Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘শাহবাগ এলাকায় ৯ মাসে ৬৫ অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার’

পত্রিকা: ‘শাহবাগ এলাকায় ৯ মাসে ৬৫ অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার’

2
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাংলাদেশের বেশিরভাগ সরকারি হাসপাতাল থেকে ডেঙ্গু রোগীর তথ্য পাচ্ছে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তর; ঢাকার মধ্যে শাহবাগ এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে; নতুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এবং ডিসেম্বর ঘিরে নাশকতার ছকের খবর রয়েছে আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহবাগ থানাধীন এলাকায় গত এক মাসে অন্তত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের কারও পরিচয় বের করা যায়নি। বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে।

শাহবাগ থানা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে শাহবাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও আশপাশের এলাকা থেকে ৭৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর মধ্যে ১৪ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ৬৫ জনের পরিচয় মেলেনি।

শাহবাগ এলাকায় ২০২৫ সাল বা তার আগে কত সংখ্যক অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার হয়েছে সে-সংক্রান্ত তথ্য পুলিশ দিতে পারেনি। তবে শাহবাগ থানা পুলিশের রমনা বিভাগের অধীন; এ বিভাগে ২০২৫ সালে ৮১টি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ পাওয়া যায় শাহবাগ এলাকায়।

স্থানীয়রা জানান, ঢাকা মেডিকেলের আশপাশসহ এই এলাকায় বিপুলসংখ্যক ভাসমান মানুষ থাকে। পুরো শাহবাগ এলাকায় এমন মানুষের সংখ্যা অনেক।

সমকাল

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সন্দেহ হলেই পুলিশ বা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নতুন মাদক আইনে আদালতের আগাম অনুমোদন ছাড়াই জব্দ করতে পারবে কারো মোবাইল ফোন। এরপর ফোনটি পাঠানো হতে পারে ডিএনসির ডেটা ফরেনসিক সেন্টারে।

সেখানে ক্লোন করা হবে ফোনের সবকিছু— মেসেজ, ছবি, কল রেকর্ড, সব। আর যদি স্ক্রল করতে করতে বেরিয়ে আসে বন্ধুর পাঠানো একটা পুরোনো এসএমএস— ‘মামা, মাল আছে?’— তাহলে পড়তে হবে এমন এক আইনের আওতায়, যেখানে সাজা হিসেবে আছে ন্যূনতম পাঁচ বছরের কারাদণ্ড থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন, এমনকি মৃত্যুদণ্ড।

গত ১৬ জুলাই গেজেট আকারে প্রকাশিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর কয়েকটি বিধান নিয়ে এমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে।

সরকারি কর্মীদের এভাবে ঢালাও আইনি ক্ষমতা দেওয়ার অতীত অভিজ্ঞতা সুখকর হয়নি বলছেন তারা।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এভাবে অস্পষ্ট সংজ্ঞায়ন এবং অতিরিক্ত সাজার বিধানের কারণে এর ব্যাপক অপপ্রয়োগের অভিযোগ আছে। এই আইনটিও আরেকটি ‘কালো আইন’ হতে পারে বলছেন তারা।

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, দীর্ঘ হচ্ছে হাসপাতালে রোগী ভর্তি ও প্রাণহানির তালিকা।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় আক্রান্ত ও মৃতের সঠিক পরিসংখ্যান যখন সবচেয়ে জরুরি, তখন দেশের ৮৪ শতাংশের বেশি সরকারি হাসপাতাল থেকেই ডেঙ্গু রোগীর কোনো তথ্য পাচ্ছে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ফলে সরকারিভাবে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেশের সংক্রমণ ও মৃত্যুর প্রকৃত চিত্র কতটা প্রতিফলিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, তথ্যের এ ঘাটতি ডেঙ্গুর হটস্পট শনাক্ত, চিকিৎসাসেবার প্রস্তুতি ও রোগ নিয়ন্ত্রণের কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণকে আরো জটিল করে তুলবে।

দেশেজুড়ে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকেও ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে রোগীরা ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলেও তাদের সবার তথ্য কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

বণিক বার্তা

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Biometrics to watchlists: Govt eyes automated border screening with US firm; অর্থাৎ বায়োমেট্রিক্স থেকে নজরদারি তালিকা: মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নজরদারির পরিকল্পনায় সরকার।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ‘সিকিউরিপোর্ট’কে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এর অংশ হিসেবে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোরশেদ চৌধুরী গত চৌঠা অক্টোবর সিকিউরিপোর্টকে চিঠি দিয়ে ২২ অক্টোবরের মধ্যে বিস্তারিত প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন এই প্রতিষ্ঠান গত দোসরা জুলাই স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে একটি প্রাথমিক প্রস্তাবনা জমা দিয়েছিল। যেখানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের সব আন্তর্জাতিক প্রবেশ ও বহির্গমন পথে একটি সমন্বিত অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করে।

প্রস্তাবিত এই কাঠামোর আওতায় বিমান ছাড়ার আগেই অভিবাসন কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের তথ্য পেয়ে যাবে। এরপর ইন্টারপোলের ডেটাবেস ও দেশের নিজস্ব ‘ওয়াচলিস্ট’-এর সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাত্রীদের প্রোফাইল যাচাই করে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

এর ফলে কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে পারবেন এবং সাধারণ যাত্রীদের ছাড়পত্র পাওয়ার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ‘জ্ঞানেশ হটাও’ অভিযানে কেউ যাতে আজ শনিবার রাজপথে নামতে না পারেন, সে জন্য পুলিশ ও প্রশাসন ব্যাপকভাবে তৎপরতা শুরু করেছে।

‘তেলাপোকা’দের ঠেকাতে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিকে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারই অবরুদ্ধ করে ফেলেছে।

ট্রেন, মেট্রোসহ দিল্লিতে বিভিন্ন পরিবহন চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে সতর্ক করা হচ্ছে।

নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন কঠোর অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

গতকাল শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো যায় না। আন্দোলন রুখতে দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা মানা যায় না।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের বেসরকারি খাতে গত ৩৩ বছরের মধ্যে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমেছে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। অন্যদিকে, গত দুই মাসে ব্যাবসায়িক কর্মকাণ্ডের সূচক সর্বাধিক সংকুচিত হয়েছে।

এর সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে উৎপাদন শিল্পে। উৎপাদন, কাঁচামাল আমদানি সবই কমছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, উচ্চ সুদহার, খেলাপি ঋণের চাপ ও ব্যাবসায়িক অনিশ্চয়তা।

বেসরকারি খাত এখন নতুন বিনিয়োগের পরিবর্তে বিদ্যমান ব্যবসা টিকিয়ে রাখতেই হিমশিম খাচ্ছে।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করছেন, দ্রুত উন্নতি না হলে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে চাপ আরো বাড়বে, যা সামাজিক অস্থিরতা তৈরির পাশাপাশি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনও কঠিন করে তুলতে পারে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপিতে বেসরকারি বিনিয়োগের অংশ দাঁড়িয়েছে ২১.৫৩ শতাংশ, যা ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

যদিও দেশের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৯৩ থেকে ৯৫ শতাংশ আসে এই খাত থেকে।

কালের কণ্ঠ

এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগামী ডিসেম্বরকে টার্গেট করে চলতি মাসের শেষে বা নভেম্বর মাসজুড়ে রাজধানীতে নানা ধরনের অস্থিরতা ও নাশকতার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য হকারের ছদ্মবেশে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চলছে।

গোয়েন্দাদের এমন তথ্যের ভিত্তিতেই সরকার রাজধানীর ফুটপাথ হকার মুক্ত করার মিশনে নেমেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার যে ঘোষণা দিয়েছেন সেই ঘোষণার পর নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীরা গ্রাম থেকে ঢাকায় অবস্থান নিতে শুরু করে ছদ্মবেশে।

যার একটি অংশ হলো হকারের ছদ্মবেশে রাজধানীতে সক্রিয় থাকা। আরেকটি হলো ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের ঘিরে।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সরকার এরই মধ্যে ফুটপাথ থেকে হকার সরানোর কাজ শুরু করেছে। তবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার তথ্য সংগ্রহ এখনো শেষ হয়নি।

এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে হকারদের সাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকদের একাংশ সংগঠিতভাবে জড়ো হয়।

নয়া দিগন্ত

এতে বলা হয়েছে, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকার ভর্তুকি দেয় ৪ টাকা ৫২ পয়সা। বছর শেষে এই ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়ায় ৬২ হাজার কোটি টাকা।

কিন্তু বিপরীত চিত্র দেখা যায়, সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানির বেলায়।

কোম্পানিগুলো নিজেদের লাভজনক দেখিয়ে মুনাফার একটি অংশ ‘প্রফিট বোনাস’ হিসেবে কর্মীদের মধ্যে বণ্টন করে দিচ্ছে। একজন কর্মী বেতনের বাইরে প্রতি বছর ‘প্রফিট বোনাস’ হিসেবে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকেন।

ভর্তুকির টাকায় চলা বিদ্যুৎ খাতের সরকারি কোম্পানির কথিত ‘প্রফিট বোনাস’ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শ্রম আইনের একটি ধারার সুযোগ নিয়ে এই ‘প্রফিট বোনাস’-এর নামে প্রকৃতপক্ষে লুটপাট হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কক্সবাজারে রিসোর্ট থেকে ধরা পড়ে এক আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্র। সেখানে ছাড়াও চট্টগ্রামের খুলশীতে একটি ভবন ভাড়া নিয়েও থাকতেন এই চক্রের সদস্যরা।

এর মধ্যে তারা কক্সবাজারে পুরো রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে এর প্রতিটি কোনাকে উচ্চ প্রযুক্তির সরঞ্জামে সাজিয়ে নিয়েছিল নিজেদের মতো করে। সেখানে কাজ করতেন বিশেষজ্ঞ স্ক্যামারসহ কয়েক শ বিদেশি।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, চার দেশ থেকে তাড়া খেয়ে বাংলাদেশে আসা এই চক্রে ছিল চীনাদের নেতৃত্বে আরও কয়েকটি দেশের অন্তত ৪০০ নাগরিক।

চক্রের টার্গেট ছিলেন ভারতসহ নয়টি দেশের ধনী ব্যক্তি ও সচ্ছল নারীরা। সন্ধান পাওয়ার আগে গত ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চক্রটি প্রতারণার মাধ্যমে ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক মিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে।

মূলত অন্য একটি দেশের গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়ে এই চক্রকে শনাক্ত করে বাংলাদেশের পুলিশ।

আজকের পত্রিকা