Home RSS bangla মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিলের মুখে ২৫ জন, তালিকায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তি

মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিলের মুখে ২৫ জন, তালিকায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তি

4
0

ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব হারানোর মুখে থাকা কয়েক ডজন মানুষের মধ্যে রয়েছেন। Justice Department-এর এই ব্যাপক উদ্যোগ অভিবাসন আইন প্রয়োগের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সব ক্ষেত্রেই অভিযোগের মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, তথ্য গোপন করা এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধ।

## নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগের পেছনে কী রয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের Justice Department বেআইনিভাবে নাগরিকত্ব পাওয়ার অভিযোগে স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য ব্যাপক উদ্যোগ শুরু করেছে। Immigration and Nationality Act অনুযায়ী, নাগরিকত্ব বাতিল করা যেতে পারে যদি:

– নাগরিকত্ব বেআইনিভাবে অর্জন করা হয়ে থাকে
– গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা হয়ে থাকে
– আবেদন প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়ে থাকে

একাধিক মামলায়, স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতি, শিশুদের যৌন নির্যাতন, পরিচয় জালিয়াতি, সন্ত্রাসবাদে সহায়তা এবং অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলা আদালতে মামলা দায়ের করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ।

## কারা নজরে রয়েছেন

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নাগরিকত্ব বাতিলের মুখে থাকা 25 জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত CEO Neeraj Sharma। অভিযোগ রয়েছে, তিনি জাল H-1B ভিসার আবেদন জমা দিয়েছিলেন এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় অন্যান্য অনিয়ম করেছিলেন। কর্মকর্তাদের দাবি, 2017 সালে নাগরিকত্বের আবেদনের সময় তিনি শপথ নিয়ে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাঁকে কখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তিনি কখনও U.S. কর্মকর্তাদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেননি।

Neeraj Sharma-ই একমাত্র ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি নন, যিনি তদন্তের আওতায় রয়েছেন। 62 বছর বয়সি Debashis Ghosh-ও নাগরিকত্ব বাতিলের মুখে রয়েছেন। একটি প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। ওই প্রকল্পে একটি aircraft maintenance facility নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আনুমানিক $2.5 million প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।

## মামলার বিবরণ: পরিচয় জালিয়াতির কারণে নাগরিকত্ব বাতিল

ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি হওয়া একটি মামলায় রয়েছেন Gurdev Singh Sohal, যিনি Dev Singh এবং Boota Singh Sundu নামেও পরিচিত। Sohal 2005 সালে নাগরিকত্ব পান। তবে প্রসিকিউটরদের দাবি, এর আগে তাঁর মূল পরিচয় Dev Singh নামে 1994 সালে তাঁকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বহিষ্কারের নির্দেশ মেনে না নিয়ে তিনি নতুন পরিচয় গ্রহণ করেন এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্য নিজের নাম, জন্মতারিখ ও U.S.-এ প্রবেশের তারিখ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য জমা দেন বলে অভিযোগ।

April 2026-এ এক ফেডারেল বিচারক সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হন এবং রায় দেন যে Qohal তথ্য গোপন ও পরিচয় জালিয়াতির মাধ্যমে বেআইনিভাবে নাগরিকত্ব অর্জন করেছিলেন। আদালত তাঁর U.S. নাগরিকত্ব বাতিল করে এবং তাঁর naturalization certificate বাতিল করে।

## বৃহত্তর প্রভাব

এই নাগরিকত্ব বাতিলের অভিযান সাম্প্রতিক U.S. ইতিহাসের অন্যতম কঠোর উদ্যোগ। মামলাগুলোতে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

– আগের গ্রেপ্তারের তথ্য গোপন করা
– সন্ত্রাসবাদে সহায়তা বা যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকা
– যৌন নির্যাতন
– মাদক বিতরণ

DOJ জোর দিয়ে বলেছে, কারও naturalisation-এর মৌলিক বিষয়—যেমন নৈতিক চরিত্র ও সত্যবাদিতা—প্রশ্নের মুখে পড়লে নাগরিকত্ব বহাল রাখা যাবে না। চলমান এসব পদক্ষেপে ফেডারেল, জেলা এবং অভিবাসন আদালতের বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। অভিযুক্তরা আদালতে অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার সুযোগ পাবেন।

## ভারতীয় বংশোদ্ভূত অভিবাসীদের জন্য এর অর্থ কী

– Neeraj Sharma এবং Debashis Ghosh-এর মতো ভারতীয় নাগরিকেরা অভিবাসন বা পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগে নাগরিকত্ব বাতিলের মুখে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন।
– মামলাগুলোতে সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ: কেউ কখন U.S.-এ প্রবেশ করেছেন, তাঁর বসবাস বা অভিবাসন-সংক্রান্ত ইতিহাস কী, এবং তিনি কোন নাম বা পরিচয় ব্যবহার করেছেন। এসব তথ্যের অসঙ্গতি গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
– Sohal-এর মামলা দেখায়, fingerprint records-এর মতো প্রমাণে অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে কয়েক দশক আগের মামলাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হতে পারে।

## আইনি মানদণ্ড ও প্রক্রিয়া

– নাগরিকত্ব বেআইনিভাবে অথবা প্রতারণার মাধ্যমে অর্জন করা হয়েছে—এটি প্রমাণ করার দায়িত্ব U.S. সরকারের।
– আদালত Immigration and Nationality Act-এর বিধানগুলো বিবেচনা করে, বিশেষ করে good moral character এবং material misrepresentation-সংক্রান্ত ধারাগুলো।
– অভিযুক্তরা due process-এর অধিকারী—এর মধ্যে রয়েছে আইনি প্রতিনিধিত্ব পাওয়া এবং প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ।
– আইনের অধীনে কারও অবস্থানের ওপর নির্ভর করে নাগরিকত্ব বাতিল হলে তিনি বহিষ্কারের আওতায় পড়তে পারেন।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.