Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘২৪ ঘণ্টায় নাটকীয় মোড়, নেপথ্যে কূটনৈতিক বিবৃতি’

পত্রিকা: ‘২৪ ঘণ্টায় নাটকীয় মোড়, নেপথ্যে কূটনৈতিক বিবৃতি’

4
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হওয়া এবং এর মাঝেই আগামী মাসে ভারত সফরে যেতে পারেন তারেক রহমান, এ সংক্রান্ত খবর আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। এছাড়া, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শিক্ষাঙ্গন অশান্ত হওয়া; জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণন কার্যক্রম বেসরকারি খাতে ছাড়ছে সরকার- এমন খবরও রয়েছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে সৃষ্টি হয় তিক্ততা।

বাংলাদেশকে চাপে রেখে ফায়দা তোলার বদলে হঠাৎ করেই পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। ঢাকার বিবৃতি সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে। যেটি কি না কেবল কূটনৈতিক বিবৃতি নয়, পুরোপুরি রাজনৈতিক বিবৃতি। যার মাধ্যমে ঢাকার অবস্থান পরিষ্কার করা হয়।

এই বিবৃতি প্রচারের সঙ্গে সঙ্গেই দিল্লিতে কর্মকর্তারা নড়েচড়ে বসেন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের একাধিক বৈঠকের খবর পাওয়া গেছে। এসব বৈঠকে আত্মসমালোচনাও করা হয়।

এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকায় আসে নতুন বার্তা।

একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা একটি বিশেষ পত্র নিয়ে ঢাকা আসছেন শিগগিরই। ওই বিশেষ পত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের তাগিদ থাকবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের আমন্ত্রণও থাকতে পারে।

মানবজমিন

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েনের মাঝে আগামী মাসে ভারত সফরে যেতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর এ সফর হতে পারে। সেখানে ব্রিকস আউটরিচ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন তারেক রহমান।

পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক হতে পারে।

বৈঠকে সীমান্ত নিরাপত্তা, তিস্তাসহ যৌথ নদীর পানি বণ্টন, বাণিজ্যিক বাধা দূরীকরণ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে তা জানতে পেরেছে বলে দৈনিকটি খবরে উল্লেখ করেছে।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে দেশে অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার। এটিকে জনগণের আকাঙ্ক্ষা হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছিল।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসের মাথায় ২০২৪ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। সেগুলো হলো—সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও পুলিশ সংস্কার কমিশন। পরে আরও পাঁচটি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল।

রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রশ্নে দীর্ঘ আলোচনা শেষে প্রস্তাব তৈরি ও গণভোট হলেও এখন পর্যন্ত মৌলিক কাঠামোগত কোনও সংস্কার হয়নি।

সংবিধান সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার যে প্রক্রিয়া নির্ধারণ করেছিল, সেটি অনুসরণ করছে না নির্বাচিত বিএনপি সরকার।

এর মধ্যে সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রথম আলো

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন কার্যক্রম বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এর অংশ হিসেবে বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু শুরু করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ।

এ-সংক্রান্ত গঠিত এক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এখন খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি চেয়ে চারটি ব্যবসায়িক গ্রুপ সরকারের কাছে আবেদন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে টিকে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ।

বসুন্ধরা বাদে বাকি তিনটি কোম্পানি দেশে রিফাইনারি বসিয়ে ক্রুড অয়েল আমদানি করে তা পরিশোধনের মাধ্যমে বিক্রির অনুমতি চেয়েছে। কেবল বসুন্ধরা গ্রুপ পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে আবেদন করেছে।

এছাড়া, ক্যাম্পাসগুলোতে সম্প্রতি ছাত্রদল-শিবিরের মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে দৈনিকটি প্রধান খবরসহ এ নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করেছে।

যেখানে ওঠে এসেছে ক্যাম্পাসগুলোতে শিবিবের ‘মোড়লিপনা’ আর মানতে নারাজ ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল। আবার সংঘর্ষের পর কোথাও ছাত্রদল হলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, কোথাও আবার শিবিরকর্মীরা চুপচাপ হয়ে গেছেন।

সমকাল

এতে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী ঘিরে দেশের বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন করে উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

গত তিন থেকে পাঁচই অগাস্টে দেশের অন্তত ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এসব ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও দুই সংগঠনের নেতাকর্মীসহ অন্তত দেড় শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

এতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে।

মূলত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে জানা যাচ্ছে।

নয়া দিগন্ত

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ই অগাস্ট বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে।

এরই মধ্যে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, মন্ত্রণালয় পরিচালনায় সক্ষমতা এবং ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে মূল্যায়ন চলছে।

সরকারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার কারও কারও দপ্তর পরিবর্তন হতে পারে। আবার কারও দায়িত্ব কমতে পারে, একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজনের দপ্তর ভাগ করে দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ যুক্ত করার বিষয়েও জোরালো আলোচনা রয়েছে।

এর মধ্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান ও সেলিমা রহমানকে মন্ত্রী করা হতে পারে।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন।

মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হতে পারেন জয়নুল আবদিন ফারুক, শহিদুল ইসলাম বাবুল।

এদিকে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হতে পারে।

এছাড়া, দু-তিনটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রী করা হতে পারে।

কালের কণ্ঠ

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Nesco caught in tug-of-war; অর্থাৎ, নেসকো নিয়ে টানাটানি।

উত্তরের দুই বিভাগ রাজশাহী ও রংপুরে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) নিয়ে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের আঞ্চলিকতার লড়াইয়ের বিষয়ে এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই থাকবে নাকি বগুড়ায় যাবে, এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের গণ্ডি ছাড়িয়ে মন্ত্রিসভার দুই সদস্য মিজানুর রহমান মিনু ও মীর শাহে আলমের প্রকাশ্য অবস্থান-রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

এদের কেউ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নন। তারপরও নিজেদের জেলায় এই কার্যালয় নিশ্চিত করার দৌড়ে অংশ নিয়েছেন।

আবার দুই নেতা যেসব বক্তব্য রাখছেন, তাতে পরস্পরের প্রতি আক্রমণ যেমন ফুটে উঠছে, তেমনি আঞ্চলিকতার বিষয়টি অর্থনীতির চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলেই সমালোচনা আছে।

টাইমস অব বাংলাদেশ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর— Teacher shortages strain government primary schools; অর্থাৎ, শিক্ষক সংকটে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোয় চাপ বাড়ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের অর্ধেকেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য এবং হাজার হাজার সহকারী শিক্ষকের পদও খালি।

এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া, একাধিক বিষয় পড়ানো এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে শ্রেণিকক্ষের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিজেও নিশ্চিত করেছেন, দেশের ৬৫,৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬,২৩৫টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

এদিকে, সরকার বলছে, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার অবসান হওয়ায় এখন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।

এছাড়া, প্রশিক্ষণ শেষে ১৪ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষক কাজে যোগ দেওয়ার পথে রয়েছেন।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হয়েছে, বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি আগের পরিকল্পনামতো কয়লাচালিত না করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং পরিবেশ রক্ষায় কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে কয়লার বদলে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রিক এই প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ধরেছে ২,৫০২ কোটি টাকা। ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে এর কাজ শেষ করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে একাধিক সঞ্চালন লাইন ও অবকাঠামো।

প্রকল্পটির বড় একটি অংশ বাস্তবায়ন হচ্ছে ভারতের সঙ্গে করা লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) চুক্তির আওতায়।

সঞ্চালন লাইনের ২০ কিলোমিটার ছিল রিভার ক্রসিং (নদী পারাপার)। কিন্তু অস্বাভাবিক দর, অর্থায়নে ধীরগতি ও নানাবিধ শর্ত থাকায় এ অংশটি থেকে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ। সিদ্ধান্ত হয় বিকল্প ব্যবস্থায় বাস্তবায়নের।

পরবর্তীতে প্রায় সাত কিলোমিটার রুট কমানোর পাশাপাশি উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হওয়ায় ঠিকাদার নির্বাচনে প্রতিযোগিতা বাড়ে।

বণিক বার্তা