সুপ্রিম কোর্ট দেশজুড়ে, including নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে, ছাত্র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে reported violence-এর ঘটনাগুলির independent investigation পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের High-Powered Enquiry Committee (HPEC) গঠন করেছে। পুলিশ এবং বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই brutality ও misconduct-এর অভিযোগ খতিয়ে দেখার দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি Justice R. Subhash Reddy।
Justice Reddy ছাড়াও কমিটিতে রয়েছেন:
– পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টের প্রাক্তন Chief Justice Ravi Shankar Jha
– দিল্লি হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি Justice Shalinder Kaur
– প্রাক্তন CBI Director Rishi Kumar Shukla
– মেঘালয়ের অবসরপ্রাপ্ত Director General of Police Dr. L.R. Bishnoi
## তদন্তের পরিধি
আদালত HPEC-কে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের excessive force ব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বলেছে। এর মধ্যে রয়েছে pellet gun, electric baton, lathi charge, tear gas-এর ব্যবহার এবং হিংসায় জড়িত unmarked বা plain-clothes personnel। এছাড়াও অনুমতিহীন surveillance, মহিলা বিক্ষোভকারীদের নিশানা করে হয়রানি এবং privacy ও peaceful assembly-এর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তদন্তের আওতায় থাকবে।
Respondents পক্ষ থেকে কমিটিকে বিক্ষোভকারীদের হিংসার অভিযোগও বিবেচনা করতে বলা হয়েছে—যেমন সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি এবং security forces-এর সদস্যদের আহত হওয়ার ঘটনা। পাশাপাশি, বিক্ষোভ চলাকালীন law enforcement কর্মীদের পরিবারের ভোগ করা emotional ও mental trauma-ও বিবেচনা করা হবে।
## Mandate এবং Terms of Reference
HPEC যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে:
– পুলিশ ও security agencies disproportionate force ব্যবহার করেছিল কি না এবং পর্যাপ্ত warning বা restraint প্রয়োগ করা হয়েছিল কি না।
– গ্রেপ্তার বা force ব্যবহারের সময় দৃশ্যমান nameplate ও সঠিক uniform পরার বাধ্যবাধকতাসহ জড়িত officers-দের শনাক্তকরণ।
– Assemblies-এর উপর চালানো surveillance ও monitoring-এর পরিমাণ এবং তার আইনসঙ্গততা।
– বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মহিলাদের harassment, molestation এবং secondary victimisation-এর অভিযোগ।
– প্রভাবিত ব্যক্তিদের জন্য medical assistance-এর পর্যাপ্ততা এবং compensation-এর সম্ভাবনা।
– Bharatiya Nagarik Suraksha Sanhita, 2023-এর Section 163-এর অধীনে জারি করা blanket orders শান্তিপূর্ণ assembly অপ্রয়োজনীয়ভাবে আটকাতে অপব্যবহার করা হচ্ছে কি না।
Respondents পক্ষের বিষয়গুলিও তদন্তে বিবেচনা করা হবে:
– জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার সময় police ও paramilitary personnel-এর sustained injuries।
– বিক্ষোভ চলাকালীন public installations, vehicles, government property এবং private assets-এর ক্ষয়ক্ষতি।
## আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ
তিন বিচারপতির বেঞ্চ—Chief Justice Surya Kant, Justice Joymalya Bagchi এবং Justice V. Mohana—জানিয়েছে, শুরু থেকেই petitioners এবং respondents উভয় পক্ষই এমন পর্যাপ্ত credible allegations পেশ করেছে, যা একটি neutral, high-power inquiry-এর যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। গুরুতর আঘাত, ক্ষমতার সম্ভাব্য অপব্যবহার এবং সাংবিধানিক নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগের কারণে বেঞ্চ তদন্তের urgency-এর উপর জোর দিয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষকে নিম্নলিখিত প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে:
– CCTV এবং drone footage
– Body-worn cameras এবং অন্যান্য video coverage-এর recordings
– বিক্ষোভ-সংক্রান্ত wireless communication logs এবং PCR calls
এই সমস্ত materials কোনও obstruction ছাড়াই HPEC-এর কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এছাড়াও agencies নথিপত্র জমা দিতে এবং পরিচয় সুরক্ষিত রাখার জন্য anonymous witness-সহ সাক্ষীদের নাম প্রস্তাব করতে পারবে।
## Reporting Timeline
আদালত HPEC-কে excessive force এবং মহিলা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে targeted violence-এর অভিযোগের উপর ভিত্তি করে inaugural interim report “at the earliest” জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বিষয়টি পরবর্তীবার 10 September 2026-এ পর্যালোচনার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
আদালত স্পষ্ট করেছে, এই কমিটি গঠন হওয়ার ফলে যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে internal disciplinary বা administrative proceedings চলছে, সেগুলিতে কোনও বাধা সৃষ্টি হবে না।
## Significance এবং বৃহত্তর প্রভাব
এই পদক্ষেপ ভারতে protest policing, civil rights এবং government accountability নিয়ে চলমান বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। সম্মানিত প্রাক্তন বিচারপতি ও law enforcement officials-দের নেতৃত্বে একটি independent committee গঠন করে সুপ্রিম কোর্ট state agencies কীভাবে dissent পরিচালনা করে—বিশেষত যখন তা constitutional freedoms লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করে—সে বিষয়ে গুরুতর প্রশ্নগুলি খতিয়ে দেখার সুযোগ তৈরি করতে চাইছে। Terms of reference-এ right to assemble, free speech, privacy এবং due process-সহ civil liberties সুরক্ষার সঙ্গে state authority-এর ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভে real-time surveillance, public records এবং mass mobilization-এর ব্যবহার বাড়তে থাকায়, technological evidence সংরক্ষণ এবং দৃশ্যমান accountability mechanisms নিশ্চিত করার জন্য top court-এর এই নির্দেশ ভবিষ্যতে একই ধরনের সংঘাত মোকাবিলার ক্ষেত্রে নজির তৈরি করতে পারে।
This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.
