Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘গাড়িচাপা দেয় একজন, মামলায় আসামি অন্যজন’

পত্রিকা: ‘গাড়িচাপা দেয় একজন, মামলায় আসামি অন্যজন’

5
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

এ খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাজধানীর বারিধারায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ফুটপাথে বসে থাকা একজন নির্মাণ শ্রমিককে চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় গাড়িচালক আজান আলী শরীফকে (১৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর পরই আটক হলেও পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছিল।

মেহেদী নামের ওই শ্রমিককে চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায়ও এই কিশোরের নাম ছিল না। সেসময় মামলা দেওয়া হয় অন্য একজনের নামে।

ঘটনার ভিডিও ভাইরাল ও কিশোর চালককে ছেড়ে দেওয়ায় ব্যাপক সমালোচনাও চলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার সময় আজান আলী শরীফ গাড়ি চালালেও মামলায় আসামি করা হয় অন্য আরেকজনকে। পুরো ঘটনাটিই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে।

মানবজমিন

ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh under US pressure over trade; অর্থাৎ বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে বাংলাদেশ।

এ খবরে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ দিকে স্বাক্ষরিত ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’র অধীনে বাংলাদেশ কয়েক হাজার কোটি ডলার মূল্যের মার্কিন বিমান, জ্বালানি ও কৃষি পণ্য ক্রয়ের পরিকল্পনাসহ একাধিক প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছে।

এমন এক সময়ে তা ঘটছে, যখন কি-না বাণিজ্য উদ্বৃত্ত কমাতে বাংলাদেশকে চাপ দিয়ে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ঢাকার পররাষ্ট্র ও অর্থনীতি বিষয়ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ স্পষ্ট, যার মধ্যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেশটি থেকে আমদানি বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট চাহিদাও রয়েছে।

এদিকে, আরো বেশি মার্কিন পণ্য কেনার জন্য বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অধিক বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে ধারনা করা হয়, যা নিয়ে বিশ্লেষকরা সমালোচনা করলেও ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উভয়ই এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীরব।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি বা ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতির ওপর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে মনে করেন বেশ কয়েকজন অর্থনীতিবিদ ও কূটনীতিক।

কারণ, ইতোমধ্যেই জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান আমদানি ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।

নিউ এইজ

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় গভীর রাতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে এই চুক্তি সই হয়।

তার আগে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘বিশ্বসেরা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের আরো ১১টি কেনার চুক্তিতে পৌঁছানোয় বোয়িং ও বিমানকে অভিনন্দন! যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য এটি আরেকটি দারুণ অর্জন, যেখানে লাভবান হবে দুই দেশই। নিউইয়র্কে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান দেখার অপেক্ষায় আছি।’

অন্যদিকে, ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর চুক্তি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

এ চুক্তির মধ্য দিয়ে বিমানের ভবিষ্যৎ বহরে মার্কিন নির্মাতা বোয়িং এবং ইউরোপীয় এয়ারবাসের মধ্যে প্রতিযোগিতা আরো জোরালো হলো। কারণ, বিমান একই সঙ্গে ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাবও এগিয়ে নিচ্ছে।

কালের কণ্ঠ

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— তালিকা না থাকায় বাসভাড়ায় নৈরাজ্য। এ খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর পরিবহন মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা সরকার বাড়ালেও গত রাত বুধবার পর্যন্ত রুটভিত্তিক নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করেনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

তবে রোববার মধ্যরাতে তেলের দাম বাড়ানোর পরদিন থেকেই দেশজুড়ে প্রায় সব রুটে নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে নিয়েছে পরিবহন কোম্পানিগুলো।

দূরপাল্লার বাসে ৫০ থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নগর পরিবহনের বাসেও অনুমোদিত বৃদ্ধির চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

গতকাল ভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পরও অধিকাংশ বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা টাঙানো হয়নি। এ কারণে সরকার অনুমোদিত ভাড়া কত, তা না জেনেই যাত্রীদের কাছ থেকে নিজেদের ইচ্ছেমতো বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহনকর্মীদের বাগবিতণ্ডা হচ্ছে।

প্রথম ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ২৩ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।

নৌপথে সর্বনিম্ন ভাড়া ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করা হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান প্রতিবেদনের শিরোনাম— PM unveils 5 steps for safe Rohingya return; অর্থাৎ রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে ৫ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর।

এই খবরে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনসহ এই সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এসব প্রস্তাব দেন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাবগুলো হলো— আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে।

এছাড়া, তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গেও বৈঠকে বসেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো নিয়ে তারা আলোচনা করেন।

দ্য ডেইলি স্টার

সমকালের প্রধান খবর— নিত্যপণ্যের দাম একের পর এক বাড়ছে। এ খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্য পরিবহন ব্যয় প্রতি কেজিতে পয়সার হিসাবে বাড়লেও খুচরা বাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে টাকার অঙ্কে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আগে মাস দেড়েক ধরে ক্রেতাকে ভোগাচ্ছিল আটা-ময়দা। গত সপ্তাহে আরেক দফায় কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে পণ্য দুটির দাম।

আর তেলের দাম বাড়ার পর নতুন করে চাল, ডিমসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দর বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ভোক্তা অধিকারকর্মীরা বলছেন, বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে।

এর মধ্যে একের পর এক নিত্যপণ্যের দর বাড়তে থাকায় কম আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। যা উত্তরণে বাজারে সরকারের কড়া নজরদারি প্রয়োজন।

সমকাল

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— আমদানি কমায় এলপিজি সংকট, বেড়েছে দামও

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে এবার দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট শুরু হয়েছে।

বিশ্ববাজারে বাড়তি দাম ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে এলপিজি আমদানি কমে গেছে। বাজারে চাহিদার চেয়ে ৩০ শতাংশ সরবরাহ কমে গেছে।

এতে অনেক জায়গায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দুই হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে, গত অগাস্টে এলপিজি আমদানি হয়েছে প্রায় এক লাখ ৫৮ হাজার টন। ১৩টি বেসরকারি কোম্পানি আমদানি করেছে।

আর এ মাসে আমদানি করেছে ৯টি কোম্পানি। ২২শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানি হয়েছে এক লাখ ১৯ হাজার টন।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০১ জনে।

এর মধ্যে জানুয়ারি থেকে অগাস্টে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছিল ৯৭ জনের। আর সেপ্টেম্বরের ২৩ দিনেই মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের। অর্থাৎ চলতি বছরের মোট মৃত্যুর ৫২ শতাংশের বেশি ঘটেছে শুধু সেপ্টেম্বরেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানও বলছে, সংক্রমণের চিত্র এখন উদ্বেগজনক। বছরের প্রথম ছয় মাসে ডেঙ্গু-সংক্রমণ তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু জুলাই থেকে ঘন ঘন বৃষ্টি হওয়ায় সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে শুরু করে। সেপ্টেম্বরে সেই ঊর্ধ্বমুখী ধারা আরও তীব্র হয়েছে।

দেশ রূপান্তর

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Promises broken, limits crossed: Ducsu leaders facing dual probes; অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও সীমা লঙ্ঘন: দ্বিমুখী তদন্তের মুখে ডাকসু ।

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ৩৯ দফার লোভনীয় ইশতেহার দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভোট টেনেছিল ইসলামী ছাত্রশিবির।

তবে নির্বাচিত হয়ে মেয়াদের শেষ দিকে এসে প্রতিশ্রুতি না রাখা এবং ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগে এখন তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে তারা।

একই সঙ্গে ডাকসুর গঠনতন্ত্র না মানার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ডাকসুর খরচাপাতি নিয়েও উঠেছে নানান প্রশ্ন। নেতারা দাবি করছেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া বরাদ্দের চেয়ে ১০০ গুণেরও বেশি টাকা তারা খরচ করেছেন।

কিন্তু এই বিশাল অঙ্কের টাকার কোনো সঠিক হিসাব বা নিয়মকানুন মানা হয়নি।

ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই বাইরের ফান্ড ও খরচের ব্যাপারে কিছুই জানেন না। অথচ ডাকসুর নিয়ম অনুযায়ী, অর্থ দেখাশোনা, খরচ অনুমোদন এবং অডিটের মূল দায়িত্ব কোষাধ্যক্ষের।

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ

খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংসদে সদ্য পাস হওয়া তিনটি আইন মানবাধিকার সুরক্ষাকে খর্ব করেছে এবং সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে বর্তমান সরকারকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

সংস্থাটির মতে, এই নতুন আইনগুলোর মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রাখা কয়েকটি বিষয় তুলে নেওয়া হয়েছে, এতে অতীতে ঘটা গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো অপরাধের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি তৈরি করছে।

সংবাদ