যে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে, তা দেশটিতে গত এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে দেখা যায়নি।
ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা এখনো পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০০টি মৃতদেহ কেউ দাবি করেনি।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ভেনেজুয়েলা কর্তৃপক্ষ ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা লা গুয়াইরা থেকে এক ঘণ্টার দূরত্বে একটি জরুরি গোরস্থান তৈরি করেছে।
ছবির উৎস, Getty Images
তারা লা এস্পেরেনজা গোরস্থান থেকে দূরের একটি এলাকায় এই জরুরি গোরস্থানটি তৈরি করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলাকে শোকাচ্ছন্ন করে তোলা এই ট্র্যাজেডির ভয়াবহতার প্রতীক হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলের একটি পাহাড় জুড়ে ভূমিকম্পে নিহতদের কবরের সারি সারি সাদা ক্রস বিস্তৃত রয়েছে।
ভূমিকম্পে নিহতদের মৃতদেহ বোঝাই রেফ্রিজারেটেড ট্রাকগুলো প্রতিনিয়ত সেখানে এসে পৌঁছাচ্ছে।
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির উৎস, Getty Images
কমিউনিটি নেতা এলিস জাবালা বিবিসি মুনদো-কে বলেন, “আমরা নিষ্ঠা ও ভালোবাসার সাথে এই কাজটি শুরু করেছি। একদল স্বেচ্ছাসেবক এবং কিছু মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কাজে এগিয়ে এসেছে, কারণ তারা জানে আমরা এখন কী পরিস্থিতির মুখোমুখি।”
কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে এটি কোনো গণকবর নয় এবং তারা প্রতিটি দাফন আলাদাভাবে সম্পন্ন করছে।
ছবির উৎস, Getty Images
দাফনের স্থানে কেবল বিশেষজ্ঞকর্মী ও কর্মকর্তাদেরই থাকার অনুমতি থাকায় পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত থাকতে পারছেন না।
প্রতিটি কবরে একটি ক্রস, সাদা পাথর এবং একটি শনাক্তকরণ কোড রয়েছে, যা মৃতদেহটিকে একটি ফাইল ও এর সাথে সম্পর্কিত ছবির রেকর্ডের সাথে যুক্ত করে।
তবে দুঃখজনকভাবে কর্তৃপক্ষ এখনো অনেক মৃতদেহ শনাক্ত করতে পারেনি।
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির উৎস, Getty Images
ভূমিকম্পের পর থেকে ওঠা প্রধান সমালোচনাগুলোর একটি হলো, নিখোঁজদের মৃতদেহ খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে সরকারি উদ্ধারকারী সংস্থার অভাব।
ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে ঘটা এই ভয়াবহতম প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ৩,৫০০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।




