Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘সরকারি চাকরিতে ইনক্রিমেন্ট হার সমান থাকছে না’

পত্রিকা: ‘সরকারি চাকরিতে ইনক্রিমেন্ট হার সমান থাকছে না’

2
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির দীর্ঘদিনের প্রচলিত নিয়মে বড় পরিবর্তন আসছে। নবম জাতীয় বেতনকাঠামোয় সব গ্রেডে প্রায় সমান হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার পদ্ধতি থেকে সরে আসছে সরকার।

এবার বেতন বৃদ্ধির হার নির্ধারণে গ্রেডের পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে আয়, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং স্তরভেদে চাকরিজীবীদের বাস্তব চাহিদা। এ কারণে নতুন কাঠামোয় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা পেতে যাচ্ছেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলের সুপারিশ দ্রুত মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় তোলার ব্যবস্থা নিতে অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান নিয়মে সরকারি কর্মচারীদের বেতনকাঠামোর সব গ্রেডেই গড়ে ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়। তবে নতুন বেতনকাঠামোর খসড়ায় শুধু ৬ষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি মূল বেতনের ৫ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আজকের পত্রিকা
বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, প্রবাসীদের অর্থে গড়ে ওঠা ব্যাংকটির অনেক শাখা ব্যবস্থাপক ও প্রধান কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। এতে প্রবাসীদের ভাগ্য পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে না পারলেও ব্যাংকটির অনেক কর্মকর্তার পকেট ভারী হয়েছে।

আর অতীতে রাজনৈতিক তদবির ও ঘুসের বিনিময়ে দেয়া ঋণ আদায় না হওয়ায় ব্যাংকটির আর্থিক ক্ষত ক্রমেই গভীর হচ্ছে। গত ২ জুলাইয়ের তথ্য বলছে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের প্রায় ৬১ শতাংশ ঋণই খেলাপির খাতায় উঠেছে। ব্যাংকটির ১২২টি শাখার বেশির ভাগের খেলাপি ঋণের হার এখন ৭০ শতাংশের বেশি।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ বলছে, ২০১১ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রার শুরু থেকেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নীতিনির্ধারকরা নানামুখী অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়েছিলেন। সে সময় কর্মকর্তা হিসেবে যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, তার বেশির ভাগ ছিলেন তৎকালীন ক্ষমতাসীন, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী।

ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিএম কয়েস সামি কোনো নিয়মনীতি না মেনেই এসব নিয়োগ দিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে মূল প্রভাবক ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

প্রথম আলো

‘বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লেও ঘানা-উগান্ডার পেছনে দেশ’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে ২০২৫ সালে ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি।

অবশ্য বিদেশি বিনিয়োগ সব সময়ই কম পায় বাংলাদেশ। এমনকি তা আফ্রিকার দেশ উগান্ডা, ঘানা, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর মতো ছোট অর্থনীতির দেশের থেকেও কম।

বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), অর্থাৎ অর্থনীতির আকার হচ্ছে ৫০১ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের তুলনায় উগান্ডার অর্থনীতির আকার সাত ভাগের এক ভাগ। দেশটি গত বছর ৩ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারের এফডিআই পেয়েছে।

একইভাবে ঘানা ও কঙ্গো অর্থনীতির আকারে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে থেকে বেশি বিনিয়োগ পাচ্ছে।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থার (আঙ্কটাড) বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিবেদন ২০২৬-এ এমন চিত্র উঠে এসেছে।

আঙ্কটাডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকার এই ছোট তিন দেশ জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদে বড় বড় প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছে। তার বিপরীতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ টানতে হিমশিম খাচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিযোগী দেশ ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ভালো বিনিয়োগ পাচ্ছে।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক গুরুতর কিছু অভিযোগ পেয়েছে। যেখানে দেখা গেছে আমদানির বিপরীতে বিদেশী ব্যাংকগুলোকে নস্ট্রো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ডলার পরিশোধ করা হলেও, দেশী ব্যাংকে গ্রাহকের নামে কোনো ঋণ বা দায় সৃষ্টি করা হয়নি।

ব্যাংকিং রীতি অনুযায়ী এটি যেমন গুরুতর অপরাধ, তেমনি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর আইটি সিস্টেম থেকে এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলারও অভিযোগ উঠেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারণা, ব্যাংকগুলোর ট্রেজারি ও আইটি বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এই চক্রের সাথে সরাসরি জড়িত। ট্রেজারি বিভাগে এ ধরনের আর কী পরিমাণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে এবং এর আড়ালে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা বিদেশে টাকা পাচার করেছে কি না, তা উদ্ ঘাটনে এবার বিশেষ চিরুনি অভিযানে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এই চাঞ্চল্যকর অনিয়ম ও তথ্য গায়েবের রহস্য উদঘাটনে প্রথম দফায় নির্দিষ্ট ছয়টি ব্যাংককে বেছে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক; বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংক এবং বিদেশী খাতের এইচএসবিসি।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, পেনাল্টি মিস করেছিলেন, দুটি গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল দলও। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত দুরুদুরু বুকে কাঁপতে শুরু করেছিল ভক্তরা।

কারণ চোখ রাঙাচ্ছিল দুই সাবেক চ্যাম্পিয়ন জার্মানি ও ব্রাজিলের মতোই বিদায়ের শঙ্কা। কিন্তু চলতি বিশ্বকাপে অদম্য লিওনেল মেসিকে ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি মিসরের রক্ষণভাগ, তিনি কোটি ভক্তের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আবারও ত্রাতার ভূমিকায়।

পরের ১৩ মিনিটে তাঁর পায়েই রচিত হয়েছে আরেকটি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে রোমাঞ্চকর জয়ের গল্প। ম্যাচের ২১ মিনিটে স্পট কিকে লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হলেও পরে একটিতে অ্যাসিস্ট করেছেন এবং আরেকটি নিজেই লক্ষ্যভেদ করে দলকে সমতায় ফিরিয়েছেন।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে ৩-২ গোলে মিসরকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় গতকাল মঙ্গলবার শেষ ষোলোর ম্যাচে এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

হাল না ছাড়া লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা পরের ১৩ মিনিটে তিন গোল করে নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নেয় মেসি ম্যাজিকে।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পার্বত্যাঞ্চল। লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে পাহাড় ও ভূমিধসের শঙ্কা। বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন ফ্লাইট নামতে পারেনি।

চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। সিটি করপোরেশন তাদের আওতাধীন ৪৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মঙ্গলবার ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও সড়ক-অলিগলি ডুবে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা যেতে পারেনি স্কুলে।

রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ধসে নারীর মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে তীব্র পানি প্রবাহের কারণে ৭ ঘণ্টা আটকা থাকে ট্রেন।

কক্সবাজারে দুদিনে পাহাড়ধস ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে মাতামুহুরী নদীর পানি। রাঙামাটিতে পাহাড়ধস হয়েছে। গাছ উপড়ে মারা গেছেন একজন। খাগড়াছড়িতে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল।

বান্দরবানের থানচিতে আটকে পড়া শতাধিক পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। পানিতে ডুবে মারা গেছে এক শিশু। সড়কে পানি জমেছে বরিশাল নগরীতে। নদীভাঙন তীব্র হয়েছে ভোলায়। উত্তাল সাগর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে হয়েছে বরগুনার পাথরঘাটাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার সহস্রাধিক জেলেকে।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, হাম-পরবর্তী গুরুতর জটিলতার একটি হচ্ছে চোখের সমস্যা। যথাসময়ে চিকিৎসা না নিলে স্থায়ী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। হামের ভাইরাস সরাসরি চোখের টিস্যুকে আক্রান্ত করতে পারে, আবার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল করে অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে হামের শারীরিক উপসর্গ কমে যাওয়ার পর চোখে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কনজাংটিভাইটিস বা চোখ লাল হয়ে যাওয়া, কর্নিয়ায় প্রদাহ এবং কিছু ক্ষেত্রে কর্নিয়ায় ক্ষত বা আলসার।

গত সাড়ে তিন মাসে প্রায় ৩৫০ জন রোগী হাম-পরবর্তী চোখের জটিলতায় চিকিৎসা নিয়েছেন। জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে দুইশর বেশি শিশু একই ধরনের জটিলতায় চিকিৎসা নিয়েছে।

হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের এক চিকিৎসকও এ ধরনের পঞ্চাশের বেশি রোগী দেখেছেন। কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ মাসুদুল হাসানের ব্যক্তিগত চেম্বারে এমন প্রায় ১০০ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

দ্য ডেইলি স্টার

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Fresh hike in oil prices may derail inflation target’ অর্থাৎ ‘তেলের দাম আবার বাড়লে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হতে পারে’।

খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম নতুন করে বেড়ে গেলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে বলে সতর্ক করেছে অর্থ বিভাগ।

তারা বলেছে, এর ফলে চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও সংকুচিত হতে পারে।

১১ জুন সংসদে উপস্থাপিত রাজস্ব ঝুঁকি বিষয়ক মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তেলের দাম ৩০ শতাংশ বাড়লে গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবহন ও উৎপাদন খাতে ব্যয়জনিত চাপের কারণে ২০২৭ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা মুদ্রাস্ফীতির নিম্নমুখী ধারাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করতে পারে।

বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। গত অর্থবছরে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ শতাংশ, তবে অর্থ বিভাগ ৮ দশমিক ৯ শতাংশের প্রাক্কলন করেছিল। অন্যদিকে বিবিএসের তথ্যে দেখা গেছে, এই হার ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

নিউ এইজ

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Dhaka world’s 3rd least liveable city’ অর্থাৎ ‌‌‌’বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য দেশের তালিকায় ঢাকা তৃতীয়’।

খবরে বলা হচ্ছে, বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা বিভাগ ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) তৈরি করা ২০২৬ সালের বৈশ্বিক বাসযোগ্যতা সূচকে এ চিত্র উঠে এসেছে। সূচকে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মধ্যে বাসযোগ্যতার দিক দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দামেস্ক ও ত্রিপোলি শহরের পরেই রয়েছে ঢাকা।

গতকাল সোমবার রাতে এ সূচক প্রকাশ করা হয়। স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো—এই পাঁচ দিক বিবেচনা করে এ সূচক প্রকাশ করা হয়।

সূচকে ঢাকার মোট স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৪২ আর শহরগুলোর তালিকায় অবস্থান ১৭১তম। গত বছরের সূচকেও বাংলাদেশের অবস্থান একই ছিল। তলানিতে থাকা সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের স্কোর ৩২। আর ১৭২তম স্থানে থাকা লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির স্কোর ৪১।

সূচকে তলানির দিকে থাকা অর্থাৎ বাসযোগ্যতার দিকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় থাকা অপর সাতটি শহর হলো পাকিস্তানের করাচি (১৭০), আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স (১৬৯), নাইজেরিয়ার লাগোস (১৬৮), পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোর্সবি (১৬৭), ইউক্রেনের কিয়েভ (১৬৬), জিম্বাবুয়ের হারারে (১৬৫) ও ইরানের তেহরান (১৬৪)।

দেশ রূপান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চামড়া শিল্পনগরী দেশের চামড়া খাতের প্রধান কেন্দ্র। হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি স্থানান্তরের পর কথা ছিল চামড়াশিল্প খাত পৌঁছাবে আন্তর্জাতিক মানে। একই সঙ্গে রোধ করা যাবে ভয়াবহ পরিবেশ দূষণ।

তবে প্রায় দেড় যুগ পর এসে দেখা যাচ্ছে, এসব লক্ষ্যের খুব সামান্যই পূরণ হয়েছে। উল্টো প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি এবং অনিয়মের প্রমাণ উঠে এসেছে সরকার নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষাতেই। দেখা যাচ্ছে, লক্ষ্য পূরণের পরিবর্তে এই চামড়া শিল্পনগরী নিজেই দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে।

পরিকল্পনা কমিশনের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সমীক্ষায় প্রকল্পটির রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্যও এসেছে। আইএমইডি নিয়োজিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘প্রকাশ গণকেন্দ্র (পিজিকে) ‘ এই সমীক্ষা পরিচালনা করে।

পিজিকের প্রতিবেদনে অবৈধ আড়ত, মধ্যস্বত্বভোগী নির্ভরতা, কাঁচাচামড়া বাজারে অস্বচ্ছতা, প্রশাসনিক ভবনের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু না হওয়া, রেন্টাল নীতিমালার অভাব, অডিট আপত্তি, প্রশাসনিক জটিলতা এবং কিছু অবকাঠামোর অপূর্ণাঙ্গ ব্যবহারকে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।