Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘আওয়ামী লীগের প্রকল্পে বড় কাটছাঁট’

পত্রিকা: ‘আওয়ামী লীগের প্রকল্পে বড় কাটছাঁট’

2
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া এবং প্রয়োজনীয়তা নেই – এমন প্রকল্প কাটছাঁট করছে সরকার, বিভিন্ন কোম্পানির কাশির সিরাপে পাওয়া গেছে মাদকের উপাদান, এবং ফের খেলাপি ঋণের পরিমান ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে – বৃহস্পতিবারের ঢাকার দৈনিকগুলোর শিরোনামে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া এবং ‘যৌক্তিক প্রয়োজনীয়তা’ নেই— এমন প্রকল্পগুলোতে কাটছাঁটের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এবং অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় থাকা মোট দুই হাজার ৩৭২টি প্রকল্প যাচাইবাছাই করে এর মধ্যে ৪৩৭টি প্রকল্পে রিস্কোপিং ও রিপারপাসিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে ২০৯টি প্রকল্প কমিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এর বাইরে ২৭০টি প্রকল্প চলতি অর্থবছরের মধ্যে শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের খাতভিত্তিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

কালের কণ্ঠ

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান খবর— After Metro’s costs, Japanese loan rates also set to rise; অর্থাৎ মেট্রোরেল তৈরির ব্যয় বৃদ্ধির পর জাপানি ঋণের সুদের হারও বাড়ছে।

খবরটিতে বলা হয়েছে, কেবল ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্প এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন রুটের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না; একইসাথে প্রকল্প দুইটিতে অর্থায়নকারী জাইকার ঋণের সুদের হার ০.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩.৫ শতাংশ বা তারও বেশি হতে পারে।

গত ৩০শে অগাস্ট পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ জাপানের সাথে ০.৬ শতাংশ থেকে ০.৯ শতাংশ সুদে ১৩ হাজার ৬২৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার একটি প্রাথমিক ঋণ চুক্তি করলেও অবশিষ্ট অর্থের জন্য কোনো শর্ত চূড়ান্ত করা হয়নি।

উল্লেখ্য, জাপান প্রতি ছয় মাস পরপর ঋণের হার পর্যালোচনা করে। সম্প্রতি জাইকার ঋণের সুদের হার ৩.০৬ শতাংশে পৌঁছেছে এবং আগামী অক্টোবরে তা ৩.৫০ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এতে বলা হয়েছে, দেশের সর্বোচ্চ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা বিসিএসে প্রতিবার কয়েক লাখ প্রার্থী আবেদন করেন। সাধারণ ক্যাডারে একেকটি পদের বিপরীতে প্রতিযোগিতা করেন কয়েকশ প্রার্থী।

তবু যোগ্য প্রার্থী না পেয়ে বিপুলসংখ্যক পদ খালি থাকছে।

টেকনিক্যাল বা পেশাগত ক্যাডারে এ সংকট আরও প্রকট। এসব ক্যাডারে প্রতি বছর শত শত পদ শূন্য রেখে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

সম্প্রতি প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলেও এই সংকট স্পষ্ট হয়েছে। তিন হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার পদের বিপরীতে এই বিসিএসে অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন পৌনে চার লাখ চাকরিপ্রার্থী।

চূড়ান্ত ফলাফলে এক হাজার ৩২০ জনকে সুপারিশ করেছে পিএসসি। দুই হাজার ১৬৭টি ক্যাডার পদ, অর্থাৎ প্রায় ৬২ দশমিক ১ শতাংশ পদ শূন্য থেকে গেছে।

অবশ্য সংশোধিত ফলে প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে নতুন করে আরও ১৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ধারিত যোগ্যতা, সাক্ষাৎকার এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ সব ধাপ পেরিয়ে উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের ৮টি ওষুধ কোম্পানির ১৪টি কাশির সিরাপ পরীক্ষা করে ‘ডেক্সট্রোমেথরফেন’ নামের একটি উপাদান পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

উপাদানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ‘ক’ শ্রেণির তফসিলভুক্ত মাদক।

এ নিয়ে কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেও সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলেছে, অপব্যবহার রোধে ডেক্সট্রোমেথরফেনযুক্ত ওষুধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি না করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উক্ত সিরাপগুলোর প্রস্তুতকারী কোম্পানির ভাষ্য, ডেক্সট্রোমেথরফেন কাশির ওষুধে ব্যবহৃত একটি স্বীকৃত উপাদান। সরকারি অনুমতি এবং নির্ধারিত মাত্রা অনুসরণ করেই ওষুধগুলো প্রস্তুত করা হয়।

তবে অতিরিক্ত সেবনে নেশাজাতীয় প্রভাবসহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

অভিযোগ উঠেছে, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কাশির ওষুধ ফেনসিডিলের মতো মাদকের চোরাচালান কমে যাওয়ার পর থেকে মাদকাসক্তদের একটি অংশ বিকল্প হিসেবে ডেক্সট্রোমেথরফেনযুক্ত কাশির সিরাপ সেবন করছে। এসব সিরাপ বেশি গ্রহণ করলে নেশাজাতীয় প্রভাব তৈরি হতে পারে।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমাতে পুনঃতফসিলের সুযোগসহ নানামুখী নীতিসহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ সুযোগ নিয়ে গত বছর রেকর্ড ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিলও হয়েছে। সে ধারা অব্যাহত রয়েছে চলতি বছরও। এরপরও খেলাপি ঋণ কমছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কেবল চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা।

বছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি-জুন) হিসাবে এ বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় ঠেকেছে।

জুন শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের স্থিতি ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

এ নিয়ে দেশে দ্বিতীয়বারের মতো খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল।

এর আগে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ায়।

এরপর খেলাপি ঋণ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নানামুখী নীতিসহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে মাত্র দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্টে ঋণ পুনঃতফসিল, সুদ মওকুফ করে হলেও এককালীন এক্সিট সুবিধা, বড় ঋণখেলাপিদের জন্য ১৫ বছর মেয়াদি ঋণ পুনর্গঠনের মতো নীতিসহায়তা।

বণিক বার্তা

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Ex-employees’ huge claims: GP takes on labour law; অর্থাৎ সাবেক কর্মীদের বিশাল দাবি: শ্রম আইনের ধারা চ্যালেঞ্জ গ্রামীণফোনের।

এই খবরে বলা হয়েছে, এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা আইনি লড়াই ২০২৩ সালে স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করেছিল গ্রামীণফোন (জিপি)। বছরের পর বছর বিলম্বিত শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিলের (ডব্লিউপিপিএফ) অর্থের ওপর জমা হওয়া সুদ পরিশোধ এড়াতেই কোম্পানি কৌশল হিসেবে মামলাটি প্রত্যাহার করা হয় বলে সাবেক কর্মীদের অভিযোগ।

মামলাটি প্রত্যাহারের পরই এক হাজারের বেশি সাবেক কর্মী শ্রম আদালতে গিয়ে বিলম্বিত ডব্লিউপিপিএফ অর্থের আইনগত সুদ দাবি করার সুযোগ পান।

এখন সেই দাবির মুখে জিপি আবার হাইকোর্টে ফিরেছে। কোম্পানিটি নতুন একটি রিট আবেদন করে এমন একটি শ্রম আইনের ধারাই চ্যালেঞ্জ করেছে, যেটি তাদের সম্ভাব্য দায়ের পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারে।

গত পাঁচ জুলাই করা ওই রিটে কোম্পানি শ্রম আইনের সেই বিধান বাতিল বা পরিবর্তনের আবেদন করেছে, যেখানে বকেয়া ডব্লিউপিপিএফ অর্থের ওপর প্রতি বছর সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের দেওয়া লভ্যাংশের ৭৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

জিপি আদালতের কাছে চেয়েছে, এই ক্ষেত্রে আইনে থাকা তুলনামূলক কম হারের বিকল্পটি প্রযোজ্য করা হোক– ব্যাংক হারের চেয়ে ২৫০ বেসিস পয়েন্ট বেশি। জিপি এই রিটে জয়ী হলে সাবেক কর্মীদের দাবিকৃত সুদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

টাইমস অব বাংলাদেশ

নিউ এইজের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Ex-adviser Asif Mahmud under ACC scanner; অর্থাৎ দুদকের জালে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

খবরটিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্যরা হলেন— যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে।

সাবেক এ উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে গুরুতর অনিয়ম করেছেন। এক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ নিয়ে গতকাল বুধবার রাতে এনসিপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আসিফ মাহমুদ, যিনি এখন দলটির নেতা। অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দুদককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার আল্টিমেটাম দেন।

নিউ এইজ

খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে প্রায় স্থবির হয়ে যাওয়া সম্পর্কে গতি আনার দায়িত্ব দিয়ে রাজনীতিক দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠায় ভারত সরকার।

দুই দেশের সরকারপ্রধানদের নির্দেশনা নিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে উন্নত করতে তৎপর রয়েছেন তিনি। টানা বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলে চলেছেন, দুই রাজধানীতেই।

দীনেশ ত্রিবেদী মনে করেন, দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে সম্পর্কে গতি আনা সহজ হবে; বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পথও পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশের কূটনীতিকদের একটি বড় অংশও এমনটি মনে করেন।

তবে এমন বৈঠকের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।

দেশ রূপান্তর

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সব নাগরিককে একক পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জন্মের পরই শিশুরা এই পরিচয়পত্র পাবে। সারা জীবন স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সব ধরনের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে হবে। পরিচয়পত্রটির নাম হবে ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি (এক-আইডি)।

স্থায়ী ও স্বতন্ত্র এই পরিচয়পত্র তৈরির এই প্রকল্পের নাম ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার)। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে; সময়কাল ধরা হয়েছে ২০২৬-২০৩১।

দেশে এখন শিশুদের জন্মনিবন্ধনের পর সনদ দেওয়া হয়। ১৮ বছর বয়স হলে পাওয়া যায় জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ড। নতুন পরিচয়পত্র দেওয়া হবে দেশের সব নাগরিককে। নতুন পরিচয়পত্র পাওয়ার পর সরকারি দপ্তরে মানুষকে একই তথ্য বারবার দিতে হবে না।

এদিকে, উৎপাদন, মুদ্রণ, বিতরণ ও সরবরাহ মিলিয়ে প্রতিটি কার্ডে ব্যয় হবে ৩৬৯ টাকা। প্রকল্প ব্যয়ের একটি বড় অংশ দেবে সরকার। বাকিটা আসবে বিশ্বব্যাংকের ঋণ হিসেবে।

প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের চলমান জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকার ৫টি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গতকাল বুধবার সংসদ অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান ও আমদানি নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, সাইসমিক জরিপ, বাপেক্সকে শক্তিশালীকরণ, পিএসসি (প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্যাক্ট) ও বিডিং এবং এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ বাড়াতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

মানবজমিন