Home LATEST NEWS BANGLA কানাডাকে ‘সহযোগী সদস্য’ করলে ইইউকে ‘কঠোর শুল্কের’ হুমকি ট্রাম্পের

কানাডাকে ‘সহযোগী সদস্য’ করলে ইইউকে ‘কঠোর শুল্কের’ হুমকি ট্রাম্পের

5
0

Source : BBC NEWS

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস

ছবির উৎস, Reuters

আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে প্রবেশ ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন তথ্য বিবিসিকে জানিয়েছেন দুটি ফিলিস্তিনি সূত্র।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় যে, তারা ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াচ্ছে। যদিও আব্বাসের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবে তাদের বিরুদ্ধে শান্তি প্রক্রিয়া-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের আগস্টে প্রথম এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, যখন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বার্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য ৮০ জন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছিল।

নিজেদের বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) এবং ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও)-এর বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদকে মহিমান্বিত করা’ এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার’ চেষ্টা করার অভিযোগ আনে।

অসলো শান্তি চুক্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) প্রতিষ্ঠিত হয়। একই প্রক্রিয়ার আওতায় ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও)-কে ফিলিস্তিনি জনগণের আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, বিনিময়ে সংস্থাটি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় এবং সহিংসতা পরিত্যাগের ঘোষণা করে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে ‘একটি অযৌক্তিক পদক্ষেপ’ বলে উল্লেখ করে। তারা বলে, এটি পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, ফিলিস্তিন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক উন্নয়ন এবং দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও শান্তি-স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টার পরিপন্থী।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় একটি দখলদার শক্তির বিরুদ্ধে জবাবদিহি দাবি করার অধিকার তাদের রয়েছে।

জাতিসংঘ সদরদপ্তর চুক্তি অনুযায়ী, নিউইয়র্কে জাতিসংঘে যোগদানের জন্য বিদেশি কূটনীতিকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তবে ওয়াশিংটন বলেছে, নিরাপত্তা, চরমপন্থা এবং পররাষ্ট্রনীতিগত কারণ দেখিয়ে তারা ভিসা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।