Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘পাঁচ মাস আগেই সতর্ক করা হয়েছিল’

পত্রিকা: ‘পাঁচ মাস আগেই সতর্ক করা হয়েছিল’

2
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

পাঁচ বছরের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির সরকারের যে পরিকল্পনা সেটি চ্যালেঞ্জিংয়ের পাশপাশি ত্রুটিপূর্ণ, নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসের পাঁচ মাস আগেই সতর্ক করা হয়েছিল এবং জাতীয় নির্বাচনের পর সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আবারও গড়ে উঠছে রিসোর্ট – এমন খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার মাত্র পাঁচ মাস আগেই হিন্দুকুশ-হিমালয় (এইচকেএইচ) অঞ্চলের হিমবাহ গলনের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল দু’টি গবেষণা প্রতিবেদন।

যেখানে বলা হয়েছিল, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ অঞ্চলের হিমবাহগুলো ক্রমেই দ্রুত গলছে এবং এ শতাব্দীর শুরু থেকে বরফ গলার হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

গত মার্চ মাসে প্রকাশিত ওই দুই প্রতিবেদনে কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তঃসরকারি সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি) জানায়, ১৯৭৫ সাল থেকে হিমবাহগুলোর বরফের পুরুত্ব সর্বোচ্চ ২৭ মিটার পর্যন্ত কমে গেছে। এতে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

কারণ, এ অঞ্চলের হিমবাহ থেকে গলে যাওয়া পানি পর্বতমালার নিচের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের পানি, খাদ্য, জ্বালানি ও জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস।

মানবজমিন

এই খবরে বলা হয়েছে, আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় ২০২১ সালের দিকে কাজ করতেন প্রায় ১৬ হাজার শ্রমিক। বর্তমানে সে সংখ্যা নেমে এসেছে সাড়ে ১৩ হাজারে। অর্থাৎ পাঁচ বছরের ব্যবধানে কারখানাটিতে কর্মী কমেছে অন্তত হাজার।

কর্মী কমলেও উৎপাদন কমেনি। বরং উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে। একই সংখ্যক শ্রমিক দিয়ে এখন আগের তুলনায় বেশি পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।

এর পেছনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবটিক সিস্টেম এবং বিভিন্ন ধরনের অটোমেশন প্রযুক্তির ব্যবহার।

দেশের শিল্প খাতে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও বস্ত্রের মতো বড় শিল্পে আধুনিক যন্ত্রপাতি, স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় একদিকে উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ছে, অন্যদিকে একই পরিমাণ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে তুলনামূলক কম শ্রমিক।

এ বাস্তবতায় আগামী পাঁচ বছরে নতুন করে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির সরকারের যে পরিকল্পনা, তা প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

বিশেষ করে শিল্প খাতে যে বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে সংশয়।

এছাড়া, দেশের শ্রমবাজারে এখন একটি বড় বৈপরীত্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

একদিকে সেবা খাতের আকার দ্রুত বাড়ছে, অন্যদিকে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশ বছরের পর বছর কর্মসংস্থানহীন থেকে যাচ্ছে।

অর্থনীতির আকার ও সেবা কার্যক্রম সম্প্রসারিত হলেও সে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশিত হারে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বণিক বার্তা

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুতির পর ভারতে অবস্থান নেওয়া শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।

এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ তার দল আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার ছক কষছেন।

প্রযুক্তির সাহায্যে পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা।

নারায়ণগঞ্জের পলাতক নেতা শামীম ওসমানও ডিসেম্বরে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তার এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

এ বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে অবহিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিজেদের শক্তির জানান দিতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা গত দুই সপ্তাহে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ঝটিকা মিছিল করেছে। এর মধ্যে কয়েকটি ঘটনায় বেশ উদ্বিগ্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এরই মধ্যে পুলিশ সদর সপ্তর থেকে এ বিষয়ে সব ইউনিটকে সতর্ক করে মাঠ পর্যায়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর

প্রথম আলোর প্রধান খবর— সেন্ট মার্টিনে আবার রিসোর্ট নির্মাণ

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সেন্ট মার্টিনে নতুন করে অন্তত ১২টি রিসোর্ট-কটেজ গড়ে উঠছে।

অথচ প্রতিবেশ সংকটাপন্ন প্রবালসমৃদ্ধ এ দ্বীপে সব ধরনের স্থাপনা তৈরি নিষিদ্ধ।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে দ্বীপে নতুন করে ৭০টির বেশি রিসোর্ট নির্মাণ করা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব রিসোর্টের বিরুদ্ধে মামলা-জরিমানাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয় পরিবেশ অধিদপ্তর। প্রশাসনের পদক্ষেপে তখন নতুন রিসোর্ট-কটেজ নির্মাণ অনেকটাই বন্ধ

হয়ে যায়।

পর্যটন মৌসুম শেষ হওয়ার পর বৈরী আবহাওয়ার সময় যখন টেকনাফের সঙ্গে দ্বীপের নৌ যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকে, তখনই বাড়ে নির্মাণকাজ।

নির্মাণসামগ্রী দ্বীপে নেওয়ার ওপর কড়াকড়ি থাকলেও নানা কায়দায় পৌঁছে যাচ্ছে ইট, বালু, রড ও সিমেন্ট। টেকনাফ থেকে নির্মাণসামগ্রীর একটি অংশ হোটেল-রিসোর্ট নির্মাণে ব্যবহৃত বা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

প্রথম আলো

খবরটিতে বলা হয়েছে, জ্যেষ্ঠতার তালিকা চূড়ান্ত না হওয়া, পদোন্নতি আটকে থাকা, নিয়োগ ও নিয়মিতকরণে জটিলতা, একাধিক মামলা এবং প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত প্রকৌশলীদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধের কারণে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

এতে এলজিইডির প্রশাসনিক কাঠামো জটিল হয়ে উঠছে। এর প্রভাব পড়ছে এলজিইডির উন্নয়নকাজে।

সর্বশেষ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর পদ নিয়ে জটিলতা আরও বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম শ্রেণির প্রকৌশলীদের জ্যেষ্ঠতার তালিকা চূড়ান্ত করা যায়নি।

এ অবস্থায় একসঙ্গে ২২৫ জেষ্ঠা সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীকে ছয় মাসের জন্য জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কোথাও পুরোনো নির্বাহী প্রকৌশলীকে সরিয়ে নতুন পদায়ন করা হচ্ছে। আবার নির্বাহী প্রকৌশলীর পদ পাওয়ার পরও দায়িত্ব বুঝে না পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর পদেই কাজ করছেন কেউ কেউ।

এদিকে, ২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া ছয় শতাধিক প্রকৌশলীর পদোন্নতি আটকে আছে।

এছাড়া, এলজিইডির সর্বশেষ জ্যেষ্ঠতার তালিকা করা হয়েছিল ২০০৮ সালে। এরপর ১১ বছর ধরে নতুন তালিকা চূড়ান্ত করতে পারেনি এলজিআরডি।

সমকাল

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেভাবে পদোন্নতি ও পদায়ন হয়েছে এখনো একই কায়দায় তা হচ্ছে।

একজনকে ডিঙ্গিয়ে আরেকজন চলে যাচ্ছেন উচ্চপদে। এক ব্যাচ রেখে পরের ব্যাচের কর্মকর্তাদের দেওয়া হচ্ছে পদোন্নতি। ফলে জুনিয়রদের অধীনে দায়িত্বপালন করতে হচ্ছে সিনিয়রদের।

এতে অনেক কর্মকর্তার মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ, হতাশা।

অনেকেই অভিযোগ করেছেন, যাদের ‘রাজনৈতিক যোগাযোগ ও তদবির ভালো’ তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন। এর বাইরে যোগ্যতা থাকার পরেও অনেকে পাচ্ছেন না পদোন্নতি।

সম্প্রতি ২৯ ব্যাচের সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার রেজাউল করিম পদোন্নতি বিষয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার রোষানলে পড়েন।

তিনি তার দপ্তরে ডেকে নিয়ে বকাঝকা করলে এসপি তার ফেসবুক পোস্টটি ডিলিট করে দেন।

এরপর তাকে গত মঙ্গলবার খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়। এর আগে তিনি কর্মরত ছিলেন এসবিতে।

সংযুক্তির পর ওই এসপি ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন। যেটির একটি অংশে হচ্ছে, “আমি সংযুক্ত’, আমার কাজ আর বাংলাদেশ পুলিশের প্রয়োজন নেই। পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কেন ভালো কাজ করতে অফিসাররা উৎসাহিত হন না, তার আরেকটা উদাহরণ তৈরি হলো আমার পোস্টিং দিয়ে।”

তার এই পোস্ট নিয়ে তোলপাড় চলছে পুলিশে।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, মাদক কারবারিদের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

সংস্থা দুটির অনুসন্ধানে এ পর্যন্ত ৩৩৫ জন মাদক কারবারির অর্থপাচারের তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে ১৭২ জনের বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনে মামলা করে আদালতে অভিযোগপত্র অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে মাদক কারবারের মাধ্যমে অর্জিত বাড়ি, গাড়ি, জমি ও ব্যাংকে থাকা অর্থসহ ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থসম্পদ জব্দ ও ক্রোক করা হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

টাইমস অব বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Tarique to meet Erdogan as Dhaka-Ankara ties deepen; অর্থাৎ গভীর হচ্ছে ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক, এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সম্মেলনের উচ্চপর্যায়ের পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চলতি বছরের নভেম্বরে তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হবে।

এমন এক সময়ে এ সফর হতে যাচ্ছে, যখন বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে।

তুরস্ক সফরের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।

জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেওয়া অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করতে পারেন।

টাইমস অব বাংলাদেশ

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬-৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতির আকার প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির মোট আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

আর পাঁচ বছর পরই বাংলাদেশের অর্থনীতি ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই সময়ের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোর অর্থনীতিকেও ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ।

আইএমএফের পূর্বাভাসে ২০৩০ সালে মালয়েশিয়ার জিডিপি ৬৭২.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আর ভিয়েতনামের অর্থনীতি ৬৬৭.৫, ডেনমার্ক ৫৮৯.২ ও থাইল্যান্ডের অর্থনীতি ৬৪৭.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

কালের কণ্ঠ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Job loss, rise in poverty feared in Bangladesh; অর্থাৎ বাংলাদেশে চাকরিচ্যুতি ও দারিদ্র্য বৃদ্ধির শঙ্কা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে এই আশঙ্কা করছে বিশ্বব্যাংক।

খবরটিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশিদের জন্য কেবল জ্বালানি তেলের দামেই পড়েনি; দারিদ্র্য আরও বৃদ্ধি, চাকরিচ্যুতির দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছে।

মুদ্রাস্ফীতি, চাপের মুখে থাকা ব্যাংকিং খাত এবং সংকুচিত রাজস্ব তহবিলের কারণে ইতোমধ্যেই দুর্বল হয়ে পড়া অর্থনীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে এই যুদ্ধ।

গত জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত একটি মূল্যায়নে এ নিয়ে ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশে এ বছর দারিদ্র্য থেকে ১৭ লাখ মানুষ বের হয়ে আসবে বলে যেখানে প্রত্যাশা করা হচ্ছিল, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তা এখন ৫ লাখে নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসাথে প্রায় ৬ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দ্য ডেইলি স্টার