Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘পে-স্কেল চূড়ান্ত: দুই ধাপে বাস্তবায়ন’

পত্রিকা: ‘পে-স্কেল চূড়ান্ত: দুই ধাপে বাস্তবায়ন’

2
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন স্কেল চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম ধাপে বর্ধিত মূল বেতন এবং পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন ধরনের ভাতা দেয়া হবে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, চলতি বছরেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

এদিকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে গঠিত সচিব কমিটি এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এখন তা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ার পরই নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, চলতি বছরের মধ্যেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা হবে। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে বেতন কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আরো পর্যালোচনা ও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সচিব কমিটি পে-কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বেতন বৃদ্ধির হার নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। তবে দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা নয়াদিল্লির জন্য নতুন কূটনৈতিক সংকট তৈরি করেছে।

হাসিনা দীর্ঘদিন ভারতের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত হলেও সম্প্রতি তার বক্তব্য ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে দিল্লির ‘মাথাব্যথার’ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাকে আশ্রয় দেয়া অব্যাহত রাখলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ভারতের টানাপড়েন আরো গভীর হতে পারে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ চীনের আরো কাছে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক স্বাধীন আন্তর্জাতিক নীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান (থিংক ট্যাংক) লোয়ি ইনস্টিটিউটের এক বিশ্লেষণে এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে।

লোয়ি ইনস্টিটিউটের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ফিরে আসার ঘোষণা দিয়ে হাসিনা বড় ধরনের ঝুঁকিও নিয়েছেন। কারণ ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান সহিংসভাবে দমনের ঘটনায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

জাতিসংঘের এক তদন্তে বলা হয়, গণ-অভ্যুত্থানে ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান।

বণিক বার্তা

‘রিজার্ভে স্বস্তি, বিনিয়োগ মন্দায়’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগের স্থবিরতা, দুর্বল ব্যাংক খাত, বড় রাজস্ব ঘাটতি ও ক্রমবর্ধমান ঋণ পরিশোধের চাপ-অর্থনীতির এ সবই উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিল বিএনপি সরকার। ছয় মাসে এসব কাঠামোগত সমস্যার সমাধান হয়নি।

তবে ডলার, রিজার্ভ, প্রবাসী আয় ও রপ্তানিতে কিছুটা স্বস্তি আছে। মূল্যস্ফীতিও জুলাইয়ে সামান্য কমেছে। যদিও কয়েক বছর ধরে দাম বাড়তে থাকায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ফেরেনি।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানেও ঘুরে দাঁড়ানোর স্পষ্ট লক্ষণ নেই। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকট শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত করেছে।

ছয় মাসে সরকার ব্যবসার বাধা কমানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ঋণের খরচ কমানোর কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। তবে ব্যাংক, রাজস্ব ও জ্বালানি খাতের সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতি সীমিত। সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে অর্থনীতিতে খানিকটা স্থিতিশীলতা এসেছে, কিন্তু পুনরুদ্ধার শুরু হয়নি।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও বলেছেন, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে দুই বছর সময় লাগবে। অর্থনীতি স্থিতিশীল ও পুনরুদ্ধারের জন্য সরকার কী কী করছে, তার একটি তালিকাও গতকাল সরকার প্রকাশ করেছে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, প্রতিবছর ২০ থেকে ২২ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। যে কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে-অনেক ক্ষেত্রে তার উপযোগী দক্ষ জনবলও পাওয়া যাচ্ছে না।

আবার বিদেশের শ্রমবাজারে যাচ্ছে বিপুলসংখ্যক স্বল্প দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী। ফলে বেশি কাজ করলেও উঁচুমানের বেতন পাওয়া যাচ্ছে না। এমন বাস্তবতায় দক্ষতা উন্নয়নে সরকারি বিপুল অর্থ ব্যয় কতটা কার্যকর-সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে।

দেশে বেকারদের ৭৬ শতাংশ তরুণ। আবার উচ্চশিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশকে চাকরির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত শ্রমশক্তি জরিপের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে মোট বেকার ২৬ লাখ ২৪ হাজার জন।

এর মধ্যে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সি তরুণ-তরুণী ২০ লাখ ৩২ হাজার জন। আবার বেকারদের প্রায় ২৯ শতাংশ উচ্চশিক্ষিত বা স্নাতক ডিগ্রিধারী।

এ হিসাবে দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার জন। প্রতি তিনজন স্নাতক ডিগ্রিধারীর একজন বেকার! শুধু বেকার নয়, চাকরি পাওয়ার অপেক্ষাও দীর্ঘ হচ্ছে।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রুফটপ সোলারের (ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ) ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। গ্রিডের বিদ্যুতের তুলনায় কম খরচ, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, শিল্প-কারখানায় গ্যাসের সংকট এবং ডিজেলচালিত জেনারেটরের উচ্চ ব্যয়ের কারণে রুফটপ সোলার এখন শিল্প খাতে আকর্ষণীয় বিকল্প হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে দিনে শিল্প-কারখানার বিদ্যুতের চাহিদার একটি বড় অংশ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হওয়ায় এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিল্প-কারখানায় গ্রিড থেকে সরবরাহ করা বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যয় প্রতি ইউনিট ১১ টাকা ৫৬ পয়সা।

এর বিপরীতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের ক্যাপেক্স মডেলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের খরচ পড়ছে মাত্র চার থেকে সাড়ে চার টাকা। আর অপেক্স মডেলে প্রতি ইউনিটের খরচ সাত থেকে আট টাকার মধ্যে।

ফলে গ্রিড বিদ্যুতের তুলনায় ক্যাপেক্স মডেলে প্রতি ইউনিটে ৭ টাকারও বেশি এবং অপেক্স মডেলে প্রায় তিন থেকে সাড়ে চার টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা সম্ভব হচ্ছে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রতিযোগিতার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ছে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ইইউতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬.৪৩ শতাংশ কমে ৮.৬৪ বিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় অর্ধেকই আসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ বাজারে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়া রপ্তানি খাতের জন্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছ।

ইইউ’র সামগ্রিক পোশাক আমদানির বাজার সংকুচিত হওয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানিতে এই ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করেন তারা।

ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন মাসের মধ্যে ইইউতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ১৬.৪৩ শতাংশ কমে ৮.৬৪ বিলিয়ন ইউরোতে নেমেছে।

অন্যদিকে, তালিকায় থাকা প্রধান প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে চীনের রপ্তানি ৮.৮৮ শতাংশ কমে ১২.৯৭ বিলিয়ন থেকে ১১.৮২ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে।

তুরস্কের রপ্তানি ১৪.৬০ শতাংশ কমে ৪.২৭ বিলিয়ন থেকে ৩.৬৫ বিলিয়ন ইউরো এবং ভারতের রপ্তানি ১২.৪৯ শতাংশ কমে ২.৭০ বিলিয়ন থেকে ২.৩৬ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু সারা দেশে ছড়ালেও এর সংক্রমণ বেশি রাজধানী ঢাকায়। সারা দেশে চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৭০ জনের মধ্যে ৩২ জনই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার।

চলতি আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন কীটতত্ত্ব গবেষকেরা। অথচ মশা মারতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের চার বছরে খরচ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

গত তিন দশকে এই খরচ মোট ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি। এই খরচ করা হয়েছে মশা নির্মূলে যন্ত্রপাতি, ওষুধ কেনা ও ছিটাতে। এরপরও মশার উপদ্রব কমছে না। কমেনি ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিটি করপোরেশনের মশা মারার পদ্ধতি সঠিক নয়।

বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে ভুল পদ্ধতিতে। মশা মারার ওষুধ কেনা নিয়ে দুর্নীতি ও মানহীন ওষুধ কেনার অভিযোগও উঠেছে। পাশাপাশি বিগত সময়ের কিছু উদ্যোগ সমালোচিতও হয়েছে।

ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ায় মশা নির্মূলে ক্র্যাশ প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ৪০৬ জন মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তরের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এ কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মানি লন্ডারিং ইউনিট।

অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাদের স্বজনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও ব্যাংক লেনদেনের তথ্য খুঁজে বের করা হচ্ছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে পৃথকভাবে চারটি সংস্থাকে চিঠি দিয়েছে সিআইডি।

একসঙ্গে মাদক-সংশ্লিষ্ট এত সংখ্যক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের ঘটনা এই প্রথম। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যাংকিং লেনদেনের তথ্য পেতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) চিঠি দিয়েছে সিআইডি। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে চিঠি দিয়ে চাওয়া হয়েছে সম্পদের হিসাব।

সংশ্লিষ্ট থানার ওসির কাছে লিখিত পত্র দিয়ে অভিযুক্তদের ব্যাপারে তথ্য দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্তদের জাতীয় পরিচয়পত্র চাওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।

সমকাল

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Pricey dollar, inflation to double costs’ অর্থাৎ ‘ডলারের চড়া দর ও মূল্যস্ফীতির কারণে এমআরটি-১ ও ৫-এর খরচ দ্বিগুণ হচ্ছে’।

খবরে বলা হচ্ছে, ডলারের দাম বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং নতুন করের কারণে মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫-এর নির্মাণব্যয় মূল প্রাক্কলনের দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। সরকারের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি এ কথা জানিয়েছে।

মে মাসে গঠিত সাত সদস্যের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, ‌’পাঁচ বা সাত বছর আগে—যখন মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনাটি তৈরি করা হয়েছিল—তার তুলনায় এখন সবকিছুর দামই বেশি’।

ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ইমিরেটাস অধ্যাপক বসুনিয়া জানান, টাকার বিপরীতে ডলারের মান ২০ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া করের হারও বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যমান নকশা এবং আমাদের প্রস্তাবিত নকশার ওপর ভিত্তি করে আমরা একটি অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই করেছি—এটি কোনো প্রকৌশলগত সমীক্ষা ছিল না। আমরা সেই কাজটি করেছি এবং এতে খরচ বেড়েছে’।

কয়েকটি স্টেশনের নকশাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে, কমিটি অনুমান করেছে,৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে খরচ হবে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। একই অবস্থা এমআরটি লাইন-৫ এর।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Health promises yet to materialise‘ অর্থাৎ ‘স্বাস্থ্যসেবা প্রতিশ্রুতি এখনও বাস্তবায়ন হয়নি’।

খবরে বলা হচ্ছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম ছয় মাসের মধ্যে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে যেসব প্রধান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার অধিকাংশই বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেতে সাধারণ মানুষকে এখনো হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু নীতিগত উদ্যোগ নিলেও বাস্তবে অগ্রগতি ছিল সীমিত। ফলে স্বাস্থ্যসেবার ওপর এর দৃশ্যমান প্রভাব তেমন একটা পড়েনি।

হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রচেষ্টা পর্যাপ্ত নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। চলতি বছরে এই রোগে এখন পর্যন্ত ৯১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৬ জন, যাদের অধিকাংশই শিশু।

হামের প্রাদুর্ভাবে টিকার ঘাটতির জন্য সরকার অন্তর্বর্তীকালী সরকারকে দায়ী করলেও, সরকারের নিজস্ব পদক্ষেপ—বিশেষ করে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা উঠেছে।

বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বিনামূল্যে মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, জিডিপির ৫ শতাংশে স্বাস্থ্যখাতের ব্যয় বৃদ্ধি, ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিতকরণ এবং বাহক-বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

নিউ এইজ