Source : BBC NEWS

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট
খবরে বলা হচ্ছে, নয়াদিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের বৈঠক ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর প্রকাশ্যে আসা তথ্যানুযায়ী, আলোচনার মূল বিষয় ছিল ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পর্ক এবং দুই দেশের সহযোগিতা আরো গভীর করা। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট এজেন্ডা বা কোনো গোপন সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
বৈঠকের তাৎপর্য অবশ্য শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সময়কাল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ঢাকার চাপ এবং একই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় চীন-ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে দোভাল-গোর বৈঠকটি আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এই বৈঠক অনুষ্ঠানের সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দিল্লিতে ছিলেন। তবে তিনি এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা জানা যায়নি।
এ দিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে বাংলাদেশের অনুরোধ ‘প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া’ অনুযায়ী পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে ভারত। গতকাল দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানান।

‘ফখরুলই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী’ কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হওয়ার পথে। একই সঙ্গে দলটির পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর নামও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
সরকার এবং দলের উচ্চ পর্যায় থেকে কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন এবং মহাসচিব হিসেবে রিজভীর দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপি।
সে ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি থেকে যিনি মনোনয়ন পাবেন তিনিই হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি এটা নিশ্চিত।
বিএনপিও দলীয় ফোরামে আলোচনা করে রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়টি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে। এ ছাড়া দলের গণতন্ত্র অনুযায়ী মহাসচিব পদে নিয়োগ দেওয়ার সর্বোচ্চ এখতিয়ারও দলের চেয়ারম্যানের রয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এরপর পর্যায়ক্রমে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারি থেকেই এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
এমন লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানবজমিনকে জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে।
পর্যায়ক্রমে সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। এ বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতেই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ৩১শে জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই তালিকা দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে। কমিশন এখন এই প্রক্রিয়া নিয়ে এগোচ্ছে। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করতে কিছুটা সময় লাগবে।
এরপরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ ছাড়া সারা দেশে নির্বাচনের আয়োজনের জন্য যে সরঞ্জাম তা প্রস্তুতেও কিছুটা সময় লাগবে। এসব কারণে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে আসছে ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

‘গাফিলতি তাঁদের, হামে মৃত্যু শিশুদের’ প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের মা হয়েছিলেন ফারজানা ইসলাম। তা-ও বহু ব্যয় করে, আইভিএফ পদ্ধতিতে। সন্তানের নাম রেখেছিলেন ফাইয়াজ হাসান তাজিম। ফেসবুক প্রোফাইলে নিজের নাম দিয়েছিলেন ‘তাজিমের আম্মু’।
হামে আক্রান্ত হয়ে গত ২২ এপ্রিল মারা যায় তাজিম। বয়স হয়েছিল ৮ মাস ১৮ দিন। হাম ও হামের উপসর্গে গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তাজিমের মতো ৮৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের প্রায় সবাই শিশু।
দেশে বহু বছর ধরে হাম নিয়ন্ত্রণেই ছিল। হামে শিশু মৃত্যু হয়েছে, এমন খবর ছিল বিরল। এ বছর কেন বিপর্যয় তৈরি করল, দায় কাদের-তা নিয়ে তিন মাস ধরে অনুসন্ধান করেছে প্রথম আলো।
সরকারের নথিপত্র সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেছে গাফিলতির কারণে।
হামের ঝুঁকিকে অগ্রাধিকার না দেওয়া, টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচির জন্য হাম-রুবেলার ক্যাম্পেইন বারবার পেছানো, কয়েক বছর ধরে প্রয়োজনের তুলনায় কম টিকা কেনা এবং ঝুঁকির তথ্য যথাসময়ে বিশ্লেষণ না করার মধ্য দিয়ে সংকটটি ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে।
এ ব্যর্থতার দায় কোনো একটি সরকার বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

খবরে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে পুলিশের নিয়োগ থেকে শুরু করে পদোন্নতি, বদলি ও মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন-সব ক্ষেত্রেই ছিল বিতর্ক। পুলিশের হাতে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের অসংখ্য নেতাকর্মী হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও ছিল অহরহ।
বাহিনীর কিছু সদস্য ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক দিয়ে নির্দোষ মানুষকে ফাঁসানোসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিল। সেসময় পুলিশের একটি বড় অংশ ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল।
তবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢেলে সাজানো হয়েছে পুলিশকে, আনা হয়েছে নেতৃত্বে পরিবর্তন।
অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে-এত কিছুর পরও কতটা বদলেছে পুলিশ?
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে রাজনৈতিক সংস্কৃতির জায়গাটা আগের মতোই রয়ে গেছে। ফলে সবকিছু হচ্ছে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছায়। অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক বিষয়গুলোতেও কোনো পরিবর্তন আসেনি। এখনো অনেক সদস্যের মধ্যে অপরাধমূলক মানসিকতা রয়ে গেছে।

খবরে বলা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপণ্যের আমদানিতে উৎসে কর ও অগ্রিম আয়কর কমানো হয়। এতে জুনের শেষার্ধ ও জুলাইয়ে দেশের পাইকারি বাজারে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল ছিল।
তবে বিরূপ আবহাওয়া, জ্বালানি সংকটে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতায় আগস্টের শুরু থেকেই পাইকারিতে প্রধান প্রধান ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। পাইকারিতে দাম বাড়ার প্রভাব দেশব্যাপী খুচরা বাজারেও পড়ছে।
চলতি বছরের জুনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলের মতো প্রায় ৬০টি নিত্যপণ্যের উৎসে ও অগ্রিম কর সর্বোচ্চ ৫ থেকে কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।
অগ্রিম কর নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা একপর্যায়ে ফেরত পান। কিন্তু দেশে বিদ্যমান ব্যবসায়িক চর্চার প্রেক্ষাপটে সেটি বাস্তবে পণ্য বিক্রি হওয়ার পর পরই ফেরত আসে না। বরং ব্যবসায়ীদের প্রদেয় বিভিন্ন শুল্ক-করের সঙ্গে সমন্বয় হয়।
দেশের শীর্ষ ভোগ্যপণ্য আমদানি ও বিপণনকারী বাজার খাতুনগঞ্জে গত ৮-১০ দিনে গম, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মোটা মসুর, মসলা, রসুন, পেঁয়াজসহ বেশকিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। গম, চিনি ও ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আটা-ময়দাসহ খাদ্যপণ্যের বাজারে প্রভাব পড়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা আবারও পরিচালনা পর্ষদের হাতে দেওয়ার আলোচনায় উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। তাঁরা বলছেন, এটা হলে নিয়োগে দুর্নীতি হবে এবং তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
তাই প্রতিবাদ জানিয়ে গত সোমবার এবং গতকাল মঙ্গলবার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।
এমন প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞ ও পর্যবেক্ষকেরা এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থার পক্ষে মত দিয়ে একে আরও কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছেন।
অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়ে এ বিষয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন।
তেসরা আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বা এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে — মিডিয়ায় এ রকম খবর ছড়িয়ে পড়লে চাকরিপ্রত্যাশীসহ বিভিন্ন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে।
সোমবার রাত এবং গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এর প্রতিবাদে কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রত্যাশী অনেকে।

খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের অর্ধেক জিপিএ ৩-এর নিচে পেয়েছে। এমন খারাপ ফলের পেছনে শিক্ষাক্ষেত্রে চলমান বৈষম্যের বড় প্রভাব আছে বলে মনে করছেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং শিক্ষাবিদরা। ফলে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী খারাপ ফল নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে যাচ্ছে।
গত সোমবার প্রকাশিত ফলের তথ্য অনুযায়ী, এবার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পরীক্ষার্থীদের ৫০.৩৪ শতাংশ জিপিএ ৩-এর কম পেয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, জিপিএ ৪-এর নিচে পেয়েছে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৫২৩ জন, যা মোট পাসের প্রায় ৬০ শতাংশ। আর জিপিএ ৪ বা এর বেশি পেয়েছে চার লাখ ৬০ হাজার ৩৫৪ শিক্ষার্থী। অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ।
এবার শুধু পাসের হারই কমেনি; টানা চতুর্থ বছরের মতো কমেছে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। এর মধ্যে মানবিক বিভাগে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। একই সঙ্গে শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক বছরে দ্বিগুণের বেশি হয়ে ৩১২-তে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ কেবল পরীক্ষার ফল নয়; এটি শিক্ষার মান, ভালো শিক্ষকের সংকট, শিক্ষায় গ্রাম-শহরের মধ্যে বৈষম্য, দারিদ্র্য বৃদ্ধিসহ বিদ্যমান সামাজিক সংকটেরও নির্দেশক।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Health costs far exceed cigarette tax revenue’ অর্থাৎ ‘স্বাস্থ্যখাতের ব্যয় সিগারেটের কর থেকে পাওয়া রাজস্বকে বহুগুণে ছাড়িয়ে গেছে’।
খবরে বলা হচ্ছে, গত দুই দশকে বাংলাদেশে সিগারেট থেকে রাজস্ব আয় ১১ গুণেরও বেশি বেড়েছে। কিন্তু বারবার কর ও দাম বাড়ানো সত্ত্বেও এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হয়নি। দেশের সিগারেটের কর কাঠামো জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সুফল বয়ে আনছে কি না, বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
রাজস্ব বৃদ্ধি এবং তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার প্রায় প্রতি বছরই সিগারেটের দাম ও সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম লক্ষ্যটি অনেকাংশেই অর্জিত হয়েছে। যার ফলে সিগারেট সরকারের পরোক্ষ কর রাজস্বের অন্যতম বৃহত্তম ও নির্ভরযোগ্য উৎসে পরিণত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় লক্ষ্যটি অর্জন করা এখনও একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিক্স এবং ইকোনমিক্স ফর হেলথের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ও চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হ্রাসের কারণে ২০২৪ সালে তামাকজনিত রোগের ফলে বাংলাদেশের ৭৩ হাজার ৬৩ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

নিউ এইজের শিরোনাম ‘No end to monsoon road digging woes in city’ অর্থাৎ ‘বর্ষায় রাস্তা খোঁড়ায় দুর্ভোগের শেষ নেই’।
খবরে বলা হচ্ছে, বর্ষাকালে বিভিন্ন সংস্থা কোনো ধরনের সমন্বয় ছাড়াই রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক খোঁড়াখুড়ি করে। এতে রাজধানীবাসী যানজট, জমে থাকা পানি, ব্যবসায়িক ক্ষতি এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে ভোগেন।
সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের মতে, বর্ষাকালে রাস্তা কাটার অনুমতি না দেওয়ার নীতি থাকা সত্ত্বেও এই বর্ষায় রাজধানীর প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার সড়ক নেটওয়ার্কের মধ্যে ১৫০ কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তা খোঁড়া হয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন অংশে সড়ক খননের কাজ করে থাকে এমন সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ডেসকো এবং ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
ভোগান্তির শিকার এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে বাড্ডা, বনানী, কমলাপুর, কারওয়ান বাজার, মিরপুর, কাকরাইল, মতিঝিল, ধানমন্ডি, রামপুরা, তেজগাঁও, কুড়িল এবং বিমানবন্দর এলাকা।
ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান জানান, মগবাজার, মতিঝিল, কাকরাইল ও ধানমন্ডিসহ এর ১০টি জোনে ১ হাজার ৬৫৬ কিলোমিটার সড়ক নেটওয়ার্কের ৯২ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে।





