USS Theodore Roosevelt ইতিমধ্যেই San Diego ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নতুন করে হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে। স্ট্রাইক গ্রুপ-সহ এই aircraft carrier-এর নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে পৌঁছানোর কথা।
### উপসাগরে তৃতীয় মার্কিন aircraft carrier
এই মোতায়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাওয়া মার্কিন aircraft carrier-এর সংখ্যা তিনে দাঁড়াল। এর আগে ওই অঞ্চলে দুটি carrier উপস্থিত ছিল:
– **USS George HW Bush** মার্চ থেকে ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে।
– **USS George Washington**-কে প্রায় এক মাস আগে Japan থেকে পাঠানো হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ওই এলাকায় সর্বাধিক তিনটি carrier strike group থাকা আঞ্চলিক সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। USS Theodore Roosevelt সেখানে থাকা নৌবাহিনীর বাহিনীকে শক্তিশালী করবে, নাকি বর্তমান কোনো বাহিনীর স্থলাভিষিক্ত হবে—তা এখনও স্পষ্ট নয়।
### Trump-এর উত্তেজনা বাড়ানোর ইঙ্গিত
President Trump সম্প্রতি আবারও বলেছেন, November-এ আসন্ন midterm elections-এর পর যুক্তরাষ্ট্র Iran-এর বিরুদ্ধে ফের বিমান হামলা চালাতে পারে। Time magazine-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইঙ্গিত দেন, elections শেষ না হওয়া পর্যন্ত Iran কূটনৈতিক আলোচনা বিলম্বিত করছে।
Midterm elections-এর পর বোমাবর্ষণ ফের শুরু হতে পারে কি না, জানতে চাওয়া হলে Trump বলেন, এটি “সম্ভব”, যদিও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি। তিনি Tehran-কে সতর্ক করে বলেন, Israel-এর দিকে যাওয়া একটি flydubai flight-এর ওপর হামলার সঙ্গে যদি Tehran-এর যোগসূত্র থাকে—যে flight-টি Saudi Arabia-তে জরুরি অবতরণ করেছিল—তাহলে Tehran-কে “খুব কঠোরভাবে আঘাত করা হবে”।
### কী ঝুঁকিতে: কূটনীতি কি থমকে আছে?
Washington ও Tehran-এর মধ্যে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। Iran-এর পাঠানো একটি প্রস্তাবের ব্যাখ্যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। প্রকাশ্যে Trump প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। অন্যদিকে, Tehran-এর দাবি, তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি জবাব পেয়েছে, যা বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
New York-এ অনুষ্ঠিত 81st United Nations General Assembly-এর পার্শ্ববৈঠকে Iran-এর কর্মকর্তা ও deputy foreign minister Abbas Araghchi, Qatar ও Pakistan-এর মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। আলোচনার সময় Strait of Hormuz পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য Iran কিছু শর্ত উপস্থাপন করে। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট ফলাফল সামনে আসেনি।
—
USS Theodore Roosevelt-এর এই অগ্রযাত্রা মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনাকে তুলে ধরছে, বিশেষ করে Trump-এর হুমকি এবং কূটনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে। একই থিয়েটারে সম্ভাব্যভাবে তিনটি carrier strike group সক্রিয় থাকলে, যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। Midterm elections যত এগিয়ে আসছে, কূটনৈতিক অচলাবস্থার পর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, এখন সেদিকেই সবার নজর থাকবে।
—
This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.
