Home LATEST NEWS BANGLA মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর নিষিদ্ধ, মহিলা আবাসিক না রাখার পরামর্শ

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর নিষিদ্ধ, মহিলা আবাসিক না রাখার পরামর্শ

6
0

Source : BBC NEWS

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর করে শাস্তি দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে একটি দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে

ছবির উৎস, Rehman Asad/NurPhoto via Getty Images

Published

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

বাংলাদেশের ছয়টি মাদ্রাসা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর করে শাস্তি দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে একটি দিকনির্দেশনা জারি করেছে।

একই সাথে শিক্ষার্থীদের প্রতি যথাযথ আচরণ নিশ্চিত করতে প্রতিটি মাদ্রাসায় একটি সুরক্ষা কমিটি গঠন বা পুনর্গঠন করে সেটিকে সক্রিয় রাখার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

“এর বাইরেও মহিলা মাদ্রাসাগুলোকে অনাবাসিক করা ও মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক না রাখার কথা বলা হয়েছে। আমরা একটি নীতিমালা সব মাদ্রাসাকে জানিয়ে দিয়েছি। এগুলো তাদের মেনে চলতে হবে,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন আল-হাইআতুল উলয়ার পরিচালনা কমিটির সদস্য মুসলেহ উদ্দিন রাজু।

আল-হাইআতুল উলয়া বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর সর্বোচ্চ সম্মিলিত শিক্ষা বোর্ড। এই বোর্ডের অধীনেই কেন্দ্রীয়ভাবে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই বোর্ড একজন চেয়ারম্যান ও একজন কো-চেয়ারম্যান সহ ৩২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। মি. রাজু তাদেরই একজন।

ইসলাম বিষয়ক লেখক ও বিশ্লেষক মাওলানা শরিফ মুহাম্মদ বলছেন, কিছু মাদ্রাসায় অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে এবং ইতিবাচক বিষয় হলো মাদ্রাসা বোর্ডগুলোর কর্তৃপক্ষ সেটিকে বিবেচনায় নিয়েছে।

“কিন্তু এই বোর্ডের অধীনে থাকা ছয় বোর্ডের বাইরেও দেশে অসংখ্য কওমি মাদ্রাসা গড়ে ওঠেছে। সেগুলোকেও মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে কওমি মাদ্রাসার ওপর সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। এই মাদ্রাসাগুলোর বোর্ড বলছে, দেশে ছয়টি বোর্ডের আওতায় ২০ হাজারের বেশি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে।

তবে দেশে সত্যিকার অর্থে মোট কওমি মাদ্রাসা কত এবং এর মধ্যে আবাসিক মাদ্রাসা কতগুলো কিংবা সেগুলোর মধ্যে মেয়েদের জন্য কতগুলো আছে -এসব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায় না।

দুই হাজার একুশ সালে সরকারের দিক থেকে সব ধরনের মাদ্রাসার ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেটি পরে খুব একটা সফল হয়নি।

একটি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন একজন শিক্ষক

ছবির উৎস, MUNIR UZ ZAMAN/AFP via Getty Images

নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে

আল-হাইআতুল উলয়া জানিয়েছে গত ১২ই সেপ্টেম্বর তাদের স্থায়ী কমিটির সভায় নির্দেশনাটি চূড়ান্ত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে অপরাধ বা অনৈতিক কাজে জড়িত থাকলে তার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনানুগ বিচার নিশ্চিত করা এবং অপরাধীকে কোনোরূপ প্রশ্রয় না দেওয়াই আল-হাইআতুল উলয়ার অবস্থান।

এ নির্দেশনা মূলত চারটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। এগুলো হলো ‘শাসনের শরয়ী সীমা নির্ধারণ, ইসলাহি কার্যক্রম জোরদারকরণ, ছাত্র/ছাত্রী-সুরক্ষা কমিটি অনতিবিলম্বে কার্যকরকরণ ও মাদ্রাসাবিরোধী অপপ্রচার রোধে করণীয়’।

নির্দেশনায় শাসনের শরয়ী সীমা নির্ধারণ অংশে বলা হয়েছে, শাসনের একমাত্র উদ্দেশ্য হবে শিক্ষার্থীর সংশোধন ও কল্যাণ, প্রতিশোধ নয়।

“রাগের অবস্থায় কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। শাসনের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হবে— প্রথমে নম্র সতর্কতা, প্রয়োজনে মৃদু ভর্ৎসনা, এরপর রাগ-ধমক; একান্ত অপরিহার্য হলে সর্বশেষ ধাপ হিসেবে অভিভাবককে ডেকে লিখিতভাবে অবহিত করে অভিভাবকসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে— কোনও অবস্থাতেই ছাত্র/ছাত্রীকে শাস্তিস্বরূপ প্রহার করা যাবে না, যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ”।

এতে আরও বলা হয়, “লাঠি, বেত বা কোনও যন্ত্র দিয়ে আঘাত করা, মুখমণ্ডল-মাথা বা স্পর্শকাতর অঙ্গে আঘাত করা এবং হাড় ভাঙা, রক্তপাত বা দাগ সৃষ্টিকারী যেকোনো শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রকাশ্যে অপমান, গালমন্দ, তিরস্কার, কটু ভাষা বা ঘৃণাসূচক সম্বোধন এবং অন্য যেকোনো মানসিক নির্যাতনমূলক আচরণও পরিহারযোগ্য”।

নির্দেশনায় জানানো হয় যে, এ সীমা লঙ্ঘনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা শরীয়ত ও বিধি উভয় দৃষ্টিতে জবাবদিহিতার আওতাভুক্ত থাকবেন।

ইসলাহি কার্যক্রম জোরদারকরণ অংশে বলা হয়েছে, “প্রতিটি মাদ্রাসায় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ইসলাহি মজলিস, নবনিযুক্ত শিক্ষকদের জন্য বাধ্যতামূলক তারবিয়াতি মজলিস এবং অভিভাবক-সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে সমস্যা দ্রুত মাদরাসা কর্তৃপক্ষের গোচরে আসে”।

প্রসঙ্গত, মাদ্রাসার ইসলাহি কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে আত্মশুদ্ধির পথ ও আধ্যাত্মিক উন্নতির শিক্ষা প্রদান করা হয়। এতে বিভিন্ন কর্মশালা, তালিমি মজলিস, ইসলামী সাহিত্য পাঠ এবং বিশেষ বয়ান বা বক্তৃতার আয়োজন করা হয়।

মাদ্রাসায় সুরক্ষা কমিটি বিষয়ে ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “প্রতিটি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি গঠন বা পুনর্গঠন করে তা সক্রিয় রাখতে হবে। যে কোনও অভিযোগ অবশ্যই কমিটির নিকট পেশ করার সুযোগ থাকতে হবে এবং ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন পেশ করতে হবে। কমিটি না থাকা বা নিষ্ক্রিয় থাকা প্রমাণিত হলে তা ইলহাক স্থগিত বা বাতিলের কারণ হতে পারে”।

নির্দেশনায় প্রতিটি বোর্ডে পৃথক ‘মাদরাসা মনিটরিং সেল’ গঠন ও বোর্ডভিত্তিক পৃথক হটলাইন চালু করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

“শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে সতর্কতা, অভিযোগ পাওয়ামাত্র তাৎক্ষণিক নিরপেক্ষ তদন্ত এবং মিথ্যা অপবাদ ও মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার নিরপরাধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আইনগত প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে”।

এ বিষয়ে প্রয়োজনে আল-হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ওই নির্দেশনায়।

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা রাখতে চাইছে না মাদ্রাসা বোর্ডগুলোর সম্মিলিত কর্তৃপক্ষ

ছবির উৎস, ANDREW HOLBROOKE

কার্যকর হবে কিভাবে

আল-হাইআতুল উলয়া বলছে, নির্দেশনায় থাকা বিষয়গুলোর বিস্তারিত ও কিভাবে কার্যকর হবে তার বিস্তারিত একটি গাইডলাইন তৈরি করে মাদ্রাসাগুলোকে দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যেই মাদ্রাসা বোর্ডগুলোকে দেওয়া হয়েছে।

“প্রত্যেক জেলায় ইন্সপেকশন টিম আছে যারা সবসময় মাদ্রাসা পরিদর্শনে থাকেন। কিছু ঘটলে তারা ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। মাদ্রাসাগুলোকে নির্দেশনা কতটা পালিত হয় সেই রিপোর্টও আমাদের কাছে আসে। বিভিন্ন সময়ে যেসব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে সেখানে কিন্তু শাস্তি হয়েছে। কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক আবার কোথাও ব্যক্তির শাস্তি হয়েছে। প্রতিটি জেলায় বোর্ডের শাখা আছে। কোথাও কিছু ঘটলে সবাইকে নিয়ে সাথে সাথে সমাধান করা হয়,” মুসলেহ উদ্দিন রাজু বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।

তিনি বলেন কোনো ঘটনায় আইন লঙ্ঘন হলে বা অপরাধ সংঘটিত হলে কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ মাদ্রাসা বোর্ড সহায়তা করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বোর্ডের পরিদর্শকরা সারাদেশে মাদ্রাসাগুলো পরিদর্শন কার্যক্রম চালাচ্ছেন এবং আল-হাইআতুল উলয়া নিজেও অনলাইনে মাদ্রাসাগুলোর সাথে কানেক্টেড।

“এছাড়া প্রত্যেক মাদ্রাসায় একটি কমিটি থাকে। ওই কমিটি শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় কাজ করে থাকে। কোথাও আচরণগত সমস্যা থাকলে বা বলতে অস্বস্তি হয় এমন বিষয়ে তারা যেন ভূমিকা রাখে সেটিও বলা হয়েছে। এর বাইরে বিস্তারিত নীতিমালা তৈরি হয়েছে, যা মাদ্রাসায় পাঠানো হচ্ছে,” বলছিলেন তিনি।

মেয়েদের আবাসিক মাদ্রাসা না রাখা

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কালে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার কিছু ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।

মুসলেহ উদ্দিন রাজু বলছেন, আল-হাইআতুল উলয়া মহিলা আবাসিক মাদ্রাসার প্রাইভেসি ও আবাসন কেমন হবে তা নিয়ে একটি নীতিমালা করেছে।

“তবে আমাদের সিদ্ধান্ত হলো যে মহিলা মাদ্রাসা যেন আবাসিক না হয়ে, অনাবাসিক হয়। পুরুষ শিক্ষক থাকলে পাঠদান পদ্ধতি কেমন হবে তা নিয়েও গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। আমরা জানি এখানে সমস্যা বেশি হচ্ছে। পুরুষ শিক্ষক বাদ দিয়ে শতভাগ মহিলা শিক্ষকের বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।

দেড় বছর ধরে এ বিষয়ে একটা নীতিমালা করা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। এই নীতিমালায় আবাসন থেকে পাঠদান পর্যন্ত সব কিছু থাকবে।

অনেক জায়গায় মেয়েদের আবাসিক মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে যেগুলোর তদারকি কতটা আছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

ছবির উৎস, LightRocket via Getty Images

কোন পরিস্থিতিতে এসব সিদ্ধান্ত এল

বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিপীড়নের ঘটনা মাঝে মধ্যেই আলোচনার জন্ম দেয়। প্রহারসহ শারীরিক শাস্তির পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে যৌন নিপীড়নের কিছু ঘটনার তথ্যও বাইরে এসেছে সামাজিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে। যদিও এমন অনেক ঘটনা দীর্ঘকাল ধরেই বিভিন্ন মাদ্রাসায় কমবেশি ঘটে আসছিল।

একটি মাদ্রাসায় ১৪ জন ছাত্রীর দেহে উত্তপ্ত খুন্তির ছ্যাঁকা দেয়ার অভিযোগ ২০১২ সালে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ওই ঘটনায় একজন ছাত্রীর বাবা মামলা করেছিলেন।

আবার চলতি বছরের এপ্রিলে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মেয়েদের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় একজন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।

যৌন হয়রানির কারণে এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গত ২২শে এপ্রিল অবরুদ্ধ করেছিল স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।

আবার চাঁদপুরে মতলব উত্তরে এক শিক্ষককে একই ধরনের অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করেছে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি। শিক্ষার্থীরা কয়েকজন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল, যা পরে তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়।

এর আগে ২০১৯ সালে ফেনীর সোনাগাজীতে একটি মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে এক শিক্ষার্থীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়ার ঘটনা দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল।

ওই শিক্ষার্থীর ভাই তখন বিবিসিকে বলেছিলেন, তার বোন তার মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা করেছিল, সেই ঘটনার জেরে ওই অধ্যক্ষের পক্ষের শিক্ষার্থীরা তার বোনকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে।

এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ছোটো শিশুকে নির্দয়ভাবে প্রহার করা হচ্ছে মাদ্রাসায়- এমন কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দেখা গেছে।

ঢাকার একটি কওমি মাদ্রাসা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

বিশ্লেষকের বক্তব্য

ইসলাম বিষয়ক লেখক ও গবেষক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলছেন, কিছু মাদ্রাসার কিছু ঘটনা নিয়ে সার্বিকভাবে মাদ্রাসাগুলো সমালোচনায় পড়ছিল। তার মতে, মাদ্রাসা নিয়ে আল-হাইআতুল উলয়ার পদক্ষেপ ইতিবাচক বার্তা দিবে।

“ঘটনা ঘটছে এবং সেটিকে বিবেচনায় নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এটি ভালো দিক। কিন্তু মনে রাখতে হবে দেশের বহু মাদ্রাসা তালিকার বাইরে আছে। যেগুলো বোর্ডের আওতাতেই নেই। রেজিস্ট্রেশন নেই। সেগুলোকেও মনিটরিংয়ের আনতে হবে,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি।

শরীফ মুহাম্মদ বলেন, একটি মাদ্রাসায় শিক্ষক কতজন, তাদের যোগ্যতা ও নৈতিক মান কেমন, প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ কি-না এবং এগুলো ঠিকমতো চলছে কি-না সেগুলো কঠোর ভাবেই দেখা উচিত।